ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

স্বাস্থ্য

শরিরে ভিটামিন ডি এর অভাব পূরনে খাবারের তালিকা জেনে নিন

৩ এপ্রিল (এ.এন.ই ): ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়ের অসুখ, পেশিতে ব্যথা, হাই প্রেশার হরমোনের সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও কোমরে ব্যথা, সারাদিন ক্লান্তি বোধ এগুলিও লেগেই থাকে। ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, ৫টি খাবার খেলেও ভিটামিন ডি দেহে তৈরি হয়। শরীরে ভিটামিনের মাত্রা ঠিক না থাকলে সহজে রোগ বাসা বাঁধে। রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা কমে যায় ভিটামিনের অভাবেই। সমস্ত ভিটামিনই খুব জরুরু। তার মধ্যে ভিটামিন ডি অন্যতম। ভিটামিন ডি-এর অভাবে হাড়ের অসুখ, পেশিতে ব্যথা, হাই প্রেশার হরমোনের সমস্যায় ভোগার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়াও কোমরে ব্যথা, সারাদিন ক্লান্তি বোধ এগুলিও লেগেই থাকে। ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এই খাবারগুলো খেলেও ভিটামিন ডি দেহে তৈরি হয়। তেলযুক্ত মাছ বা সামুদ্রিক মাছ- মাছের তেলে ভিটামিন ডি থাকে। তাই যথেষ্ট পরিমাণে সামুদ্রিক মাছ খান। ডিমের কুসুম- ডিমেপ কুসুমেও ভিটামিন ডি থাকে। দুধ-গরুর দুধ ছাড়াও সয়া মিল্কেও ভিটামিন ডি থাকে। মাশরুম-খাওয়ার আগে অবশ্যই মাশরুম ভাল করে ধুয়ে রান্না করবেন। অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। তবে শরীরে আরও রোগ বাসা বেঁধে থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

03-04-2018 12:01:27 pm

দুধ ছাড়াও অন্য যে সমস্ত খাদ্যে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায় তা জেনে নিন

২৯ মার্চ (এ.এন.ই ): ল্যাকটোজে অ্যালার্জি থাকে অনেকেরই ৷ অনেকেই আবার দুধ খেতে পছন্দ করেন না ৷ কিন্তু দুধে থাকে প্রচুর ক্যালসিয়াম ৷ যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনী ৷ হাড়, দাঁত শক্ত করতে সাহায্য করে ক্যালসিয়াম ৷ তাই দুধ না খেলেও অন্য যেসব উপায়ে ক্যালসিয়াম পেতে পারেন তা আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন- ১। বিনস- যে কোনও ধরণের বিন জাতীয় সবজি খান ৷ এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও প্রোটিন থাকে ৷ ২। মাছ- প্রধানত স্যামন ও সার্ডিন জাতীয় মাছে ক্যালসিয়াম থাকে ৷ ৩। আমন্ড- ক্যালসিয়ামের পাশাপাশি এতে প্রচুর প্রোটিনও থাকে ৷ প্রতিদিন এক গ্লাস করে আমন্ড দুধ আপনার জন্য খুবই উপকারী ৷ ৪। ওটমিল- ব্রেকফাস্টে ওটমিল খান ৷ খুব বেশি পরিমাণে না হলেও ওটমিলেও ক্যালসিয়াম থাকে ৷ ৫। কমলালেবু- ভিটামিন সি আর ক্যালসিয়ামের দুর্দান্ত কম্বিনেশন হল কমলালেবু ৷ ৬। সবুজ শাক-সবজি- বেশিরভাগ সবুজ শাত-সব্জিতেই রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ৷ ৭। ভিটামিন ডি- ভিটামিন ডি-এর অভাবে ক্যালসিয়াম কাজ করে না আমাদের শরীরে ৷ তাই ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া এবং সূর্যালোকে বের হওয়া খুব দরকার ৷

29-03-2018 04:34:01 pm

সকালে কাঁচা ছোলার খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন

২৯ মার্চ (এ.এন.ই ): কাঁচা ছোলার গুণ সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যপোযগী ছোলায় আমিষ প্রায় ১৮ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট প্রায় ৬৫ গ্রাম, ফ্যাট মাত্র ৫ গ্রাম, ২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’ প্রায় ১৯২ মাইক্রোগ্রাম এবং প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-১ ও বি-২ আছে। এছাড়াও ছোলায় বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরও অনেক উপকার। উচ্চমাত্রার প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার ছোলা। কাঁচা, সেদ্ধ বা তরকারি রান্না করেও খাওয়া যায়। কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে, খোসা ছাড়িয়ে, কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে একই সঙ্গে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিক যাবে। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায়। আর অ্যান্টিবায়োটিক যেকোনো অসুখের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। ছোলার কিছু চমকপ্রদ গুণাগুণ হল- ডাল হিসেবে : ছোলা পুষ্টিকর একটি ডাল। এটি মলিবেডনাম এবং ম্যাঙ্গানিজ এর চমৎকার উৎস। ছোলাতে প্রচুর পরিমাণে ফলেট এবং খাদ্য আঁশ আছে সেই সাথে আছে আমিষ, ট্রিপট্যোফান, কপার, ফসফরাস এবং আয়রণ। হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে : অস্ট্রেলিয়ান গবেষকরা দেখিয়েছেন যে খাবারে ছোলা যুক্ত করলে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল এর পরিমাণ কমে যায়। ছোলাতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের খাদ্য আঁশ আছে যা হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আঁশ, পটাসিয়াম, ভিটামিন ‘সি’ এবং ভিটামিন বি-৬ হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে যায়। এর ডাল আঁশসমৃদ্ধ যা রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন ৪০৬৯ মিলিগ্রাম ছোলা খায়, হৃদরোগ থেকে তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি ৪৯ শতাংশ কমে যায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে : আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখানো হয় যে, যে সকল অল্পবয়সী নারীরা বেশি পরিমাণে ফলিক এসিডযুক্ত খাবার খান তাদের হাইপারটেনশন এর প্রবণতা কমে যায়। যেহেতু ছোলায় বেশ ভাল পরিমাণ ফলিক এসিড থাকে সেহেতু ছোলা খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এছাড়া ছোলা বয়সসন্ধি পরবর্তীকালে মেয়েদের হার্ট ভাল রাখতেও সাহায্য করে। রক্ত চলাচল : অপর এক গবেষণায় দেখা গেছে যে যারা প্রতিদিন ১/২ কাপ ছোলা, শিম এবং মটর খায় তাদের পায়ের আর্টারিতে রক্ত চলাচল বেড়ে যায়। তাছাড়া ছোলায় অবস্থিত আইসোফ্লাভন ইস্কেমিক স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের আর্টারির কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় । ক্যান্সার রোধে : কোরিয়ান গবেষকরা তাদের গবেষণায় প্রমাণ করেছেন যে বেশি পরিমাণ ফলিক এসিড খাবারের সাথে গ্রহণের মাধ্যমে নারীরা কোলন ক্যান্সার এবং রেক্টাল ক্যান্সার এর ঝুঁকি থেকে নিজিদেরকে মুক্ত রাখতে পারেন। এছাড়া ফলিক এসিড রক্তের অ্যালার্জির পরিমাণ কমিয়ে এ্যজমার প্রকোপও কমিয়ে দেয়। আর তাই নিয়মিত ছোলা খান এবং সুস্থ থাকুন। রমজানে : রমজান মাসে ইফতারের সময় জনপ্রিয় খাবার হলো ছোলা। আমাদের দেশে ছোলার ডাল নানাভাবে খাওয়া হয়। দেহকে করে দৃঢ়, শক্তিশালী, হাড়কে করে মজবুত, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এর ভূমিকা অপরিহার্য। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। কোলেস্টেরল : ছোলা শরীরের অপ্রয়োজনীয় কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয়। ছোলার ফ্যাট বা তেলের বেশির ভাগ পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট ছাড়া ছোলায় আরও আছে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ লবণ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে : ছোলায় খাদ্য-আঁশও আছে বেশ। এ আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়। খাবারের আঁশ হজম হয় না। এভাবেই খাদ্যনালী অতিক্রম করতে থাকে। তাই পায়খানার পরিমাণ বাড়ে এবং পায়খানা নরম থাকে। ডায়াবেটিসে উপকারী : ১০০ গ্রাম ছোলায় আছে: প্রায় ১৭ গ্রাম আমিষ বা প্রোটিন, ৬৪ গ্রাম শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট এবং ৫ গ্রাম ফ্যাট বা তেল। ছোলার শর্করা বা কার্বোহাইডেটের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য ছোলার শর্করা ভাল। প্রতি ১০০ গ্রাম ছোলায় ক্যালসিয়াম আছে প্রায় ২০০ মিলিগ্রাম, লৌহ ১০ মিলিগ্রাম, ও ভিটামিন এ ১৯০ মাইক্রোগ্রাম। এছাড়া আছে ভিটামিন বি-১, বি-২, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম। এর সবই শরীরের উপকারে আসে। রক্তের চর্বি কমায় : ছোলার ফ্যাটের বেশিরভাগই পলি আনস্যাচুয়েটেড। এই ফ্যাট শরীরের জন্য মোটেই ক্ষতিকর নয়, বরং রক্তের চর্বি কমায়। অস্থির ভাব দূর করে : ছোলায় শর্করার গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের পরিমাণ কম থাকায় শরীরে প্রবেশ করার পর অস্থির ভাব দূর হয়। রোগ প্রতিরোধ করে : কাঁচা ছোলা ভিজিয়ে কাঁচা আদার সঙ্গে খেলে শরীরে আমিষ ও অ্যান্টিবায়োটিকের চাহিদা পূরণ হয়। আমিষ মানুষকে শক্তিশালী ও স্বাস্থ্যবান বানায় এবং অ্যান্টিবায়োটিক যে কোনো অসুখের জন্য প্রতিরোধ গড়ে তোলে। জ্বালাপোড়া দূর করে : সালফার নামক খাদ্য উপাদান থাকে এই ছোলাতে। সালফার মাথা গরম হয়ে যাওয়া, হাত-পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া কমায়। মেরুদণ্ডের ব্যথা দূর করে : এছাড়াও এতে ভিটামিন ‘বি’ও আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ভিটামিন ‘বি’ মেরুদণ্ডের ব্যথা, স্নায়ুর দুর্বলতা কমায়। ছোলা অত্যন্ত পুষ্টিকর। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস। এতে আমিষ মাংস বা মাছের পরিমাণের প্রায় সমান। তাই খাদ্যতালিকায় ছোলা থাকলে মাছ মাংসের প্রয়োজন পরে না। ত্বকে আনে মসৃণতা। কাঁচা ছোলা ভীষণ উপকারী। তবে ছোলার ডালের তৈরি ভাজা-পোড়া খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই ভালো। তাই হজমশক্তি বুঝে ছোলা হোক পরিবারের শক্তি।

29-03-2018 04:29:45 pm

শরিরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধক হিসাবে কাজ করে কলা কিভাবে তা জেনে নিন

২৯ মার্চ (এ.এন.ই ): পুষ্টিকর খাবার হিসেবে কলা অতি পরিচিত ফল। কলা খাওয়ার অনেক উপকারও রয়েছে, যা অনেকেরই জানা নেই। বেশি করে পাকা কলা খাওয়া উচিত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এ লেখায় তুলে ধরা হলো তেমন কিছু উপকারিতার কথা। ১. কিডনি রোগ প্রতিরোধ কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়া প্রতিরোধ করে কলার পটাসিয়াম। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, কলার বিভিন্ন উপাদান কিডনির রোগ প্রতিরোধে কার্যকর। ২. ক্যান্সার প্রতিরোধ কলা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলাতে রয়েছে একটি বিশেষ প্রোটিন, যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে। আর তাই ক্যান্সার প্রতিরোধে বেশি করে কলা খেতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। ৩. খিঁচুনি প্রতিরোধে মিনারেলের অভাবে অনেকেরই দেহের বিভিন্ন অংশে খিঁচুনি হয়ে থাকে। এ খিঁচুনি প্রতিরোধে প্রচুর মিনারেল সমৃদ্ধ কলা খাওয়া যেতে পারে। কলার পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম এক্ষেত্রে খুবই কার্যকর। ৪. বলিষ্ঠ হৃৎপিণ্ড কলা হৃদরোগ থেকে রক্ষা পেতে সহায়তা করে। এজন্য নিয়মিত কলা খাওয়া প্রয়োজন। এছাড়া কলা উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধেও কার্যকর। ৫. রক্তনালী পরিষ্কার রক্তনালীতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয় কোলস্টেরলের কারণে। কলাতে রয়েছে ফাইটোস্টেরোলস। এটি কোলস্টেরলের মাত্রা সীমিত রাখে এবং রক্তনালী পরিষ্কার রেখে সুস্থভাবে বাঁচতে সহায়তা করবে। ৬. স্বাস্থ্যকর পাকস্থলী পাকস্থলীর সুস্থতার জন্য কলা খুবই কার্যকর খাবার। তাই গ্যাস্টিক আলসারের রোগীদের কলা খাওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি পাকস্থলীর দেয়াল বৃদ্ধি করে। ৭. উদ্যম যোগায় ও ভালো মুড কলাতে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান। আর এটি উদ্যম যোগাতে সহায়তা করে। কলার সাধারণ কার্বহাইড্রেট সহজে হজম হয় এবং দ্রুত শরীরে উদ্যম আনে। কলাতে রয়েছে ডোপামাইন। একে ‘সুখী হরমোন’ বলা হয়। এছাড়া রয়েছে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, যা নার্ভাস সিস্টেমকে ইতিবাচক হতে সহায়তা করে। ৮. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও ওজন নিয়ন্ত্রণ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে কলা খুবই সহায়তা করে। এতে রয়েছে কয়েক ধরনের ‘রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ’ যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের উন্নতিতে সহায়তা করে। সবুজ বা কাঁচা কলাতে বেশিমাত্রায় রয়েছে এ উপাদানটি। দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করে স্লিম ফিগার তৈরি করতে সহায়তা করে কলা। মূলত কয়েক ধরনের ফ্যাট দেহে সংরক্ষণ করতে বাধা দেয় কলা। ফলে দেহ থেকে ফ্যাট কমে যায়।

29-03-2018 04:16:57 pm

বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি

২৬ মার্চ (এ.এন.ই ) অবসর সময়ে, প্রিয়জন ও বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডায় বাদাম খাওয়ার জুড়ি নেই। অনেকে আবার স্বাস্থ্য সচেতনায়ও নিয়মিত বাদাম খেতে পছ্ন্দ করেন। তবে যে কারণেই বাদাম খাওয়া হোক না কেন তা নিঃসন্দেহে স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি। বাদামের যে বহুমাত্রিক গুণাগুণ রয়েছে তা আমাদের অনেকেই হয়তো জানি না। আবার বাদামের প্রকারভেদে গুণাগুণও ভিন্ন ভিন্ন হয়। নিচে বিভিন্ন প্রজাতির বাদামের গুণাগুণ নিয়ে আলোচনা করা হলো : চিনাবাদাম : এই প্রজাতির বাদামে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন-এ, বি, সি রয়েছে। ফলে এর উপকারিতা অনেক। যেমন: ১. প্রোটিনের ভালো উৎস। ভোরবেলা খালি পেটে বাদাম খেলে এনার্জি পাওয়া যায়। ২. নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে চিনাবাদাম বাদাম খেলে হার্ট ভালো থাকে। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আখরোট : এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ভিটামিন। উপকারিতা : ১. হাড় শক্ত করে ও ২. ব্রেনে পুষ্টি জোগায়। পেস্তাবাদাম : এই ধরনের বাদামে থাকে ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার,ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন। উপকারিতা : ১. রক্ত শুদ্ধ করে। ২. লিভার ও কিডনি ভালো রাখে। কাজুবাদাম : এর উপাদানগুলো হচ্ছে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন-এ। উপকারিতা : ১. অ্যানিমিয়া ভালো করে। ২. ত্বক উজ্জ্বল করে। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আলমন্ড : এর উপাদানের মধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফাইবার, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফলিক এসিড ও ভিটামিন ই। তাই বাদামের রাজা বলা হয় আলমন্ডকে। উপকারিতা : ১. শ্বাসকষ্ট, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ত্বকের নানা সমস্যায় খুব ভালো। সব বাদামের মধ্যে আমন্ডে বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে। ২. নিয়মিত চার-পাঁচটি আমন্ড খেলে এলডিএল কোলেস্টেরল বা ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা থাকে না। ৩. কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে। ৪. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। কেমোথেরাপি চলাকালে আলমন্ড মিল্ক খেলে ইমিউনিটি সিস্টেমের উন্নতি হয়। ৫. আলমন্ডের ফাইবার শরীরে কার্বোহাইড্রেট শোষণের গতি কমায়। ফলে ডায়াবেটিসের জন্য উপকারি। ৬. আলমন্ড বাটা নিয়মিত লাগালে বলিরেখার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন দেখবেন আস্তে আস্তে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শরীরের শক্তিমত্তাও বাড়বে। কাজে কর্মে পাবেন পূর্ণ উদ্যোম।

26-03-2018 01:45:30 pm

তরমুজের নানা উপকারিতা জেনে নিন

২৩ মার্চ (এ.এন.ই ): মৌসুমী ফল তরমুজ। তীব্র গরমে এই ফলের কাটতি থাকে চরমে। এছাড়াও তরমুজের রয়েছে নানাবিক স্বাস্থ্য গুণ। নিচে এসব নিয়ে আলোচনা করা হলো : পানিশূন্যতা দূর করে : তরমুজে প্রচুর পরিমাণ জল আছে। গরমের সময় যখন ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে জল বের হয়ে যায় তখন তরমুজ খেলে শরীরের পানিশূন্যতা দূর হয়। ফলে শরীর থাকে সুস্থ ও সতেজ। চোখ ভালো রাখে : তরমুজে আছে ক্যারোটিনয়েড। আর তাই নিয়মিত তরমুজ খেলে চোখ ভালো থাকে এবং চোখের নানান সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ক্যারোটিনয়েড রাতকানা প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। শারীরিক শক্তি বাড়ায়: টেক্সা এ অ্যান্ড এম ইউনিভার্সিটির গবষেণায় প্রমাণিত যে যারা শারীরিক শক্তির দিক থেকে দুর্বল তাদের জন্য তরমুজ প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এই ফল শারীরিক শক্তি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

23-03-2018 02:25:04 pm

নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা

১৯ মার্চ (এ.এন.ই ): শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধিতেই নয়, আয়ুর্বেদিক ও কবিরাজি চিকিৎসাতেও কালোজিরার ব্যবহার হয়। কালোজিরার বীজ থেকে একধরণের তেল তৈরি হয়, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে আছে ফসফেট, আয়রন এবং ফসফরাস। এছাড়াও কালোজিরা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে। জেনে নিন, নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্ক- ১. নিয়মিত পেট খারাপের সমস্যা থাকলে কালোজিরা সামান্য ভেজে গুঁড়ো করে ৫০০ মিলিগ্রাম হারে ৭-৮ চা চামচ দুধে মিশিয়ে সকালে ও বিকেলে সাত দিন ধরে খেলে ভাল ফল পাওয়া যায়। ২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোনও জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। ৩. যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা দূর করে। ৪. প্রচণ্ড সর্দি হয়ে মাথা যন্ত্রণা হলে কালোজিরা কাপড়ে বেঁধে শুঁকতে হবে। তবে কাপড়ের মধ্যে নেওয়ার আগে তা ধুয়ে নিতে হবে। তাতে গন্ধ বের হয় এবং উপকার হয়। ৫. প্রচন্ড মাথা ব্যথাতে কালোজিরে বেটে কপালে প্রলেপ দিলে ও মিহি গুঁড়োর নস্যি নিলে উপকার হয়। ৬. কালোজিরা ভাজা তেল গায়ে মাখলে চুলকানিতে উপকার হয়। ৭. কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের গ্লুকোজ কমিয়ে দেয়। এতে করে কালোজিরা ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রনে রাখতে সহায়তা করে। ৮. স্মৃতিভ্রংশ ও স্মরণশক্তির দুর্বলতায় কালোজিরে খুব কার্যকর। ৯. পরিমাণমতো কালোজিরা খেলে প্রস্রাব পরিষ্কার হয়। ১০. শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।

19-03-2018 02:59:10 pm

ঘরোয়া পদ্ধতিতে দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাবার সহজ উপায় জেনে নিন

১৯ মার্চ (এ.এন.ই ): দাঁতের যথাযথ যত্ন ও সুরক্ষার অভাবে অনেক সময় দেখা দেয় দাঁতের সমস্যা। আর তখনই শুরু হয় ব্যথা। আবার দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন ধরণের সমস্যার কারণেও হতে পারে এ দাঁত ব্যথা। যেমন- ক্যাভিটি, মাড়ির সমস্যা, দাঁতে ইনফেকশন, দাঁত দিয়ে রক্ত পরা, দাঁতের গোঁড়া আলগা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।যেকোনো ব্যক্তির যেকোনো সময় দেখা দিতে পারে এ সমস্যা। তবে এতে চিন্তার কিছু নেই। কারণ ঘরোয়া উপায়ে সহজেই দাঁত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেই সেই উপায়গুলো সম্পর্কে। ১. পেঁয়াজ পেঁয়াজের অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান দাঁতের জীবাণু নষ্ট করে দাঁতের ব্যথা উপসম করে। প্রথমে দাঁতের ব্যথার জায়গাটা খুঁজে বের করুন। এবার একটি পেঁয়াজ আক্রান্ত জায়গার কাছাকাছি নিয়ে চাবান। আর যদি চিবোতে না পারেন এক টুকরা পেঁয়াজ কেটে নিয়ে আক্রান্ত জায়গায় রাখুন, দেখবেন ব্যথা কমে যাবে। ২. পেয়ারা পাতা দাঁতের ব্যথায় আরাম পেতে পেয়ারা পাতা আরো একটি উপকারী উপাদানের নাম। দুই থেকে তিনটা কচি পেয়ারা পাতা মুখে নিয়ে পরিষ্কার জলে ধুয়ে চিবোতে থাকুন যতক্ষণ না সেটি দাঁতের ব্যথায় কাজ শুরু না করে। আবার কয়েকটা পেয়ারা পাতা নিয়ে খানিকটা জল দিয়ে তা সিদ্ধ করুন। এরপর জল ঠাণ্ডা করে ওই জল দিয়ে কুলকুঁচি করুন। ৩. রসুন রসুনের এন্টিবায়োটিক উপাদান ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকরি উপাদান দাঁতের সংক্রমণ জনিত ব্যথায় দারুন কাজে দেয়। একটি রসুন ভেঙ্গে তাতে কিছুটা লবণ মাখিয়ে আপনার আক্রান্ত দাঁতের গোঁড়ায় লাগিয়ে দেখুন দাঁতের ব্যথায় আরাম পাবেন। ৪. উষ্ণ লবণ জল একগ্লাস বেশ গরম পানিতে খানিকটা লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। দেখবেন দাঁতের শিরশির ভাব ও ব্যথা কমে যাবে। কেননা গরম জল আর লবণের কার্যকারিতায় দাঁতের টিস্যুগুলো সচল হয়ে উঠে আর সব জীবাণু তাদের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। ৫. মরিচ ও লবণ দাঁতে যখন খুব বেশী স্পর্শকাতরতা আর টনটনে ব্যথা হয় তখন লবন আর মরিচ আপনাকে আরাম প্রদান করতে পারে। সমপরিমাণ লবণ আর মরিচ নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা জল দিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এই পেস্ট আপনার দাঁতে সরাসরি লাগান। পরপর কয়েকদিন এভাবে লাগালে দাঁতের ব্যথা কমে যাবে।

19-03-2018 02:54:42 pm

গ্যাস্ট্রিক সহ নানান সমস্যা দূরে করে আদা চা

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): আদা চায়ের গুণাগুণ অনেক। যারা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য আদা চা-ই পারফেক্ট। আদা চায়ের উপকারি গুণের কারণে এর রয়েছে অনেকগুলো স্বাস্থ্যকারী দিক। আদা চা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শীতে এককাপ আদা চা আমাদের শরীরকে গরম করে আর ঠাণ্ডা লাগা এবং সর্দি কাশি থেকে দূরে রাখে। সারাদিনের কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি দূর করতে এককাপ ধোঁয়া ওঠা আদা চা আপনার ক্লান্তিকে রাখবে দূরে আর করে তুলবে সতেজ। বমি বমি ভাব হচ্ছে? এক কাপ আদা চা হতে পারে ভালো সমাধান। কোথাও যাওয়ার আগে কয়েক চুমুক আদা চা খান। উপকার পাবেন। আদা চা হজমশক্তি বাড়ায়। এটি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমস্যা দূর করে হজমে সাহায্য করে। এক কাপ আদা চা শরীরের রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। এতে করে শরীরের নানা অংশে রক্তপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে থাকে। শ্বাস নিতে কষ্ট দেখা দিলে এক কাপ আদা চা খেতে পারেন। বেশ উপকারী বন্ধু হিসেবেই কাজ করবে এটি।

15-03-2018 02:22:08 pm

শরিরে রসুন এবং নারিকেল তেলের বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): ঘরে যদি রসুন আর নারকেল তেল থাকে, তাহলে আর কড়া কড়া অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দরকার হবে না। গবেষকরা বলছেন, কাঁচা রসুন আর নারকেল তেল অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। রসুন- রান্না অবস্থায় নয়, ব্রেকফাস্টের আগে খালিপেটে রসুন খান। চিবিয়ে খেতে না চাইলে, জল দিয়ে গিলে ফেলুন দু কোয়া কাঁচা রসুন। গবেষকদের মতে, খালিপেটে রসুন খেলে উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রেস কমায়। অনেক সময় স্ট্রেস থেকে হজম ও পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রেও রসুন কার্যকরী। ডায়েরিয়া হলেও খালিপেটে রসুন খেলে ভাল ফল পাবেন। এছাড়া, রসুন রক্ত পরিসুদ্ধ করে, লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তবে, রসুনে এলার্জি থাকলে খাবেন না। নারকেল তেল- মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা জানিয়েছেন, দাতের এনামেলের ক্ষয়রোধ করে নারকেল তেল। যুক্তরাষ্ট্রের 'ইউনিভার্সিটি অফ ওয়ারউইক'-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন জেনারেল মাইক্রোবায়োলজি সোসাইটির সাধারণ সভায় নারকেল তেলের এই বিশেয গুণের কথা প্রকাশ করেন গবেষকরা। আয়ারল্যান্ডের অ্যাথলোন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির একদল গবেষক জানান, তারা নারকেল তেলের সঙ্গে একধরনের এনজাইম মিশিয়ে পরীক্ষা করে বিশেষ ফল পেয়েছেন। এটি হজমে সাহায্যকারী এনজাইমের সঙ্গে মিশে মুখ ও দাঁতের ভিতর লুকিয়ে থাকা জীবানু ধ্বংশ করে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, দাঁতের ক্ষয়ের প্রধান কারণ মুখের ভিতর বসবাসকারী স্ট্রেপটোকক্কাস নামের এক ব্যাকটিরিয়া। এই ব্যাকটিরিয়ার সঙ্গে থাকা স্ট্রেপটোকক্কাস মিউটানস নামে অ্যাসিড তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন এক ধরনের অণুজীব মূলত দাঁতের ক্ষয় করে। দাঁতে লেগে থাকা খাবার ও আংশিক হজম হওয়া দুধ থেকে স্ট্রেপটোকক্কাস মিউটানশের সৃষ্টি হয়। এই অণুজীবকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে এনজাইম মুক্ত নারকেল তেল।

15-03-2018 02:18:37 pm

আনারসের কিছু উপকারিতা জেনে নিন

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): অসংখ্য গুণে গুনান্বিত মৌসুমী ফল আনারস। এই ফল যেমন শরীরে জলের চাহিদা মেটায়, তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই এর। চলুন জেনে নেই আনারসের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে। ১. আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। ২. দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্তবাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিণ্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে। ৩. শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট রয়েছে। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। ৪. আনারস আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আনারস খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। ৫. আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

15-03-2018 02:07:14 pm

আলুর বিভিন্ন গুন গুলি জেনে নিন

২১ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): পৃথিবীতে মানুষের প্রধান খাদ্য হিসেবে ভুট্টা, গম আর চালের পরই আলুর অবস্থান। বিশ্বের অনেক দেশেই রুটি বা ভাতের বদলে আলু খাওয়ার প্রচলন আছে। তবে আমাদের দেশে আলু এখনো পরিপূরক বা সহায়ক খাবার। ভাতের সঙ্গে আলুর ভর্তা বা তরকারিতে আলু না হলে চলেই না। আমরা প্রায় প্রতিদিন অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি আলু খেয়ে থাকি। এই আলুর পুষ্টিগুণ অনেক। আলুতে ভিটামিন 'এ', 'বি' ও 'সি' আছে। এছাড়াও আলুর খোসাতে আছে ভিটামিন 'এ', পটাশিয়াম, আয়রন, অ্যান্টি-অক্সাইড, ফাইবারসহ প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট। চলুন এবার দেখে নেওয়া যাক আলু খাওয়ার উপকারিতা। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: ব্লাড প্রেসারকে (রক্তচাপ) ঠিক রাখতে ভীষণভাবে সাহায্য করে আলু। কারণ আলুতে আছে কুকোয়া-মাইনাস নামের এক ধরণের কেমিক্যাল। তবে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত আলু খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ওজন বেড়ে যেতে পারে। হজমে সহায়ক: হজমের পক্ষে আলু খুব ভাল। কারণ আলুতে হাই ফাইভার থাকে। ত্বকের পক্ষে উপকারী: আলু, বেটে কিংবা আলুর রস ত্বকে লাগালে বিভিন্ন দাগ, র‍্যাশ ও অন্যান্য ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আলুতে ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স, পটাশিয়াম ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক, ফসফরাস ইত্যাদি রয়েছে যা ত্বকের জন্য জরুরি। এছাড়া রোদে পোড়া ভাবও দূর করতে সহায়তা করে আলুর রস। রোগ প্রতিরোধ: আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি' আছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। একটি মধ্যম আকৃতির(১৫০ গ্রাম) আলুর ত্বকে প্রায় ২৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন 'সি' আছে। এছাড়া আলুতে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি, ও আয়রন আছে। মানসিক চাপ কমায়: আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ রয়েছে, যা মন ভালো রাখার জন্য কার্যকরী দুটি উপাদান সেরেটোনিন ও ডোপামিন নামক নিওট্রান্সমিটার গঠনে সহায়তা করে। নিওট্রান্সমিটার মস্তিষ্কে অনুভূতি আদান প্রদান করে থাকে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে মন ভালো করতে সহায়তা করে। মস্তিষ্ক সচল ও কর্মক্ষম রাখে: আলুতে গ্লুকোজ, অক্সিজেন, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, এমিনো এসিড, ওমেগা-৩ ও অন্যান্য ফ্যাটি এসিড আছে,. যা মস্তিষ্ক সচল ও কর্মক্ষম রাখার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো সরবরাহ করতে সহায়তা করে।

21-02-2018 03:08:00 pm

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম ও হার্টের ভাল রাখতে সাহায্য করে পপকর্ন

২১ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): পপকর্ন ফ্যাট ফ্রি, সুগার ফ্রি ও লো ক্যালরি খাবার। এক কাপ পপকর্নে মাত্র ৩০ ক্যালরি থাকে। অথচ আঁশযুক্ত খাবার হওয়ায় অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখে। ক্ষুধা কম পায়। এভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে পপকর্ন। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ পপকর্ন রক্তে ফ্রি-র‌্যাডিক্যালস-এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। যা চুল পড়া, অ্যালঝেইমার'স-এর মতো বয়সকালীন সমস্যা মোকাবিলায় সাহায্য করে। পপকর্নে ফাইবার, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ই, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পরিমাণ প্রচুর। যা হজমে সাহায্য করে ও পেট পরিষ্কার রাখে। পপকর্ন রক্তনালী ও ধমনীর দেওয়ালে কোলেস্টেরল জমতে বাধা দেয়। ফলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে ও হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। পপকর্ন রক্তে শর্করার মাত্রা ও ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে পপকর্ন। ডায়াবেটিস থাকলে নিয়মিত ডায়েটে ১ কাপ ঘরে তৈরি পপকর্ন রাখতে পারেন।

21-02-2018 02:55:15 pm

ফ্রিজে রেখে চকোলেট খাওয়া বিপদজনক বললেন চকোলেট বিশেষজ্ঞ

৩ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): ফ্রিজের ভেতর বলতে আমাদের চোখের সামনে যা যা ভেসে ওঠে, তার মধ্যে জল, ফ্রুট জুস, শাক-সবজি, মাছ-মাংস, মাখন থাকবেই। আর একটা জিনিসও অবধারিত ভাবে থাকবে। সেটি হল চকোলেট। চকোলেট ঠান্ডা করে, মানে একেবারে চিলড করে খাওয়ার অভ্যাস বিপুল সংখ্যক মানুষের। অনেকে তো আবার এমন ধারণা পোষণ করেন যে, ফ্রিজে না রেখে চকোলেট খাওয়াই যায় না। আর এই জন্যই কিন্তু চকোলেট প্রেমীদের সাবধান করছেন নিউ জিল্যান্ডের প্রখ্যাত চকোলেট বিশেষজ্ঞ লিউক আওয়েন স্মিথ। তার মতে, চকোলেট ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মিরর’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মিথের বক্তব্য, ফ্রিজে রাখা চকোলেটের স্বাদ একেবারই বিনষ্ট হয়ে যায়। চকোলেট এমনিতেই অত্যন্ত নাজুক পদার্থ। তার স্বাদ-গন্ধকে অক্ষুণ্ন রাখতে হলে থাকে রাখতে হবে স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেই। প্রবল গরমে চকোলেটকে অবিকৃত রাখার উপায় বাতলে দিয়েছেন স্মিথ। তিনি জানাচ্ছেন, ১০ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার একটি কাবার্ডই চকোলেটের সব থেকে ভাল আস্তানা। কিন্তু বাইরের তাপমান যদি ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, তা হেল ফ্রিজে রাখা ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। তখন ‘বিস্বাদ’ চকোলেটই খেতে হবে।

03-02-2018 01:50:45 pm

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে কিছু খাবার জেনে নিন

৩ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): কোলেস্টেরলের কারণে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের মতো কার্ডিওভাস্কুলার রোগ হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। তাই এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে কিছু খাবার। ১. গ্রিনটি প্রতিদিন কয়েক কাপ গ্রিনটি পান করা সার্বিক কোলেস্টেরল এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর একটি সহজ উপায়। গ্রিনটি এর বিভিন্ন উপাদান পরিপাক নালীতে কোলেস্টেরলের শোষণ প্রতিহত করে এবং রেচনে সাহায্য করে। এছাড়াও গ্রিনটি ধমনীতে প্লাক জমা প্রতিহত করে এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। ২. কমলার জুস টকমিষ্টি স্বাদের কমলার রস কোলেস্টেরল কমানোর অত্যন্ত উপকারী। গবেষকেরা জানিয়েছেন, কমলার রস হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া রক্তের লিপিড প্রোফাইলের উন্নতি ঘটায়। এর কারণ হচ্ছে কমলার রসে ভিটামিন সি, ফোলেট এবং হেসপিরিডিন এর মত ফ্লেভনয়েড থাকে। ৩. কাঠবাদাম হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার থাকে কাঠবাদামে, যা ভালো কোলেস্টেরল এইচ ডি এল এর মাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ২০১১ সালে নিউট্রিশন রিভিউতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয় যে, কাঠবাদামের মত গাছের বাদাম খাওয়া এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে। এর ফলে করোনারী ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকি ৩ থেকে ৯ শতাংশ কমে। ৪. ওটমিল সকালের নাস্তায় ওটমিল খাওয়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ওটমিলের দ্রবণীয় ফাইবার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্তস্রোতে কোলেস্টেরলের শোষণ কমায়। এছাড়াও নিয়মিত ওটমিল খেলে কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।

03-02-2018 01:43:42 pm

মুখের দূর্গন্ধ দূর করতে সহয়তা করে এলাচ

২৪ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): সুগন্ধিযুক্ত এলাচকে মশলার রানি বলা হয়। খাবারে অতিরিক্ত স্বাদ বাড়াতে এ মশলার ভূমিকা অপরিসীম। রান্নার স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও এর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপকারী গুণ। বিশেষ করে, এলাচের ভেষজ গুণ শরীরের নানাবিধ রোগ প্রতিরোধ করে। এলাচে রয়েছে ভিটামিন সি, যা রক্তসঞ্চালন ও ত্বক সমস্যার সমাধান করে। অনেকে মনে করেন, সকালে খালি পেটে এলাচমিশ্রিত জল খেলে হজম সংক্রান্ত সমস্যা দূর হয়। এক চিমটি এলাচ গুঁড়ো রক্তস্বল্পতা দূর করে এবং দুর্বলতা কমিয়ে আপনার শক্তি বাড়াতে পারে। আসুন, জেনে নিন এলাচের আর কী কী উপকারিতা রয়েছে- রক্তস্বল্পতা দূর করে- এক বা দুই চিমটি এলাচ গুঁড়ো এবং হলুদ গুঁড়ো এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে চিনি মিশিয়ে নিতে পারেন। প্রতি রাতে এটি পান করুন। রক্তস্বল্পতা দূর হবে, দুর্বলতা কমবে এবং শক্তি বাড়বে। এলাচে বিদ্যমান রিবোফ্লাবিন, ভিটামিন সি, নিয়াসিন, আয়রন এবং কপার রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে। হজমশক্তি বৃদ্ধি করে : ২টি এলাচ, ১টি ছোটো আদার টুকরো, ২-৩টি লং এবং কয়েকটি ধনিয়া একসঙ্গে গুঁড়ো করে নিন। এটি গরম জলে মিশিয়ে পান করুন। হজমশক্তি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি গ্যাস, বমিভাব দূর করবে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করে : খাবার পর এক টুকরো এলাচ কিছুক্ষণ চিবিয়ে নিন অথবা এলাচ চা খান প্রতিদিন সকালে। এটি আপনার পাঁচনতন্ত্র শক্তিশালী করে। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। হেচঁকি কমায় : ঘনঘন হেঁচকির সমস্যা হলে এলাচ খাওয়া শুরু করুন। এটি আপনার পেশি রিল্যাক্স করে হেঁচকিকমাবে। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর : এলাচ একটি ভেষজ উপাদান। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ ফাঙ্গাস, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া দূর করে। হার্ট সুস্থ রাখে : প্রতিদিনের খাবারে এলাচ যুক্ত করুন অথবা এলাচ চা পান করুন। এটি আপনার হার্ট সুস্থ রাখার পাশাপাশি হার্টবিট নিয়মিত রাখবে। অ্যাসিডিটি কমায় : সমপরিমাণে এলাচ, জিরা, মৌরি একটি পাত্রে ভেজে গুঁড়ো করে নিন। এক কাপ গরম জলে আধ চা চামচ এই গুঁড়ো মিশিয়ে নিন এবং পান করুন। এটি অ্যাসিডিটি, পেটের গ্যাস এবং পেট ফাঁপা রোধ করবে।

24-01-2018 01:57:54 pm

খাঁটি মধু চেনার উপায় জেনে নিন

২৪ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনি যে মধুটা খাবেন সেটা খাঁটি মধু নাকি জাল মধু, সেটা কিন্তু আপনি জানেন না। মধু খাঁটি কিনা বোঝার কয়েকটা বিশেষ পদ্ধতি আছে, সেগুলোকে সঠিকভাবে মেনে চললে, আপনার খাঁটি মধু চিনে নিতে কোনও অসুবিধা হবে না। ১। আপনি বুড়ো আঙুলের দ্বারা মধু খাঁটি কিনা পরীক্ষা করতে পারেন। মধু কেনার সময় হাতের বুড়ো আঙুলের ওপর অল্প একটু মধু নিয়ে দেখবেন সেটা জলের মতো ছড়িয়ে যাচ্ছে নাকি ঘন অবস্থায় এক জায়গায় রয়েছে। যদি দেখেন মধুটা ছড়িয়ে যাচ্ছে তবে সেটা কখনই খাঁটি মধু নয়। ২। একটা পাত্রের মধ্যে কিছুটা মধু ঢেলে, তারপর তারমধ্যে খানিকটা জল ঢেলে দেখবেন মধুটা জলের মধ্যে মিশে যাচ্ছে নাকি আগের মতোই ঘন হয়ে এক জায়গায় রয়েছে। মধু খাঁটি হলে সেটা এক জায়গায় স্থির থাকবে। ৩। অনেক সময় খাঁটি মধু জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তাই একটা দেশলাই কাঠি নিয়ে সেটাকে মধুর মধ্যে ডুবিয়ে তুলে নিয়ে দেশলাইটাকে আবার জ্বালানোর চেষ্টা করুন, যদি সেটা জ্বলে যায় তবে সেটা খাঁটি মধু। ৪। মধু পরীক্ষা করার আরও একটা উপায় হল, একটা পাত্রে কিছুটা মধু নিয়ে সেটা ভাল করে আচেঁ ফোটান। যদি দেখেন মধু ধীরে ধীরে ক্রমশ ঘন হয়ে যাচ্ছে তবে বুঝবেন ওই মধু এক নম্বর।

24-01-2018 01:51:40 pm


Copyright © 2012 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.