বিজ্ঞাপন
Megabyte - Walk in motion আগরতলায় প্রথমবার নিয়ে এসেছে মডেলিং এবং এক্টিং জগতের বন্ধুদের জন্য এক সুবর্ণ সুযোগ । মডেলিংএর জগতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে এবং ভারতের বিশিষ্ট সেলিব্রিটিদের সঙ্গে কাজ করার বিরাট সুযোগ এনে দিয়েছে Mega Byte - Walk in motion organized by Polonius EMS Pvt. Ltd. এবং Agartala Promotion Partner: Zoom Ad Agency । আগ্রহীরা সরাসরি চলে আসতে পারেন আগামী ১৭ই অক্টোবর হোটেল উয়েলকাম পেলেসে দুপুর ১টা থেকে যার অডিশন চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত । এবং গ্রেন্ড ফিনালে হবে গৌহাটিতে । শুধুমাত্র ১৮ থেকে ২৭ বছরের ছেলেমেয়েরাই এই অডিশানে অংশগ্রহণ করতে পারবেন । এই প্রতিযোগিতায় দুজন বিজেতাদের জন্য থাকছে ১ লক্ষ টাকা করে প্রাইজ মানি । ৫ দিনের বিদেশ সফর । Mega Byte এর সাথে ১ বছরের মডেলিং কন্ট্রাক্ট ছাড়াও আরও অনেক আকর্ষণীয় পুরস্কার । বিশদ জানতে যোগাযোগ করুনঃ 8876174868 / 9774425328 / 8194855445

  • শ্রম দপ্তরে সূচনা হল অনলাইন রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি
  • চিনের পণ্য বর্জন আহ্বানেব মোর্চার মিছিল
  • ফাঁসিতে ঝুলন্ত গৃহবধূর মৃতদেহ উদ্ধার
  • বাম শাসনে রাজ্যে আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি অবনতি, মুক্তির পথ খুঁজছে মানুষ: বিপ্লব দেব
  • ট্রায়াল রানে লামডিং পর্যন্ত গেল রাজধানী এক্সপ্রেস
  • ভোটমুখী তৎপরতা মহাকরণে, দুই মাসের লক্ষ্যে পূরণে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ
  • নরক গুলজারে পরিণত জিবি হাসপাতাল
  • গন্ডাছড়া মহকুমার প্রত্যন্ত এলাকায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ
  • খোয়াই কলেজে গুন্ডারাজ, অধ্যাপককে কেরানির হত্যার হুমকি
  • গাড়ি চালক নিখোঁজ তদন্তে পুলিশের নীটফল শূন্য
  • বাজারে টিকে থাকার লড়াইয়ে নেমেছে বিএসএনএল
  • রাজনীতিতে আসছেন এটিটিএফ জঙ্গি নেতা রঞ্জিত দেববর্মা?
  • ক্যাগ'র ২৬ অনিয়মিত কর্মীর বরখাস্তের স্থগিতাদেশ হাইকোর্টে
  • বিলোনীয়ায় মহিলা খুন
  • ভীমরতি: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানি এক বৃদ্ধার
  • আজ রাজধানী এক্সপ্রেসের ট্রায়াল রান
  • গরু পাচার রোধে আক্রান্ত বিএসএফ কমান্ডেন্ট, সোনামুড়ায় সীমান্তে উত্তেজনা
  • কাশীপুরে বাইক এবং গাড়ি সংঘর্ষে উত্তেজনা, মামলা পাল্টা মামলা
  • ধর্মনগরে উট দেখতে জলঢল
  • ১০ হাজার যাত্রীর উপযোগী করে নির্মাণ হচ্ছে আগরতলা নতুন টার্মিনাল
  • বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে জনদরবারে চার্জশিট দাখিল করলো বিজেপি
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশিক্ষণ দিতে রাজ্যে এলেন রামমাধব

স্পেশাল আর্টিকেল

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

হোলির রাতে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের পর সাংবাদিক সন্মেলনে বিপ্লব

চিটফান্ড ইস্যুতে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে তথ্য সহ বিঁধল সুদীপ

স্বাস্থ্য

সিগারেট থেকে মুক্তি পাওয়ার কিছু নিয়ম জেনে নিন

১লা জুন (এ.এন.ই): সিগারেট বা বিড়িতে সুখ টান দিতে দিতে আপনি ক্লান্ত। ধূমপান থেকে এবার মুক্তি চাইছেন। কিন্তু কিছুতেই ছাড়তে পারছেন না। আপনিও নিয়মিত কয়েকটি খাবার খেলে ধূমপানকে বিদায় জানাতে পারবেন। আসুন সেই সব খাবারগুলো জেনে নেয়া যাক। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল ধূমপানে ভিটামিন সি -এর মাত্রা কমে যায় বলে বারবার সুখটানের ইচ্ছে হয়। যে কোন ধরনের ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খান। কমলা লেবু, পাতি লেবু, বেদানা চলতেই পারে। দেখবেন সিগারেট খাওয়ার আর ইচ্ছে জাগবে না। নোনতা খাবার ধূমপানের জন্য মনটা ছটফট করছে। এক চিমটে লবন মুখে দিন। কিংবা নোনতা বাদাম বা নোনতা চিপস। দেখবেন সিগারেটের তেষ্টা মিটে যাবে। জিনসেং অতিরিক্ত ধূমপান শরীরে ডোপামাইনের নিঃসরণ বাড়ায়। জিনসেং ডোপামাইনের নিঃসরণ কমিয়ে দেয়। সপ্তাহে একবার জিনসেং খেলে ধূমপানের ইচ্ছে মিটে যাবে। তাহলে আসুন আজ থেকেই এই সমস্ত অভ্যাস শুরু করা যাক। তাহলে সিগারেট থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া যাবে।

01-06-2016 02:00:34 pm

জামের বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

৩১মে (এ.এন.ই): গ্রীষ্মকালীন রসালো ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো জাম। এতে অনেক গুন আছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ভিটামিন এ, জিংক ও গ্লুকোজ, ফ্রুকটোজ ও ডেক্সটোজ রয়েছে। উপাদানগুলোর জন্য জাম শুধু গর্ভবতী মা এবং শিশু নয়, বরং উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও ভীষণ উপকারী। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে জামের জুড়ি মেলা ভার। কাজেই যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তারা নিয়মিত জাম খেতে পারেন। নিয়মিত জাম খেলে সহজেই হৃদরোগের নানা ঝুঁকি এড়ানো যায়। কাজেই সুস্থতায় নিয়মিত আপনিও খেতে পারেন এই জাম। জাম ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল। প্রতি মৌসুমে পর্যাপ্ত পরিমাণে জাম খেলে ৩০% পর্যন্ত রক্তে চিনির পরিমাণ কমে আসে। তাই রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডায়াবেটিস রোগীদের জাম খাওয়ার বিকল্প নেই।

31-05-2016 06:22:53 pm

বেশি আনন্দ হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতি হতে পারে বললেন গবেষকরা

৩১মে (এ.এন.ই): বেশি আনন্দের মুহূর্তগুলো বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা তৈরির পাশাপাশি মানুষের হৃদপিণ্ডের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে বলে সুইজারল্যান্ডের একটি গবেষণা বলছে। এ সময় হার্টের একটি অংশ অতিরিক্ত প্রসারিত হয়, ফলে সেটি বাড়তি চাপ তৈরি করে। দি ইউনিভার্সিটি হসপিটাল জুরিখের গবেষণায় বেরিয়ে এসেছে, অতিরিক্ত রাগ বা ভয়ের অনুভূতিও একই রকম সমস্যা তৈরি করতে পারে। তবে প্রতি কুড়ি জনের অন্তত একজন অতিরিক্ত আনন্দের খবরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন, বলছেন গবেষকরা। যদিও এ ধরণের সমস্যা সাময়িক, কিছুক্ষণ পরেই আবার মানুষজন ভালো বোধ করতে পারেন। ১৭৫০ জনের উপর ওই গবেষণাটি চালানো হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ হৃদপিন্ডজনিত জটিলতা যে সময় তৈরি হয়, তার মধ্যে রয়েছে জন্মদিনের অনুষ্ঠান, ছেলের বিয়ে, পাঁচ দশক পরে কোন পুরনো বন্ধুর সঙ্গে দেখা, দাদি হওয়ার খবর, প্রিয় রাগবি দলের জয়, ক্যাসিনোর জ্যাকপট জয় ইত্যাদি।

31-05-2016 04:54:08 pm

খালি পেতে চা খাওয়ার সমস্যা গুলি জেনে নিন

৩০মে (এ.এন.ই): সকালে এক কাপ চা আর সামনে কাগজের খবর থাকলে তাহলে দিন ভালই যায়। কিন্তু সকালে উঠে খালি পেটে এক কাপ চা খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে অনেকেরই। চা ছাড়া দিনটা শুরু করার কথা তারা যেন ভাবতেই পারেন না। কিন্তু খালি পেটে চা খাওয়া একেবারেই স্বাস্থ্যকর না। চা যদি খেতেই চান, তাহলে আগে কিছু একটা খেয়ে নিন। তবে ভুলেও খালি পেটে চা খাবেন না। জেনে নিন খালি পেটে চা খেলে কি কি সমস্যা হতে পারে। সকালে খালি পেটে চা খেলে অ্যাসিডিটি বাড়ে। ক্ষুধাও নষ্ট হয়। খালি পেটে ব্ল্যাক টি খেলে পেট ফাঁপার আশঙ্কা থাকে। চায়ে ট্যানিন থাকে। এর ফলে খালি পেটে চা খেলে বমি বমি ভাব হবে। খালি পেটে চা খেলে শরীরের প্রোটিন ও অন্যান্য নিউট্রিয়েন্টসের সক্রিয়তা কমিয়ে দেয়। খালি পেটে কড়া চা খেলে অনেক ক্ষেত্রেই আলসারের আশঙ্কা থাকে। কেউ কেউ সকালে এক কাপ আদা চা খায়। এতে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বাড়তে পারে।

30-05-2016 05:24:26 pm

জেনে নিন করলা কিভাবে আমাদের রোগের হাত থেকে বাঁচায়

করলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি ও সি রয়েছে। একই সঙ্গে এতে বিটা-ক্যারোটিন, লুটেইন, আয়রন, জিঙ্ক, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে। এ জন্য এটি শরীরের জন্য অনেক উপকারী। করলা আকারে বড় ও ছোট হলেও গুণের দিক থেকে একই রকম। ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে করলার ভেষজগুণের পর্যাপ্ততাও রয়েছে। জ্বর ও শরীরের কোনো অংশ ফুলে গেলে তা থেকে পরিত্রাণ পেতে করলা ভালো পথ্য। তা ছাড়া করলার তরকারি বাত রোগে, লিভারে ও প্লীহার রোগে এবং ত্বকের অসুখে উপকার দেয়। নিয়মিত করলা খেলে জ্বর, হাম ও বসন্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। কীভাবে তৈরি করার যায় করলার জুস গাঢ় সবুজ রঙের কাঁচা করলা নিয়ে টুকরো করে কাটতে হবে। বিচিগুলো সরিয়ে ফেলতে হবে। তিতা কমাতে চাইলে করলা কেটে ঠাণ্ডা লবণ জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর জুসারে জুস তৈরি করে নিতে হবে। প্রয়োজন মত লবণ দেয়া যেতে পারে। উপকারিতা তিতা করলার রস পানে অগ্ন্যাশয় ক্যানসারের কোষ ধ্বংস হয় বলে সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে করলার রস সহায়তা করে। করলার আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরি করতে সাহায্য করে। দাঁত ও হাড় ভালো রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে ও চোখের সমস্যা সমাধানে করলার বিটা ক্যারোটিন খুবই উপকারী। ত্বক ও চুল ভালো রাখার জন্যও একান্ত জরুরি। চর্মরোগ সারাতে সাহায্য করে। এছাড়া করলার রস ক্রিমিনাশক।

28-05-2016 05:08:00 pm

জেনে নিন এই গরমে আপনার ত্বকের যত্ন কিভাবে করবেন

আগরতলা,২৭,মে (এ.এন.ই): এই গরমে নারীদের ত্বকের প্রতি নিতে হয় বিশেষ যত্ন। ঘর থেকে বেরোলেই ট্রাফিক, ধুলোবালি, বায়ু দূষণের মুখোমুখি হতে হয়। এতে ত্বকের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে। ভারতের রূপ বিশেষজ্ঞ শাহনাজ হুসাইন গরমে ত্বকের যত্নের জন্য নেয়ার কিছু টিপস দিয়েছেন। চলুন জেনে নেয়া কিভাবে গরমে ত্বক ভালো রাখবেন। রাতে শোবার আগে ভালো করে ত্বক পরিষ্কার করে নিন। মুখের মেকআপ, শরীরের ঘাম, তৈলাক্ততা, ময়লা এবং দূষিত পদার্থ পরিষ্কার করে নিন। তুলসী এবং নিমের ফেসওয়াশ গ্রীষ্মের জন্য দারুণ উপকারী হতে পারে। এটি অশুদ্ধতা দূর করবে, ব্রণ এবং লাল ফুসকুড়ি থেকে ত্বককে রক্ষা করবে। ত্বকের প্রশান্তি যোগাবে। ত্বক পরিষ্কারের পর ঠাণ্ডা গোলাপ জল বা গোলাপের স্কিন টনিক ব্যবহার করুন। এটি শুধু ত্বককে তরতাজাই রাখবে না, শীতল অনুভূতি যোগাবে। এটি ত্বকের উপরিভাগের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি এবং উজ্জ্বলতা বাড়াবে। গরম এবং আদ্র আবহাওয়ায় ত্বকের জন্য আদর্শ হতে পারে ম্যাট ময়েশ্চাইরাইজার। শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। আপনার কাজ যদি ভ্রমণ করা হয় তাহলে তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। বাজারে অয়েল ফ্রি সানস্ক্রিনও পাওয়া যায়। সপ্তাহে দুই বা তিনবার ফেসিয়াল স্ক্রাব ব্যবহার করুন। ফেসিয়াল স্ক্রাব ত্বকের মৃত কোষগুলোকে দূর করে এবং ত্বকের গভীর থেকে ময়লা পরিষ্কার করে। এটি ত্বক উজ্জ্বল এবং বিশুদ্ধ করে। আপনার ত্বক শুষ্ক হলে রাতে ত্বক পরিষ্কার করার পর নারিশিং ক্রিম ব্যবহার করুন। বৃত্তাকার স্ট্রোক ব্যবহার করুন। ত্বকের উপরের দিকে জোরে চাপ দিন এবং নিচের দিকে নামার সময় ধীরে ধীরে ব্যবহার করুন। তিন থেকে চার মিনিট ম্যাসাজ করার পর মুছে ফেলুন। সপ্তাহে দুই বার ফেইস মাস্ক ব্যবহার করুন। ঠোঁট এবং চোখের অংশ ছাড়া পুরো মুখে এটি ব্যবহার করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। আপনার মেকআপকে তরতাজা রাখতে চাইলে কিছু জিনিস হাতব্যাগে রাখুন। গ্রীষ্মের সময় সুগন্ধিযুক্ত ভেজা টিস্যু রাখতে পারেন। ত্বকের তেল এবং ঘাম পরিষ্কার করতে এটি ব্যবহার করুন। এটি আপনার ত্বক সতেজ রাখবে। চুল: চুল ফ্যাশন বা স্টাইলের একটি অংশ। কর্মক্ষেত্রে চুলে ছেড়ে রাখবেন না। বিশেষ করে গ্রীষ্মের সময়। চুল রোল করুন এবং পিন আপ করে ক্লিপ দিয়ে বাঁধুন। ইচ্ছে করলে পনি টেইল করে পেছন দিকে বাঁধতে পারেন। আপনার পনি টেইল ছোট হোক বা বড়, চুল ফিতা দিয়ে বাঁধুন। চুলের ফিতার রঙ আপনার পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে নিন। চুলের জন্য দরকারি বিভিন্ন সামগ্রী ব্যবহার করতে পারেন। নানা ধরনের ক্লিপ এবং অন্যান্য আকর্ষণীয় উপকরণ ব্যবহার করতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে চুলের অতিরিক্ত সজ্জার দরকার নেই। কর্মক্ষেত্রে বিনুনিও খুব কাজে দেয়। যদি এতে সময় লাগতে পারে। বড় এবং মাঝারি উভয় ধরনের চুলের জন্য বিনুনি করা যেতে পারে।

28-05-2016 03:19:40 pm

শরীর সুস্ত রাখার উপায় জেনে নিন

২৮ মে (এ.এন.ই): নিজেকে স্লিম এবং আকৃষ্ট ফিগারে কে না দেখতে চায় বলুন। নিজেকে মেদহীন, ঝরঝরে সবাই দেখতে চায়। এবি এর জন্য কারি কারি ওষুধ খেয়ে অনেকে আবার জিমে গিয়ে প্রচুর টাকা খরচ করে থাকেন। বিশেষ করে নারীরা এ বিষয়টিকে ইদানিং অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ওজন কমিয়ে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য নিয়মিত ডায়েটের পাশাপাশি এই ধরনের পদ্ধতি গুলি ব্যবহার করেছেন। কেউ ও আবার ওজন কামানোর জন্য অপারেশন ও করে থাকেন। সত্যি কি এতো কিছু করার দরকার আছে। সঠিক পরিমানে খাদ্য গ্রহন করলে এবং নিয়মিত জগিং করলে স্বাস্ত সুন্দর এবং আকৃষ্ট হয়ে উঠবে। তাছাড়া ডাক্তারদের যদি আমরা বাইরের তৈলাক্ত খাবার না খেয়ে যদি বাড়ির খাবার খাই তাহলে শরির অনেক ভাল থাকবে। এই ক্ষেত্রে ডাক্তার রা আরও বলেছেন যে সঠিক সময়ে খাবার খেতে হবে। তাঁর সাথে সকালে জগিং করা দরকার এতে শরির ও মন খুব ভাল থাকবে।

28-05-2016 02:17:05 pm

এই গরমে শিশুর ত্বকে একজিমা হলে কি কি করবেন আপনি ? জেনে নিন

আগরতলা,২৭,মে (এ.এন.ই): শিশুদের তুলতুলে নরম ত্বককে যত্নে রাখা চাই সব সময়। বেশি গরম বা শীতে অপরিষ্কার ত্বকে খুব সহজেই একজিমা বা এটোপিক ডার্মাটাইটিস হতে পারে। এই ধরণের চর্মরোগে শিশু আক্রান্ত হলে চিকিৎসায় জটিলতা বেড়ে যায়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অবশ্য ভালো ফল পাওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে ভুল চিকিৎসার ঘটনাও ঘটে থাকে। একজিমার লক্ষণ শিশুদের একজিমার প্রধান উপসর্গ হলো শরীরের বিভিন্ন স্থানে চুলকানি উঠে চুলকাতে থাকে। সাধারণত একজিমা কপাল, মুখ, হাত, পা ও ত্বকের ভাঁজে প্রথমে দেখা দেয়। তবে শরীরের অন্যান্য স্থানেও এটি হতে পারে। অনেক সময় চুলকানো স্থান লাল হয়ে যায় এবং কিছুটা খসখসে হয়ে যায়। এমনকি আক্রান্ত স্থান থেকে তরল জাতীয় ফ্লুইড বের হতে পারে। শিশুদের এটোপিক ডার্মাটাইটিস ৫ বছর বয়সের মধ্যেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা দেয়। কিন্তু সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসার মাধ্যমে এ ধরণের একজিমা অত্যন্ত ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। গরমে ঘামাচি, সেবোরিক ডার্মাটাইটিস ও সোরিয়াসিসের সঙ্গে প্রায় একই রকম দেখা যায়। তাই সমস্যা সনাক্ত করতে ঝামেলা হয়। এটোপিক একজিমা চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রথমে কতগুলো অতিসাধারণ কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। আক্রান্তের ধরন বুঝে উপযুক্ত এন্টিবায়োটিক, উপযুক্ত কোনো স্টেরয়েড ব্যবহার, চুলকানোর জন্য এন্টিহিস্টামিন খাওয়া এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য কোনো ভালো ময়েশ্চারাইজার লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ঠিক করবেন কোন ধরণের ওষুধ শিশুর জন্য প্রয়োজন। এছাড়া নন ষ্টেরয়ডাল ক্রিমও দেয়া যায়। সতর্কতা মনে রাখতে হবে ক্ষারযুক্ত সাবান, গরম জলে স্নান, সিনথেটিক কাপড়, এলার্জিক ফুড, আক্রান্ত শিশুর রোগের তীব্রতা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই শিশুদের একজিমা প্রতিরোধে বাবা-মায়ের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি। শিশুর ত্বকে যেকোনো ধরণের চুলকানি হলে প্রাথমিক অবস্থায় কোনো ডাক্তারের কাছে না গিয়ে ময়েশ্চারাইজার লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। শিশুকে এলার্জিক ফুড যেমন- বেগুন, চিংড়ি মাছ, ইলিশ মাছ খাওয়া থেকে বিরত রাখতে হবে। প্রাথমিক চিকিৎসায় যদি ভালো না হয় তবে অবশ্যই কোনো চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।

28-05-2016 02:03:47 pm

নিয়মিত খাদ্যাভাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব বললেন বিশেষজ্ঞরা

২৭ মে (এ.এন.ই): কথায় বলে ক্যান্সারের রোগের নাকি কোন মেডিসিন নেই। তবে বর্তমান প্রযুক্তির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানও দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। আবিষ্কার হচ্ছে নতুন নতুন যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা পদ্ধতির। এত সব সত্ত্বেও মারণব্যাধী ক্যান্সারের কোনো চিকিৎসা এখনো আবিষ্কার হয়নি। তবে এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী গবেষণা অব্যাহত চালিয়ে যাচ্ছিন। যাহোক, জীবনযাপন পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে ক্যান্সারের মতো ভয়ানক ব্যাধি প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞদের মত। 'জামা অনকোলজি' নামের জার্নালে সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিনের খাদ্যাভাস এবং ব্যায়ামের মাধ্যমে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব। গবেষকরদের দাবি, জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন করা হলে ৪০ শতাংশ ক্যান্সার প্রতিরোধ সম্ভব। গবেষণা প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়া মানুষের মধ্যে যুক্তরাজ্যের শেতাঙ্গদের সংখ্যা অনেক কম। শুধু খাদ্যাভ্যাসের কারণেই এই মরণব্যাধী থেকে নিজেদের দূরে রাখেন তারা। গবেষকরা জানান, ৮৯ হাজার ৫৭১ জন নারী এবং ৪৬ হাজার ৩৯৯ পুরুষের ওপর গবেষণাটি চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, ৭৩ হাজার ৪০ জন নারী এবং ৩৪ হাজার ৬০৮ পুরুষ ক্যান্সার আক্রান্তের ঝুঁকিতে রয়েছেন। অর্থাৎ প্রায় ১৯ শতাংশ নারী এবং মাত্র ৪ শতাংশ পুরুষ ক্যান্সারের ঝুঁকিমুক্ত; খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের কারণেই তারা আরও জানান, ওষুধের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়াম করলে এই মারন ব্যাধি রোগ থেকে নিজেদের কে প্রতিরোধ করা যাবে বলে মনে করেন গবেষকরা।

27-05-2016 01:57:54 pm

আমাদের নিয়মিত জীবনে পেঁয়াজের উপকারিতা জেনে নিন

২৪ মে (এ.এন.ই): পেঁয়াজ আমাদের প্রতিদিনের রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু আমরা কি জানি যে পেঁয়াজ শুধু মাত্র রান্নার কাজে ব্যবহৃত হয় না আমদের জীবনে আরো নানান কাজে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন বিষাক্ত পোকার কামড় হোক বা গলা খুসখুস বা অন্য কিছু, পেঁয়াজ নিমেষেই তা সারিয়ে তুলবে। দেখে নিন আর কী কী কাজে লাগে পেঁয়াজ: ১. পোকামাকড়ের কামড়ে কোন জায়গা যদি ফুলে যায় তা হলে একটি পেঁয়াজের টুকরো নিয়ে সেই জায়গাটির উপরে কিছু ক্ষণ ঘষতে থাকুন। খুব তাড়াতাড়ি ফোলা ভাব কমে যাবে। যন্ত্রণাও দূর হবে। ২. রান্না করার সময় গরম তেল ছিটকে বা কোনভাবে পুড়ে গেলে একই ভাবে পেঁয়াজের রস লাগান। পেঁয়াজ জ্বালা ভাব কমাতে সাহায্য করবে। সংক্রমণের সম্ভাবনা কমায়। তবে বেশি পুড়ে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ৩. এই সময়ে অসহ্য ব্যাথায় কাবু কম বেশি সব নারীই হয়ে থাকেন। অহেতুক পেন কিলার খাবেন না। তাতে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এর থেকে এই সময়ের ২/৩ আগে থেকেই পেঁয়াজ খেতে শুরু করুন। ভাল ফল পাবেন। ৪. বেশ কিছুদিন ধরেই যদি জ্বর আপনাকে কাহিল করে রাখে তাহলে রাতে ঘুমনোর সময় পায়ের মোজার মধ্যে পেঁয়াজের টুকরো রেখে ঘুমিয়ে পড়ুন। জ্বর কমে যাবে। ৫. এক কাপ চায়ের পরে দু-চামচ পেঁয়াজের রস খেয়ে নিন, গা বমি ভাব চলে যাবে। ৬. চুলের যত্নেও পেঁয়াজকে কাজে লাগান। পেঁয়াজে থাকা সালফার রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখে। ৭. যদি গলা খুসখুস করে, তাহলে পেঁয়াজের রস দিয়ে চা বানিয়ে খান, না হলে পেঁয়াজ গরম জলে ভাল করে সিদ্ধ করে নিন। সেই পেঁয়াজ সিদ্ধ জল দিয়ে দিনে দু-তিন বার গার্গল করুন। গলা খুসখুস কমে যাবে।

24-05-2016 06:46:33 pm

বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে

আগরতলা, ১৮ মে (এ.এন.ই):বন্ধ্যাত্ব এখন আর বিরল কোনও সমস্যা নয়। আধুনিক লাইফস্টাইল, স্ট্রেস, অনিয়মিত ডায়েট, কাজের চাপ ইত্যাদি কারণে বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগছেন অনেক নারীই। সেই সঙ্গেই বেড়ে চলেছে হরমোনাল ফার্টিলিটি চিকিৎসাও। তবে এই সব চিকিৎসা বাড়িয়ে তুলতে পারে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি। সম্প্রতি এক গবেষণায় এমনটি জানিয়েছেন সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইন্সটিটিউটের একদল গবেষক। গবেষকরা বলেন, যে সব নারী কৃত্রিম প্রজননের সাহায্য নেন বা বন্ধ্যাত্বের কারণে হরমোনাল ফার্টিলিটির চিকিৎসা করান তাঁদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্তের ঝুঁকি অন্যদের থেকে অনেক বেশি। ইনভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফের সাহায্যে এখন অনেকেই গর্ভধারণ করেন। এই আইভিএফ-এর জন্য প্রয়োজন কনট্রোলড ওভারিয়ান স্টিমিউলেশন বা সিওএস। ক্যারোলিনস্কা ইন্সটিটিউটের মুখ্য গবেষক ফ্রিডা লান্ডবার্গের মতে, যেসব নারী সিওএস করান তাদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। দু’ধরনের টিস্যু দিয়ে স্তন গঠিত হয়। ঘন ফাইব্রোগ্ল্যান্ডুলার ও পাতলা ফ্যাটি টিস্যু। যাদের স্তন ঘন ও ভারী তাদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি পাতলা স্তনের নারীদের তুলনায় অন্তত ৪ থেকে ৬ গুণ বেশি। দেখা গিয়েছে, যাদের স্তনের ঘনত্ব বেশি তারা অনেক বেশি বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভোগেন। সিওএস চিকিৎসা করালে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন হরমোন বেড়ে যাওয়ার ফলে স্তনের টিস্যুর ঘনত্ব বাড়ে। যা স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এই গবেষণার জন্য ৪০ থেকে ৬৯ বছর বয়সী ৪৩ হাজার ৩১৩ জন নারীর উপর পরীক্ষা চালানো হয়। বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসা ছাড়াও বয়স, উচ্চতা, ওজন, স্মোকিং, ড্রিঙ্কিংয়ের অভ্যাস, পারিবারিক ইতিহাসের উপর ভিত্তি করেও গবেষণার ফল জানানো হয়।

18-05-2016 03:30:29 pm

যে ৬টি কারনে আদা চা আপনার জন্য উপকারী

আগরতলা, ১৮ মে (এ.এন.ই) :চা পান করে না এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যাবে। তবে মানুষভেদে চায়ের ধরনের ভিন্নতা রয়েছে যেমনকেউ দুধ চা, কেউ লিকার চা, আবার কেউ লেবু চা বা আদা চা পছন্দ করেন। বিশেষ করে, আদা চায়ের গুণাগুণ অনেক। যারা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য আদা চা-ই পারফেক্ট। আদা চায়ের উপকারি গুণের কারণে এর রয়েছে অনেকগুলো স্বাস্থ্যকারী দিক- ১. আদা চা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। শীতে এককাপ আদা চা আমাদের শরীরকে গরম করে আর ঠাণ্ডা লাগা এবং সর্দি কাশি থেকে দূরে রাখে। ২. সারাদিনের কর্মব্যস্ততার ক্লান্তি দূর করতে এককাপ ধোঁয়া ওঠা আদা চা আপনার ক্লান্তিকে রাখবে দূরে আর করে তুলবে সতেজ। ৩. বমি বমি ভাব হচ্ছে? এক কাপ আদা চা হতে পারে ভালো সমাধান। কোথাও যাওয়ার আগে কয়েক চুমুক আদা চা খান। উপকার পাবেন। ৪. আদা চা হজমশক্তি বাড়ায়। এটি গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমস্যা দূর করে হজমে সাহায্য করে। ৫. এক কাপ আদা চা শরীরের রক্ত প্রবাহ বাড়িয়ে দেয়। এতে করে শরীরের নানা অংশে রক্তপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণে থাকে। ৬. শ্বাস নিতে কষ্ট দেখা দিলে এক কাপ আদা চা খেতে পারেন। বেশ উপকারী বন্ধু হিসেবেই কাজ করবে এটি।

18-05-2016 01:03:22 pm

লাল আঙ্গুর ও কমলার সংমিশ্রণে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে প্রতিরোধ করবে বলেন গবেষকরা

আগরতলা ১৩ই মে (এ.এন.ই): পৃথিবীর বেশির ভাগ মানুষ এখন ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের আক্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু এখন ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের আক্রান্ত হওয়া থেকে হয়তো রোগিরা এবার প্রতিরোধ করার একটি উপায় খুঁজে পাবেন। কারণ সম্প্রতি গবেষকরা জানিয়েছেন, দেহের বাড়তি ওজন থেকেই এই রোগ সৃষ্টি হয় আর তাঁর জন্য তাঁরা গবেষণা করে একটি উপায় ও বের করেছেন তা হল দেহের এই বাড়তি ওজন কে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে লাল আঙ্গুর ও কমলার মিশ্রনে। সম্প্রতি কালে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়ারউইকের গবেষকরা লাল আঙ্গুর ও কমলার এই মিশ্রণ ঘটিয়ে এ রোগ নিরাময় ক্ষমতার সন্ধান পেয়েছেন। এ বিষয়ে গবেষকদের প্রধান পল থর্নালে। তিনি জানান, এটি খুবই অসাধারণ ও রোমাঞ্চকরী আবিষ্কার যা ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কী রয়েছে আঙ্গুর ও কমলায়, যার কারণে নিয়ন্ত্রণে থাকবে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস সাংবাধিকদের এক প্রশ্নের জাবাবে গবেষকরা জানান, তারা দেখতে পেয়েছেন, এ দুটি ফল একত্রিত করলে সেখানে ট্রান্স-রেসভেরেটর নামে একটি কম্পাউন্ডের উদ্ভব হয় এবং যার ফলে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে। গবেষকরা বলেছেন এ দুটি ফলের মিশ্রণ দিয়ে ফলাফল লিপিবদ্ধ করেন গবেষকরা। গবেষক পল থর্নালে ও তার টিম এখন আশা করছেন আঙ্গুর ও কমলার উপাদানগুলো ব্যবহার করে কার্যকর ওষুধ তৈরি করা সম্ভব হবে, যে ওষুধ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ দূর করতে সহায়তা করবে।

13-05-2016 01:01:05 pm

পেট ভাল রাখবেন কি ভাবে

আপনার কি সব সাময় পেটের সমস্যা হয়। কিছু খেতে গেলেই ভয় হয়। পেট ফাঁপা, বদ হজম খুব সাধারণ এবং পরিচিত একটি সমস্যা। অতিরিক্ত খাবার খেলে অনেক সময় তা সম্পূর্ণভাবে হজম হয় না, তখন তা আমাদের অন্ত্রের কার্বনডাইঅক্সাইডের মিশ্রণে মিথেন গ্যাস তৈরী করে। আর এই গ্যাসই মূলত পেটফাঁপা ভাব সৃষ্টি করে থাকে। বিভিন্ন কারণে পেট ফাঁপা সৃষ্টি হতে পারে। অতিরিক্ত তেল বা চর্বি যুক্ত খাবার খাওয়া, কোমল পানীয় পান, ধূমপান, দুশ্চিন্তা, পাকস্থলীর ইনফেকশন, পেটে অতিরিক্ত চর্বি ইত্যাদি কারণে পেট ফাঁপা সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া কিছু খাবার আছে যেমন সফট ড্রিংক্স, বিনস, আপেল, পেয়ারা, ব্রকলি, বাঁধাকপি, চুইংগাম, লবণ জাতীয় খাবার, দুধ জাতীয় খাবার ইত্যাদি খেলে অনেক সময় পেট ফাঁপা সৃষ্টি হয়ে থাকে। এই সমস্যার সমাধান হিসেবে অনেকেই ওষুধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু কিছু ঘরোয়া উপায় আছে, যার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। ১। আপেল সিডার ভিনেগার গ্যাস এবং পেট ফাঁপা রোধ করতে আপেল সিডার ভিনেগার বেশ কার্যকর। এক গ্লাস জলে ১ থেকে ২ চা চামচ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এবার এটি পান করুন। এটি পেট ফাঁপা রোধ করে। ২। আদা আদাতে জিংনবিয়ান নামক এনজাইম আছে যা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যার সমাধান করে থাকে। আপনার যদি পেট ফাঁপা সমস্যা প্রায়ই হয় , তবে খাবারের সাথে কয়েক টুকরো আদা খেয়ে নিতে পারেন। এটি পেটের গ্যাস কমিয়ে দেয়। ৩। মৌরি দুই টেবিল চামচ মৌরি গুঁড়ো, মধু এবং এক কাপ গরম জলে মিশিয়ে নিন। এবার এটি পান করুন। নিয়মিত পানে এটি পেট ফাঁপা সমস্যা দূর করে দেবে। এছাড়া ভারী খাবার খাওয়ার পর কিছু পরিমাণে মৌরি চিবিয়ে নিন। ৪। আনারস আনারসে প্রোটিন হজম করার এনজাইম আছে যা পেট ফাঁপা রোধ করে এবং হজমের সমস্যা দূর করে। এছাড়া আনারসে শক্তিশালী অ্যান্টি ইনফ্লামেটরী উপাদান আছে যা পেটের নানা সমস্যা দূর করে থাকে। ৫। জিরা পেট ফাঁপার সময় কিছু পরিমাণে জিরা চিবিয়ে নিন। জিরার অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল উপাদান পেটের খারাপ ব্যাকটেরিয়া যা গ্যাস সৃষ্টি করে থাকে, তা দূর করে দেয়। এবং ভাল ব্যাকটেরিয়া উৎপাদন করে থাকে। যা হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে থাকে। এক কাপ গরম জলে দুই চা চামচ জিরার গুঁড়ো মিশিয়ে ভাল করে ফোটান । এটি নিয়মিত পান করতে পারেন পেট ফাঁপা সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার জন্য। সুত্র দেসে বিদেশে

02-03-2016 05:45:05 pm

শিশুকে জাঙ ফুড থেকে দূরে রাখুন

আপনার শিশুটি কি জাঙ ফুড এ আকৃষ্ট ? প্রতি দিন নাতুন নাতুন জাঙ ফুড এর জান্য বায়না ধরে ? তাহলে ধীরে ধীরে তার সেই অভ্যাস বাদলানোর চেষ্টা কারুন। হুট করে নয় ধীরে ধীরে। শিশুরা আপেল, কমলা, গাজর খুশি হয়ে খেলেই যে চকলেট, ভাজাপোড়া খাবে না এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই নতুন গবেষণা বলছে, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়ানোর অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি। গবেষকরা দেখেছেন, যেসব শিশুরা নিয়মিত ফল, শাকসবজি ও দুধ খায় তাদের অতিরিক্ত চিনি কিংবা লবণযুক্ত খাবার খাওয়ার সম্ভাবনা কালেভদ্রে স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণকারী শিশুদের তুলনায় কম নয়। গবেষণার সহ-লেখক, যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো স্টেট ইউনিভার্সিটির ফিলিস পিয়রি বলেন, “প্রচলিত ধারণা হল আপনি যদি কাউকে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে অনুপ্রাণিত করেন, তার অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস দূর হয়ে যায় এমনিতেই। শিশুদের মুটিয়ে যাওয়া রোধ করার পদক্ষেপগুলো খাদ্যাভ্যাস থেকে অস্বাস্থ্যকর খাবার বাদ দেওয়ার চেয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার যোগ করার প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়।” গবেষণায় প্রশিক্ষিত সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীরা দুই থেকে পাঁচ বছর বয়সি ৩৫৭ জন শিশুর মা-বাবা কিংবা অভিভাবকদের জিজ্ঞাসা করেন। জানতে চাওয়া হয়, নির্দিষ্ট কিছু খাবার গত এক সপ্তাহে তাদের শিশুরা কতবার খেয়েছে। শিশুদের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কেও প্রশ্ন করা হয় এবং খাবারগুলো স্বাস্থ্যকর ও অস্বাস্থ্যকর এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, অংশগ্রহণকারী শিশুদের প্রায় অর্ধেকই দিনে দুই বা ততোধিক ফল খেয়েছে। অল্প কয়েকজন খুব কমই সবজি খেলেও এক তৃতীয়াংশের বেশি শিশু দিনের বিভিন্ন সময়ে গ্রহণ করেছে। বয়স যাই হোক না কেনো, শিশুকে নিয়মিত ফল, সবজি, দুধ খাওয়ালেই যে অস্বাস্থ্যকর মুখরোচক খাবারের প্রতি আগ্রহ কমবে এমন কোনো সম্ভাবনা পাওয়া যায়নি।

20-02-2016 02:03:59 pm

হার্টের জন্য হাঁটুন।

ভোর সাকালের ঘুমটার মাজাই আলদা তাইনা,বিছানাটা ছারতেই ইছে করেনা। তারপর সারাদিন কাজ র কাজ হাটার জন্য সময় কই। আপনিও কি থিক তাই ভাবেন ? তাহলে আজ থেকেই বদলে ফেলুন এই অভ্যাস না হলে অনেক দেরি হয়ে যাবে। কারন প্রতিদিন মাত্র আধা ঘণ্টা হাঁটলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে যায়, সেই সঙ্গে কমে কোলেস্টেরল, রক্তচাপ আর রক্তের শর্করা। দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালের সিনিয়র কনসাল্ট্যান্ট ডা. রোমেল টিক্কো বলেন, “আমরা সব রকম রোগীকেই দৈনিক হাঁটার পরামর্শ দিয়ে থাকি। রোগীদের জন্য বেশ উপযোগী। তাছাড়া ছোঁয়াচে নয় এমন রোগ মোকাবেলায় সবচেয়ে কার্যকরও বটে। রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকার দুদিক থেকেই হাঁটা বেশ উপযোগী।” ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন(আইএমএ)’য়ের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ডা. কে কে আগরওয়াল বলেন, “নিতান্ত অনিচ্ছায় হোক কিংবা বাধ্যবাধকতা, যেমন- উন্মুক্ত জায়গার অভাবে হোক, স্কুল পড়ুয়া শিশু থেকে বৃদ্ধ, সকল বয়সের মানুষদেরই শারীরিক পরিশ্রমের হার উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসছে দিনকে দিন।”এসব বিষয় বিবেচনায় শহুরে বাসিন্দাদের জন্য হাঁটা আরও কার্যকর সমাধান হতে পারে। বসে থাকার অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসতে কার্যকর উপায় হিসেবে আমেরিকায় হাঁটা বিষয়ক সংঘ বা দলগুলো বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। হাঁটার কারণে বিভিন্ন আঘাত থেকে বাঁচিয়ে চলতে আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশন(এএইচএ) হাঁটার সবচেয়ে কার্যকরী উপায়গুলো প্রকাশ করেছে। এএইচএ’য়ের পরামর্শ হচ্ছে, প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য এক সপ্তাহে দেড়শ মিনিট বা তার বেশি সময় মাঝারি-মাত্রার শরীরচর্চা অথবা ৭৫ মিনিটের কঠোর শরীরচর্চা করা উচিত। এখানে দ্রুত হাঁটা মধ্যম মাত্রার এবং জগিংকে তুলনামূলক তীব্র মাত্রার পরিশ্রম হিসেবে ধরা হয়েছে। সপ্তাহে তিন থেকে চার বার ৪০ মিনিটের মাঝারি থেকে কঠোর পরিশ্রমের পরামর্শ দেয় এএইচএ। এতে রক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘ বিরতির পর শরীরচর্চা শুরু করার ক্ষেত্রে প্রথমে অল্প দূরত্বে হাঁটা উচিত। এরপর ধীরে ধীরে সময় ও দূরত্ব বাড়াতে হবে। হাঁটার ভঙ্গিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আঘাত এড়ানোর জন্য হাঁটার সময় মাথা ঝোঁকানো যাবে না, পেট চেপে রাখতে হবে এবং কাঁধ হতে হবে শিথিল।নিয়মমিত হাঁটা শরীরের নানা ধরনের সমস্যা উপশমে সাহায্য করে। তাই শহুরে জীবনে ব্যস্ততার ফাঁকে প্রতিদিন কিছু সময় হাঁটলে উপকার পাওয়া যাবে। তাহলে আজ থেকেই শুরু কারুন নিয়ম করে প্রতি দিন হাটার। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি থেকে নিজেকে বাচান।

20-02-2016 01:35:04 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.