BREAKING NEWS
রাজ্যে ভোট ১৮ই ফেব্রুয়ারি। গণনা ৩ মার্চ


  • নির্বাচন ঘোষণা অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখে দারিয়ে বাম নেতৃত্ব
  • সিপিআইএম থেকে বেরিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য নৃপেন সঙ্গী
  • ভুয়ো ভোটার নিয়ে পুনরায় নির্বাচন কমিশনে যাবে বিজেপি
  • রাজ্যে ভোট ১৮ই ফেব্রুয়ারি। গণনা ৩ মার্চ
  • http://www.agartalanewsexpress.com/news/topfive/get.php?id=1663
  • আইপিএফটির সঙ্গে জোট নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা গুয়াহাটিতে বৃহস্পতিবার
  • নির্বাচন ঘোষনার দিন বিজয় প্রতিজ্ঞা দিবস পালন বিজেপি
  • ত্রিপুরায় অনুসুচিত জাতি আইনের প্রয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের স্পষ্টীকরণ
  • ত্রিপুরায় কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা গোপন রাখার চেষ্টা
  • রাজ্যে দুটি পৃথক ঘটনায় মৃত ১, আহত ১
  • সরকারি উদ্যোগে তপশিলি জাতি অংশের উপর অত্যাচারের ঘটনা লোকানোর চেষ্টা
  • পলিট ব্যুরোর সদস্যরাই ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচনে সিপিআইএমের তারকা প্রচারক
  • তেলিয়ামুড়ার সিআইটিইউ পার্টি অফিসে অগ্নিসংযোগ
  • ভি ভি পেট নিয়ে পোলিং স্টেশনে স্টেশনে ভোটারদের নয়ে চলছে ভোটদানের মোহরা তেলিয়ামুড়ায়।
  • টেট উত্তীর্ণদের বিষয়ে নমনীয় সরকার, ১০,৩২৩ নিয়ে বিপাকে
  • চিটফান্ড ইস্যুতে ত্রিপুরায় ধেয়ে আসছে সিবিআই
  • রাজ্যে আবার বিজেপি কর্মী খুন, ধৃত অভিযুক্ত
  • ত্রিপুরায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকার উদাসিনঃ কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ইজরাইল ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে সিপিআইএমের আক্রমণ
  • রাজনাথ সিং এর সঙ্গে অজিত দোভাল এবং কৃষ্ণ গোপালজির বৈঠক ঘিরে সিপিআইএমের তীব্র প্রতিক্রিয়া
  • ৪০ মাদ্রাসা শিক্ষকের বকেয়া টাকা মেটাচ্ছেন বিজেপির সভাপতি
  • সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতির সাংবাদিক সম্মেলনে কারোর মুখ না খোলাই শ্রেয় বললেন বার কাউন্সিল অফ ত্রিপুরার চেয়ারম্যান
  • রাজধানী আগরতলা থেকে প্রকাশ্যে টাকা ছিনতাই
  • নির্বাচনী কাজে দায়িত্ব প্রাপ্তদের মধ্যে ব্যাপক রদবদলের এবং দায়িত্ব চ্যুতির সম্ভাবনা
  • ভুয়ো ভোটার নিয়ে তৎপর নির্বাচন কমিশন

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

লাইফস্টাইল

মন ভাল রাখতে বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

১৩ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): মন খারাপ করে রাখতে কেউই চায় না। সবাই চায় মনটাকে ফুরফুরে রাখতে। কিন্তু যান্ত্রিক এই জীবনে প্রাণ খুলে হাসার সময়টাও আমাদের নেই। তার ওপর আবার কাজের চাপ। ফলে বড়ছে স্ট্রেস, মানসিক অবসাদ। কিন্তু ভালো তো থাকতেই হবে। এক্ষেত্রে মন ভালো করার কিছু সহজ উপায় আছে । ১. মন ভাল রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম একান্ত দরকার। খাবারের সময় বদল করবেন না। আর প্রতিদন অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি। ঘুম আর খাওয়া ঠিক থাকলে আপনার মন এমনিই ভাল থাকবে। ২. নিজের মনে ইচ্ছেকে কখনও মনে চেপে রাখবেন না। মন যা চায় তাই করুন, দেখবেন তাতে আপনার আত্মবিশ্বাস অনেকটা বাড়বে। ৩. নিজের জীবদ্দশায় ঠিক কি কি করতে চান তার একটা লিস্ট তৈরি করুন। এতে আপনার লক্ষ্য স্থির হবে। মনসংযোগ বাড়বে এবং আপনি নিজেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী বলে মনে করবেন। ৪. মন ভাল রাখতে চাইলে হাসি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উপায়। তাই প্রাণ খুলে হাসুন। হাসি মস্তিষ্কে এন্ডরফিনের মাত্রা বাড়ায় যা মানসিক শান্তি প্রদান করে। ৫. সপ্তাহে একদিন এমন জায়গায় ঘুরে আসুন যেখানে শান্তি আছে, বা মানুষের ভিড় অনেক কম। এতে মনে প্রশান্তির সৃষ্টি হয়। তবে তাই বলে একেবারে শহর ছেড়ে অন্য কোথাও পাড়ি দিতে হবে তা নয়, নিজের শহরেই একটা শান্ত পরিবেশ খুঁজে নিতেই পারেন। ৬. নিজের ভাবনা চিন্তাকে আগে আপনাকে নিজেকেই সম্মান জানাতে হবে। দু নৌকায় পা রেখে চলা যায় না। তাই যা করবেন মনে মনে স্থির করে নিন।

13-01-2018 12:22:40 pm

শীতকাল ফাটা গোড়ালির সমস্যা সমাধানের উপায় জেনে নিন

১৩ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): শীতকাল আসলেই ত্বকের বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করলে ত্বক ফাটতে পারে। শীতকালে ঠোঁট ফাটলে আমরা বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার করে থাকি। তেমনই ফাটা গোড়ালির সমস্যায়ও বহু মানুষ জর্জরিত হয়ে থাকেন এই সময়ে। বহু ওষুধ ব্যবহার করেও ফাটা গোড়ালির সমস্যা থেকে মুক্তি পান না। তাহলে জেনে নিন ঘরোয়া কোন কোন উপায়ে ফাটা গোড়ালির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন- ল্যাভেন্ডার ফুট ক্রিম প্রথমে মাখন এবং নারকেল তেল নিন। এবার চুলা জ্বালিয়ে দু'টিকে গলে যেতে দিন। গলে গেলে তাতে ল্যাভেন্ডার তেল মেশান। মিশ্রণটিকে ঠান্ডা করে জারে ভরে রাখুন। প্রত্যেকদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। তারপর মোজা পরে ফেলুন। পিপারমেন্ট ফুট ক্রিম প্রথমে মাখন, নারকেল তেল এবং অলিভ অয়েল নিন। প্যান গরম হলে আঁচ কমিয়ে উপকরণগুলিকে গলে যেতে দিন। গলে গেলে আঁচ বন্ধ করে পিপারমেন্ট অয়েল মেশান। এবার মিশ্রনটিকে ঠান্ডা করে জারে ভরে রাখুন। প্রত্যেকদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। তারপর মোজা পরে ফেলুন। জিঞ্জার-লেমন অয়েল ফুট ক্রিম একটি প্যানে নারকেল তেল, মোম, নারকেলের মাখন নিন। হালকা আঁচে উপকরণগুলি গরম করে আমন্ডের তেল মেশান। একইরকমভাবে উপকরণগুলি গলে গেলে একটি জারে ভরে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। তারপর মোজা পরে ফেলুন। মিল্ক অ্যান্ড হানি ফুট ক্রিম একটি প্যানে দুধ এবং মধু নিয়ে অল্প আঁচে গরম করুন। এবার তাতে অরেঞ্জ জুস মেশান। ঠান্ডা করে জারে ভরে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগান। ৪০ মিনিট রেখে হালকা গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। টি ট্রি ফুট ক্রিম কোকোয়া বাটার, অলিভ অয়েল এবং মোম নিয়ে একটি প্যানে গলতে দিন। এবার আঁচ বন্ধ করে তাতে টি ট্রি অয়েল মেশান। স্নান করার পর এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোড়ালিতে লাগান। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে কাজুতে রয়েছে ওলিসিক নামে এক ধরনের মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বাজে কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে দারুন কাজে আসে। তাই তো নিয়মিত এই বাদমটি খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় কপার হল সেই খনিজ, যা চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর পাশাপাশি চুলের গোড়াকে শক্তপোক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কাজুতে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন কিভাবে কাজু চুলের সৌন্দর্য বাড়িয়ে থাকে। তবে এখানেই শেষ নয়, কাজু বাদামে থাকা কপার শরীরের অন্দরে এমন কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা চুলের কালো রংকে ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে আমাদের দেশে যে হারে সুগার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বাদাম খাওয়ার প্রয়োজন বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে- প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ এই খাবারটি নিয়মিত খেলে রক্তে সুগারের মাত্র নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে শরীরর কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

13-01-2018 12:14:22 pm

শীতকালে পার্লারে না যাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

৯ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): শীতকাল মানেই শুষ্ক ত্বক। শুধু ত্বক নয়, স্ক্যালপেও আর্দ্রতা কমে যায় এই সময়। তাই শুষ্ক স্ক্যাল্পের জন্য চুলও শুষ্ক থাকে। সঙ্গে ফাংগাল ইনফেকশন হওয়ারও প্রবল সম্ভাবনা থাকে। এই ধরনের সমস্যা এড়ানোর জন্য অনেকেই কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করেন বিভিন্ন বিউটি পার্লার থেকে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা কেমিক্যাল ব্যবহার করতে না করছেন। তাদের বক্তব্য, নিত্য দিনের সামগ্রী দিয়েই সম্ভব এই সমস্যার সমাধান। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বন্দনা পঞ্জাবি এবং পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ফারাহ আফরিনের মতে, কেমিক্যাল ট্রিটমেন্টে চুলের ক্ষতিই হয়। সাময়িক সৌন্দর্য্য বাড়লেও, তা স্থায়ী হয় না। তাই তারা কয়েকটি সহজ উপায় ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন। ভালো করে মাথায় নারকেল তেল মাখুন। তার পরে আধ ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন। সালফেট ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। স্ক্যাল্পে বেশি জোরে শ্যাম্পু দিয়ে ঘষবেন না। এতে স্ক্যাল্প আরও শুষ্ক হয়ে যায়। এই সময়ে একেবারেই চুলে রং করা বা স্ট্রেট করা বা স্মুদনিং করবেন না। শুধু শুষ্ক স্ক্যাল্প নয়, খুশকি ও চুল পড়ার সমস্যাতেও ভুগতে পারেন। ডায়েট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ওমেগা-৩ সমৃ্দ্ধ খাবার খান। যেমন আখরোট, আমন্ড। এছাড়াও ডিম, তেলযুক্ত মাছ, মাংস, চিজ, ফল ইত্যাদি প্রোটিন-যুক্ত খাবার খান। দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খেলে চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে। তাই ডায়েটে যেন অবশ্যই এই ধরনের খাবার থাকে। দেহে ঠিক ভাবে রক্ত সঞ্চালন হওয়া খুব প্রয়োজন। আর তার জন্য অবশ্যই বেশি করে পানি খাওয়া দরকার। শীতকালে হাইড্রেটেড থাকলে স্ক্যাল্পেও আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

09-01-2018 02:05:39 pm

শীতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার বিভিন্ন উপায়

৯ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় উত্তরাঞ্চলসহ দেশব্যাপী শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডায় ত্বক হয়ে যাচ্ছে মলিন। তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সহজ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলেই ত্বক এবং চুল উজ্জ্বল, মসৃণ রাখা যায়। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক শীতের রাতে ত্বকের যত্ন খুব সহজে কি করে করবেন। ত্বক পরিষ্কার করা : শীতের রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করে ঘুমাতে যাওয়া উচিত, না হলে ত্বকে ব্রণের উপদ্রব দেখা দেয়। ত্বক পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে অলিভ অয়েল বা বেবি অয়েল দিয়ে মুখ ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন। এরপর হালকা গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে মুখটা মুছে ফেলুন। সবশেষে ভালো কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ময়শ্চারাইজ করা : প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ ধোয়ার পরে অবশ্যই ত্বককে ময়শ্চারাইজ করা জরুরি। ময়শ্চারাইজার হিসেবে ভালো কোনো ময়শ্চারাইজার বা নাইট ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ব্যবহার করতে পারেন অলিভ ওয়েল। ময়েশ্চারাইজার পুরো মুখে ভালো করে ম্যাসাজ করে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে ত্বক হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত। ফেস প্যাক : শীতে ত্বকের যত্নের জন্য জেনে নিন দুটি ফেস প্যাক বানানোর পদ্ধতি- ১. এক টুকরা পাউরুটি দুধে ভিজিয়ে নরম করে এর সঙ্গে খানিকটা পাকা কলা চটকে মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। এরপর চন্দন গুঁড়া মিশিয়ে ওই মিশ্রণটি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে শুষ্ক ত্বক মোলায়েম হয়ে ওঠে। ২. পাকা কলা, পাকা পেপে ও ময়দা একসঙ্গে পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর পেস্টটি ১০/১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃণ।

09-01-2018 01:54:42 pm

সর্দিতে ঘন ঘন নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যর সমাধান জেনে নিন

১৯ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): শীতকালের শীতল বাতাস বইতে শুরু করেছে। আর সেই সাথে কুয়াশা ও ধুলোয় দেখা দিচ্ছে ঠাণ্ডাজনিত অসুখ। শীতকালে দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের শরীরে ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের আধিক্যও বেড়ে যেতে থাকে। ফলে ঠাণ্ডা লাগা, কাশি এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার মত রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। কারো কারো আবার সর্দিতে ঘন ঘন নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্য আছে। সেই সাথে জিভের স্বাদটাও চলে যায়। তবে এই সমস্যার সমাধান আছে। ঘরে বসে নিজেই আপনি এ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই কীভাবে- ১. গরম জলের ভাপ নিন। দিনে কয়েকবার ভাপ নিলে সর্দিতে আরাম মিলবে, পাশাপাশি মাথার ভোঁতা ভাবটা কেটে যাবে। ২. কুসুম গরম জলে স্নান করুন। ৩. আদা চা বা গরম স্যুপ খেতে পারেন। আদা চা খেলে গলা ব্যথা থাকলে সেটা সেরে যাবে। স্যুপ খেলে শরীর গরম থাকবে। ৪. সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে ২/৩টা বালিশে মাথা রেখে ঘুমান। কিছুটা হলেও ভালো লাগবে। ৫. বাসায় থাকার চেষ্টা করুন। যদি একান্তই বাইরে যেতেই হয় তাহলে নাক ঢেকে রাখেন। নাকে সরাসরি ঠাণ্ডা না লাগলে অসুস্থতা বাড়বে না।

19-12-2017 12:50:28 pm

শীতকালে শরীর যত্নের বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

১৯ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): অনেকের কাছেই শীত বেশ অস্বস্তিরও বটে। পা থেকে মাথা পর্যন্ত নিয়ে ভাবিয়ে তোলে এই ঋতু। এইসময় হাত-পায়ের ত্বক যেমন খুব শুষ্ক হতে থাকে, তেমনই মাথার স্ক্যাল্প শুষ্ক হয়ে যায়। কেউ নাজেহাল ফাটা গোড়ালির সমস্যায়, কেউ বা আবার খুসকিতে কাবু। তাই ঠিক মতো যত্ন না নিলে এই দুই সমস্যায় দুর্ভোগ পোহাতে পারে অনেক। পায়ের সমস্যা : শীতকালে পায়ের ত্বকও খুব শুষ্ক হয়। যারা ঠিক মতো পায়ের যত্ন করেন না, তাদের এই সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। গোড়ালির চামড়া রুক্ষ ও খড়খড়ে হতে থাকে, মোটা চামড়া ফাটে। এই পা ফাটার সমস্যা দীর্ঘ সময় থাকলে, এটি ত্বকের সমস্যার লক্ষণও হতে পারে। একজিমা, সোরিয়াসিস জাতীয় ত্বকের সমস্যা থেকে খুব বেশি মাত্রায় পা ফাটে। সুন্দর পায়ের জন্য : এই সমস্যা খুব বেড়ে গেলে তা থেকে রক্তপাত ও খুব ব্যথা হয়। বাড়াবাড়ি হলে হয় ইনফেকশন। চিকিৎসকের কথায়, ক্লিন্সিং, স্ক্রাবিং অ্যান্ড ময়েশ্চারাইজিং- এই পদ্ধতিতে পায়ের পরিচর্চা অত্যন্ত জরুরি। গরম পানিতে ভাল করে পা পরিষ্কার করতে হবে। স্ক্রাব করতে পিউমিস স্টোন (Pumice Stone) ব্যবহার করে গোড়ালি পরিষ্কার রাখুন। তার পর ভাল ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান। মোজা ও চটি পরে থাকুন। তাও সমস্যা নিয়ন্ত্রণে না এলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। মাথার ভিলেন খুসকি : শীতকালে মাথার স্ক্যাল্পও শুষ্ক হয়, মাথায় ধুলো জমে খুব বেশি। ফলে খুসকির সমস্যা বাড়ে। ঠান্ডায় খুব কম শ্যাম্পু করার জন্য স্ক্যাল্প খুব বেশি তেলতেল হতে থাকে। যার ফলেও খুসকির মাত্রা বৃদ্ধি পায়। মাথার ত্বক খুব চুলকাতে থাকে। চুলের যত্ন নিন : খুসকির সমস্যায় সপ্তাহে অন্তত তিনদিন শ্যাম্পু করুন। বাজার চলতি অ্যান্টি ড্যানড্র‌াফ শ্যাম্পু ব্যবহার করলে ক্ষতিই বেশি। চিকিৎসকের পরমার্শ মতো ক্ল্যাল্প লোশন ও মেডিকেটেড শ্যাম্পু ব্যবহার করলে খুসকি নিয়ন্ত্রণে আসে সহজে। সমস্যার সমাধান না করলে স্ক্যাল্প ও চুলের মারাত্মক ক্ষতি।

19-12-2017 12:41:35 pm

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং চুল পড়া রোধ পালংশাকের উপকারিতা জেনে নিন

১৪ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): শীতকালে শাক-সবজি বাজারে এসে গেছে। আর শীতের শাকের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পালং শাক। এটি যেমন খেতে ভালো, তেমনি কাজেও দারুণ। পালং শাক খাওয়ার রয়েছে নানান উপকারিতা। চলুন তাহলে জেনে নিই সেগুলো- পালংশাকে যেমন প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘কে’, ‘এ’, ‘সি’, ‘বি২’ ও ফলিক অ্যাসিড থাকে, তেমনি ম্যাংগানিজ, ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম পালংশাকে ২৩ ক্যালরি, ৩ গ্রাম আমিষ, ৪ গ্রাম শর্করা ও ২ গ্রাম আঁশ থাকে, তবে কোনো চর্বি নেই। পালংশাকে প্রচুর জল থাকে। দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনে পালংশাক। রক্তের গুণাগুণ বাড়ায়। পালংশাকের আয়রন লাল রক্ত কণিকা গঠনে সাহায্য করে, যা সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করে শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনে। পালংশাকের চেয়ে বেশি ভিটামিন ‘কে’ সমৃদ্ধ শাক খুঁজে পাওয়া কঠিন। হাড় সুরক্ষায় এই ভিটামিন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। অকাল অন্ধত্ব এবং রাতকানা রোধে পালংশাকের ভিটামিন ‘এ’ খুব কাজে দেয়। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং চুল পড়া রোধ করতেও পালংশাক কার্যকরী। ক্যানসার প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসেবে পালংশাক অপরিহার্য। আঁশসমৃদ্ধ খাবার হওয়ায় পালংশাক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। চিনি না থাকায় ডায়াবেটিক রোগীরা নিশ্চিন্তে পালংশাক খেতে পারেন। সতর্কতা: পালংশাকে প্রচুর অক্সালেট থাকে। কিডনির পাথরে অক্সালেট পাওয়া গেছে এমন কেউ বেশি পরিমাণে পালংশাক খাবেন না, পরিহার করাই ভালো। এতে অক্সালিক অ্যাসিডের পরিমাণও বেশি। বেশি অক্সালিক অ্যাসিড ক্যালসিয়ামের মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান শুষে নেয়। হালকা রান্না করলে এই অ্যাসিডের পরিমাণ কমে যায় বলে ধারণা করা হয়।

14-12-2017 11:40:02 am

মন ভালো রাখার কিছু উপায় জেনে নিন

৫ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): দেহের সুস্থতা থেকে মনের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। কারণ আমাদের মনই যে কোনো ব্যাপারে প্রথমে সাড়া দেয়। আর তাই শুধু শারীরিক সুস্থতা ও কায়িক পরিশ্রম দিয়েই একজন মানুষ সব সময় ভালো থাকতে পারে না। মন ভালো রাখার কিছু উপায় জেনে নিন- ক্ষমা : ধরুন আপনার সঙ্গে একজনের খারাপ সম্পর্ক আছে। আপনার মনের মধ্যে তার ছবি কল্পনা করে এবং আপনার উচ্চ সত্তা থেকে ভালোবাসার শক্তি নামিয়ে এনে বার বার বলুন, তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। একপর্যায়ে আপনি মনে মনে চিন্তা করতে থাকুন যে এ সমস্যাটা ঠিক হয়ে গেছে এবং আপনি লোকটিকে ক্ষমা করতে পেরেছেন। দ্বিতীয়বার যখন আপনি এটি করতে যাবেন দেখবেন আপনার মধ্যে লোকটির প্রতি একটু হলেও ভালোবাসা এসেছে। আর যদি ভালোবাসা নাও আসে তবে আবার আপনি একইভাবে এটি করতে থাকুন। একসময় দেখবেন সত্যিই আপনি তাকে ক্ষমা করতে পেরেছেন। যে কোনো বিষয়ে আপনি এ পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। স্থির হওয়ার ব্যায়াম : একটি চেয়ারে বসুন এবং পা দুটি মেঝেতে রাখুন। চোখ বন্ধ করুন ও মনে মনে চিন্তা করুন যেন আপনার মেরুদণ্ডের শেষ প্রান্তে, যোগের ভাষায় যাকে কু-লী বলে, সেখানে একটি বৈদ্যুতিক তার লাগানো রয়েছে। এ তার আপনার মাথার ওপরের শান্ত সাগরের মতো পৃথিবীর ঠিক মাঝখান থেকে ঝরনাধারার মতো নেমে এসেছে। এটি আপনার দেহে ঢুকে সব বর্জ্য পদার্থ ও খারাপ কিছু চুষে নিচ্ছে। আপনি নিজেকে খুব হালকা বোধ করছেন। প্রথম প্রথম এটি করতে শান্ত জায়গার প্রয়োজন হবে। পরে, আপনি এটি আয়ত্ত করতে পারলে যে কোনো স্থানে বা জায়গায় যেমন অফিসে, রাস্তায়, লোকালয়ে করতে পারবেন। মন শান্ত রাখার জন্য এটি একটি মহৌষধ। এর উপকারিতা আপনি প্রতি মুহূর্তে বুঝতে পারবেন। শান্ত থাকার যোগ : আমরা বেশির ভাগ সময় আমাদের নিজেদের কামনা-বাসনা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ি। সব সময় আমাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা কাজ করে- 'আমার কী হবে? আমি এটি পাব কি পাব না? এটি পেতে আমার কী করা উচিত বা অনুচিত?' কিন্তু এটা না করে স্থির থাকুন। নিজেকে আট বছরের বালক বা বালিকা ভাবুন। নিজের দোষ-গুণ সম্পর্কে নিজেকে নিরপেক্ষ কিন্তু নরমভাবে প্রশ্ন করুন। নীরবতাকে মনের মধ্যে আহ্বান করুন এবং বলতে থাকুন- 'নীরবতা এসো', 'শান্ত হও'। একটু পরেই দেখবেন আপনার মন শান্ত হয়ে গেছে। যখনই অশান্ত হয়ে পড়বেন তখনই এটি করতে থাকবেন। তিন চক্রকে সক্রিয় রাখা : বিশুদ্ধ চক্র, অনাহত চক্র ও মণিপুর চক্রের মধ্যে দিব্য আলো, আনন্দ, চেতনা খেলা করতে থাকে। তাই এ চক্রগুলো সক্রিয় রাখা খুব জরুরি। কণ্ঠ, হৃদয় ও প্লিহার ওপরে চাপড়াতে থাকুন। এতে এ চক্রগুলো সক্রিয় হবে। দিনে দুই মিনিট করে আপনি এটি করতে থাকুন। স্নায়ু উত্তেজক ব্যায়াম : জড়তা কোনো ভালো বিষয় নয়। একে যোগের ভাষায় 'তামসিক ভাব' বলা হয়ে থাকে। স্নায়ু উত্তেজিত ও জড়তা দূর করতে আপনি বিভিন্ন যোগব্যায়াম করতে পারেন। যেমন আপনার এক হাতের তালুর একটু ওপরে অন্য হাতের বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিন। আস্তে আস্তে আঙ্গুলগুলো বুড়ো আঙ্গুলের দিকে নামিয়ে আনুন। পনের বার এটা করুন। এতে আপনার জড়তা দূর হবে। কুকুর অথবা বিড়াল পোষা : বেশির ভাগ মানুষ স্বার্থপর হয়ে থাকে। আবার অনেকের মধ্যে পশুবৃত্তি আছে। প্রাণীদের আচার-আচরণ সংক্রামক। কুকুর প্রভুভক্ত। এদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, শিশুসুলভ আচরণ, খেলাপ্রিয়তা ও অল্পে তুষ্ট থাকার প্রবণতা আপনার মধ্যেও সংক্রামক রোগের মতো প্রবাহিত হয়ে থাকে। তাই স্বার্থপর মানুষকে সঙ্গ না দিয়ে প্রাণীদের সঙ্গ দেওয়া অনেক ভালো। সাগরের জলেতে সাঁতার : আমাদের সম্পূর্ণ দেহের ওপর একটি বলয় আছে যাকে 'সূক্ষ্ম দেহ' বলে। এ সূক্ষ্ম দেহ অলৌকিক আভা দিয়ে তৈরি, যা আমাদের দৈহিক ও আত্দিক সুস্থতা প্রকাশ করে থাকে। আমাদের দেহকে এ অলৌকিক আভা প্রকাশের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আর তাই প্রতিদিন ভোরে সাগরের জলেতে স্নান করতে হবে। কারণ লবণাক্ত জলকে প্রাকৃতিক পরিষ্কারক বলা হয়। দেহের অতিরিক্ত বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে ও দেহে মিনারেলের সমতা আনতে লবণের গুরুত্ব অপরিসীম। দেহ পরিষ্কার না থাকলে রোগ দেহে বাসা বাঁধবে এবং জীবনটাকে বোঝা ও বিরক্তিকর মনে হবে। রংতুলি ব্যবহার : শিশু মানেই নিষ্পাপ ও পবিত্র কিছু। শিশুদের মতো রংপেনসিল নিয়ে আঁকতে শুরু করুন। চোখ বন্ধ রেখে কিছুক্ষণ ধ্যান করে মন শান্ত করুন। এরপর আপনার মস্তিষ্ক সচল করার জন্য কাগজের ওপর একটি বৃত্ত আঁকুন এবং একে আট ভাগে ভাগ করুন। এ আট ভাগে আপনার ইচ্ছামতো রং দিয়ে বৃত্তটি পূরণ করুন। ছবি আঁকার পদ্ধতি সম্পর্কে আপনি জানুন বা না জানুন এসব নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না। গাছ লাগানো: গাছ লাগানো খুব ভালো একটা অভ্যাস। বাগান করা মনের খোরাক জোগায়। গাছ লাগানো ও পরিচর্যা আপনাকে প্রকৃতির কাছে নিয়ে যাবে, প্রকৃতিপ্রেমিক করে তুলবে, প্রকৃতির মতো উদার হতে সাহায্য করবে। বাড়িতে করা বাগান থেকে আপনি সতেজ বাতাস পাবেন। তা ছাড়া আপনি রান্নার জন্য তাজা সবজি পাবেন। এ ছাড়াও মনোবিজ্ঞানীরা সবাইকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট প্রাণ খুলে হাসার পরামর্শ দিয়েছেন। আরও কিছু উপায়ে হয়তো আপনি আনন্দে থাকতে পারেন। যেমন শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত সপ্তাহের একটি দিন বা একটি ঘণ্টা প্রিয়জনের সঙ্গে কাটান। তাদের নিয়ে বেড়াতে যান কোনো পছন্দের জায়গায়।

05-12-2017 02:30:17 pm

বাচ্চা শূন্যে ছুড়ে আদর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণও হতে পারে

৪ ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): আমাদের ভেতর অনেকেই বাচ্চাকে শূন্যে ছুড়ে আদর করি। অনেক সময় শিশুকে শূন্যে তুলে ঝাঁকাতেও দেখা যায়। এমনটি যদি আপনিও করে থাকেন, তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। মারাত্মক বিপদ ঘটে যেতে পারে। এর কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে কোমায় চলে যেতে পারে শিশু। এমনকি তার মৃত্যুও পর্যন্ত হতে পারে। আদরের শিশু সন্তানটিকে ঘুম পাড়ানো হোক বা আদর। কান্না থামানো হোক বা তার দুষ্টুমিকে বাগে আনা। দুরন্ত বাচ্চাকে সামলানো আসলেই একটি চ্যালেঞ্জ। মায়ের কোলে দুরন্ত শিশু শান্ত হয় ঠিকই। কিন্তু অন্য সময় আনন্দে-আহ্লাদে আটখানা হয়ে অনেকেই আদরের আতিশয্যে বাচ্চাকে শূন্যে ছুড়ে আদর করেন বা কান্না থামাতে শিশুকে শূন্যে তুলে ঝাঁকান। আর এর ফলেই তৈরি হতে পারে ভয়াবহ বিপদ। আদর করুন। অনেক ভালবাসুন। যত্নে ভরিয়ে রাখুন শিশুকে। কিন্তু শূন্যে তুলে ঝাঁকানো বন্ধ করুন। সম্প্রতি এক মার্কিন গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৮০ শতাংশ চিকিৎসকের দাবি, ৩ বছরের ছোট শিশুকে ঝাঁকানো হলে শিশুর মস্তিষ্ক থেকে রক্ত বেরোতে পারে। একে সাবডুরাল হেমাটোমা বলে। ৯০ শতাংশ চিকিতসকের মত, শিশুর মারাত্মক রেটিনাল রক্তক্ষরণও হতে পারে। ৭৮ শতাংশ চিকিৎসকের দাবি, এর ফলে শিশুটি কোমায় চলে যেতে পারে। এমনকী মৃত্যুও হতে পারে। শিশুকে ঝাঁকানো হলে বারবার মস্তিষ্ক খুলির গায়ে ধাক্কা খায়। মস্তিষ্ক ও খুলির মাঝে ছোট ছোট রক্তনালি ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলে, রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে যেতে পারে। রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। সেই অংশ ফুলে যেতে পারে। যেহেতু শিশুর ঘাড় সংবেদনশীল হয়, ঝাঁকানোর ফলে পেশি ছিঁড়ে যেতে পারে। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে স্পাইনাল কর্ড। ব্রেনে মারাত্মক ইনজুরি হলে শিশু পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে। অন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনকী অন্ধ-বধির হয়ে যেতে পারে শিশু।

04-12-2017 03:26:10 pm

রাত জাগায় ফলে কমে যায় মানুষের জীবনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

৪ ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): অতিরিক্ত রাত জাগার কারণে আপনার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে যেতে থাকে। হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের একটি প্রকাশনায় বলা হয়, একজন সুস্থ মানুষ প্রতি ৯০ মিনিট পর পর ঘুমের গভীর থেকে গভীরতর ধাপের দিকে যায়। যার মধ্যে সবচেয়ে গভীর ঘুমের সময় মানুষের ফিজিওলজিক্যাল পরিবর্তন আনে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। অনিয়মিত ঘুমের কারণে ঘুমে বিঘ্ন ঘটে, ফলে মানুষ গভীর ঘুমের ধাপ পর্যন্ত যেতেই পারে না। এতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তাছাড়া, প্রাকৃতিক ঘুমের সময়ের ব্যাঘাত ঘটিয়ে অন্য সময়ে ঘুমানো মনোযোগ ঘাটতির জন্ম দিতে পারে। গভীর রাত পর্যন্ত জেগে থাকলে গলা কিছুটা ভারী হয়ে যায়। নিয়মিত এমন হলে কণ্ঠস্বরে স্থায়ী একটি পরিবর্তন আসতে পারে। এতে করে যারা বিভিন্ন ভিজ্যুয়াল মিডিয়ায় কাজ করার চিন্তা করছ, তারা রাত জাগার বিষয়ে সিরিয়াসলি ভাব। রাত জাগলে সাধারণত দিনে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়। ফলে সারা দিন ফাস্ট ফুড থেকে শুরু করে অন্যান্য খাবারের দিকে আগ্রহ থাকে, যা ওজন বাড়াতে পারে। আর বাড়তি ওজন নিয়ে পড়াশোনার মতো ‘ভারী’ কাজ করাও কিন্তু ঝামেলার। এছাড়া, রাত জেগে পড়া চোখের জন্যও ক্ষতিকর। যুক্তরাষ্ট্রের ইস্ট ওয়েস্ট আই ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, রাত জাগার ফলে আই স্পাজম বা চোখে খিঁচুনি হতে পারে, যাকে মায়োকিমিয়া বলা হয়। ড্রাই আই জটিলতাও দেখা দিতে পারে। অনিয়মিত ও অপর্যাপ্ত ঘুমের সবচেয়ে বড় মানসিক সমস্যা এটি। এর ফলে বিষণ্নতা, সিজোফ্রেনিয়া ও ঘন ঘন ভুলে যাওয়ার রোগ আলজেইমার্স হতে পারে।

04-12-2017 03:17:40 pm

জেনে নিন শীতে কোন ধরনের ত্বকে কেমন যত্ন নিবেন

১লা ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): শীতে বাতাসের আর্দ্রতা কমতে শুরু করার সাথে সাথেই শুষ্ক ত্বক আরও শুষ্ক হতে শুরু করে। আবহাওয়াতে যেহেতু স্বাভাবিক আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকে সেহেতু ত্বকের ময়েশ্চার ক্রমাগত কমতে থাকে, দিনে দিনে ত্বক রুক্ষ ও মলিন বয়ে পড়ে। আর কুয়াশা আর ঠাণ্ডা বাতাস ইতোমধ্যেই জানান দিয়েছে সেই শীতের আগমনী বার্তা। ঋতু পরিবর্তনে তাই শুরু হয়েছে ত্বকের নানা সমস্যা। এ সময় ত্বক রুক্ষ ও অনুজ্জ্বল হয়ে যাওয়ায় দরকার একটু বাড়তি যত্নের। নিয়মিত যত্নে শীতেও ত্বক হয়ে উঠবে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যজ্জ্বল। জেনে নিন শীতে কোন ধরনের ত্বকে কেমন যত্ন নিবেন : তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন : যাদের ত্বক খুব তৈলাক্ত তারা ক্লিনজিং ও ময়েশ্চারাইজিংয়ের ক্ষেত্রে অয়েল ফ্রি প্রোডাক্ট ব্যবহার করুন। ঘরোয়া ময়েশ্চারাইজার হিসেবে এক্ষেত্রে টমাটোর রস খুব কার্যকর। ক্লিনজিং ও টোনিংয়ের পর লেটুস পাতার রস, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে লাগাতে পারেন। আনারস, আপেল, পাকা পেঁপের সঙ্গে মধু মিশিয়ে প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ত্বকের যত্ন : শুষ্ক ত্বকের প্রধান কাজ হল ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখা। ভিটামিন-ই অয়েল ১/২ চামচ, ১/২ চামচ গ্লিসারিন মিশিয়ে প্রতিদিন লাগাতে পারেন। ত্বকে পুষ্টি জোগাতে ডিমের কুসুম, ১ চা-চামচ মধু, আধা চামচ অলিভ অয়েল ও গোলাপজল মিশিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে ১৫ মি. রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করতে পারেন। মিশ্র ত্বকের যত্ন : প্রতিদিন হালকা ক্লিনজার ব্যবহার করতে পারেন। তবে ত্বকের শুষ্ক জায়গাগুলো অবশ্যই ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন। সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়ো চটকে তার সঙ্গে মধু ও দুধ পরিমাণ মতো মিশিয়ে ২০ মি. রেখে তারপর ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। এ প্যাকটি সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এছাড়া ত্বকের যত্নে নিম্নোক্ত কাজগুলো করতে পারেন : নিয়মিত ত্বকে ময়েশ্চারাইজ করুন : শীতে ত্বকের যত্নের শুরুতে একটি ভালো ময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। বাজার থেকে বাদাম তেল বা এভাকাডো সম্মৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার কিনুন। এগুলো ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। প্রতিদিন অন্তত দুবার অথবা যতবার ত্বক শুষ্ক মনে হবে ততবার ব্যবহার করুন। সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার : শীতকালেও বাইরে বের হওয়ার ৩০ ‍মিনিট আগে এসপিএফ ১৫-৩০ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। আর্দ্রতা বজায় রাখুন : শীতকালে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে মাঝে মাঝে মুখে পানির ঝাপটা দিন। তাহলে সহজে ত্বক শুষ্ক হবে না। অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার করবেন না : গোসলের সময় আরাম অনুভব হলেও অতিরিক্ত গরম পানি দিয়ে মুখ, মাথা ধোয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, অতিরিক্ত গরম পানি ত্বকের কোষকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে ত্বকের আর্দ্রতা নষ্ট হয়। গোসলের সময় পানিতে কয়েক ফোটা জোজোবা বা বাদাম তেল দিয়ে নিলে তা ত্বককে আর্দ্র এবং মসৃণ করতে সহায়তা করে। ভেজা ত্বকে পরিচর্যা করুন : গোসলের পর এবং প্রতিবার মুখ ধোয়ার পর ভেজা ‍অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। ঠোঁটের পরিচর্যা : কখনোই ‍জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজানো উচিৎ নয়। কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মধুর সাথে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগালে ঠোঁট কখনোই ফেটে যাবে না। চুলের যত্ন : শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে মাথার ত্বকেও এর প্রভাব পড়ে। এজন্য সপ্তাহে অন্তত একদিন প্রোটিন প্যাক ব্যবহার করতে হবে। আমলকীগুঁড়া, হরীতকীগুঁড়া, বহেরাগুঁড়া, মেথিগুঁড়া, ব্রাহ্মিগুঁড়া, হেনাগুঁড়া, ডিমের সাদা অংশ, টক দই, পানি একসঙ্গে মিশিয়ে চুলে আধা ঘণ্টা মেখে পরে চুল ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলের উজ্জ্বলতা বাড়বে এবং খুশকি দূর হবে। হ্যাট পরুন : চুল এবং মাথার তালুর আর্দ্রতা ধরে রাখতে হ্যাট পরুন। তবে হ্যাটটি যাতে বেশি টাইট না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন। হাত ও পায়ের যত্ন : হাত এবং পায়ের আর্দ্রতা ধরে রাখতে যতবার প্রয়োজন ততবার লোশন বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। রূপচর্চার পাশাপাশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত খাবারের প্রতিও। সবুজ শাক-সবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস করুন। এছাড়া শরীরের ভেতরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে প্রচুর পানি পান করুন।

01-12-2017 02:32:38 pm

শীতে ত্বক কে সুরক্ষিত রাখার বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

২০ নভেম্বর (এ.এন.ই ): দিনের দৈর্ঘ্য ছোট হয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দিন দিন কমে আসছে তাপমাত্রাও। বাতাস শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে কমে যাচ্ছে ত্বকের গ্লো। এটাই শীতের পূর্বাভাস। তাই এখন থেকেই ত্বকের যত্ন না নিলে ফাটা ত্বক নিয়ে আপনাকে শীত কাটাতে হবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক শীতে ত্বকের সুরক্ষার করণীয় দিকগুলো। : ১. সাবান ত্যাগ করুন: সুগন্ধী সাবান আপনাকে একদিনের জন্য ফ্রেস রাখতে পারে। কিন্তু আপনার ত্বককে তা রুক্ষ করে দেয়। ত্বক রুক্ষ হতে শুরু করলে ডিহাইড্রেট ফ্রি সাবান ব্যবহার বন্ধ করুন। এই শুষ্ক সময় ব্যবহার করুন ক্রিমযুক্ত বডি-ওয়াশ। ২. লোশন ছেড়ে তুলে নিন ক্রিম: বাতাস শুষ্ক হয়ে যাওয়ায়, ত্বকের প্রচুর পরিমাণে আর্দ্রতা দরকার। ক্রিম একটা তৈলাক্ত আবরণ তৈরি করে। ফলে লোশন ছেড়ে ক্রিম ব্যবহারই বাঞ্ছনীয়। ৩. ঠোঁট বাঁচান: শীতে ফাটা ঠোঁট বড় একটা সমস্যা। শীতে ঠোঁট ফাটার হাত থেকে বাঁচাতে ব্যবহার করুন নন-পেট্রোলিয়াম জেল। ৪. এবার একটা হ্যান্ড ক্রিম কিনেই নিন: শীতে হাতের চামড়ার খুব ক্ষতি হয়। শরীরের যত্ন নিয়ে হাতের দিকে নজর দেন না অনেকেই। এবার এটা না করে হাতের দিকেও নজর দিন। হ্যান্ড ক্রিম হাতের ত্বককে নরম করে ও রুক্ষতার হাত থেকে বাঁচায়। ৫. প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন: শুধু বাইরের দিক থেকে রুক্ষতা প্রতিরোধ করাই নয়। নিজেকে ভিতর থেকে সজীব ও সতেজ রাখার জন্য প্রচুর জল পান দরকার। এমনিতে বেশি জল খাওয়ার উপকারিতার কোন বিকল্প নেই? এই শীতে তা ত্বক তো বটেই, সারা শরীরে সুস্থতার জন্যই কাজ দেবে। ৬. সবজি ও ফল খান: প্রতিটি ঋতুতে শরীরে কী কী উপাদানের ঘাটতি পড়ে আর কী দরকার, সেই হিসেবেই আসে মৌসুমি ফল ও সবজি। শীতে সবজির সমাহার। সবজি ভাল লাগে না বলে নাক কুঁচকোবেন না। বরং এই সবজির ভিটামিনই আপনার স্বাস্থ্য ও ত্বককে সতেজ রাখবে। ফলও একান্ত প্রয়োজনীয়। জরুরি ভিটামিন ও খনিজ সরবরাহে এদের বিকল্প নেই।

20-11-2017 03:52:57 pm

ফেসবুকের সুবাধেই উপযুক্ত জীবনসঙ্গী বা সঙ্গিনীকে খুঁজে নেওয়া জেনে নিন

১৫ নভেম্বর (এ.এন.ই ): ফেসবুকের সুবাধেই উপযুক্ত জীবনসঙ্গী বা সঙ্গিনীকে খুঁজে নেওয়া এবং তার হৃদয় জয় করে নিতে পারেন। তবে কী ভাবে ফেসবুকে খুঁজে নেবেন মনের মানুষকে? এই বিষয়ে জেনে নিন ৮টি বিশেষ টিপস- ১. লেখার পরিবর্তে ছবির মাধ্যমে নিজেকে অভিব্যক্ত করার চেষ্টা করুন। স্টেটাসের তুলনায় ছবি সবসময় অধিক সংখ্যক মানুষের নজর কাড়ে। ফলে আপনার ভালবাসার মানুষের চোখে পড়াও সহজতর হয়। কাজেই কোন রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে, সেই নিয়ে স্টেটাস দেওয়ার পরিবর্তে খাবার ভর্তি প্লেটের ছবি পোস্ট করুন, লোকের চোখে পড়বে বেশি। ২. আপনার কর্মস্থল, পেশা বা কোন পদে আপনি রয়েছেন, নিজের প্রোফাইলে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করুন। প্রেমের বাজারে ভাল চাকরির দাম অস্বীকার করার উপায় নেই। ৩. আপনি কি সুদর্শন, কিংবা মোহময়ী সুন্দরী? তা যদি না হন, তাহলে শুধু প্রোফাইল পিক-এর জোরে কারোর মন জয় করার সম্ভাবনা কম। কাজেই মন দিন স্টেটাসের উপর। আপনি যা ভালবাসেন, যে বিষয়ে আপনি আত্মবিশ্বাসী, স্টেটাস দিন সেই বিষয়ের উপরেই। কবিতা পড়তে যদি ভাল না বাসেন, তাহলে আলটপকা কবিতার লাইন কোট করে লোক ঠকিয়ে লাভ নেই। ৪. স্মার্টনেস অবশ্যই জরুরি, কিন্তু ওভারস্মার্ট হতে গেয়ে পুরো ব্যাপারটা গুলিয়ে ফেলবেন না। কোন মেয়ের সঙ্গে চ্যাট করার সময়ে ‘হাই হটি’ মার্কা কথা দিয়ে আলাপ জমাতে গেলে অধিকাংশ মেয়েই তাতে বিরক্ত বোধ করে। তার চেয়ে শুধু ‘হাই’ কথা শুরু করার পক্ষে যথেষ্ট। ৫. নিজের বাড়ির কাছাকাছি মেয়ে বা ছেলেদের সঙ্গে আলাপ জমানোর চেষ্টা করুন। তাতে সোশ্যাল মিডিয়ার গণ্ডির বাইরে গেয়ে বাস্তবে দেখাশোনার কাজটা সহজ হয়। মেয়েটিও সুরক্ষিত বোধ করে। ৬. ফোন নাম্বার জোগাড় করার ক্ষেত্রে ‘তুমি কি হোয়াটস অ্যাপে আছ?’ মার্কা প্রশ্ন পুরনো হয়ে গেছে। আপনি ওই ধরনের প্রশ্ন করে নিজেকে সস্তা করবেন না। তার চেয়ে সরাসরি বলুন, ‘তোমার সঙ্গে একটু কথা বলতে চাই। ফোন নাম্বারটা পেতে পারি?’ সে কী উত্তর দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে আপনার প্রতি তার মনোভাবটা বুঝাও সহজ হবে। ৭. কাউকে আপনার ভাল লাগতেই পারে, কিন্তু তাই বলে তার বিরক্তির কারণ হয়ে উঠবেন না। আপনার তরফ থেকে দু’একটা ‘হাই’, ‘হ্যালো’-তে যদি সাড়া না পান, তাহলে বুঝতে হবে, আপনার আশা কম। সেক্ষেত্রে দিবারাত্র তাকে মেসেজ করে তার মনোভাব আপনি বদলাতে পারবেন না। ৮. কাউকে ভাল লাগলে আলাপ একটু এগুনোর পরেই আপনার মনোভাব তাকে বুঝতে দিন। আলাপের দু’দিনের মাথায় সরাসরি প্রোপোজ করাটা বাড়াবাড়ি, কিন্তু তাকে যে আপনার ভাল লেগেছে, সে সম্পর্কে হালকা আভাস অন্তত দিন। না হলে একবার যদি সে আপনাকে নিছক বন্ধু বলে ভাবতে শুরু করে, তাহলে ‘বন্ধু’ থেকে ‘প্রেমিক’ হয়ে ওঠাটা কিন্তু প্রায় অসাধ্যসাধনের সামিল হবে। কাজেই প্রথম থেকেই আভাস দিন যে, আপনার মনে তার আসন কোথায়।

15-11-2017 04:45:32 pm

মাথার কাছে মোবাইল ফোন রাখলে মস্তিষ্ক বা শরীরের পক্ষে বিপজ্জনক

১১ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): মাথার কাছে মোবাইল ফোনটা চালু রেখে কখনও ঘুমাতে যাবেন না। জরুরি এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ, ফোন কল আসার যতই সম্ভাবনা থাকুক না কেন দিনে, রাতে যখনই ঘুমাতে যাবেন, মোবাইলটা হয় বিছানা থেকে বেশ কিছুটা দূরে রাখবেন বা সেটা বন্ধ করে রাখবেন। চালু মোবাইলের ওয়াইফাই বিকিরণ ভয়ঙ্কর ক্ষতি করে দেবে আমাদের। সম্প্রতি উত্তর জাটল্যান্ডের নবম শ্রেণির একদল ছাত্রছাত্রী বিভিন্ন রকমের শাকের বীজ নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখেছে, চালু মোবাইলের ওয়াইফাই বিকিরণ প্রাণের পক্ষে চরম ক্ষতিকারক। তা মৃত্যুও ডেকে আনতে পারে। পরীক্ষার ফলাফলে যথেষ্টই উৎসাহিত ইংল্যান্ড, হল্যান্ড ও সুইডেনের গবেষকরা। এ ব্যাপারে আরও গবেষণা চালাতে চেয়েছেন স্টকহলমের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের বিশিষ্ট গবেষক ওলে জোহানসন। তিনি বেলজিয়ান অধ্যাপক মারি-ক্লেয়ার কামার্তকে সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষাটা আবার করতে চেয়েছেন। পরীক্ষাটা যারা চালিয়েছে সেই ছাত্রছাত্রীদের অন্যতম লি নিয়েলসন জানিয়েছেন, ৪০০ রকমের শাকের বীজের ওপর তারা পরীক্ষাটা চালিয়েছেন। দু’টি আলাদা ঘরে একই তাপমাত্রায় ৬টি ট্রেতে ওই শাকের বীজগুলিকে রাখা হয়েছিল। ১২ দিন ধরে ওই দু’টি ঘরে রাখা শাকের বীজগুলিকে সম পরিমাণ জল আর সূর্যালোক দেওয়া হয়েছিল তাদের বেড়ে ওঠার জন্য। তাদের মধ্যে শাকের বীজ রাখা রয়েছে এমন ৬টি ট্রে’কে রাখা হয়েছিল দু’টি ওয়াইফাই রাউটারের কাছাকাছি। সাধারণ মোবাইল ফোন থেকে যতটা বিকিরণ আসে, ওই ওয়াইফাই রাউটারগুলি থেকে বিকিরণ আসে ততটাই। ১২ দিন পর দেখা গেল, ওয়াইফাই রাউটারের কাছে রাখা শাকের বীজগুলি মোটেই বাড়েনি। তাদের বেশির ভাগই হয় শুকিয়ে গিয়েছে বা মরে গেছে। আর যে শাকের বীজ ভরা ট্রে’গুলির ধারে কাছে কোনও ওয়াইফাই রাউটার ছিল না, সেগুলি খুব সুন্দর ভাবে বেড়ে উঠেছে জল আর সূর্যালোক পেয়ে। নবম শ্রেণির যে ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষাটা চালিয়েছে, তাদের আর এক জন ম্যাথিল্ডে নিয়েলসন বলেছেন, ‘‘এটাই প্রমাণ করেছে, ওয়াইফাই বা মোবাইলের বিকিরণ প্রাণের পক্ষে কতটা বিপজ্জনক। তাই আমাদের পরামর্শ, ঘুমোতে যাওয়ার সময় হয় মোবাইল ফোনটা দূরে রাখুন বা বিছানায় রাখতে হলে সেটাকে বন্ধ করে রাখুন। না হলে তা মস্তিষ্ক বা শরীরের পক্ষে খুব বিপজ্জনক হতে পারে। ’’

11-11-2017 02:27:41 pm

ফোন বুক পকেট বা প্যান্টের পকেটে রাখলে ক্ষতির বিভিন্ন দিক জেনে নিন

৫ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): অফিস, দোকান বাজার যেখানেই যান না কেন, আপনার ফোনটি বুক পকেট বা প্যান্টের পকেটে থাকে, তাই তো? আর মহিলাদের ক্ষেত্রে পকেট দেওয়া জামা পড়ার তেমন প্রচলন নেই বলে, তারা অনেকেই অন্তর্বাসের ভিতরে মোবাইল রেখে দেন। এতে কি হচ্ছে বা হতে পারে, তা কি জানা আছে? আসলে মোবাইল কোম্পানিগুলি আপনাদের কখনোই তাদের ক্ষতিকারক দিকগুলি বোঝাতে আসবেন না। এমনকি, সামান্য জানিয়ে দেওয়ার দায়িত্বও তারা নেবেন না। কারণ, তারা তাদের কোম্পানির ব্যবসা দেখবেন, তার লাভ দেখবে। আপনার শরীর নিয়ে তাদের কোনো মাথা ব্যাথা থাকার কারণ নেই। মোবাইল ফোনের এরকম বহু ক্ষতিকারক দিক আছে। সেগুলি নিয়েই আজকের আলোচনা- ১. মোবাইল ফোন বন্ধ্যাত্বের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। বহু সমীক্ষায় দেখা গেছে যে পুরুষদের জন্য মোবাইল মোটেও ভাল নয়। এর কারণ, মোবাইল পুরুষদের ক্ষেত্রে বীর্যের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। সমীক্ষায় দেখান হয়েছে যে, কথা বলার সময় ফোন যদি পুরুষাঙ্গের কাছাকাছি থাকে, তবে তা বীর্য উৎপাদনকারী কোষের মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে। এতে পরিমাণ মতো বীর্য তৈরি হতে পারে না। এতে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত বীর্যের কারণে সন্তান দুর্বল এবং শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্মাতে পারেন। যে সকল পুরুষ কানে ফোন ব্যবহার বা করে হেড সেট ব্যবহার করেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল ফোন পকেটে থাকে, তাদের ক্ষেত্রে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা সবথেকে বেশি থাকে। ক্লেভল্যান্ড-এ অবস্থিত সেন্টার ফর রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন-এ মোবাইল ফোনের ওপর একটি সমীক্ষা ছালান হয়। তাতে ৩২ জন পুরুষের ওপর এই সমীক্ষা হয়। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে বীর্যের নমুনা নিয়ে , তা দিয়ে নানা ধরণের পরীক্ষা নিরিক্ষা চালানো হয়। এক সময় নমুনাগুলির কাছাকাছি ফোন রেখে দিয়ে তার প্রভাব পরীক্ষা করা হয় এবং দেখা যায় যে, বীর্যগুলি যথারীতি খতিগ্রস্থ হয়েছে। এরই সঙ্গে বীর্য কম তৈরি বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ হিসাবে দায়ি করা হয়েছে পরিবেশ দূষণ এবং মূত্রসংক্রান্ত প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণকে। ২.মোবাইলের বিকিরণ এবং ক্যান্সার: মোবাইল ফোন থেকে কি সত্যিই ক্যান্সার হয়? এই প্রশ্নটি আমাদের মনে বারবার করে উঠে আসে। আসলে মোবাইল ফোনের থেকে সত্যি সত্যিই ক্যান্সারের সম্ভাবনা সম্পর্কিত। মোবাইল ফোন ব্যবহার করার কারণে নানা ধরণের ক্যান্সার শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। এর বড় কারণ হল, মোবাইল ফোনের ক্ষতিকারক বিকিরণ। এই ক্ষতিকারক বিকিরণের কারণে নারী এবং পুরুষ দুইই দারুণভাবে শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হন। ফলে, আশঙ্কা বাড়ে স্তন ক্যান্সার সহ অন্যান্য ক্যান্সারের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ওয়্যারলেস ডিভাইসকে টু বি রিস্ক-এর আওতায় রেখেছে। এর কারণ এগুলি যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গকে ব্যবহার করে, যা মানুষের মধ্যে ক্যান্সারের প্রবণতা বৃদ্ধি করতে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করে। অনেকেই মনে করেন যে, মোবাইল ,ক্যান্সার হওয়ার অবশ্যম্ভাবী কারণ হিসাবে কাজ করে। এমনকি, এর ওপর বহু পরীক্ষা নিরিক্ষা করে বহু কিছু প্রমাণিতও হয়েছে। ৩.আপনি কি মোবাইল ফোন অন্তর্বাসের ভিতরে রাখেন? ক্যালিফোর্নিয়ার ব্রেস্টলিঙ্ক নামক একটি সংস্থায় গবেষণা করে দেখা গেছে যে, স্তন ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, যে সমস্ত পরিবারে পূর্বে কোনও ক্যান্সারের ইতিহাস নেই বা আক্রান্তের কোনও তথ্য নেই, সেই পরিবারেও এখন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত, চল্লিশ বছরের মধ্যে যে সকল মহিলা রয়েছেন, তাদের ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা সবথেকে বেশি। গবেষণা থেকে প্রমাণিত, যে সকল নারী অন্তর্বাসের ভিতরে মোবাইল ফোন রাখেন, তাদের প্রত্যেকের বুকের কোনও না কোনও স্থানে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল এবং এদের সকলের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ৪. তাহলে কিভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে হবে? মোবাইল ফোন যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করুন। একান্তই ব্যবহার করতে হলে, তাকে এমনভাবে রাখুন যাতে শরীরের কাছাকাছি না থাকে। সবথেকে বড় কথা, মোবাইল ফোন পকেটে রাখবেন না, বেল্টের সঙ্গে আটকাবেন না বা অন্তর্বাসের ভিতর রাখবেন না। সেই সঙ্গে ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন অফ করে রাখুন। ৫.কিভাবে আরও সাবধানতা নেওয়া যায়? মোটামুটি এই পাঁচটি জিনিস মাথায় রাখুন। মোবাইল ব্যবহারে তাতে খানিকটা হলেও বিপদকে এড়াতে পারবেন। কানে হেড সেট ব্যবহার করুন। এতে শরীর থেকে দূরে ফোন থাকতে পারবে। ফোনে কথা বলার সময় আমাদের শরীর এবং মস্তিষ্ক প্রচুর পরিমাণে বিকিরণের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা আমাদের খুবই ক্ষতি করে। তাই কথা বলার সময় হেড ফোন ব্যবহার করুন এবং ফোন কে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখুন। কথা কম বলুন, মেসেজ করুন- যতটা সম্ভব ফোনে কথা কম বলে মেসেজের মাধ্যমে জরুরি কথা বলুন। সিগনাল ভাল থাকলে কথা বলুন। ফোনে যদি নেটওয়ার্কের পরিমাণ কম দেখায়, তাহলে সেই সময় কোনোভাবেই ফোনে কথা বলবেন না। কারণ, ফোনের সিগন্যাল বার কম দেখানো মানেই ফোন নিজের থেকে সিগন্যাল খোঁজার চেষ্টা করছে। এই সময়ে বিকিরণের মাত্রা খুব বেশি থাকে। পকেটে বা বালিশের নিচে ফোন রাখবেন না- যদি ফোন নির্দিষ্ট কিছু সময়ে ব্যবহার না করতে চান, তাহলে ফোন থেকে দূরে থাকুন। এছাড়া, কোনও সময় ফোন বালিশের নীচে নিয়ে শোবেন না। কারণ, ফোন ব্যবহার না করলেও শুধু অন থাকলে, তখনও প্রচুর পরিমাণে বিকিরণ ছড়াতে পারে।

05-11-2017 01:40:37 pm

বেজে উঠল অ্যালার্ম অনেক ক্ষতি করে আপনার জেনে নিন

৫ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন রয়েছেন, ঠিক সেই সময়েই মাথার কাছে বেজে উঠল অ্যালার্ম। তড়িঘড়ি তৈরি হয়ে গেলেন অফিসের জন্য। দীর্ঘদিন ধরে যদি এটি রুটিন তাহলে অনেক ক্ষতি করে আপনার। দীর্ঘদিন ধরে গভীর ঘুমকে অ্যালার্ম দিয়ে ভাঙালে যেসব ক্ষতি হতে পারে; খুব বেশি পরিমাণে আপদকালীন অ্যাড্রিনালিন হরমোন ক্ষরণ হয়। অ্যাড্রিনালিন হরমোনের অধিক ক্ষরণে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। হৃদযন্ত্রের উপর খুব বেশি চাপ পড়াটাও ক্ষতিকারক। হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ে। অ্যালার্ম কলে ঘুম ভেঙে গেলেও বেশ কিছুক্ষণ ঘুমভাব থেকে যায়। কাজ করার এনার্জি থাকে না। ঠিকঠাক ঘুম না হলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। মাথায় যন্ত্রণা অনুভব করে থাকবেন। অবসাদ বাড়িয়ে তোলে। কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ক্রমশ লোপ পায়।

05-11-2017 01:32:26 pm

আজকের পূর্ণাঙ্গ পঞ্জিকা

২ নভেম্বর (এ.এন.ই ): আজ: ১৫ কার্ত্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বৃহস্পতিবার, কলি: ৫১১৮, সৌর: ১৬ কার্ত্তিক, চান্দ্র: ১৩ কেশব মাস, ৫৩১ চৈতনাব্দ, ১৯৩৯ শকাব্দ /২০৭৪ বিক্রম সাম্বৎ, ইংরেজী: ২ নভেম্বর ২০১৭, বাংলাদেশ:১৮ কার্ত্তিক ১৪২৪, ভারতীয় সিভিল:১১ কার্ত্তিক ১৯৩৯, মৈতৈ: ১৩ হিয়াঙ্গৈ, আসাম: ১৫ কাতি, মুসলিম: ১১-সফর-১৪৩৯ হিজরী সূর্য উদয়: সকাল ০৫:৪৩:৫৫ এবং অস্ত: বিকাল ০৪:৫৫:৪৬। চন্দ্র উদয়: বিকাল ০৩:৫০:৩১(২) এবং অস্ত: শেষ রাত্রি ০৪:২৮:১১(২)। অমৃতযোগ: দিন ০৫:৪৩:৫৫ থেকে - ০৭:১৩:৩০ পর্যন্ত, তারপর ০১:১১:৪৯ থেকে - ০২:৪১:২৩ পর্যন্ত এবং রাতি ০৫:৪৬:৫৮ থেকে - ০৯:১১:৪৯ পর্যন্ত, তারপর ১১:৪৫:২৭ থেকে - ০৩:১০:১৭ পর্যন্ত, তারপর ০৪:০১:৩০ থেকে - ০৫:৪৩:৫৫ পর্যন্ত। কুলিকবেলা: দিন ০৯:২৭:৫২ থেকে - ১০:১২:৩৯ পর্যন্ত। কুলিকরাতি: ০৮:২০:৩৬ থেকে - ০৯:১১:৪৯ পর্যন্ত। কালবেলা: দিন ০২:০৭:৪৮ থেকে - ০৩:৩১:৪৭ পর্যন্ত। বারবেলা: দিন ০৩:৩১:৪৭ থেকে - ০৪:৫৫:৪৬ পর্যন্ত। কালরাতি: ১১:১৯:৫০ থেকে - ১২:৫৫:৫২ পর্যন্ত। গ্রহস্ফুট (সূর্য উদয় কালীন): রবি: ৬/১৫/৮/২৬ (১৫) ৩ পদ চন্দ্র: ১১/১৬/৪৮/২৭ (২৭) ১ পদ মঙ্গল: ৫/১১/২৮/৭ (১৩) ১ পদ বুধ: ৭/৩/৪০/৩৯ (১৭) ১ পদ বৃহস্পতি: ৬/১২/৭/৫৩ (১৫) ২ পদ শুক্র: ৫/২৯/৪৫/৩৩ (১৪) ২ পদ শনি: ৭/২৮/২১/১৮ (১৮) ৪ পদ রাহু: ৩/২৮/১১/৪২ (৯) ৪ পদ কেতু: ৯/২৮/১১/৪২ (২৩) ২ পদ শুক্ল পক্ষ |তিথি: ত্রয়োদশী ( জয়া) দুপুর ঘ ০২:০৫:৩১ দং ২০/৫৩/৬০ পর্যন্ত পরে চতুর্দশী নক্ষত্র: উত্তরভাদ্রপদ সকাল ঘ ০৫:২৮:৫৪ দং ৫৯/২২/২৭.৫ পর্যন্ত পরে রেবতী শেষ রাত্রি ঘ ০৫:০৮:৪৬ দং ৫৮/৩০/৪৫ পর্যন্ত পরে অশ্বিনী করণ: তৈতিল দুপুর ঘ ০২:০৫:৩১ দং ২০/৫৩/৬০ পর্যন্ত পরে গর শেষ রাত্রি ঘ ০১:৩৪:১২ দং ৪৯/৩৪/২০ পর্যন্ত পরে বণিজ যোগ: হর্ষণ দুপুর ঘ ০১:৩৪:৩৩ দং ১৯/৩৬/৩৫ পর্যন্ত পরে বজ্র

02-11-2017 03:49:49 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.