• রাজ্যেও পালিত হচ্ছে ইন্দিরা গান্ধীর ১০২ তম জন্মদিবস
  • নেশা কারবারি বিধান রায়ের বাড়ি এবং গোডাউনে পুলিশের তল্লাশি অভিযান
  • তেলের ট্যাঙ্কার থেকে ১৩০০ কেজি গাজা উদ্ধার
  • ২৫ নভেম্বর থেকে শুরু ২দিন ব্যাপী সিপিআইএমের রাজ্য সম্মেলন
  • ছেলের হাতে নৃশংসভাবে খুন হল বাবা
  • দফতরের সাথে প্রতারণা ও তথ্য জালিয়াতির অভিযোগ উঠল এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে
  • কলকাতা ত্রিপুরা ভবনের একাংশ কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে বেতন পাচ্ছেন না
  • পথ দুর্ঘটনায় দশম শ্রেণীর এক ছাত্রের মৃত্যু, আহত ১
  • বিমানের জ্বালানীর উপর থেকে ২ শতাংশ কর কমালো রাজ্য মন্ত্রীসভা
  • অ্যাসিড পানে এক ব্যাক্তির মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ
  • মিজোরামে ভোটের প্রাকমূহুর্তে কাঞ্চনপুরের রিয়াং শরণার্থী শিবিরে এলেন নেডার চেয়ারম্যান হিমন্ত বিশ্বশর্মা
  • উত্তর পূর্বাঞ্চল যুব উৎসবের সমাপ্তি আজ
  • বেআইনিভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে গিয়ে শিশু সহ ৪ ভারতীয় আটক
  • বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়নশিপে অসাধারণ পারফরমেন্স করে ঘরে ফিরল খুদে দাবাড়ু অর্সিয়া
  • অল্পের জন্য বড়সড় দূর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল ট্রমা সেন্টারের চিকিৎসা কর্মী সহ রোগীরা
  • ভাড়াটিয়া দা এর আঘাতে এক মহিলা আহত
  • যুব উৎসবে অংশ নিতে আসা নিজোরামের এক মহিলা প্রতিনিধি অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি
  • রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা চড়ছে
  • রাজ্যে বন ও বন্যপ্রাণীকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের বিকাশে বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী
  • নিজের গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা যুবকের
  • আজ জগদ্ধার্থী পুজো, পুজোকে কে কেন্দ্র করে মাতলো রাজ্যবাসী
  • মুঙ্গিয়াকামী বাজারের বাজার বার পরিবর্তন করার প্রতিবাদে তেলিয়ামুড়াতে জাতীয় সড়ক অবরোধ
  • মাটি খুড়ে বিপুল পরিমাণে গাজা উদ্ধার
  • বিমান সংকট নিরসনে বিমান পরিবহণ মন্ত্রীকে স্মারকলিপি বাম ছাত্র সংগঠনের
  • নিখোঁজ যুবকের ঝুলন্ত দেহ বীরচন্দ্র মনুর একটি রাবার বাগানে

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

স্বাস্থ্য

রুই মাছের কোফতা কারি তৈরির সহজ কৌশল জেনে নিন

২৯ সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): রুই মাছের ঝোল, ঝাল, কালিয়া আর ভুনা খেয়ে খেয়ে অরুচি ধরে গিয়েছে? তাহলে আজ বানিয়ে করে ফেলুন রুই মাছের কোফতা কারি। জেনে নিন রুই মাছের কোফতা কারি তৈরির সহজ কৌশল। দুপুরে হোক বা রাতে, আজ রুই মাছের কোফতা কারিতেই ভরে উঠুক পাত। রুই মাছের কোফতা কারি বানাতে লাগবে:— ১) রুই মাছের বড় টুকরা- ৪টি ২) পেঁয়াজ কুঁচি- ২ টেবিল চামচ ৩ )কাঁচা লঙ্কা-২-৩ টি ৪) নুন- স্বাদ মতো ৫) আদা বাটা- ২ চামচ ৬) হলুদ গুঁড়ো- ২ চামচ ৭) ধনেগুঁড়ো- ১ চামচ ৮) গোলমরিচের গুঁড়ো- সামান্য ৯) জিরা গুঁড়ো- ২ চামচ ১০) লঙ্কার গুঁড়ো- সামান্য ১১) ধনেপাতা কুচি- ২ চামচ ১২) রসুন বাটা- ১ চা চামচ ১৩) ডিম- ১টি ১৪) লেবুর রস- ১ চা চামচ ১৫) কর্ণফ্লাওয়ার- ১ টেবিল চামচ ১৬) টোস্ট বিস্কুটের গুঁড়ো- ২-৩ টেবিল চামচ ১৭) পেঁয়াজ বাটা- ২ কাপ ১৮) আদা বাটা- ১ চা চামচ ১৯) রসুন বাটা– ১ চা চামচ ২০) দারচিনি– ২-৩টি ২১) এলাচ- ২-৩টি ২২) লবঙ্গ– ২-৩টি ২৩) বাদামের পেস্ট- ১ টেবিল চামচ ২৪) টমেটো পিউরি– ১ কাপ ২৫) টক দই- আধা কাপ ২৬) কাঁচা লঙ্কা- ৫-৬টি ২৭) তেল- পরিমাণ মতো ২৮) পেঁয়াজ বেরেস্তা– পরিমাণ মতো রুই মাছের কোফতা কারি বানানোর পদ্ধতি:— প্রথমে রুই মাছ সামান্য হলুদ, লঙ্কার গুঁড়ো, নুন দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এরপর মাছগুলোর তেলের অংশ বাদ দিয়ে, কাঁটা বেছে, চামড়া ছাড়িয়ে মাছগুলো ভর্তা করে নিন। অন্য একটি পাত্রে এবার পেঁয়াজ কুঁচি (পরিমাণ মতো), ১ টা কাঁচা লঙ্কা কুঁচি, সামান্য নুন, আদা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, সামান্য গোললঙ্কার গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, সামান্য লাল লঙ্কার গুঁড়ো, ধনেপাতা, রসুন পেস্ট একসঙ্গে ভালো করে মেখে নিন। এর সঙ্গে আগেই ভর্তা করে রাখা রুই মাছ দিন। এখন যোগ করুন ডিম, বিস্কুটের গুঁড়ো, লেবুর রস। আবার সবকিছু একসঙ্গে মাখুন। সবশেষে কর্ণফ্লাওয়ার দিয়ে আবার মেখে নিন। এখন মাছের এই মিশ্রণটি থেকে গোল গোল মিডিয়াম আকারের বল তৈরি করুন। ওভেনে একটি প্যানে পরিমাণ মতো তেল গরম করে মাছের বলগুলো ডুবো ছেড়ে দিন ভাজার জন্য। মাঝারি আঁচে রুই মাছের বলগুলো বাদামী করে ভেজে আঁচ থেকে নামিয়ে নিন। এরপর আরেকটি পাত্রে আধা কাপের মতো তেল দিয়ে গরম করুন। পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, আদা বাটা দিন এতে। এখন টক দই, লঙ্কা, হলুদ, ধনেগুঁড়ো দিয়ে কষাতে থাকুন এবং স্বাদ মতো নুন দিন। কিছু ক্ষণ কষিয়ে নিয়ে এতে বাদাম পেস্ট এবং টমেটো পিউরি দিয়ে নাড়তে থাকুন। এবার এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি একসঙ্গে দিয়ে কষানো হয়ে গেলে আগেই ভেজে রাখা মাছের বলগুলো এতে দিয়ে দিন। বেরেস্তা দিয়ে নাড়ুন আবার। কষানো মশলাতে ২ কাপের মতো জল দিন। তারপর ধনেপাতা কুঁচি, কাঁচা লঙ্কা দিয়ে কম আঁচে রান্না করুন প্রায় ১০ মিনিট। মাঝে মাঝে নেড়ে দিতে হবে যাতে কোফতা গুলোতে মশলা ঠিক মতো ঢোকে। মিনিট দশেক পর কোফতার ঝোল একটু মাখা মাখা হয়ে এলে, নুন হয়েছে কিনা দেখে নিয়ে আঁচ থেকে নামিয়ে ফেলুন। অন্য একটি পাত্রে গরম গরম কোফতার উপরে সামান্য বেরেশ্তা, ধনেপাতা দিয়ে সাজিয়ে ভাত বা পোলাও-এর সঙ্গে পরিবেশন করুন মুখরোচক রুই মাছের কোফতা কারি।

29-09-2018 06:23:56 pm

নিরামিষ পদগুলির মধ্যে অন্যতম পদ ধোকার ডালনা, ধোকার ডালনার রেসিপি জেনে নিন

২৭ সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): দৈনন্দিন ব্যস্ততায় ঘরের সেই সব উপাদেয় খাবারের স্বাদ ভুলেই যেতে বসেছি আমরা। বাড়ির হেঁশেলেও জায়গা করে নিয়েছে রেস্তোরাঁর একাধিক বাহারি সুস্বাদু পদ। কিন্তু এই গরমে মুখের স্বাদ ফেরাতে নিরামিষ পদগুলির মধ্যে অন্যতম উপাদেয় পদ ধোকার ডালনা। সুস্বাদু নিরামিষ পদের অন্যতম পদ ধোকার ডালনার রেসিপি আজ রইল পাঠকদের জন্য। ডালনার ধোকা বানাতে লাগবে:— ছোলার ডাল-২০০ গ্রাম, পেঁয়াজের রস-২ টেবিল চামচ, কাঁচালঙ্কা বাটা-১ চা চামচ, ঘি-৩ টেবিল চামচ, তেল-২ টেবিল চামচ, নুন-স্বাদ মতো। ধোকার ডালনা বানানোর পদ্ধতি:— কড়াইতে ঘি ও তেল দিন। তেল-ঘি গরম হলে প্রথমে ধোকার টুকরোগুলো ভেজে তুলুন। ওই তেলেই পেঁয়াজ কুচি হালকা ভেজে পেঁয়াজ বাটা, আদা বাটা, টমেটো বাটা ও গুঁড়ো মশলা দিয়ে ভাল করে কষিয়ে নিন। মশলা কষানো হলে ধোকা, নুন অল্প জল দিয়ে ঢেকে দিন। ঝোল ঘন হয়ে এলে কাঁচালঙ্কা ও গরম মশলা দিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন। কিছু ক্ষণ পর ঢাকনা খুলে গরম গরম পরিবেশন করুন জিভে জল আনা ধোকার ডালনা।

27-09-2018 06:16:15 pm

সকালে খালি পেটে জল পান করার বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

সকালে ঘুম থেকে উঠেই খালি পেটে জল পান করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু এটা ঠিক কী কী উপকারে আসে কিংবা তার সুফল কেমন করে পাওয়া যায়, তা হয়তো অনেকেরই অজানা। চলুন জেনে নেওয়া যাক খালি পেটে জল পান করার কিছু উপকারিতা। ১. সকালে প্রতিদিন খালি পেটে জল খেলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়। ২. রাতে ঘুমানোর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হজম প্রক্রিয়ার তেমন কোনো কাজ থাকে না। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য অন্তত এক গ্লাস জল খেয়ে নেয়া উচিত। ৩. প্রতিদিন সকালে খাবার আগে এক গ্লাস জল খেলে নতুন মাংসপেশি ও কোষ গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। ৪. প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে জল খেলে মলাশয় পরিষ্কার হয় যায় এবং শরীর সহজেই নতুন করে খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে। ৫. যারা ডায়েটের মাধ্যমে ওজন কমাতে চান, তারা অবশ্যই প্রতিদিন সকালে উঠে জল পানের অভ্যাস করুন। কারণ যত বেশি জল পান করবেন, তত হজম ভাল হবে এবং শরীরে বাড়তি ফ্যাট জমবে না। ৬. প্রতিদিন সকালে মাত্র এক গ্লাস জল বমি ভাব, গলার সমস্যা, মাসিকের সমস্যা, ডায়রিয়া, কিডনির সমস্যা, আথ্রাইটিস, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি অসুখ কমাতে সহায়তা করে। ৭. ঘুম থেকে উঠে অনেকের মাথা ব্যথা করে। শরীরে জলের মাত্রা কমে যাওয়া মাথা ব্যথার অন্যতম কারণ। সারা রাত শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল যায় না। তাই সকালে উঠে যদি খালি পেটে জল পান করা যায় তবে মাথার যন্ত্রণা অনেকটা দূর হয়।

06-07-2018 03:41:42 pm

আনারসের কিছু উপকারিতা জেনে নিন

৬ জুলাই (এ.এন.ই ): মৌসুমী ফল আনারস অসংখ্য গুণে গুনান্বিত। এই ফল যেমন শরীরে জলের চাহিদা মেটায়, তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই এর। চলুন জেনে নেই আনারসের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে। ১. আনারস আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আনারস খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। ২. আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। ৩. শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট রয়েছে। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। ৪. আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ৫. দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্তবাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিণ্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে।

06-07-2018 03:32:02 pm

রূপচর্চা থেকে নানাবিধ কাজে উপকারিতা বা ব্যবহার জেনে নিন

৩ জুলাই (এ.এনো.ই ): আমলকি খুবই জনপ্রিয় স্থানীয় একটি ফল। দামে সস্তা এই ফল মানুষ রুচি বৃদ্ধি থেকে শুরু করে নানা কাজে লাগিয়ে থাকে। রূপচর্চা থেকে নানাবিধ কাজে এর ব্যবহার রয়েছে। নিচে আমলকির কয়েকটি উপকারিতা বা ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হল:- কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলস চিকিৎসায় : আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং পাইলস রোগ থেকে মুক্তি দেয়। স্কার্ভি দূরীকরণে : সাধারণত ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি নামক রোগ আমাদের শরীরে বাসা বাধে। এর ফলে দাঁতের মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে, মাড়িতে ঘা হয়, শরীর দুর্বল হয়ে যায়, চামড়ার নিচে রক্তক্ষরণ হয়, চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে যায় এবং হাড়ের মধ্যে পরিবর্তন দেখা দেয়। অথচ প্রতিদিন মাত্র ১-২টি আমলকি খেলে এসব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। আলসার চিকিৎসায় : নিয়মিত আমলকি খেলে পেটের আলসার দূর হয়। ক্ষুধামন্দা দূর করতে : প্রতিবার খাওয়ার আগে মাখন ও মধুর সঙ্গে আমলকির গুঁড়া মিশিয়ে খেলে ক্ষুধামন্দা দূর হয়। দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিকরণে : দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে আমলকি। এছাড়া চোখ লাল হওয়া, চুলকানো ও চোখ দিয়ে পানি পড়া রোধেও এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। সর্দি-কাশির চিকিৎসায় : দীর্ঘমেয়াদী কাশি-সর্দির জন্য আমলকির নির্যাস উপকারী। মেদ দূর করে : শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে দৈহিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। এমনকি এটি খেলে হজম শক্তি বেড়ে যায়। ফলে মানুষ মুটিয়ে যায় না। চুলের যত্নে : আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে। চুলের যত্ন নেওয়ার জন্য এটি একটি অপরিহার্য উপাদান। আমলকি খেলে শুধু চুলের গোড়াই শক্ত হয় না, চুল দ্রুত বেড়ে ওঠে। খুশকির সমস্যায় : চুলকে খুশকিমুক্ত ও কম বয়সে চুল পাকা রোধে আমলকি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। চর্মরোগের চিকিৎসায় : প্রতিদিন সকালে মধুর সঙ্গে আমলকির রস মিশিয়ে খেলে চর্মরোগ নিরাময় হয়। তাছাড়া এটি খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় এবং মুখের চামড়ায় কোনো দাগ পড়ে না।

03-07-2018 02:55:39 pm

শরীরে ডায়াবেটিসের প্রাথমিক উপসর্গ জেনে নিন

২ জুলাই (এ.এন.ই ): ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের অসুস্থতা বাড়িয়ে তোলে। এই রোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয়টি হল, অষুধ, শরীরচর্চা এবং খাওয়া-দাওয়া নিয়ম মেনে করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে বটে, কিন্তু তা কোনও ভাবেই পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়। সঠিক সময়ে শারীরিক লক্ষণগুলো চিহ্নিত করে ডায়াবেটিসের উপস্থিতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারলে দ্রুত চিকিৎসার মাধ্যমে দীর্ঘ স্বাভাবিক জীবন পাওয়া সম্ভব। ডায়াবেটিসের প্রাথমিক উপসর্গগুলি এক নজরে দেখে নেওয়া যাক। ১। পিপাসা ও প্রস্রাবের মাত্রা বৃদ্ধি- পিপাসা বেড়ে যাওয়া বা ঘনঘন প্রস্রাবের বেগ পাওয়ার সমস্যা দুটি ডায়াবেটিস রোগের ক্ষেত্রে খুবই সাধারণ লক্ষণ। সাধারণত, একজন সুস্থ মানুষ সারাদিনে ৬-৭ বার প্রস্রাব করেন। পরিবেশ বা পরিস্থিতি পরিবর্তনে দিনে ৪-১০ বার প্রস্রাবকেও স্বাভাবিক ধরা হয়। তার বেশি হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ২। ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া- ডায়াবেটিসের তিনটি প্রধান লক্ষণের মধ্যে অন্যতম হল ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া। বারবার খাবার খাওয়ার পরেও একটা খিদে খিদে ভাব থেকেই যায়। এমন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত্। ৩। অবসাদ বা ক্লান্তি বোধ- পর্যাপ্ত ঘুমের পরেও যদি সারাদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত বোধ করেন তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ ডায়াবেটিসের ফলে শরীর পর্যাপ্ত গ্লুকোজ পায় না। পাশাপাশি অতিরিক্ত প্রস্রাবের ফলে শরীরে জলের ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাই শরীর ক্লান্ত ও অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। ৪। অস্বাভাবিকভাবে ওজন হ্রাস- খাদ্যাভ্যাসে কোনও ধরনের বিশেষ পরিবর্তন বা শরীরচর্চা ছাড়াই অস্বাভাবিকভাবে ওজন কমে যাওয়া ডায়াবেটিসের একটি অন্যতম লক্ষণ। ডায়াবেটিসের ফলে শরীর পর্যাপ্ত গ্লুকোজ পায় না। শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তির ঘাটতি দেখা দেয়। আর সেই ঘাটতি পূরণের জন্য শরীর তার ফ্যাট ব্যবহার করা শুরু করে। ফলে শরীর ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে, ওজন কমতে থাকে। ৫। অস্পষ্ট দৃষ্টিশক্তি- দৃষ্টি হঠাৎ করে যদি অস্পষ্ট বা ঝাপসা হতে থাকে এবং তার জন্য যদি চোখের কোনও সমস্যা না থাকে, তবে বুঝতে হবে ডায়াবেটিসের সমস্যার জন্যই এমনটা হচ্ছে। শরীরের অভ্যন্তরে তরলের মাত্রার তারতম্য হওয়ায় চোখ ফুলে যায়। ফলে দৃষ্টি হঠাৎ করে অস্পষ্ট বা ঝাপসা হতে থাকে। এমন হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। ৬। ক্ষতস্থান নিরাময় হতে সময় লাগা- শরীরের যে কোনও কাটা-ছেড়া ও ক্ষতস্থান শুকতে বা সেরে উঠতে যদি অনেক বেশি সময় লাগে তবে তা ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এমন হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

02-07-2018 02:27:36 pm

ডালিমের যাবতীয় গুনাবলি জেনে নিন

২৬ জুন (এ.এন.ই ): ডালিম ছোট বড় সব মানুষের নিকট জনপ্রিয় একটি ফল। ভিটামিন ও অন্যান্য খনিজ উপাদানে ভরপুর এই ফলটি স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। ডালিমের বিচি থেকে তৈরি তেলে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী উপাদান। ডালিম শুধু প্রজনন নয়, চিরন্তন জীবন, আশা এবং সৌভাগ্যের প্রতীকও বটে। মানব শরীর গঠন ও সুরক্ষায় ডালিমের রয়েছে বহুমুখী ওষুধি গুণ। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে রোগ প্রতিরোধক অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। ডালিমে খাদ্যশক্তি, শর্করা, ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও জিংক রয়েছে। সেইসঙ্গে রয়েছে ভিটামিন 'বি' কমপ্লেক্স যেমন থায়ামিন, রাইবোফ্লাবিন, নিয়াসিন এবং আয়রনেরও ভালো উৎস। নিচে ডালিমের যাবতীয় পুষ্টি গুণ নিয়ে আলোচনা করা হলো:- ১. ডালিম ভাইরাস প্রতিরোধোক। সাধারণ সর্দিকাশি, শ্বাসকষ্ট ও বাতের ব্যথা দূর করতে এর জুড়ি নেই। ২. বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। ৩. ডালিমের খোসা ডায়রিয়া ও ডিসেন্ট্রি প্রতিহত করে। ৪. ডালিমের বিচি থেকে তৈরি তেলে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী উপাদান। মূলত ডালিম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৫. ফিতাকৃমির সংক্রমণে ডালিমের মূলের শুকনা ছাল এবং কাণ্ড চিকিৎসার কাজে ব্যবহৃত হয়। ৬. ডালিমের ফুল ঋতুস্রাবজনিত সমস্যার ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৭. ডালিম ঠান্ডাজনিত রোগ উপশম করে। ৮. ডালিম অরুচি দূর করে ও খিদে বাড়ায়। ৯. দাঁত এবং মুখের রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। ১০. ডালিম ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। এর রস খুবই ভালো ত্বক পরিষ্কারক।

26-06-2018 01:49:08 pm

হাঁপানি হওয়ার বিভিন্ন লক্ষণ জেনে নিন

২৫ জুন (এ.এন.ই ): হাঁপানি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বংশগত। তবে মাত্রাতিরিক্ত দূষণের অনেকের মধ্যেই বাড়ছে হাঁপানির সমস্যা। ফুসফুসে অক্সিজেন বহনকারী সরু সরু অজস্র নালী পথ রয়েছে। ধুলা, অ্যালার্জি বা অন্যান্য নানা কারণে শ্বাসনালীর পেশি ফুলে ওঠে এবং অক্সিজেন বহনকারী নালী পথ সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। ফলে আমাদের শরীর প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায় না। আর এর থেকেই নিঃশ্বাসের কষ্ট-সহ নানা শারীরিক সমস্যা শুরু হয়। হাঁপানির প্রধান উপসর্গ স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, অল্পতেই ঠাণ্ডা লেগে কাশি বা বুকের মধ্যে সাঁই সাঁই করে শব্দ হওয়া।রাত বাড়লে এ সমস্যাও বেড়ে যায়। • অ্যালার্জি এই অসুখের এক অন্যতম কারণ। ধুলা, ধোঁয়া, তুলার আঁশ, পশুপাখির লোম, রান্নাঘর ও বিছানার ধুলা, বাতাসে ভেসে থাকা ফুলের রেণু ইত্যাদি শ্বাসনালীর সমস্যা সৃষ্টি করে। এগুলি ‘অ্যাজমা অ্যাটাক’-এর ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়াও রাসায়ানিকের উগ্র গন্ধ, গ্যাস হাঁপানির সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। • কিছু কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে অ্যাজমার অ্যাটাক হতে পারে। • ধূমপান এই রোগের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ধূমপান প্রত্যক্ষ হোক বা পরোক্ষ- তা হাঁপানির সমস্যা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। সন্তানসম্ভবা কোনও মহিলা ধূমপান করলে তার গর্ভজাত শিশুর হাঁপানিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। • ঋতুপরিবর্তনের সময় জ্বর, সর্দি-কাশি হাঁপানির প্রবণতা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। • পরিবারে কারও হাঁপানির সমস্যা থাকলে এই অসুখের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। • অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও অবসাদ হাঁপানির সমস্যা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। • অতিরিক্ত ফাস্ট ফুড ও জাঙ্ক ফুড খাওয়া, কনকনে ঠাণ্ডা পানি বা ঠাণ্ডা পানীয় খাবার অভ্যাস হাঁপানির সমস্যা অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাঁপানি হল ডায়বেটিস বা হাই ব্লাডপ্রেশারের মতো একটি অসুখ, যা সম্পূর্ণ রূপে নিরাময় করা সম্ভব নয়। কিন্তু সতর্কতা অবলম্বন করে চললে আর সঠিক চিকিৎসায় এই রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই উপরে উল্লেখিত উপসর্গগুলি নিজের বা পরিবারের কারও মধ্যে লক্ষ্য করলে দেরি না করে চিকিৎকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নিয়ম মেনে চলতে পারলে হাঁপানি বা অ্যাজমাকে দূরে সরিয়ে রেখে সুস্থভাবে জীবনযাপন সম্ভব।

25-06-2018 03:05:44 pm

ডিমের কুসুমের উপকারিতা জেনে নিন

২৫ জুন (এ.এন.ই ): ডিমের কুসুম খেলে শরীরে নানা রোগ প্রতিরোধ করে। কুসুম খাওয়ার রয়েছে অনেক উপকারিতাও। ডিমের কুসুমে থাকে 'লুটিন' ও 'জিয়ান্থিন' নামক দুই ধরনের ক্যারাটেনোয়েডস। যা চোখকে অতি বেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ডিমের কুসুম খেলে বার্ধক্যজনিত চোখের সমস্যা রোধ হয়। ডিমের কুসুমে থাকে 'কোলিন'। এটি একটি খাদ্য উপাদান যা শরীরের সকল কোষের সাধারণ কার্যপদ্ধতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বিশেষত, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। ফলে স্মৃতিশক্তি বাড়ে। কুসুমের আরেকটি উপাদানের নাম 'বেটাইন', যা রক্তে 'হোমোসিস্টেইন'য়ের মাত্রা কমায়। রক্তকণিকায় হোমোসিস্টেইনের মাত্রা বেশি থাকলে হৃদরোগ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তার মানে ডিমের কুসুম হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক। নতুন গবেষণা অনুযায়ী, 'স্যাচারেইটেড ফ্যাট' বা যে চর্বি সর্বোচ্চ পরিমাণে জল ধরে রাখে, যা আপনার শরীরের শত্রু নয়। আর কোলেস্টেরলের সমস্যা আগে থেকেই না থাকলে ডিমের কুসুমের কোলেস্টেরল ক্ষতিকর নয়। মনে রাখবেন পরিমাণ মতো খেলে কোনও খাবারই শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে না। তাই ডিমে অ্যালার্জি না থাকলে নিশ্চিন্তে কুসুমসহ ডিম খেতে পারেন

25-06-2018 02:45:03 pm

সকালে হালকা গরম জলে পাতিলেবু দিতে জল খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

১৬ এপ্রিল (এ.এন.ই ): সকালে উঠে অনেকেই হালকা গরম জলে সামান্য পাতিলেবু দিতে জল খান। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে বা ওজন কমে বলে মনে করা হয়। তবে এখন গবেষকরা বলছেন, লেবু দিয়ে নয়, শুধুমাত্র গরম জল খেলেই একাধিক উপকার পাওয়া ‌যায়। ওজন কমাতে একগ্লাস হালকা গরম জলই অনেক কাজ দেবে। তবে পানির তাপমাত্রা হতে হবে ১২০ ডিগ্রির মধ্যে। এই তাপমাত্রা মুখের ভেতরকার কোষ নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচায়। গরম জলের একটি বড় কাজ হল এটি পেটের চর্বি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। খালি পেটে গরম জল খেলে তা স্টোম্যাকের টক্সিন কমিয়ে দেয়। শরীরও তরতাজা রাখে সারাদিন। গরম জল পান করলে শ্বাসনালীর ইনফেকশন কমে ‌যায়।

16-04-2018 03:56:11 pm

আপেল খাওয়ার ৯টি স্বাস্থ্য উপকারিতা জেনে নিন

১৬ এপ্রিল (এ.এন.ই ): কথিত আছে, নিয়মিত আপেল খেলে নাকি ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। আপেল একটি সুস্বাদু ফল। আপেল খেলে পেটও ভরে বলে হালকা নাস্তা হিসেবে আপেলের জুড়ি নেই। চোখ ধাঁধানো রঙ এর কারণে ছোটরাও বেশ পছন্দ করেই খায় এই ফলটি। আসুন জেনে নেয়া যাক প্রতিদিন আপেল খাওয়ার ৯টি স্বাস্থ্য উপকারিতা- ১.সাদা ঝকঝকে দাঁত আপেল খেলে দাঁতের দারুণ উপকার হয়। তার কারণ, আপেলে কামড় দিয়ে যখন আমরা চিবোতে শুরু করিই, তখন আমাদের মুখের ভিতর লালার সৃষ্টি হয়। এই পদ্ধতিতে দাঁতের কোণা থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বেরিয়ে আসে। এর ফলে সেই ব্যাকটেরিয়া আর দাঁতের কোনও ক্ষতি করতে পারেনা। তাই বলে, শুধু আপেল খেয়ে দাঁতের যত্ন নিতে যাবেন না যেন! মনে করে, পেস্ট ব্রাশ ব্যবহার করে দাঁতের যত্ন নেবেন। ২.ক্যান্সার দূর করে: আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপেল খেলে অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সারের সম্ভাবনা প্রায় ২৩% হারে কমে। কারণ আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনল থাকে। এছাড়াও কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা আপেলের মধ্যে এমন কিছু উপাদানের সন্ধান পেয়েছেন, যা ট্রিটারপেনয়েডস নামে পরিচিত। এই উপাদানটি লিভার, স্তন এবং কোলোনের মধ্যে ক্যান্সারের কোষ বেড়ে উঠতে বাঁধা দেয়। ন্যাশানাল ক্যান্সার ইন্সটিটিউট ইন দ্য ইউ এস- এর গবেষণা থেকে জানা যায় যে, আপেলের মধ্যে যে পরিমাণে ফাইবার থাকে, তা মলাশয়ের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে। ৩.ডায়াবেটিসের সমস্যা কমায় যে সকল মেয়েরা প্রতিদিন আপেল খান, তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা ২৮% কমে যায়। তার কারণ, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা রক্তে শর্করার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে। ৪.কোলেস্টেরল কমায় আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা অন্ত্রের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। যার ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে। আর একবার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করলে হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। ৫.হার্ট ভালো রাখে আগেই বলা হয়েছে যে, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, আপেলের খোসার মধ্যে যে ফেনলিক উপাদান থাকে, তা রক্তনালিকার থেকে কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। এর ফলে হার্টে রক্তচলাচলা স্বাভাবিক থাকতে। ফলে হৃদযন্ত্রের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। ৬.গলস্টোন সারাতে সাহায্য করে পিত্তথলির মধ্যে অতি পরিমাণে কোলেস্টেরল জমে গেলে তখন গলস্টোন হয়। গলস্টোন কমানোর জন্য ডাক্তাররা সব সময় ফাইবার সমৃদ্ধ ফল বা খাদ্য খাওয়ার উপদেশ দেন। সেই সঙ্গে গলস্টোন সারাতে ওজন এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এই সবকটি কাজ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে আপেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। ৭.ডায়ারিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে আপনি কি সারাদিনে বারে বারে বাথরুমেই যেতে থাকেন? কোনও কিছু খেলেই বাথরুমে দৌড়াতে হয়? আবার এমনও কি হয়, যখন বাথরুমে গেলেন তখন দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়? অথচ কিছুতেই পেট পরিষ্কার হয় না। তাহলে এই দুই সমস্যারই একটাই ওষুধ। তা হল, আপেল, যা প্রয়োজন অনুযায়ী বর্জ্য থেকে অতিরিক্ত জল টেনে রাখতে পারে। ফলে একদিকে যেমন অতিরিক্ত বার বাথরুমে যেতে হয় না, তেমনিই হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে। ৮.ওজন কমাতে সাহায্য করে কত মানুষই তো আছেন, যারা অতিরিক্ত ওজনের কারণে জর্জরিত। আবার শুধুমাত্র এই কারণে, নানারকম রোগও শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। এমনকি, ডায়াবেটিস, হাড়ের রোগ কত কিছুই না হয়। তাই সেই সমস্ত রোগকে যদি বিদায় জানাতে চান, তাহলে নিয়ম করে আপেল খান। ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার আপনার পেট ভরাতে সাহায্য করে কোনও ক্যালরি ছাড়াই। এর ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ৯.লিভার সুস্থ থাকে আমরা যা কিছু খাই, তার মধ্যে কিছু না কিছু ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। ফলে আমাদের লিভারের ক্ষতি হতে শুরু করে। যে কারণে লিভারকে সুস্থ রাখাটা খুবই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে লিভারকে ১০০ শতাংশ সুস্থ রাখতে পারে আপেল। এটি খুব সহজেই লিভারে জমা হওয়া ক্ষতিকারক উপাদানদের বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে।

16-04-2018 03:47:03 pm

জেনে নিন কাঁচা আমের কিছু উপকারিতা

১৬ এপ্রিল (এ.এন.ই ): গ্রীষ্মকালীন ফল আম। গরমে দাবদাহে এক ফালি কাঁচা আম নিয়ে আসে প্রশান্তি। নানা গুণে ভরপুর আমকে বলা হয় ফলে রাজা। পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের পুষ্টিগুণ বেশি। তবে পুষ্টিবিদরা বলেন, পাকা হোক কাঁচা হোক যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন তা আমাদের জন্য উপকারী। চলুন জেনে নেয়া যাক কাঁচা আমের কিছু উপকারিতা- বাড়তি ওজন কমাবে: যারা ওজন কমাতে বা শরীরের বাড়তি ক্যালরি খরচ করতে চান, তাদের জন্য এখন আদর্শ ফল কাঁচা আম। পাকা মিষ্টি আমের চেয়ে কাঁচা আমে চিনি কম থাকে বলে এটি ক্যালরি খরচে সহায়তা করে। রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়: কাঁচা আমে যথেষ্ট পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে। আর এই পটাশিয়াম শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। গর্ভবতী মায়ের জন্য উপকারী: গর্ভবতী অবস্থায় মায়েরা কাঁচা আম খেলে অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষমতা বেশি থাকে সন্তানের। ফলে জন্মানোর পর খুব কমই রোগে আক্রান্ত হয় শিশুরা। ছোঁয়াচে রোগ থেকে বাঁচায়: কাঁচা আমে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-সি। ভিটামিন-এ চোখের জন্য উপকারী এবং সি যে কোনো ধরণের ছোঁয়াচে রোগ থেকে বাঁচায়।

16-04-2018 03:08:14 pm

প্রতিদিন মাংস খেলে হতে পারে ক্যান্সার, বাড়তে পারে কোলেস্টেরল, রক্তচাপ মন্তব্য গবেষকদের

৯ এপ্রিল (এ.এন.ই ): কোন খাবার শরীরের জন্য উপকারী আর কোন খাবার ক্ষতিকর, বেশিরভাগ মানুষ এসব না ভেবেই খাবার খান। শুধুমাত্র জিভের স্বাদে কত খাবারই না আমরা খাই। তাতে শরীরের কতটা কী ক্ষতি হল, সেদিকে একবারও ভেবে দেখি না। এমন বহু মানুষ আছেন যারা মাংস ছাড়া খাবারই খেতে পারেন না। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় মাংস রাখেন, এমন বহু মানুষ আছেন। কিন্তু জানেন কি, রোজকার খাবারের তালিকার এই মাংসই ডেকে আনতে পারে নানারকম অসুখ। অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার ফলে হতে পারে ক্যানসার, বিভিন্ন প্রকারের হৃদরোগ, বাড়তে পারে কোলেস্টেরল, রক্তচাপ। এখানেই শেষ নয়, রোজ রোজ মাংস খেলে হতে পারে লিভারের অসুখও। সম্প্রতি এক গবেষণায় এক তথ্য প্রকাশ হয়েছে, অতিরিক্ত মাংস খেলে বাড়তে পারে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিসিস'র প্রবণতা। এই নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিসিসের ফলে ক্যানসার, টাইপ টু ডায়াবিটিস, ক্রনিক হার্ট ডিসিস এবং আরও অন্যান্য ভয়ঙ্কর রোগের শিকার হতে পারেন। গবেষকরা জানাচ্ছেন, যারা প্রচুর পরিমাণে সঠিক উপায়ে তৈরি না হওয়া মাংস খান, তাদের মধ্যে বেশি পরিমাণে লিভারের সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া, প্রতিদিনকার খাবারের তালিকায় মাংস না রেখে, মাংসে থাকা একই পরিমাণ প্রোটিন আমরা অন্যান্য অনেক খাবারে পেতে পারি। তাই লিভার ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবারের তালিকায় মাংস রাখার আগে একবার ভেবে দেখুন।

09-04-2018 03:47:22 pm

দুধ ফুটিয়ে খাওয়া একান্তভাবে আব্যশক বক্তব্য বিশেষজ্ঞদের

৯ এপ্রিল (এ.এন.ই ): দুধ কাঁচা খাওয়া ভাল নাকি ফুটিয়ে খাওয়া ভাল, এ নিয়ে নানা মুনির নানা মত। নিজেদের আঙ্গিকে এটিকে ব্যাখ্যাও দিয়ে থাকেন। যে যাই বলুক সরাসরি গোয়ালঘর বা খামার থেকে আসা কাঁচা দুধ না ফুটিয়ে খেতে কঠোরভাবেই নিষেধ করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক বেশি। ফলে কাঁচা দুধ অবশ্যই ফুটিয়ে খেতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা দুধে অনেকরকম রোগজীবাণু বাসা বাঁধে। সরাসরি খামার থেকে আনা দুধ খেলে সেই জীবাণু শরীরের নানা ক্ষতি করতে পারে। দুধ ফোটালে উচ্চ তাপমাত্রায় সেই সব জীবাণু মরে যায়। এখন আমরা যে প্যাকেটের দুধ কিনি, তা পাস্তুরাইজড। জলে জীবাণুমুক্ত এবং সংরক্ষণের পদ্ধতির নাম পাস্তুরাইজেশন। বিশেষ পদ্ধতিতে উচ্চ তাপমাত্রায় পাস্তরাইজেশন করা হয়। প্যাকেটের দুধও ফুটিয়ে খাওয়াই ভাল, এমনটাও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ পাস্তরাইজেশন পদ্ধতিতে দুধ একশো শতাংশ ব্যাকটেরিয়া মুক্ত করা সম্ভব হয় না। নিউইয়র্কের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপকদের কথায়, না ফোটানো দুধে ই-কোলাই, সালমোনেল্লার মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধে। এই ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কমিয়ে দেয়। বিশেষত গর্ভবতী মহিলা, শিশু এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে সব সময় দুধ ফুটিয়ে খেতে বলেন চিকিৎসকেরা। বায়োটেকনোলজির বিশেষজ্ঞেরা জানান, দেখা গেছে কাঁচা দুধ তো বটেই, এমনকি পাস্তরাইজড দুধেও নানা রকম মাইক্রোব্যাকটেরিয়া জন্মায়। তাদের মধ্যে রয়েছে, সিউডোমোনাস (৬৪-৫৩.৮ শতাংশ), মাইক্রোকক্কাস (৮.২ শতাংশ), এনটারোব্যাকটর (৯.৮ থেকে ২.৬ শতাংশ), ব্যাসিলাস (৬.৬ থেকে ২.৬ শতাংশ), ফ্ল্যাভোব্যাকটর (১.৬ থেকে ১.৩ শতাংশ)। জাপানের ওহিও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানাচ্ছেন, পাস্তরাইজেশন পদ্ধতিতে দুধ জীবানুমুক্ত করতে গিয়ে উচ্চ তাপমাত্রায় ফোটানো হয়, ফলে দুধের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়। তাই বর্তমানে, এই পদ্ধতিতে দুধ একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ফোটানো হয় এবং ধীরে ধীরে সেটাকে ঠাণ্ডা হতে দেওয়া হয়। তাই গবেষকদের মত, প্যাকেট দুধ দোকান থেকে কিনে এনে কিছু সময় হলেও সেটাকে ফোটান। যদি কোনও জীবাণু থেকেও থাকে, ফোটালে সেই সম্ভাবনা দূর হবে।  

09-04-2018 03:41:56 pm

ক্যান্সার সহ বিভিন্ন রোগের হাত থেকে রক্ষা করে সফেদা

৯ এপ্রিল (এ.এন.ই ): মিষ্টি ফল সফেদা। সামান্য একটু হাতের চাপেই খুলে যায়। মুখে দিলে নিমেষে মিলিয়ে যায়। থেকে যায় মিষ্টি রসের আস্বাদ। কেবল স্বাদে নয়, গুণেও অতুলনীয় এই সফেদা। ১) সফেদার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ ও সি থাকে। ভিটামিন এ চোখের পক্ষে খুবই ভাল। আর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি'র জুড়ি মেলা ভার। ২) সফেদায় প্রচুর পরিমাণে শর্করা রয়েছে। তাই ব্যস্ত দিনের আগে একটি সফেদা খেয়ে নিলে শরীর গোটা দিন চাঙ্গা থাকে। ৩) এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। যা ওরাল ক্যাভিটি ক্যান্সারের মতো রোগকেও প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ৪) সফেদায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রন রয়েছে। ফলে এটি যেমন আপনার হাড়ের জোর বাড়ায়, তেমনই শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখে। ৫) সফেদা আবার শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। ফলে রক্তচাপও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ৬) একাধিক ভিটামিন ও ইলেক্ট্রোলাইট রয়েছে। তাই এটি গর্ভবতী মহিলাদেরও নিয়মিত খাওয়া উচিত। এতে বমি বমি ভাবটিও কেটে। ৭) সবেদায় জলের পরিমাণ বেশি থাকে। খিদে মেটাতেও এই ফল খুবই কার্যকরী। ফলে ডায়েটিংয়ের ক্ষেত্রে এই ফল ভীষণ উপকারী।  

09-04-2018 03:37:09 pm

মানব দেহের শরিরে সেদ্ধ ডিমের বিভিন্ন উপয়াকারিতা জেনে নিন

৩ এপ্রিল (এ.এন.ই ): ডিমকে বলা হয় 'সুপারফুড'। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস। প্রোটিনের সবচেয়ে ভালো উৎস হচ্ছে ডিম। এতে ক্যালোরিও বেশ কম থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের প্রতিদিন ২টি করে ডিম খাওয়া উচিত। আর সকালের খাবারে একটি সেদ্ধ ডিম সারাদিন শরীরকে রাখে চাঙ্গা। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই, প্রতিদিন সকালের খাবারে সেদ্ধ ডিম খাওয়ার উপকারিতাগুলো সম্পর্কে। ১. শক্তি যোগায় একটি বড় সেদ্ধ ডিমে প্রায় ৮০ ক্যালোরী আছে। এর মধ্যে ৬০% ক্যালোরী আসে চর্বি থেকে। ফলে সকালের নাস্তায় একটি মাত্র সেদ্ধ ডিম খেলে সারাদিন শক্তি পাওয়া যায় এবং দূর্বলতা হ্রাস পায়। ২. হাড় গঠন সেদ্ধ ডিমে আছে ভিটামিন ডি যা হাড় ও দাঁত শক্ত করে। ভিটামিন ডি খাবার থেকে ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে সহায়তা করে এবং রক্তের ক্যালসিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে শরীরের হাড়ের কাঠামো মজবুত ও শক্ত হয় এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ হয়। প্রতিদিন সকালের খাবারে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৪৫ আন্তর্জাতিক ইউনিট ভিটামিন ডি পাওয়া যায় যা হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করে। ৩. প্রোটিন সেদ্ধ ডিমে প্রাকৃতিকভাবেই প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। সকাল বেলা নাস্তায় একটি সেদ্ধ ডিম খেলে ৬ গ্রামের বেশি প্রোটিন পাওয়া যায়। ৪. চোখের স্বাস্থ্য ডিমের একটি প্রধান খাদ্য উপাদান হলো ভিটামিন এ। ভিটামিন এ রেটিনায় আলো শুষে নিতে সহায়তা করে, কর্নিয়ার পাশের মেমব্রেনকে রক্ষা করে এবং রাতকানার ঝুঁকি কমায়। প্রতিদিন সকালে একটি সেদ্ধ ডিম খেলে খাবার তালিকায় ৭৫ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন এ যুক্ত হয়। ৫. দেহের ওজন নিয়ন্ত্রন করে আমাদের দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে ডিমের উপকারিতা অনেক। যারা পেশির ওজন বৃদ্ধি করতে চান তাদের জন্য প্রোটিন সমৃদ্ধ ডিম উপযুক্ত। গবেষণায় দেখা গেছে, ডিম আমাদের দেহে ঘন ঘন ক্ষুধা লাগাকে কমিয়ে দিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই সকালের খাবারে একটি সেদ্ধ ডিম বেশ উপকারী। ৬. মস্তিষ্কের জন্য উপকারি ডিমে আছে প্রচুর পরিমানে কলিন যা নিউরোট্র্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে আমাদের দেহকে সুস্থ রাখে। ডিম আমাদের মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে থাকে। তাছাড়া ডিমের কুসুমে আছে ফলেট উপাদান যা আমাদের মস্তিষ্কের ভিতরে স্নায়ু কোষের রক্ষণাবেক্ষণ করে। ৭. নখ ও চুলের স্বাস্থ্য উন্নত কর ডিমে আছে সালফার সমৃদ্ধ অ্যামিনো অ্যাসিড যা আমাদের হাতের নখের স্বাস্থ্যই শুধু উন্নত করেনা আমাদের চুলের স্বাস্থ্য মজবুত করে ও আকর্ষণীয় করে তুলে। ডিমের অন্যান্য খনিজ পদার্থ সেলেনিয়াম, আয়রন ও জিঙ্ক দেহের নখ ও চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে সহযোগীতা করে।

03-04-2018 12:15:34 pm

ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে এক গ্লাস জল খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

৩ এপ্রিল (এ.এন.ই ): প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর খালি পেটে এক গ্লাস জল পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এ অভ্যাসটি যদি রপ্ত করা যায় তবে অনেক ধরনের রোগ থেকে শরীরকে মুক্ত রাখা যায়। আর এজন্যই দিনের শুরুর এই এক গ্লাস জলকে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা 'স্বাস্থ্যকর', 'বিশুদ্ধ', 'সুন্দর' ইত্যাদি বিশেষণে বিশেষায়িত করে থাকেন। আসুন জেনে নেই সকালে খালি পেঠে জল খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে। ১. রাতে ঘুমানোর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে হজম প্রক্রিয়ার তেমন কোনো কাজ থাকে না। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য অন্তত এক গ্লাস জল খেয়ে নেয়া উচিত। ২. প্রতিদিন সকালে অন্তত ১৬ আউন্স হালকা গরম জল খেলে শরীরের মেটাবলিসম ২৪% বেড়ে যায় এবং শরীরের ওজন কমে। ৩. সকালে প্রতিদিন খালি পেটে জল খেলে রক্তের দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়। ৪. প্রতিদিন সকালে খাবার আগে এক গ্লাস জল খেলে নতুন মাংসপেশী ও কোষ গঠনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। ৫. প্রতিদিন সকালে মাত্র এক গ্লাস জল খেলে বমি ভাব, গলার সমস্যা, মাসিকের সমস্যা, ডায়রিয়া, কিডনির সমস্যা, আর্থাইটিস, মাথা ব্যাথা ইত্যাদি অসুখ কমাতে সহায়তা করে। ৬. প্রতিদিন খালি পেটে এক গ্লাস করে জল খেলে মলাশয় পরিষ্কার হয়ে যায় এবং শরীর নতুন করে খাবার থেকে পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে সহজেই। ৭. সকালে জলের বদলে জুস বা অন্য পানীয় না খাওয়াই শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো।

03-04-2018 12:06:33 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.