• তথাগত রায়কে অপসারণের দাবী সিপিআইএম ও কংগ্রেসের
  • আন্তর্জাতিক মৈত্রী বাস দুর্ঘটনায় হতাহত ৩
  • তেলিয়ামুড়ায় গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার গাড়ি উল্টে গভীর খাদে, আহত ১
  • মুম্বাইয়ে ত্রিপুরা বামফ্রন্ট সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনামূলক পুস্তক প্রকাশ
  • রাজ্যে বন্যায় তিন জেলার ৮৯টি গ্রামের প্রায় ৭৬৬২টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত
  • পাপাই হত্যায় সেশন কোর্টের রায়ের বিরোধিতা করে হাইকোর্টে রাজ্য সরকার
  • পানীয় জলের বোতলে পোকা
  • চলন্ত অটো থেকে ভিন রাজ্যের চার মহিলা পকেটমার ধৃত
  • আনোয়ারা হত্যাকান্ডে সঠিক তদন্তে সিআইডি'র কাছে ছাত্র সমাজ
  • ত্রিপুরা সফরে এসে যোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়
  • ট্রাফিক পুলিশকে পেটালো একদল যুবক
  • বেতন কমিটির রিপোর্টে ভুল প্রত্যাহার দাবী ২৩টি কর্মচারী সংগঠন
  • শান্তিরবাজারে পালিত আন্তর্জাতিক যোগা দিবস
  • শাসক দলকে পাত্তা দিয়ে নারাজ এন সি দেববর্মা
  • নেতা কর্তৃক কিশোরীর সম্ভ্রম নাশঃ বিজেপি
  • বীরেন্দ্র ত্রিপুরা পাড়ায় ৪০টি পরিবার সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে
  • ত্রিপুরার ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতন নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জাতীয় মহিলা কমিশনের
  • পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালালো চাকরি বঞ্চিত ক্ষুব্ধ ক্যাডাররা
  • অভাবের জ্বালায় এক ব্যাক্তির আত্মহত্যা
  • কর্মচারীদের কাজের সময়সীমা বৃদ্ধি করলো ত্রিপুরা সরকার, বন্যা ত্রাণে বিশেষ কমিটি
  • ত্রিপুরার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি, ত্রাণ শিবিরে ২ হাজার পরিবার
  • সালেমা সিডিপিও অফিসে ১৭ লক্ষ টাকা গায়েব
  • রাজধানীর আগরতলা আশপাশ সহ ত্রিপুরার বিভিন্ন এলাকায় জলপ্লাবন
  • অমরপুরে অনুষ্ঠিত যোগা বিষয়ক একদিনের আলোচনাসভা
  • নদীর বাড়ন্ত জল দেখতে গিয়ে সলিল সমাধি

স্পেশাল আর্টিকেল

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

হোলির রাতে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের পর সাংবাদিক সন্মেলনে বিপ্লব

চিটফান্ড ইস্যুতে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে তথ্য সহ বিঁধল সুদীপ

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

স্বাস্থ্য

00310
0057
0057
0057
0057
ঘামাচি হাত থেকে মুক্তির উপায়

আগরতলা,১০ জুন (এ.এন.ই): গ্রীষ্মের দাবদাহ যেন বেড়েই চলেছে, আর সেই সাথে বেড়ে চলেছে ঘামের তীব্রতা। একটুখানি বৃষ্টির প্রত্যাশায় মুখিয়ে আছে প্রতিটি মানুষ।এক পশলা বৃষ্টির পরশে ক্ষণিকের জন্য হলেও জনপদে নেমে আসবে স্বস্তি। তবে গ্রীষ্মের হালকা বৃষ্টি বাড়িয়ে দেয় বাতাসের জলীয়বাষ্পের পরিমান, তাই পরবর্তীতে সূর্যের তাপ পরিবেশকে করে তোলে উষ্ণতর, সেই সাথে যুক্ত হয় নতুন এক উপদ্রব; ঘামাচির সমস্যা।প্রকৃতি তার আপন খেয়ালে চলবে, এবং তার সাথেই মানিয়ে চলতে হবে আমাদের। তাই চলুন জেনে নিই ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে কিভাবে মানিয়ে চলব এই বৈরি পরিবেশের সাথে। ঘামাচি কি ? গরমকালের একটি বিব্রতকর রোগের নাম হচ্ছে ঘামাচি। এ রোগটি গরমকালেই হয়। শীত এলে আপনা আপনিই রোগটি ভালো হয়ে যায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই রোগটির নাম হলো মিলিয়ারিয়া। এটি একটি ঘর্মগ্রন্থির রোগ। গ্রীষ্মকালে দেহ থেকে প্রচুর পরিমাণে ঘাম নিঃসরণ হতে থাকে ফলে তখনকার এত বেশি পরিমাণ নিঃসরণ ঘর্মগ্রন্থির নালীকে ফুটো করে ত্বকের নিচে এসে জমা হতে থাকে, যা পানিভর্তি ছোট ছোট দানার আকারে ফুলে উঠতে দেখা যায় এবং যা চুলকায় এবং তাতে সামান্য জ্বালাপোড়া ভাবও থাকে। মূলত এটাই হচ্ছে ঘামাচি।এই রোগ মুক্ত থাকার সাথে অর্থনৈতিক সচ্ছলতার একটা সম্পর্ক আছে। যেমন ধরুন কোনো ব্যক্তি যদি ঘরে, অফিসে এবং গাড়িতে এয়ারকুলার ব্যবহার করেন তবে বলা যায়, তার এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা গরমকালেও নেই। যারা তা পারেন না তাদের সব সময়ই ঠাণ্ডা পরিবেশে থাকতে হবে। অর্থাৎ একটি ফ্যান অন্তত সার্বক্ষণিকভাবে মাথার ওপরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। খোলামেলা অর্থাৎ আবদ্ধ ঘর না হওয়াই বাঞ্ছনীয়। ঘামাচি তিন ধরনের হয়। প্রথমে আসা যায় মিলিয়ারিয়া, কৃস্টালিনা­ এ ক্ষেত্রে ত্বক দেখতে প্রায় স্বাভাবিক বলেই মনে হয়। সাধারণত কোনো উপসর্গ থাকে না। দ্বিতীয়টি অর্থাৎ মিলিয়ারিয়া, রুবরার ক্ষেত্রে ঘর্মনালীতে বদ্ধতা দেখা দেয় এবং এ ক্ষেত্রে ত্বকের ওপরে ছোট ছোট অসংখ্য গোটা হতে দেখা যায় এবং গোটার মাথায় পানির দানা থাকতেও পারে, আবার নাও থাকতে পারে এবং ত্বক স্বাভাবিকের চেয়ে আপেক্ষিকভাবে লালচে রঙের দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে থাকে প্রচণ্ড চুলকানি, যা শরীরের মূল অংশ অর্থাৎ বুক, পিঠ ও ঘাড়ে বেশি হতে দেখা যায়। তৃতীয়টি বা মিলিয়ারিয়া প্রফান্ডা এর ক্ষেত্রে ঘর্মানালীর বদ্ধতা থাকে ত্বকের অনেক গভীরে। ফলে ত্বক দেখতে অনেকটা স্বাভাবিক ধরনের বলে মনে হতে পারে। এ তিনটির মধ্যে দ্বিতীয়টির আক্রমণ হয় বেশি তীব্র। একে Heat rash-ও বলা হয়ে থাকে। গরম ও স্যাঁতস্যেঁতে আবহাওয়ায় এ রোগ বেশি হয়। তেল মাখলে এ রোগের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে। যারা এ রোগে ভুগছেন তারা গরম স্যাঁতস্যেঁতে ও আবদ্ধ পরিবেশ এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজন হলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। ঘামাচি কেন হয়? উষ্ণ এবং আর্দ্র পরিবেশে শিশু থেকে বৃদ্ধ যেকোনো বয়সের মানুষই ঘামাচিতে আক্রান্ত হতে পারেন। ঘামগ্রন্থির মুখ কোন কারনে বন্ধ হয়ে গেলে ত্বকের বহিরাবরণের নিচে ঘাম আঁটকে পরে এবং ঘামাচি তৈরি করে। উষ্ণ পরিবেশে শরীর থেকে অধিক ঘাম নির্গত হয় এবং বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে ঘাম সহজে শুকায় না ফলে ঘামের সাথে ময়লা, সেবাম (ত্বক থেকে নিঃসৃত এক ধরনের তৈলাক্ত পদার্থ), ত্বকের মৃত কোষ, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি মিশে ঘামগ্রন্থির মুখ বন্ধ করে দেয় এবং ঘামাচির উপদ্রব বাড়িয়ে দেয়। সাধারনত অল্প কয়দিনের ভেতর ঘামাচি আপনা থেকেই সেরে যায়, তবে ঘামাচির ফলে উদ্ভুত চুলকানি যথেষ্ট পীড়াদায়ক, তাই ঘামাচির হাত থেকে বেঁচে থাকতে পারাটাই সবার কাম্য। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে স্বাভাবিকের চাইতে কম সময়ে ত্বক থেকে ঘামাচি দূর করা সম্ভব এবং কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে সম্ভব ঘামাচি প্রতিরোধ করাও। প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় যত কম ঘামবেন ততই মঙ্গল। ঘরের বাইরে যথা সম্ভব ছায়ায় থাকার চেষ্টা করুন। সাথে ছাতা রাখুন এবং রোদে ছাতা ব্যবহার করুন। ঢিলেঢালা সুতি পোশাক পরিধান করুন। ঢিলেঢালা এবং হালকা রঙের সুতি পোশাক পরিধান করার চেষ্টা করুন, এতে আপনি অপেক্ষাকৃত কম তাপ শোষণ করবেন, পোশাকের ভেতর পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের সুযোগ থাকবে, ফলে ঘাম কম হবে এবং সহজে ঘাম শুকাবে। আঁটসাঁটে পোশাক এড়িয়ে চলুন, এতে ঘামাচির চুলকানি কম অনুভব করবেন। আপনার ত্বক ঠাণ্ডা ও পরিস্কার রাখার চেষ্টা করুন। অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা জল দিয়ে স্নান করুন, সম্ভব হলে স্নানের সময় এন্টি-ব্যাকটেরিয়াল সাবান ব্যবহার করুন। গোসলের পর তোয়ালে দিয়ে গা মোছার পরিবর্তে ঠাণ্ডা বাতাসে গা শুকানোর চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীর অপেক্ষাকৃত অধিক ঠাণ্ডা হবে এবং দীর্ঘসময় আপনাকে ঘাম থেকে বিরত রাখবে। গায়ে তৈলাক্ত ক্রিম বা লোসন ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। ঘুমানোর সময় ঘরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের পথ সুগম রাখার চেষ্টা করুন। ঘামাচি সহজে সেরে না উঠলে এবং দীর্ঘমেয়াদি ত্বকের সমস্যা তৈরি করলে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সর্বোপরি গরমের সময় প্রচুর পরিমানে বিশুদ্ধ পানি, তাজা ফলের জুস এবং রসালো ফলমূল খাবার চেষ্টা করুন। ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন। সৌজন্যে ভোরের পাতা ডট কম


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.