• বিশ্ব বিদ্যালয়ের কাণ্ডে ক্ষুব্ধ কংগ্রেসও
  • এসকর্টের ধাক্কায় গুরুতর আহত বৃদ্ধা
  • রাজ্যে আটক তিন বিদেশী অনুপ্রবেশকারী
  • কেরালায় বিজেপি কর্মীদের পাশে দাঁড়ালো ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি
  • বিশ্ব বিদ্যালয় কাণ্ডে বেসামাল কর্তৃপক্ষ, বহিষ্কার ১
  • কদমতলায় আবাসিকে ষষ্ট শ্রেণীর ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, এলাকায় চাঞ্চল্য
  • গর্তে পরে শিশুর মৃত্যু
  • সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ব বিদ্যালয়ের কার্যকলাপ নিয়ে রাজ্যপালের ক্ষোভ
  • কলঙ্কিত ত্রিপুরা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান
  • ভারতীয়দের ডিএনএফএ ধর্মনিরপেক্ষতা: উপরাষ্ট্রপতি
  • ত্রিপুরায় সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডে প্রশস্থ হল সিবিআই তদন্তের পথ
  • বন্যার পর নদীর ভাঙ্গনে অস্তিত্ব সংকটে বহু মানুষ
  • স্ত্রী, সন্তানদের পুরিয়ে মারার চেষ্টা কনস্টেবলের
  • জলাশয় থেকে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
  • জি বি বাজারে বিলেতি মদ ভাসল নর্দমায়
  • দূর্নীতি গ্রস্থ কর্মী আধিকারিকদের কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
  • ত্রিপুরার দ্রুত উন্নয়নে আশাবাদী কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দ্রুত উন্নয়নের পথে ত্রিপুরার সহায় কেন্দ্র
  • উদয়পুরে উদ্ধার হল অজগর সাপ
  • ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে উদ্ধার ফেন্সিডিল এবং গাজা
  • রাজধানীতে আক্রান্ত এক যুবক
  • প্রাইভেট টিউশন শেষে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণ স্কুল ছাত্রী
  • মঙ্গলবার থেকে সূচনা হল আগরতলায় দ্বি-সাপ্তাহিক হামসফরের
  • প্রকাশিত হল উচ্চ মাধ্যমিকের বিজ্ঞান বিভাগের ফল, পাশের হার ৮৪.৩১ %
  • চন্ডিপুর সিপিআইএম এর পার্টি অফিস থেকে অস্ত্র উদ্ধার

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

স্পট লাইট

00310
0057
0057
0057
0057
কান্নায় ভেজা ঝাপসা চোখ খোজে সন্তানকে

আগরতলা ২১শে সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): আদর্শ কলোনির বাসিন্দা সাধনা দেবী যার চোখের দৃষ্টি এমনিতেই ঝাপসা, তায় কান্নার জলে এখন সব সময়ই বাষ্প-চোখ। একটু পেছন দিকে তাকানো যাক। আর পাঁচজনের মত উনিও একটি সুখের সংসার করতে চেয়েছিলেন। উনার তিন ছেলে ও এক মেয়ে। যদিও উনার স্বামী গত হয়েছেন অনেকদিন আগেই। সাধনা দেবীর তিন ছেলেই বিয়ে করে সংসার করেন। সাধনা দেবীর বড় আশা ছিল ছেলের বউ তো মেয়েরই মতো। তাই যত্ন আত্তিও নিশ্চয়ই মিলবে। কিন্তু অত সুখ সাধনা কপালে নেই। পোরা কপাল সাধনা দেবীর। ভাত কাপড়ের বদলে জুটতে লাগল দিবা রাত্রি শুধু অপমান শব্দ গুঞ্জনা। সাথে সাথে বোনাস হিসাবে ছিল লাথি, মুখ ঝামটা, ঝাঁটার বাড়ি। এত কিছুর পরও 'অ বুড়ি মরিস না ক্যান'। কথা বলতেই চোখ ভরে যেত জলে। আর বলতো সত্যি আমার মরণ হয় না কেন। বর্তমানে সাধনাদেবীর বাসস্থান জিবি হাসপাতালের যাত্রী শেডের খোলা চাতালে। উনার এই বর্তমান বাসস্থানটিও কিন্তু উনার তিন ছেলের দৌলতে পাওয়া। চিকিৎসার কথা বলে মাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল। মারের চোটে পাঁজরের দিকটায় ব্যথা হচ্ছিল। ঐ ব্যাথার কথা বলতেই উনার গুণধর ছেলেদেরকে আইডিয়া দিল বউয়েরা। 'হাসপাতালে ডাক্তার দেখামু কইয়া লইয়া যাও। ওইখানেই রাইখ্যা আইও। আপদ যাইব'। আর সেই মোতাবেক কাজ করল সাধনা দেবীর তিন বাধ্য ছেলে। শেডে এই কয়দিন অন্য মানুষজনই সাধনা দেবীকে এটা ওটা দিচ্ছেন। কিছু দিতে গেলেই এক চিলতে হাসি খেলে যাচ্ছে সাধনা দেবীর মুখে। শুধু উনার একটাই প্রশ্ন হ্যাঁ গা, তুমি আমার ছেলেদের চেন? উনার এখনো বিশ্বাস উনার ছেলেরা উনার কাছে আসবেন উনাকে মা বলে ডাকবেন। মায়ের মন। গর্ভে যে ধরেছিলেন একদিন।


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.