• রাজ্যের শিক্ষকদের চাকরি বাঁচাতে রাজ্য সরকারের নেতিবাচক ভূমিকায় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবী
  • রাজ্য বিজেপি'র সদরে মিলন সভায় নবাগত নেতাদের গেরুয়ার পাঠ দিলেন দেওধর
  • লাইব্রেরী অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগে বঞ্চনায় যোগ্যদের ক্ষোভ বাড়ছে
  • চক্রান্তকারী পুলিশের মদতে গন্ডাছড়ায় জেল দাঙ্গা, আহত
  • মুখ্যমন্ত্রী মুণ্ডু কাটার ফতোয়ার তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে ঠেলাঠেলি কাণ্ড
  • পুলিশের বিনা অনুমতিতেই মুড়াবাড়িতে আইপিএফটি'র জনসভা ঘিরে চাঞ্চল্য
  • ফের ধৃত দুই বাংলাদেশি যুবক
  • মঙ্গলবার দেশ জুড়ে ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে দ্য ইউনাইটেড ফোরাম অফ ব্যাঙ্ক ইউনিয়নস
  • ত্রিপুরা থেকে বিজেপি'র একজন নেতাকে রাজ্যসভার পাঠাচ্ছে বিজেপি
  • সময়ের অপেক্ষা, রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পরার মুখে
  • পূর্বের রিপোর্ট চেপে রেখে ফের ২৩শে আইপিএফটি-র সভার অনুমতি
  • মহারাজা বীরবিক্রম কিশোর মাণিক্য বাহাদুরের জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
  • হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা মামলায় ১০ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ, ত্রিপুরায় আলোড়ন
  • ধৃত বাংলাদেশি পালাল পুলিশের সামনে থেকে
  • মুখ্যমন্ত্রীর বিতর্কিত ভাষণ, পাল্টা আন্দোলনে নামছে বিজেপি
  • আন্তর্জাতিক রেল প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে ২৮ আগস্ট ঢাকায় পর্যালোচনা বৈঠক
  • বিষাক্ত গ্যাসের বলি দুই মৃত্যু সঙ্গে পাল্লা লড়ছেন আরও দুই
  • উন্নয়নের একধাপ এগিয়ে গেল জোলাইবাড়ি আর ডি ব্লক
  • জম্পুইয়ে ভূমিপুত্রদের গণহারে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরকরণ অব্যাহত
  • সরকারি হাসপাতালে এখন থেকে সরবরাহ করা হবে জেনেরিক মেডিসিন
  • স্ত্রীকে মেরে স্বামীর আত্মহত্যা
  • নিয়মিত করণের দাবীতে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দ্বারস্থ অনিয়মিত বনকর্মীরা
  • উপাচার্যের বিরুদ্ধে আবারও অভিযোগ গেলো মানব সম্পদে
  • মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ফতোয়া নিয়ে পুলিশ দিশেহারা
  • পুলিশের দুর্বলতায় জামিনে মুক্তি পেল তিন অভিযুক্ত

স্পেশাল আর্টিকেল

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

হোলির রাতে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের পর সাংবাদিক সন্মেলনে বিপ্লব

চিটফান্ড ইস্যুতে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে তথ্য সহ বিঁধল সুদীপ

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

স্বাস্থ্য

শীতকালে পায়ের যত্ন কিভাবে নেবেন তাঁর উপায় জেনেনিন

৬ই জানুয়ারী (এ.এন.ই ): শীতের সময় আমরা মুখ বা শরীরের বাকি অংশের ত্বকের যত্নে যতটা মন দিই, পায়ের ততটা খেয়াল রাখি না বা অনেক সময় রাখা সময় পাই না। পায়ের ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া বা গোড়ালি ফেটে যাওয়ার মতো এই ধরনের সমস্যায় অনেকেই ভোগেন বিশেষ করে শীতকালে। তবে এর প্রতিকারের উপায়ও রয়েছে আমাদের হাতের সামনেই। তা জেনেনিন ১। ব্লেন্ডারে দু’টো গোটা শসা দিন। তার সঙ্গে মেশান দুই টেবিলচামচ করে লেবুর রস আর অলিভ অয়েল। পুরোটা ভাল করে পিউরি করে নিন। এবার দু’টো প্লাস্টিক ব্যাগে মিশ্রণটা সমান ভাগে ঢালুন। পা-জোড়া ব্যাগে ঢুকিয়ে দিন। মিশ্রণটা যেন ভালমতো পায়ে লেগে যায়। পারলে হাত দিয়ে একটু ম্যাসাজ করে নিন। মিনিট দশেক পরে ব্যাগ থেকে পা বার করে উষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। পায়ের ক্লান্তি কাটিয়ে তরতাজা ভাব ফিরিয়ে আনে শসা। লেবু এক্সফলিয়েটরের কাজ করে আর অলিভ অয়েল পায়ের ত্বকে আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে। ২। পায়ের ক্লান্ত ভাব দূর করতে ফুট সোকও বানিয়ে নিতে পারেন। উষ্ণ জলে শ্যাম্পু, কয়েক ফোঁটা অ্যারোমা অয়েল আর খানিকটা সি-সল্ট মিশিয়ে নিন। পছন্দসই ফুলের পাপড়িও ফেলে দিতে পারেন। এবার পা ডুবিয়ে আরাম নিন! ক্লান্তি কেটে গেলে পা ম্যাসাজ করে নিন সি-সল্ট, পেপারমিন্ট অয়েল আর লেবুর রসের মিশ্রণ দিয়ে। মৃত কোষ ঝরে যাবে। পা মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। ৩। ত্বক নরম করতে মধুর জুড়ি নেই। এক টেবিলচামচ করে মধু, অলিভ অয়েল আর লেবুর রসের সঙ্গে দুই টেবিলচামচ ব্রাউন শুগার মিশিয়ে পেস্টের মতো বানিয়ে নিন। উষ্ণ জলে পা ডুবিয়ে নিন, যাতে উপরের ধুলোময়লা ধুয়ে যায়। এবার ভিজে পায়ে মিশ্রণটা লাগিয়ে সার্কুলার মোশনে স্ক্রাব করুন। হয়ে গেলে পা ধুয়ে নিন। ৪। যারা গোড়ালি ফাটার সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা একটা পাকা কলা আর অর্ধেক অ্যাভোকাডো ব্লেন্ডারে দিয়ে মিশ্রণ বানিয়ে নিন। পায়ে আর গোড়ালিতে মিনিট কুড়ে লাগিয়ে রেখে উষ্ণ জলে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে ফল পাবেন। ৫। শীতকালে পায়ে মোজা পরে বেরনোই ভালো। নিয়মিত ভাবে পেডিকিওর করান। রাতে ঘুমনোর আগে পায়ে ভাল করে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। শীতকালে আমাদের জল খাওয়ার পরিমান কমে যায় তাই যতটা পারা যায় সঠিক পরিমানে জল খাবেন।

06-01-2017 01:17:28 pm

ভোরে ঘুম থেকে উঠার বিভিন্ন তথ্য জেনেনিন

৪ঠা জানুয়ারী (এ.এন.ই ): শীতের সময় ভোর বেলায় বিছানা থেকে খুব কষ্ট হচ্ছে। সত্যি এই শীতে ঘুম থেকে ওঠা সত্যিই বেশ কষ্টের। লেপের আশ্রয় ছেড়ে কার আর উঠতে ইচ্ছে করে?‌ কিন্তু ভোরে উঠতে শুরু করলে তখন দেখবেন ভোরটা সত্যিই সুন্দর। সবাইকে উঠতেই হবে, এমন নয়। কিন্তু যাঁরা উঠতে চান, অথচ উঠতে পারেন না, তাঁদের জন্য কয়েকটি প্রয়োজনীয় তথ্য জেনেনিন। ‌ ১) ভোরে উঠা নিয়ে বেশি চিন্তা করবেন না তাহলে রাতে ঠিকঠাক ভাবে ঘুম হবে না। বরং ভাবুন, ভোরে না উঠলেও কোন ক্ষতি হবে না। নিজেকে হালকা রাখুন। ‌ ২) ভোরে উঠতে গেলে রাতে ঠিকঠাক ঘুমোনোটা খুবই দরকার। চেষ্টা করুন প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমোতে যাওয়ার। ‌ ৩) ঘুমোনোর জন্য পরিশ্রম জরুরি। সারাদিন যদি কাজের মধ্যে থাকেন, দেখবেন সহজেই ঘুম এসে যাবে। ‌ ৪) রাতে সোশাল সাইট একেবারেই করবেন না। একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ বন্ধ করেদিন। ‌ ৫) সম্ভব হলে রাতে বই নিয়ে শুতে যান। পড়তে পড়তে ভাল ঘুম হয়। তবে খুব বেশি বইয়ে ডুবে যাবেন না। ‌ ‌৬) জিও সিম বা ফ্রি কলের দৌলতে অনেকে হয়ত ফোন করবে। রাতের দিকে সেগুলো না ধরাই ভাল। অন্যের ফোন ফ্রি বলে আপনি ঘুম নষ্ট করবেন কেন? পারলে ফোনটা বন্ধই রাখুন।‌ ‌ ৭) সকালে একটা লক্ষ্য থাকলে ওঠাটা সহজ হয়। লক্ষ্য না থাকলে শিথিলতা এসে যায়। তাই নিজেই কোনও একটা লক্ষ্য ঠিক করে নিন। ‌ ৮) অনেকেই অ্যালার্ম দিয়ে থাকেন। কিন্তু অধিকাংশ লোকই অ্যালার্ম বাজার পর তা বন্ধ করে দেন। তাই ফোনে বা ঘড়িতে অ্যালার্ম দিলে তা দূরে রাখুন। ‌ ৯) অনেকেই রাতে বারবার প্রস্রাবে ওঠেন। সারাদিন পর্যাপ্ত জল খান। তবে সন্ধ্যের পর জল কম খাওয়াই ভাল। এতে ঘুমের বিঘ্ন ঘটবে না। পারলে সকালে উঠে স্নান করে নিন। দেখবেন, অনেক ঝরঝরে লাগছে। ‌ ১০) হাঁটার লক্ষ্য রাখুন। পারলে ভাল সঙ্গী জুটিয়ে নিন। দেখবেন সেই সঙ্গীর হাতছানিতে আপনি ঠিক উঠে পড়েছেন।

04-01-2017 02:20:42 pm

হেলেঞ্চা শাক বিভিন্ন দিক থেকে শরিরের রোগ প্রতিরোদের ক্ষমতা রাখে, জেনেনিন তাঁর উপকারিতা

২৩শে ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): হেলেঞ্চা শাকের বাণিজ্যিক চাষ যদিও এখনো তেমন একটা চোখে পড়ে না। কিন্তু গ্রামাঞ্চলে এটি বেশ পরিচিত এবং জনপ্রিয় একটি শাক। বছরের বেশিরভাগ সময়েই এটি পাওয়া যায়। ঘাস জাতীয় হওয়ায় এর সংগ্রহ বেশ কষ্টকর। বলতে গেলে কুড়িয়ে নিতে হয় সময় ধরে। তবে এত কষ্ট করতে রাজি হলে কেস্টটাও মিলবে। কারণ ভিটামিন সমৃদ্ধ এ শাক খেতেও ভীষণ সুস্বাদু। ভিটামিন এ সমৃদ্ধ হেলেঞ্চা শাকে শতকরা ২.৯ ভাগ প্রোটিন, ০.২ ভাগ ফ্যাট, ৫.৫ ভাগ শর্করা এবং ২.২ ভাগ লবণও আছে। ওষুধি গুণ থাকায় ভেষজ চিকিৎসায়ও হেলেঞ্চার বেশ ব্যবহার আছে। এ শাকটি জীবাণু নাশক, ডায়েরিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়ু উত্তেজনা প্রশমনেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

23-12-2016 04:48:54 pm

স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব ভালো খেজুর তাঁর উপকারিতা জেনে নিন

২৩শে ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): বেড়াতে গেলে ব্যাগে খেজুর, বাদামের মতো শুকনো খাবার রাখেন। তাহলে প্রতিদিন বাড়িতে কেন নয়! টিফিনে ফাস্টফুড না রেখে খেজুর খাওয়া অভ্যাস করুন। খেজুরে ভিটামিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও জিঙ্ক রয়েছে। যা স্বাস্থের পক্ষে ভাল। আবার ত্বকের উজ্জ্বলতায় ধরে রাখে। ‌খেজুরে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। হাড় শক্ত রাখে আবার ক্ষয়ও রোধ করে। ভিটামিন সি এবং ডি থাকায় খেজুর খেলে ত্বক মসৃণ হয়। বলিরেখা পড়তে দেয় না। রাতের বেলা জলে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। সকালে ঘুম থেকে উঠে খেয়ে নিন। হজম ক্ষমতা বাড়বে। স্মৃতিশক্তি সতেজ রাখে খেজুর। পটাশিয়াম থাকায় হৃদস্পন্দন ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। খেজুরে প্রচুর আয়রন রয়েছে। তাছাড়া গর্ভবতী মায়েদের পক্ষে ভাল। স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো বলে বেশী পরিমানে খেজুর খাবেন না। কারন প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে ৬৬.‌৫ গ্রাম সুগার রয়েছে। যা বিপদ ডেকে আনতে পারে। দিনে চার থেকে পাঁচটি খেজুর মুখে দিন।

23-12-2016 04:43:09 pm

টমেটো কিডনি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে

১৮ই অক্টোবর (এ.এন.ই ): আপনি কি কিডনি ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বাঁচতে চান? তাহলে বেশি বেশি টমেটো খান। টমেটো কিংবা লাইকোপেন সমৃদ্ধ ফল ও সবজি কিডনি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় বলে নতুন একটি গবেষণায় দেখা গেছে। লাইকোপেন একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কারণেই টমেটো, তরমুজ, আঙ্গুর ও পেঁপের লালচে রং হয়। ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া ৯২ হাজার নারীর খাদ্যাভাসের ওপর এই গবেষণা করা হয়েছে। গবেষণায় প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে তাদের খাবারে লাইকোপেনসহ মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট গ্রহণের পরিমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। গবেষণায় অংশ নেওয়া ৩৮৩ জন নারীর কিডনি ক্যান্সার ছিল। গবেষণায় দেখা গেছে যে সব নারী কম লাইকোপেন সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করেছেন তাদের তুলনায় যারা প্রচুর পরিমাণ লাইকোপেন সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করেছেন তাদের কিডনি ক্যান্সারের ঝুঁকি কম। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও প্রদেশের কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটির আবাসিক চিকিৎসক ওন জিন হোয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে লাইভ সাইন্স সাময়িকী জানিয়েছে, একজন নারী দৈনিক সর্বোচ্চ যতটুকু লাইকোপেন গ্রহণ করে তা চারটি টমেটোতে থাকা লাইকোপেনের সমান। তবে শুধু টমেটো থেকেই নয়, টমেটো সস কিংবা লাইকোপেন সমৃদ্ধ অন্য ফল ও সবজি থেকেও নারীরা লাইকোপেন গ্রহণ করেন বলে জানান ওন জিন হো। আমেরিকান সোসাইটি ফর ক্লিনিক্যাল অনকোলজির বার্ষিক বৈঠকে এই গবেষণাপত্রটি উপস্থাপন করা হয়েছে।

18-10-2016 02:42:00 pm

কমলা, মাল্টা, লেবু স্বাস্থের পক্ষে খুবই উপকারী জেনে নিন

২৩শে আগস্ট (এ.এন.ই) কমলা, মাল্টা, লেবু ইত্যাদি সাইট্রাস(লেবুবর্গ) জাতীয় ফল। এসব ফল মোটা লোকদের জন্য ভীষণ উপকারী। এসব ফল মানুষের হৃদরোগ, লিভার সমস্যা এবং ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে পারে। নতুন এক গবেষণায় এমনটি উঠে এসেছে। কমলা এবং অন্যান্য সাইট্রাস জাতীয় ফলে প্রচুর ভিটামিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অন্যান্য উপাদান রয়েছে। যা আপনাকে স্বাস্থ্যবান রাখবে। ইউনিভার্সিডেইড এস্তাডুয়াল পলিস্তা(ইউএনইএসপি) নামে ব্রাজিলের এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পাউলা এস ফেরেইরা বলেন, আমাদের গবেষণায় ইঙ্গিত করা হয়েছে যে, আমরা যদি সাইট্রাস ফ্ল্যাভোনয়েড(এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট) গ্রহণ করি তাহলে স্থূলতার কারণে সৃষ্ট দুরারোগ্য রোগগুলোকে প্রতিরোধ অথবা প্রভাব কমাতে সহায়তা করে।’ স্থূলতার কারণে হৃদরোগ, লিভারের রোগ এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এর কারণ হচ্ছে, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহজনিত। মানুষ যখন উচ্চ চর্বি সমৃদ্ধ খাবার খায় তখন তাদের শরীরে চর্বি জমা হয়। চর্বির কোষ অতিরিক্ত রিঅ্যাক্টিভ অক্সিজেন স্পেসিজ(আরওএস) তৈরি করে। এতে করে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস সৃষ্টি হয়। যা কোষ ধ্বংস করে দিতে পারে। গবেষকরা ৫০টি ইঁদুরের ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় এই ফলাফল পেয়েছেন। গবেষক প্রধান থাইস বি সিজার বলেন, ‘সাইট্রাস ফ্ল্যাভোনয়েড শরীরের ওজন কমায় আমাদের গবেষণায় এমন কোনো কিছু দেখানো হয়নি। গবেষণায় ইঁদুরের ওজন কমেনি। তবে তাদের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কম ছিল, লিভারের ক্ষতি, রক্তে লিপিডের মাত্রা এবং শর্করার পরিমাণ কম ছিল।’

23-08-2016 02:04:47 pm

আমাদের শরীরে কমলার খোসার বিভিন্ন উপকারতা গুলো জেনে নিন

১৬ই আগস্ট (এ.এন.ই) কমলা খেতে কে না ভালোবাসেন। সুদর্শন গোলগাল এই ফলটির আগাগোড়াই পুষ্টিগুণে ভরপুর। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ কমলা উপকারি ফলগুলোর একটি। শুধু ফলই নয়, কমলার খোসারও রয়েছে অনন্য কিছু গুণ। বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ থেকে এটি আমাদের দূরে রাখতে সাহায্য করে। তাই কমলার খোসা ছাড়িয়ে তা ফেলে না দিয়ে কাজে লাগানো উচিৎ। কমলার খোসা আমাদের কীভাবে উপকারে আসে, চলুন জেনে নেয়া যাক- ১)ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় : ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে আমাদের দেহের ভালো কোষ থেকে অক্সিজেনের মৌল দূর হতে থাকে। এতে করে বাড়তে থাকে ক্যান্সার। কিন্তু কমলার খোসার কেমিক্যাল কম্পাউন্ড এই অক্সিজেনের মৌল কোষে ধরে রাখতে সহায়ক। সুতরাং দেহে ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি বাঁধা পায়। এতে করে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। ২)কোলেস্টোরল কমায় : এলডিএল অর্থাৎ খারাপ কোলেস্টোরল আমাদের হৃদপিণ্ডের শিরা উপশিরায় রক্ত কল্ট ও প্লাকের সৃষ্টি করে। এতে করে হৃদপিণ্ডে ব্লকের সমস্যা দেখা দেয়। কমলার খোসার অ্যান্টি কোলেস্টোরল উপাদান দেহ থেকে এই এলডিএল কোলেস্টোরল কমাতে সাহায্য করে। তাই কমলার খোসা কুচি করে খাবার বা সালাদ হিসেবে খেয়ে নিতে পারেন। ৩)বুক জ্বালাপোড়া কমায় : খুব সহজেই কমলার খোসার মাধ্যমে মুক্তি পেতে পারেন বুক জ্বালাপোড়ার যন্ত্রণার। গবেষণায় দেখা যায় কমলার খোসার অ্যাক্টিভ কেমিক্যাল বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা থেকে স্থায়ী মুক্তি দিতে পারে। টানা ২০ দিন সাধারণ খাবারের সাথে কমলার খোসা কুচি খেয়ে দেখুন। ভালো ফল পাবেন। ৪)শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা দূর করে : কমলার খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও কমলার খোসার ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা যেমন, ব্রংকাইটিস, অ্যাজমা, ফ্লু এমনকি ফুসফুসের ক্যান্সারের হাত থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। ৫)হজমের সমস্যা দূর করে : কমলার খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার। মাত্র ১০০ গ্রাম কমলার খোসায় পাবেন ১০.৬ গ্রাম ডায়াটারি ফাইবার। এই ডায়াটারি ফাইবার খাবার হজমের সমস্যা, পেট ফাঁপা ভাব, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী। ২ কাপ জলে ১ টি গোটা কমলার খোসা ফুটিয়ে ১ কাপ হয়ে এলে সামান্য মধু মিশিয়ে তা খেয়ে নিন। ভালো ফল পাবেন।

16-08-2016 02:39:10 pm

হৃদরোগ, হাড়ের রোগ, কোলেস্টেরলের মতো রোগ কে প্রতিরোধ করে ''আমন্ড বাদাম''

১১ই আগস্ট (এ.এন.ই) নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা?‌ ওজন বৃদ্ধি, উচ্চ রক্তচাপ, ভুলে যাওয়ার বাতিক রয়েছে। তাহলে রোজ আমন্ড বাদাম অবশ্যই খাওয়া উচিত। চিকিৎসকদের মতে, রোজ আমন্ড খেলে হৃদরোগ, হাড়ের রোগ, কোলেস্টেরলের মতো রোগের হাত থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব। দেখে নেয়া যাক রোজ অ্যামন্ড খাওয়ার উপকারিতা কী কী:‌ ১। অ্যামন্ডে রাইবোফ্লাবিন ও এল-‌ক্যার্নিটাইন থাকে, যা মস্তিষ্কের উন্নতিতে সাহায্য করে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। ২। শরীরে কোলেষ্টেরলের মাত্রা কমায়। ৩। ফসফরাস বেশি থাকায় দাঁত ও হাড়ের জন্য খুবই উপকারী অ্যামন্ড। ৪। প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-‌ই উপস্থিত। যা ত্বক, ধমনী, চুল ও নখের জন্য উপকারী। ৫। ক্যান্সার, হৃদরোগ কমাতেও আমন্ড মুখ্য ভূমিকা পালন করে।‌

11-08-2016 06:15:39 pm

ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে জায়ফল, কি ভাবে ব্যাবহার করবেন জেনে নিন

১০ই আগস্ট (এ.এন.ই) জায়ফল সুগন্ধি মশলা হিসেবে পরিচিত। খাবারের স্বাদ আর সুগন্ধ বৃদ্ধিতে আর মাংস নরম করতে এর কোন জুড়ি নেই। যারা রান্না করেন না তারাও নিশ্চয়ই এর নামের সাথে পরিচিত। শুধু রান্নার কাজেই নয়, জায়ফলের রয়েছে অনন্য কিছু গুণ। সেরকমই একটি গুণ হলো ব্রণ দূর করতে এর ব্যবহার। জায়ফল ইংরেজিতে নাটমেগ নামে পরিচিত, যার বৈজ্ঞানিক নাম মাইরিসটিকা ফ্রাগরেন্স । জায়ফলের মধ্যে `মেইস` নামক একটি উপাদান আছে, যা ফাংগাস এবং ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী। ব্রণের মূল কারণ হলো মুখের ত্বকে ব্যাকটেরিয়া এবং ফাংগাসের আক্রমণ। যেভাবে ব্যবহার করবেন : প্রথমে একটি বাটিতে জায়ফল গুঁড়া, মধু এবং একটু দুধ নিন। এবার ভালোকরে এগুলো এমনভাবে মেশান যেন তা পেস্টের মতো হয়। এইরকম পেস্ট বানিয়ে প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ব্রণে আক্রান্ত জায়গাগুলোতে ভালোভাবে লাগান। পরদিন সকালে হালকা ভাবে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এভাবে প্রতিদিন ব্যবহারে আপনি নিজেই ফলাফল পাবেন।

10-08-2016 02:59:19 pm

অতিরিক্ত খাবার থেকে নিজেকে ঠিক রাখার উপায়

৭ই জুলাই (এ.এন.ই) খেতে অনেকেই খুব ভালবাসেন তবে অতিরিক্ত খাবার খেলে শরিরের পক্ষে ক্ষতিকারক। ওজন বেড়ে গেছে আশঙ্কাজনকভাবে। অনেকের ডায়েটের বারোটা বেজে যায়, যাদের ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের মতো রোগ আছে আছে তারা হয়ে পড়েন অসুস্থ। এই পরিণতি না চাইলে দেখে নিন খাওয়া দাওয়া নিয়ন্ত্রণের কিছু কৌশল। ১) যাবার আগে খেয়ে যান। অদ্ভুত শোনাচ্ছে, তাই না? আমরা তো বরং নিমন্ত্রনে যাবার আগে পেট একেবারে খালি করে যাই যাতে ভালোভাবে খেতে পারি। কিন্তু তা করলে আপনার অতিরিক্ত খাওয়া হবে নিশ্চিত। এই কারণে নিমন্ত্রনে যাবার আগে স্বাস্থ্যকর কোনো হালকা খাবার খেয়ে নিন। ২) শুরু করুন সবজি দিয়ে। প্রোটিন বা কার্বোহাইড্রেটের আগে সবজিগুলো খেয়ে ফেলুন। এতে আপনার পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে। পাশপাশি সবজির ফাইবার আপনার পেট অনেকটা ভরিয়ে ফেলবে। ফলে আপনি ভারি খাবারগুলো বেশি খেতে পারবেন না। ৩) প্রতি ৪ ঘন্টা পর পর খান। আগেই বলা হয়েছে বেশি ক্ষুধার্ত অবস্থায় নিমন্ত্রনে গেলে আপনার বেশি খাওয়া হয়ে যাবে। এই একই কারণে সব সময় ক্ষুধার লাগাম টেনে রাখুন। প্রতি ৪ ঘন্টায় একবার করে ক্ষুধা নিবারন করুন পরিমিত খাবারে। তাতে আপনার ক্ষুধা থাকবে নিয়ন্ত্রণে। ৪) প্লেট নির্বাচন। বড় আকৃতির প্লেট হলে আপনার খাওয়া বেশি হবে, আর একটু ছোট প্লেট হলে খাওয়া কম হবে, এটাই যুক্তিযুক্ত। কিন্তু অতিরিক্ত ছোট প্লেটে খাওয়া আবার সমস্যা, কারণ তাহলে ইচ্ছে করবে বারবার খাবার নিতে। মাঝারি একটি প্লেটে খান। এছাড়াও সম্ভব হলে লাল রঙের প্লেটে খান। কারণ লাল প্লেটে খাওয়া কম হয়। ৫) খাওয়ার মাঝে বিরতি দিন। ৬) বসে, মনোযোগ দিয়ে খান। খেতে খেতে আত্মীয় স্বজন বা বন্ধুবান্ধবের সাথে গল্পে মশগুল। এভাবে যে কখন অতিরিক্ত খাওয়া হয়ে যাচ্ছে আপনি টেরও পাবেন না। অন্য সব কিছু বাদ দিয়ে শুধু খাওয়ার দিকে মনোনিবেশ করুন। কিছুক্ষন খাওয়ার পর নিজেকে প্রশ্ন করুন যথেষ্ট খাওয়া হয়েছে কিনা, পেট ভরেছে নাকি আরও খেতে হবে। এভাবে খাবার এবং ক্ষুধার দিকে মনোযোগ থাকলে আপনি অতিরিক্ত খাওয়া থেকে নিজেকে ঠেকাতে পারবেন।

07-07-2016 03:54:51 pm

মোটা হওয়ার অন্যতম কারন রাত্রে দেরি করে খুমানো

১৩ই জুন (এ.এন.ই) অনেকে প্রাণপণ চেষ্টা করে ওজন কমাতে পারছেন না। এর ফলে এখন একটা সমস্যায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু কী করবেন কিছুই যেন বুঝতে পারছেন না। আসলে জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন সহজেই ওজন কমানো যায়। যেমন অনেকে হয়তো জানেন-ই না যে নিয়মিত দেরি করে ঘুমালে ওজন বেড়ে যায়। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমনই তথ্য পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির গবেষক কেলি গ্লেজার বেরন জানান, যারা রাতে অনেক দেরি করে ঘুমোতে যান তারা সাধারণত গড়ে সাড়ে ৬ ঘণ্টা ঘমুনোর সময় পান। এদের মধ্যে বেশিক্ষণ জেগে থাকার কারণে বেডটাইম স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। বেশির ভাগ সময়ই এরা রাতে ফাস্ট ফুড খান। ফলে বাড়তে থাকে তাদের ওজন। আরেকটি কারণ হচ্ছে শারীরিক প্রত্যঙ্গগুলো এ সময় কাজ করা কমিয়ে দেয়। ফলে ওজন বাড়ার ঝুঁকি বাড়ে। গবেষকরা ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী ৯৬ জন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের ওপর সমীক্ষা চালান। এরা প্রত্যেকেই গড়ে সাড়ে ৬ ঘণ্টা ঘুমান। এদের খাদ্যাভ্যাস, আচরণ, সেক্স লাইফ সব কিছু নিয়ে পরীক্ষা চালানো হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, রাতে দেরি করে ঘুমোলে খাওয়ার পরিমাণ যেমন বাড়ে, তেমনই কমতে থাকে শারীরিক সক্রিয়তাও। যা শরীরে মেদ জমতে বাধ্য করে।

13-06-2016 01:56:59 pm

দাঁত ঝকঝকে রাখার উপায় কলার খোশা কি ভাবে? তা জেনে নিন

১৩ই জুন (এ.এন.ই) প্রাচীনকালেতো নামীদামী কোম্পানির ব্রাশ কিংবা মাজন ছিলো না। তাহলে কি প্রাচীনকালের মানুষেরা দাঁত মাজতেন না ? দাঁত মাজতেন না এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। নানান ঘরোয়া পদ্ধতিতে তারা দাঁত পরিস্কার করতেন। গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রাচীনকালে দাঁত পরিস্কারক হিসেবে গুহা মানবরা কলার খোসা ব্যবহার করতেন। তাই তারা পরামর্শ দিয়েছেন কলার খোসা দিয়ে দাঁত সাদা করার। কারণ কলার খোসা সত্যিকার অর্থেই বিজ্ঞান সম্মতভাবে দাঁত সাদা করতে সক্ষম। তাই দাঁতের দাগ নিয়ে আর দুঃচিন্তা নয়। ঘরে বসেই নিজের দাঁতগুলোকে রাখুন ঝকঝকে। কী আছে কলার খোসায়? কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম আর ম্যাঙ্গানিজের মতো খনিজ উপাদান। আর ওই উপাদানই দাঁতকে সাদা করে তুলার প্রধান হাতিয়ার। এছাড়াও কলার খোসায় আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি দাঁতকে করে আরও মজবুত। ব্যবহার বিধি : ১. প্রথমেই বেছে নিন সঠিক কলা। দাঁত সাদা করার জন্য ঠিকভাবে পাকা কলা হওয়া জরুরি। খুব বেশি পাকাও নয়, খুব বেশি কাঁচাও নয়। এমন কলা বেছে নিন যেটি একটু একটু সবুজ কারণ এই ধরনের কলায় পটাশিয়াম থাকে উচ্চমাত্রায়। আর এই পটাশিয়ামই দাঁত সাদা করার দায়িত্ব নেবে। ২. কলা উল্টো করে ছিলে নিন। কলার গায়ে লম্বা লম্বা সুতার মতন আঁশ থাকে। উলটো করে ছিললে এই আঁশগুলো থাকবে খোসার সাথেই। ৩. খোসা থেকে চারকোনা করে দুটি টুকরো কেটে নিন। সুবিধা মতো আকারেই কেটে নিন। চাইলে এই কাটা খোসা ফ্রিজেও সংরক্ষণ করতে পারেন। ৪. সকালে দাঁত ব্রাশ করার পূর্বে এই কলার খোসার ভেতরের অংশটি দিয়ে দাঁত খুব ভালো করে ঘষুন। প্রথম টুকরোটি দিয়ে পুরো এক মিনিট ঘষুন। তারপর সেটা বদলে দ্বিতীয় টুকরোটি দিয়ে আরও এক মিনিট। ৫. দাঁত ঘষা হলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে আপনার নিয়মিত ব্যবহারের টুথ পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজে নিন। গবেষকরা বলছেন, চার থেকে পাঁচ দিন এমন করার পরেই দেখবেন আগের চাইতে অনেক বেশি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে আপনার দাঁত। হলদে ভাব যেমন কমে গেছে, তেমনি কালো ছোপটাও অনেকটাই সরে গেছে। সতর্কতা : এটা কোনো ম্যাজিক নয়। তাই ভালো ফল পেতে নিয়ম মেনে ব্যবহার করতে হবে। ১. অবশ্যই কমপক্ষে ২ মিনিট ঘষতে হবে যা জরুরি। ২. ঘষার পর অবশ্যই সময় দিতে হবে খনিজ গুলো দাঁতে শোষিত হবার। ৩. কলার খোসায় প্রচুর পরিমাণে চিনি থাকে। তাই অবশ্যই দাঁত খুব ভালোভাবে মেজে নিতে হবে। এবং এই কারণেই দিনে ১ বারের বেশি ব্যবহার করা যাবে না। ৪. যাদের দাঁত খুব একটা বেশি হলুদ নয়, তারা সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন।

13-06-2016 01:47:39 pm

ঘামাচি হাত থেকে মুক্তির উপায়

আগরতলা,১০ জুন (এ.এন.ই): গ্রীষ্মের দাবদাহ যেন বেড়েই চলেছে, আর সেই সাথে বেড়ে চলেছে ঘামের তীব্রতা। একটুখানি বৃষ্টির প্রত্যাশায় মুখিয়ে আছে প্রতিটি মানুষ।এক পশলা বৃষ্টির পরশে ক্ষণিকের জন্য হলেও জনপদে নেমে আসবে স্বস্তি। তবে গ্রীষ্মের হালকা বৃষ্টি বাড়িয়ে দেয় বাতাসের জলীয়বাষ্পের পরিমান, তাই পরবর্তীতে সূর্যের তাপ পরিবেশকে করে তোলে উষ্ণতর, সেই সাথে যুক্ত হয় নতুন এক উপদ্রব; ঘামাচির সমস্যা।প্রকৃতি তার আপন খেয়ালে চলবে, এবং তার সাথেই মানিয়ে চলতে হবে আমাদের। তাই চলুন জেনে নিই ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে কিভাবে মানিয়ে চলব এই বৈরি পরিবেশের সাথে। ঘামাচি কি ? গরমকালের একটি বিব্রতকর রোগের নাম হচ্ছে ঘামাচি। এ রোগটি গরমকালেই হয়। শীত এলে আপনা আপনিই রোগটি ভালো হয়ে যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই রোগটির নাম হলো মিলিয়ারিয়া। এটি একটি ঘর্মগ্রন্থির রোগ। গ্রীষ্মকালে দেহ থেকে প্রচুর পরিমাণে ঘাম নিঃসরণ হতে থাকে ফলে তখনকার এত বেশি পরিমাণ নিঃসরণ ঘর্মগ্রন্থির নালীকে ফুটো করে ত্বকের নিচে এসে জমা হতে থাকে, যা পানিভর্তি ছোট ছোট দানার আকারে ফুলে উঠতে দেখা যায় এবং যা চুলকায় এবং তাতে সামান্য জ্বালাপোড়া ভাবও থাকে। মূলত এটাই হচ্ছে ঘামাচি।এই রোগ মুক্ত থাকার সাথে অর্থনৈতিক সচ্ছলতার একটা সম্পর্ক আছে। যেমন ধরুন কোনো ব্যক্তি যদি ঘরে, অফিসে এবং গাড়িতে এয়ারকুলার ব্যবহার করেন তবে বলা যায়, তার এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা গরমকালেও নেই। যারা তা পারেন না তাদের সব সময়ই ঠাণ্ডা পরিবেশে থাকতে হবে। অর্থাৎ একটি ফ্যান অন্তত সার্বক্ষণিকভাবে মাথার ওপরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। খোলামেলা অর্থাৎ আবদ্ধ ঘর না হওয়াই বাঞ্ছনীয়। ঘামাচি তিন ধরনের হয়। প্রথমে আসা যায় মিলিয়ারিয়া, কৃস্টালিনা­ এ ক্ষেত্রে ত্বক দেখতে প্রায় স্বাভাবিক বলেই মনে হয়। সাধারণত কোনো উপসর্গ থাকে না। দ্বিতীয়টি অর্থাৎ মিলিয়ারিয়া, রুবরার ক্ষেত্রে ঘর্মনালীতে বদ্ধতা দেখা দেয় এবং এ ক্ষেত্রে ত্বকের ওপরে ছোট ছোট অসংখ্য গোটা হতে দেখা যায় এবং গোটার মাথায় পানির দানা থাকতেও পারে, আবার নাও থাকতে পারে এবং ত্বক স্বাভাবিকের চেয়ে আপেক্ষিকভাবে লালচে রঙের দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে থাকে প্রচণ্ড চুলকানি, যা শরীরের মূল অংশ অর্থাৎ বুক, পিঠ ও ঘাড়ে বেশি হতে দেখা যায়। তৃতীয়টি বা মিলিয়ারিয়া প্রফান্ডা এর ক্ষেত্রে ঘর্মানালীর বদ্ধতা থাকে ত্বকের অনেক গভীরে। ফলে ত্বক দেখতে অনেকটা স্বাভাবিক ধরনের বলে মনে হতে পারে। এ তিনটির মধ্যে দ্বিতীয়টির আক্রমণ হয় বেশি তীব্র। একে Heat rash-ও বলা হয়ে থাকে। গরম ও স্যাঁতস্যেঁতে আবহাওয়ায় এ রোগ বেশি হয়। তেল মাখলে এ রোগের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। যারা এ রোগে ভুগছেন তারা গরম স্যাঁতস্যেঁতে ও আবদ্ধ পরিবেশ এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজন হলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ঘামাচি কেন হয়? উষ্ণ এবং আর্দ্র পরিবেশে শিশু থেকে বৃদ্ধ যেকোনো বয়সের মানুষই ঘামাচিতে আক্রান্ত হতে পারেন। ঘামগ্রন্থির মুখ কোন কারনে বন্ধ হয়ে গেলে ত্বকের বহিরাবরণের নিচে ঘাম আঁটকে পরে এবং ঘামাচি তৈরি করে। উষ্ণ পরিবেশে শরীর থেকে অধিক ঘাম নির্গত হয় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে ঘাম সহজে শুকায় না ফলে ঘামের সাথে ময়লা, সেবাম (ত্বক থেকে নিঃসৃত এক ধরনের তৈলাক্ত পদার্থ), ত্বকের মৃত কোষ, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি মিশে ঘামগ্রন্থির মুখ বন্ধ করে দেয় এবং ঘামাচির উপদ্রব বাড়িয়ে দেয়। সাধারনত অল্প কয়দিনের ভেতর ঘামাচি আপনা থেকেই সেরে যায়, তবে ঘামাচির ফলে উদ্ভুত চুলকানি যথেষ্ট পীড়াদায়ক, তাই ঘামাচির হাত থেকে বেঁচে থাকতে পারাটাই সবার কাম্য। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে স্বাভাবিকের চাইতে কম সময়ে ত্বক থেকে ঘামাচি দূর করা সম্ভব এবং কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে সম্ভব ঘামাচি প্রতিরোধ করাও। প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় যত কম ঘামবেন ততই মঙ্গল। ঘরের বাইরে যথা সম্ভব ছায়ায় থাকার চেষ্টা করুন। সাথে ছাতা রাখুন এবং রোদে ছাতা ব্যবহার করুন। ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরিধান করুন। ঢিলেঢালা এবং হালকা রঙের সুতি পোশাক পরিধান করার চেষ্টা করুন, এতে আপনি অপেক্ষাকৃত কম তাপ শোষণ করবেন, পোশাকের ভেতর পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের সুযোগ থাকবে, ফলে ঘাম কম হবে এবং সহজে ঘাম শুকাবে। আঁটসাঁটে পোশাক এড়িয়ে চলুন, এতে ঘামাচির চুলকানি কম অনুভব করবেন। আপনার ত্বক ঠাণ্ডা ও পরিস্কার রাখার চেষ্টা করুন। অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা জল দিয়ে স্নান করুন, সম্ভব হলে স্নানের সময় এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করুন। গোসলের পর তোয়ালে দিয়ে গা মোছার পরিবর্তে ঠাণ্ডা বাতাসে গা শুকানোর চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীর অপেক্ষাকৃত অধিক ঠাণ্ডা হবে এবং দীর্ঘসময় আপনাকে ঘাম থেকে বিরত রাখবে। গায়ে তৈলাক্ত ক্রিম বা লোসন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ঘুমানোর সময় ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের পথ সুগম রাখার চেষ্টা করুন। ঘামাচি সহজে সেরে না উঠলে এবং দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের সমস্যা তৈরি করলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সর্বোপরি গরমের সময় প্রচুর পরিমানে বিশুদ্ধ পানি, তাজা ফলের জুস এবং রসালো ফলমূল খাবার চেষ্টা করুন। ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন। সৌজন্যে ভোরের পাতা ডট কম

10-06-2016 01:52:53 pm

অতিরিক্ত ''গ্রিন টি'' খাওয়ার অপকারিতা জেনে নিন

৮ই জুন (এ.এন.ই) গ্রিন টি দিনে দিনে স্বাস্থ্য চর্চাকারীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গ্রিন টি'র নানা উপকারিতার কারণেই এর এতো গ্রহণযোগ্যতা। শুধু তাই নয় রূপচর্চার উপকরণ হিসেবেও প্রাধান্য পাচ্ছে গ্রিন টি। বিশেষ করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্রিন টি'র কার্যকরী ভূমিকা রয়েছে। তবে জানেন তো অতিরিক্ত কোনকিছুই ভালো নয়। তেমনি অতিরিক্ত গ্রিন টি আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। দিনে দুই কাপ গ্রিন টি আপনি খেতে পারেন। এতে ক্ষতি নেই। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন হাজার গুণ থাকলেও নিয়ম মেনে গ্রিন টি খেতে। চিকিৎসকদের মতে, ভরা পেটে দু'এক কাপ গ্রিন টি খাওয়া গেলেও খালি পেটে একেবারেই তা করা যাবে না। এতে পেটে আলসারের আশঙ্কা থাকে। এছাড়াও গ্রিন টি অতিরিক্ত খেলে লিভারের সমস্যা হতে পারে। রক্তে আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমায়। এর ফলে অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। গর্ভাবস্থায় গ্রিন টি খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা জারি করছেন চিকিৎসকেরা। এর ফলে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিস্ক এবং মেরুদণ্ডে কিছু সমস্যা তৈরি হতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত গ্রিন টি পান করলে ঘুমের সমস্যাও হতে পারে।

08-06-2016 03:22:05 pm

সুস্বাস্থ্য জন্য রক্তের গ্রুপ অনুসারে খাদ্য খাওয়া উচিত বললেন গবেষকরা

আমেরিকা ৮ই জুন (এ.এন.ই) স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ খাদ্য তালিকা মেনেই খাওয়া দাওয়া করেন। এতে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হয়, মানসিক সুস্থতাও থাকে। তবে লো-ক্যালরি, হাই এনার্জি ডায়েটেও অনেকেই ঠিকঠাক ফল পাচ্ছেন না বলে দেখা যায়। অর্থাৎ ওজন ঝরিয়ে ফেলে যতখানি স্লিম ট্রিম হতে চায় তেমনটা কিছুতেই যেন হতে পারছেন না। এর কারণ হিসেবে গবেষকরা জানাচ্ছেন, রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী ডায়েট মেনে চললে সমস্যা থাকে না। নিউরোপ্যাথ ড. পিটার ডি’অ্যাডামো বলেন, রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী খাবার খেলে শুধু যে ওজম কমে তা নয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বেড়ে যায়, সংক্রমণের সম্ভাবনা কমে। আসুন জেনে নেয়া যাক কোন গ্রুপের রক্ত হলে ডায়েটে কোন ধরনের খাবার রাখা উচিত। O গ্রুপ: এই গ্রুপের জন্য হাই প্রোটিন ও লো কার্বহাইড্রেট ডায়েট আদর্শ। লিন মিট, পোলট্রি ডিম, মাছ, সব্জি বেশি খান। পাশাপাশি কম পরিমাণে শস্য, ডাল ও দুগ্ধজাত খাবারও খান। তবে এড়িয়ে যান গম, কফি ও অ্যালকোহল। A গ্রুপ: এই গ্রুপের রক্ত যাদের, তারা রেড মিট কম খাবেন। সবজি, ফল, ডাল ও গোটা শস্য এই গ্রুপের রক্তের জন্য আদর্শ খাবার। B গ্রুপ: লো ফ্যাট ডেয়ারি ডায়েট মেনে চলুন। খাদ্যতালিকায় দুধ, দই রাখুন। আর রাখুন ডিম ও মাংস। মুরগি কম খেতে হবে। আর এড়িয়ে চলুন ভুট্টা, ডাল, টমেটো, চিনা বাদাম, তিল। AB গ্রুপ: সামুদ্রিক মাছ বা সি-ফুড অবশ্যই তালিকায় রাখুন। এ ছাড়া পনির, দুগ্ধজাত খাবার এবং সবুজ শাকসবজি খেতে হবে। কফি, অ্যালকোহল, স্মোকড ফিশ এড়িয়ে চলতে হবে।

08-06-2016 02:57:28 pm

মাত্র ১১দিনে ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি

আগরতলা, ৫ জুন (এ.এন.ই): ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল করা যায়, কথাটি শুনলে যে কারোই ভড়কে যাবার কথা, কারণ ডায়াবেটিস একবার দেহে বাসা বাধলে তা কখনোই পরিপূর্ণ ভাবে সারে না, তবে পরিমিত পরিমান খাবার গ্রহন করে তা নিয়ন্ত্রনে রেখে দীর্ঘদিন সুস্হ থাকা সম্ভব, কিন্তু বৃটেনের বিজ্ঞানী রিচার্ড ডটির দাবী মাত্র ১১ দিনের মধ্যেই ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া সম্ভব। বৃটেনের রিচার্ড ডটি (৫৯) নামের এক ব্যক্তি বেশ অল্প ক্যালোরিসম্পন্ন খাবার খেয়ে ১১ দিনেই ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেয়েছেন। তিনি কি খাবার খেয়ে এটা করতে পেরেছেন তার একটি চার্ট প্রকাশ করেছেন। যা যা খেতেন, তার তালিকা একেবারেই ছোট। ডায়াবেটিস এমন একটি রোগ যা কখনও সম্পূর্ণ নির্মূল হয় না। এমন প্রচলিত ধারণাকে পাল্টে দিয়েছেন রিচার্ড। মানুষ শরীর থেকে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে বিভিন্ন ডায়েট পরিকল্পনা করে। কিন্তু তিনি প্রায় অভুক্ত থাকার ডায়েটেই নিরোগ শরীর পেলেন। রিচার্ড লম্বায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি, তার ওজন ৬৭ কেজি। রুটিনমাফিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান তিনি। শেষবার যখন পরীক্ষা করালেন, ফলাফলে রীতিমতো চমকে উঠলেন তিনি। রিপোর্টে জানা গেলো, টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। রিচার্ডের বংশে কারও ডায়াবেটিস ছিল না। তার ওজনও অতিরিক্ত নয়। তিনি সবসময় সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস মেনে চলেন। জীবনে কখনও সিগারেট স্পর্শ করেননি। এত সব সত্ত্বেও ডায়াবেটিস ধরা পড়লে যে কারও চোখই কপালে উঠবে। রিচার্ডেরও তা-ই হলো। তিনি রীতিমতো কিংকর্তব্যবিমূঢ়। ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি পেতে এবার শুরু হলো তার নিরন্তর প্রচেষ্টা। ইন্টারনেটে সমাধান খুঁজলেন। নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের তৈরি করা একটি স্বল্প ক্যালোরিসম্পন্ন ডায়েটের সন্ধান পেলেন তিনি। ওই বিজ্ঞানীদের দাবি, এ ডায়েট অনুসরণে ৮ সপ্তাহেই ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল সম্ভব। ওই ডায়েটের মধ্যে ছিল ৬০০ ক্যালোরির মিল্ক শেক ও সুপ এবং ২০০ ক্যালোরির সবজি। আর দিনে ৩ লিটার জল পান। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএনআই। রিচার্ড জানান, একটা সুপ, দু’টো শেক আর সবুজ শাকসবজি খেয়ে বেঁচে থাকাটাকে প্রথম দিকে বেশ দুঃসাধ্য কাজ মনে হয়েছিল তার কাছে। তবে তিনি হাল ছাড়লেন না। টানা ১১ দিন এ ডায়েট অনুসরণ করলেন। অকল্পনীয় হলেও সত্যি! তার রক্তে সুগারের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে গেল। অর্থাৎ নন-ডায়াবেটিক লেভেলে নেমে এলো ব্লাড সুগার। এ সময়টায় রিচার্ডের ওজন কমেছিল। এরপর তিনি ফের ডায়াবেটিস পরীক্ষা করে দেখলেন তার শরীর থেকে ডায়াবেটিস সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে। দীর্ঘদিন পরও তিনি একেবারেই ডায়াবেটিসমুক্ত। আর ওজনটাকে তিনি ৫৭ কেজির মধ্যেই ধরে রেখেছেন। রিচার্ড ডটির এ সাফল্য নিঃসন্দেহে বিশ্বের কোটি কোটি ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষকে নতুন পথের সন্ধান দেবে। একই বা কাছাকাছি পথ অনুসরণ করে অনেকেই হয়তো নিরোগ জীবন ফিরে পাবেন। সৌজন্যে আলোর কিন্ঠ২৪।কম

06-06-2016 01:32:55 pm

চুইংগামের আমাদের অনেক উপকারে আসে

১লা জুন (এ.এন.ই): স্বাস্থ্যের জন্যে চুইংগামকে অনেকেই বেশ অনিরাপদ বলে মনে করলেও সম্প্রতি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, চুইংগাম শারীরিক স্বাস্থ্যের পক্ষেই যে শুধু ভালো তা নয়, বরং মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও প্রচন্ড কার্যকরী এই ছোট্ট খাবারটি। বিশেষ করে মানসিক অবসাদ আর অস্বস্তির ভেতরে মুড ঠিক করে দিতে অসাধারনভাবে কাজ করে চুইংগাম। আর সেটা যদি হয় চিনিবিহীন চুইংগাম তাহলে তো আর কোন কথাই নেই। চুইংগাম উদ্বিগ্নতা দূর করে, মন ভালো করে দেয়, চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।

01-06-2016 05:46:04 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.