• আরএসএস প্রচারকদের অপহরণ কান্ডের তদন্তে গঠিত সিট
  • পথের ধারে শিশুর মৃতদেহ ঘিরে চাঞ্চল্য
  • বিদ্যালয় শিক্ষায় শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা কাটাতে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপ চাইল রাজ্য
  • বাম জামানায় কেলেঙ্কারির তদন্তে রাজ্যে আসছে সিবিআই
  • দেবাদিদেব মহাদেবের বাবা গড়িয়া রূপের রাজসিক শাক্তমতে পূজা ত্রিপুরায়
  • অক্ষয় তৃতীয়ার উপলক্ষে জমজমাট ভিড় পি.সি. চন্দ্র জুয়েলারিতে
  • বাম নিয়ন্ত্রণ মুক্ত হল টিসিএ
  • কাল বৈশাখীর তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড কল্যাণপুর
  • সুপ্রিয়া মগ মৃত্যুর তদন্ত শুরু সিটের
  • জলাশয়ের স্রোতে মৃত্যু এক শিশুর
  • হত্যা নয় আত্মহত্যাই করেছেন সিপিআইএম নেতারা
  • আনারস চাষিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বললেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা
  • ত্রিপুরায় রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ জারি, শিশু ও মহিলা ধৃত ১৮
  • খুব শীঘ্রই চালু হচ্ছে আগরতলা-দেওঘর এক্সপ্রেস ট্রেন
  • সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতির মৃত্যু মামলা ঘিরে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধীদের কটাক্ষ
  • সাব্রুমে তরল গ্যাসীয় উদগিরন জারি
  • নেশা কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবার ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর
  • খোয়াইয়ের সিপিআইএম কার্যালয় গুলিতে শ্মশানের স্তব্ধতা
  • আবার বিশেষ সহায়তার জন্য দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী
  • রাজ্যের রেল গুলিতে চালু হচ্ছে ই-কেটারিং পরিষেবা
  • সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না বর্তমান সরকার: মুখ্যমন্ত্রী
  • মহাভারত যুগে ইন্টারনেট, মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যপাল
  • পুষ্পবন্ত প্রাসাদ রূপ নেবে আধুনিক সংগ্রহ শালায়
  • পুজা অর্চনার পর নতুন রাজভবনের দারোঘাটন
  • সাব্রুমে মাটি থেকে লাভা নিঃসরণ, আতঙ্ক চরমে

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

লাইফস্টাইল

চোখের যত্ন নিন

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): চোখের সুস্থতার জন্য দরকার বাড়তি যত্ন। যারা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার ও মোবাইলে ফোন ইত্যাদির দিকে তাকিয়ে থাকেন তাদের জন্য চোখের ব্যায়াম অত্যান্ত জরুরি। তবে আর দেরি না তরে চলুন জেনে নেই চোখের আরাম ও সুস্থতার জন্য করণীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে। ১. যারা কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন বেশি মাত্রায় ব্যবহার করেন তাদের চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। তাদের জন্য ব্যায়াম হচ্ছে একটানা না তাকিয়ে থেকে ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলা। কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় সাধারণের তুলনায় ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন। এতে চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন। ২. চোখের অশ্রুনালির কাছে হালকা চাপ দিয়ে ম্যাসাজ করলে চোখের আর্দ্রতা বাড়ে এবং চোখের প্রশান্তি দেয়। চোখের পাতার ওপর মৃদুভাবে তিন আঙুল দিয়ে চক্রাকারে ম্যাসাজ করতে পারেন। ১০ বার ঘড়ির কাঁটার দিকে ও ১০ বার বিপরীত দিকে এ ম্যাসাজ করুন। চোখের দুই পাতার মাঝখানে তিনবার ম্যাসাজ করতে পারেন। ৩. মাথাটা স্থির রেখে চোখ দুটো বন্ধ করুন। এবার ধীরে ধীরে চোখের মণি দুটো একবার ওপরে ও একবার নিচে করুন। এভাবে করুন ১০ বার। চোখের আরামের জন্যে উপকার পাবেন। ৪. কাজের ফাঁকে খানিকটা সময় চোখ বন্ধ করে রাখুন। হাতে হাত ঘষে হাতের তালু কিছুটা গরম করে নিয়ে বন্ধ চোখের ওপর রাখুন। হাতের তালু এমনভাবে রাখবেন যাতে ভেতরে কোনো আলো না যেতে পারে। ২ মিনিট এভাবে চোখ বন্ধ রাখুন। দিনে বেশ কয়েকবার এভাবে করুন। এতে চোখের রক্ত সরবরাহ বাড়বে এবং চোখের পেশি সক্রিয় থাকবে। ৫. দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে থাকলে কিছুক্ষণ পর পর টানা দুই মিনিট চোখ পিটপিট করুন। এই ব্যায়াম আপনার চোখের রক্তসরবরাহ বাড়াতে সাহায্য করবে। কিছুক্ষণ পর পরই এই ব্যায়াম করলে সুফল পাবেন।

15-03-2018 02:12:13 pm

ত্বকে আঙ্গুর ব্যবহারের বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): ত্বকের জন্য আঙুর খুবই উপকারী। ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন—যা স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য দরকারি। সুস্বাদু এ ফলের আছে নানা খাদ্য ও ভেষজ গুণ। ত্বককে সুন্দর, সুস্থ এবং উজ্জ্বল করে যৌবন ধরে রাখতে আঙুরের জুড়ি মেলা ভার। কেননা বিভিন্ন রকম ত্বকের সমস্যা থেকে রক্ষা করে আঙুর। যেমন, সূর্যের তাপে ত্বকের উপরিভাগ কালো হয়ে যাওয়া বা সানবার্ন প্রতিরোধ করে, ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না ইত্যাদি। জেনে নিন কীভাবে ত্বকে আঙুর ব্যবহার করলে এই সমস্যাগুলো থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়। ১) সানবার্ন থেকে মুক্তি : কখনও কখনও সানবার্ন ত্বকের এতটাই ক্ষতি করে যে, ত্বক দেখতে খুবই খারাপ হয়ে যায়। অনেক নামী-দামী প্রসাধনী দ্রব্য ব্যবহার করেও বিশেষ উপকার পাওয়া যায় না। এই সানবার্নের হাত থেকে আশ্চর্য রকমের কাজ দেয় আঙুর। কয়েকটি আঙুর নিয়ে থেঁতলে মণ্ড করে নিন। এবার সেই মণ্ড সানবার্ন হওয়া জায়গায় ব্যবহার করুন। ৩০ মিনিট সেই মণ্ডটি লাগিয়ে রেখে দিন। তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২) ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া থেকে মুক্তি : পরিবেশে যে পরিমাণ দূষণ হচ্ছে, তাতে ত্বকে খুব তাড়াতাড়ি বয়সের ছাপ পড়ে যায়। শুধু দূষণের কারণেই নয়, হরমোন এবং অনিয়মিত ডায়েট এবং লাইফস্টাইলের জন্যেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া থেকে কীভাবে আঙুর ব্যবহার করবেন? দানাবিহীন আঙুরের মণ্ড তৈরি করুন। এবার মুখে ভালো করে সেই মণ্ড লাগান। ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

15-03-2018 02:03:47 pm

বেশি ঘুমে ডেকে আনতে পারে বিপদ

২১ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): ঘুম কম হলে শরীরে যেমন সমস্যা সৃষ্টি হয়, তেমনি বেশি ঘুম হলেও যে সুস্থ থাকবেন, এমনটা নয়। প্রতিদিন অন্তত ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমোনো প্রয়োজন। তার থেকে কম কিংবা বেশি ঘুম হলেই বিপদ হতে পারে। দেখা দিতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঘুম হলে সারাদিন ঝিমুনি কিংবা ক্লান্তি ভাব দেখা দিতে পারে। সম্প্রতি কোরিয়ান একদল চিকিৎসক অতিরিক্ত ঘুম নিয়ে বেশ কয়েকজন পুরুষ-নারীর উপর সমীক্ষা চালিয়েছিলেন। সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, বেশিমাত্রায় ঘুমোলে হৃদরোগেও বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হয়। বেশি ঘুমানোর ফলে ওজন মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে। ওই কোরিয়ান চিকিৎসকদের দাবি, বেশি ঘুমানোর ফলে ওজন ২৫ কেজি পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে! চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত ঘুমানো আসলে একটি রোগ। হাইপারসমনিয়া নামে এই রোগের ফলে ডায়াবেটিস, স্থূলতা, শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা হয়। অনেকে শোয়ার আগে ঘুমোনোর ওষুধ খান। এতেও ঘুম দীর্ঘায়িত হয়ে বিভিন্ন রকম শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে।

21-02-2018 03:04:42 pm

চুল বা ত্বকে ঘি নানান ভাবে উপকারি জেনে নিন

২১ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): গরম ভাতে এক চামচ ঘি। এরপর আর কিছু দরকার নেই। তবে ঘিয়ের যে কত উপকারিতা, সেটা অনেকেই জানেন না। ঘি যতটা খাবারের স্বাদ বাড়ায়, ততটাই উপকারী ত্বক এবং চুলের জন্যও। চুল বা ত্বকের উপকারিতার জন্য ঘি কীভাবে কাজে লাগে, সেটি তাহলে জেনে নিন আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে- ১) আমাদের সকলের অল্পবিস্তর ঠোঁট ফাটে। এই ঠোঁটকে আরও নরম এবং গোলাপি রাখতে ঘিয়ের জুড়ি মেলা ভার। অল্প একটু ঘি নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে হালকা হাতে ঘষুন। তারপর ম্যাজিক দেখুন। ২) ঠোঁটের মতো চুলের সৌন্দর্য বাড়াতেও ঘি দারুণ উপকারী। চুলকে আরও চকচকে এবং নরম রাখে ঘি। এক চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ২ চামচ ঘি নিয়ে চুল এবং স্কাল্পে ভালো করে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৩) চোখের নিচের কালি দূর করতে অনেক কিছুই করি আমরা। তাহলে এবার এক ফোঁটা ঘি নিয়ে চোখের চারপাশে ম্যাসেজ করুন। সারারাত রেখে সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৪) প্রত্যেকদিন স্কাল্পে ঘি ম্যাসেজ করলে মাথায় রক্ত চলাচল ভালো হয় এবং চুল বাড়তে সাহায্য করে। ৫) ত্বকের জন্যও দারুণ উপযোগী ঘি। দু'চামচ ঘি হালকা গরম করে ভালো করে তাতে অল্প পানি মেশান। তারপর সেই মিশ্রণ সারা গায়ে এবং মুখে মাখুন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

21-02-2018 02:59:01 pm

বয়স বারলেও চেহেরায় বয়সের ছাপ যাতে না পরে তার বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

৩ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): বয়স বাড়লেও, চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ুন এটা আমরা কেউই চাই না। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার জন্য বয়সের ছাপ পড়ে। কিন্তু এমন কিছু পদ্ধতি রয়েছে, যার মাধ্যমে ত্বকের এই সমস্ত সমস্যা দূর হয়ে যাবে এবং আপনার যে বয়স হয়েছে, তাও বোঝা যাবে না। ১) একসঙ্গে অলিভ অয়েল এবং মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ২) একটি স্প্রে বোতলে অর্ধেকটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার এবং অর্ধেকটা জল মিশিয়ে রাখুন। প্রত্যেকদিন সেই মিশ্রন মুখে স্প্রে করুন। ৩) ত্বকের জন্য দই খুবই উপকারী। অর্ধেক কাপ দই নিয়ে ভালো করে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। ৪) এক কাপ মেথি গুঁড়ো করে নিন। এবার জলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে মাখুন। সারা রাত রেখে দিন। সকালে ধুয়ে ফেলুন। ৫) একটা জায়গায় পাকা পেঁপে নিন। এবার সেই পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। ৬) গোলাপজল, মধু এবং গ্লিসারিন একসঙ্গে মিশিয়ে তুলো দিয়ে মুখে লাগান। প্রত্যেকদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন।

03-02-2018 02:00:42 pm

মেদহীন পেট পাওয়ার আসল রহস্য জেনে নিন

৩ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): মেদহীন পেট বহু মানুষের স্বপ্ন। কিন্তু মেদহীন পেট পাওয়ার জন্য যে পরিমান পরিশ্রম করতে হয়, তা অনেকের পক্ষেই অসম্ভব। শরীরের বাকি অঙ্গের মেদ কমানোর থেকে কঠিন পেটের মেদ কমানো। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, একটা জিনিস রয়েছে, যা সকালে ৮টার আগে খালি পেটে খেলে আপনি ঝরে যাবে আপনার পেটের মেদ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সারাদিনের সমস্ত খাবারের মধ্যে ব্রেকফাস্ট সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারা জানাচ্ছেন এমন একটি সুপারফুডের কথা, যা সকালে ৮টার আগে খেলে অনায়াসেই পেতে পারেন মেদহীন পেট। চিকিৎসকরা বলছেন, সকাল ৮টার আগে দুটো ডিম খান। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আধ চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে ডিম রান্না করুন। এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ডি, প্রোটিন, বায়োটিন রয়েছে। অনেকেরই মনে হতে পারে ডিমের কুসুম কি খাবেন নাকি খাবেন না। যাদের মনে এমন প্রশ্ন রয়েছে, তারা জেনে রাখুন, ২টা ডিমের কুসুম শরীরে কোনও ক্ষতি করবে না। অনায়াসেই খাওয়া যেতে পারে। তবে, যদি আপনার কোলেস্টেরলের সমস্যা থেকে থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

03-02-2018 01:39:56 pm

গোপন ঈর্ষাকাতর মানুষদের চিহ্নিত করার উপায়গুলি জেনে নিন

২৪ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): ব্যক্তিগত জীবন, ক্যারিয়ার, পেশা, পারিবার ও আত্মিক শান্তিতে আপনি একজন সফল মানুষ। যার ফলে ঈর্ষাণ্বিত কিছু চোখ আপনাকে ঘিরে রয়েছে। প্রকাশ্যে যারা আপনাকে ঈর্ষা করেন, তাদের আপনি সহজেই চিহ্নিত করতে পারেন। কিন্তু এমন বহু মানুষ রয়েছেন, যাদের ঈর্ষা গোপন। এদের সহজে আপনি চিহ্নিত করতে পারেন না। তবে কয়েকটি লক্ষণ দেখে চিহ্নিত করা যেতে পারে এই সব গোপন ঈর্ষাকাতর মানুষদের। তাহলে এক ঝলকে জেনে নিন কারা আপনাকে গোপনে ঈর্ষা করে- ১. লক্ষ রাখুন, কেউ আপনাকে অনুকরণ করছেন কি না। গোপনে ঈর্ষান্বিত ব্যক্তিদের এটা প্রাথমিক লক্ষণ। ২. খেয়াল রাখবেন, কেউ অযথা আপনার স্তুতি করছেন কিনা। বেশি তোষামোদকারী মানুষের মনে কিন্তু গোপন ঈর্ষা বাস করে। ৩. কেউ যদি আপনার কোনও সাফল্যকে ছোট করে দেখেন, জানবেন, তিনি আপনার প্রতি ঈর্ষাকাতর। ৪. সর্বদা আপনার খুঁত ধরেন, এমন লোক থেকে সাবধান। এরা কিন্তু আপনার প্রতি গোপনে হিংসার জাল বুনে চলেছেন। ৫. খেয়াল রাখবেন, আপনার পিছনে কেউ কোনও গুজব রটাচ্ছেন কি না। যদি রটে, তা হলে সেই গুজব ছড়ানো ব্যক্তিকে খুঁজে বের করুন। জানবেন, তিনি কোনও গোপন ঈর্ষা থেকেই এই কাণ্ড ঘটাচ্ছেন। ৬. কেউ আপনাকে অযাচিত উপদেশ দিলে মনে করবেন সেই ব্যক্তি গোপন ঈর্ষাকারী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

24-01-2018 02:09:47 pm

ভোরে ঘুম থেকে ওঠার উপায় জেনে নিন

২৪ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিরা বেলা করে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিদের তুলানায় বেশি সফল বলে এক গবেষনায় দেখা গেছে। কারণ, সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠতে পারলে কাজ এবং অবসর দুটোর জন্যই অনেক বেশি সময় পাওয়া যায়। কিন্তু লাগামছাড়া ঘুমটাকে যেন কিছুতেই বশ মানানো যায় না। হ্যাঁ, অসংখ্য পরিশ্রমী মানুষ এই সমস্যাতেই ভুগছেন। তবে এই সমস্যা সমাধানের কিছু সহজ উপায় আছে যার মাধ্যমে দেখতে পাবেন ভোরের আলো আর জীবনে পাবেন সাফল্য। আসুন জেনে নেই, সকালে ঘুম থেকে ওঠার উপায়। ১. ঘুমকে প্রাধান্য দিন : যেকোনো অজুহাতের কারণে রাতে ঘুমাতে যেতে দেরি হয় আপনার। কিন্তু চেষ্টা করুন প্রতিদিন রাতে তাড়াতাড়ি ও একই সময়ে ঘুমানোর এবং জেগে ওঠার। ২. প্রথমে একটি পদক্ষেপ নিন : আপনার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সময় নির্ধারণ করুন এবং ছোট ছোট পদক্ষেপ নিন। প্রথম দিন আপনার নিয়মিত ঘুমানোর সময়ের চেয়ে ১৫ মিনিট পূর্বে ঘুমাতে যান এবং ১৫ মিনিট আগে ঘুম থেকে জেগে উঠোন। পরদিন ৩০ মিনিট আগে ঘুমান। এভাবে আস্তে আস্তে সময় বাড়াতে পারেন। ৩. দুপুরের তন্দ্রাকে এড়িয়ে চলুন : যদি ডাক্তারের পরামর্শ না থাকে তাহলে দুপুরে ঘুমাবেন না। কারণ দুপুরের ঘুমের কারণেই রাতে দেরিতে ঘুম আসে এবং সকালে ওঠতেও দেরি হয়। তাই দুপুরের ঘুমকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য দুপুরে কাজ করুন বা শখের কাজের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করুন। ৪. চক্রটিকে ভাঙ্গুন : আপনি দেরিতে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে দেরিতে ওঠেন– আপনার এই ঘুম চক্রটি থেকে বের হওয়া প্রয়োজন। এর জন্য জোর করে হলেও একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে জেগে উঠুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১ গ্লাস উষ্ণ দুধ পান করুন, ব্যায়াম করুন। এ কাজগুলো আপানাকে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে সাহায্য করবে। ৫. কফি খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করুন : দুপুরের পর বা বিকাল থেকে ক্যাফেইন খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনবেন। এক গবেষণায় বলা হয়, ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন খেলে ৬ ঘণ্টা পর তা ঘুমের সমস্যা করে। স্বাভাবিক আকারের এক কাপ কফিতেই এ পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে। বিকাল ৫টার আগে থেকেই কফি খাওয়া বন্ধ করা উচিত। ৬. সঠিক পরিবেশ তৈরি করুন : রাতে ঘুমানোর পূর্বে ক্যামোমিল বা ল্যাভেন্ডার এর চা পান করুন বা বই পড়ুন যা আপনাকে শান্ত করতে সাহায্য করবে। প্রতিরাতে এর পুনরাবৃত্তি করুন। সময়ের সাথে সাথে আপনার শরীর এই নিয়মের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে এবং আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কখন আপনার বই বন্ধ করা উচিৎ এবং আপনার ঘুমও চলে আসবে। আপনার ঘরের পরিবেশ ও ঘুম আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনার শোয়ার ঘরটি পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকে তাহলে আপনার মন শিথিল থাকবে এবং দ্রুত ঘুম চলে আসবে। ৭. সকালের কাজ ঠিক করুন : সকালে করতে হবে এমন কিছু কাজের তালিকা করুন। এর ফলে আপনার ঘুম থেকে ওঠার প্রেরণা তৈরি হবে। ৮. দয়িত্ব দিয়ে দিন : সকালে ঘুম থেকে ওঠাতে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে দায়িত্ব দিন। অনেকে অ্যালার্ম ঘড়ির শব্দেও উঠতে পারেন না। কিংবা অ্যালার্ম বন্ধ করে আবারো ঘুমিয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে বাড়ির কোনো সদস্য আপনাকে উঠতে বাধ্য করবেন। ৯. ধৈর্য ধরুন : একবার ব্যর্থ হলেই চিন্তিত হবেন না। চেষ্টাই হবে আপনার কৌশল। আপনার শরীর হয়তো নির্দিষ্ট ঘুমের ধরনের প্রতি অভ্যস্ত হয়ে গেছে, নতুন অভ্যাস তৈরি করতে কিছুটা সময়তো লাগবেই। তাই আপনার শরীরকে নতুন অভ্যাস আয়ত্তে নিতে সময় দিন। প্রথম দিনই হয়তো আপনি ব্যর্থ হবেন, কিন্তু সপ্তাহ শেষে দেখবেন যে নতুন এই অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেছে আপনার শরীর।

24-01-2018 02:02:55 pm

মন ভাল রাখতে বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

১৩ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): মন খারাপ করে রাখতে কেউই চায় না। সবাই চায় মনটাকে ফুরফুরে রাখতে। কিন্তু যান্ত্রিক এই জীবনে প্রাণ খুলে হাসার সময়টাও আমাদের নেই। তার ওপর আবার কাজের চাপ। ফলে বড়ছে স্ট্রেস, মানসিক অবসাদ। কিন্তু ভালো তো থাকতেই হবে। এক্ষেত্রে মন ভালো করার কিছু সহজ উপায় আছে । ১. মন ভাল রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম একান্ত দরকার। খাবারের সময় বদল করবেন না। আর প্রতিদন অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি। ঘুম আর খাওয়া ঠিক থাকলে আপনার মন এমনিই ভাল থাকবে। ২. নিজের মনে ইচ্ছেকে কখনও মনে চেপে রাখবেন না। মন যা চায় তাই করুন, দেখবেন তাতে আপনার আত্মবিশ্বাস অনেকটা বাড়বে। ৩. নিজের জীবদ্দশায় ঠিক কি কি করতে চান তার একটা লিস্ট তৈরি করুন। এতে আপনার লক্ষ্য স্থির হবে। মনসংযোগ বাড়বে এবং আপনি নিজেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী বলে মনে করবেন। ৪. মন ভাল রাখতে চাইলে হাসি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উপায়। তাই প্রাণ খুলে হাসুন। হাসি মস্তিষ্কে এন্ডরফিনের মাত্রা বাড়ায় যা মানসিক শান্তি প্রদান করে। ৫. সপ্তাহে একদিন এমন জায়গায় ঘুরে আসুন যেখানে শান্তি আছে, বা মানুষের ভিড় অনেক কম। এতে মনে প্রশান্তির সৃষ্টি হয়। তবে তাই বলে একেবারে শহর ছেড়ে অন্য কোথাও পাড়ি দিতে হবে তা নয়, নিজের শহরেই একটা শান্ত পরিবেশ খুঁজে নিতেই পারেন। ৬. নিজের ভাবনা চিন্তাকে আগে আপনাকে নিজেকেই সম্মান জানাতে হবে। দু নৌকায় পা রেখে চলা যায় না। তাই যা করবেন মনে মনে স্থির করে নিন।

13-01-2018 12:22:40 pm

শীতকাল ফাটা গোড়ালির সমস্যা সমাধানের উপায় জেনে নিন

১৩ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): শীতকাল আসলেই ত্বকের বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করলে ত্বক ফাটতে পারে। শীতকালে ঠোঁট ফাটলে আমরা বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার করে থাকি। তেমনই ফাটা গোড়ালির সমস্যায়ও বহু মানুষ জর্জরিত হয়ে থাকেন এই সময়ে। বহু ওষুধ ব্যবহার করেও ফাটা গোড়ালির সমস্যা থেকে মুক্তি পান না। তাহলে জেনে নিন ঘরোয়া কোন কোন উপায়ে ফাটা গোড়ালির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন- ল্যাভেন্ডার ফুট ক্রিম প্রথমে মাখন এবং নারকেল তেল নিন। এবার চুলা জ্বালিয়ে দু'টিকে গলে যেতে দিন। গলে গেলে তাতে ল্যাভেন্ডার তেল মেশান। মিশ্রণটিকে ঠান্ডা করে জারে ভরে রাখুন। প্রত্যেকদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। তারপর মোজা পরে ফেলুন। পিপারমেন্ট ফুট ক্রিম প্রথমে মাখন, নারকেল তেল এবং অলিভ অয়েল নিন। প্যান গরম হলে আঁচ কমিয়ে উপকরণগুলিকে গলে যেতে দিন। গলে গেলে আঁচ বন্ধ করে পিপারমেন্ট অয়েল মেশান। এবার মিশ্রনটিকে ঠান্ডা করে জারে ভরে রাখুন। প্রত্যেকদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। তারপর মোজা পরে ফেলুন। জিঞ্জার-লেমন অয়েল ফুট ক্রিম একটি প্যানে নারকেল তেল, মোম, নারকেলের মাখন নিন। হালকা আঁচে উপকরণগুলি গরম করে আমন্ডের তেল মেশান। একইরকমভাবে উপকরণগুলি গলে গেলে একটি জারে ভরে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। তারপর মোজা পরে ফেলুন। মিল্ক অ্যান্ড হানি ফুট ক্রিম একটি প্যানে দুধ এবং মধু নিয়ে অল্প আঁচে গরম করুন। এবার তাতে অরেঞ্জ জুস মেশান। ঠান্ডা করে জারে ভরে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগান। ৪০ মিনিট রেখে হালকা গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। টি ট্রি ফুট ক্রিম কোকোয়া বাটার, অলিভ অয়েল এবং মোম নিয়ে একটি প্যানে গলতে দিন। এবার আঁচ বন্ধ করে তাতে টি ট্রি অয়েল মেশান। স্নান করার পর এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোড়ালিতে লাগান। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে কাজুতে রয়েছে ওলিসিক নামে এক ধরনের মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বাজে কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে দারুন কাজে আসে। তাই তো নিয়মিত এই বাদমটি খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় কপার হল সেই খনিজ, যা চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর পাশাপাশি চুলের গোড়াকে শক্তপোক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কাজুতে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন কিভাবে কাজু চুলের সৌন্দর্য বাড়িয়ে থাকে। তবে এখানেই শেষ নয়, কাজু বাদামে থাকা কপার শরীরের অন্দরে এমন কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা চুলের কালো রংকে ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে আমাদের দেশে যে হারে সুগার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বাদাম খাওয়ার প্রয়োজন বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে- প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ এই খাবারটি নিয়মিত খেলে রক্তে সুগারের মাত্র নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে শরীরর কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

13-01-2018 12:14:22 pm

শীতকালে পার্লারে না যাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

৯ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): শীতকাল মানেই শুষ্ক ত্বক। শুধু ত্বক নয়, স্ক্যালপেও আর্দ্রতা কমে যায় এই সময়। তাই শুষ্ক স্ক্যাল্পের জন্য চুলও শুষ্ক থাকে। সঙ্গে ফাংগাল ইনফেকশন হওয়ারও প্রবল সম্ভাবনা থাকে। এই ধরনের সমস্যা এড়ানোর জন্য অনেকেই কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করেন বিভিন্ন বিউটি পার্লার থেকে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা কেমিক্যাল ব্যবহার করতে না করছেন। তাদের বক্তব্য, নিত্য দিনের সামগ্রী দিয়েই সম্ভব এই সমস্যার সমাধান। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বন্দনা পঞ্জাবি এবং পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ফারাহ আফরিনের মতে, কেমিক্যাল ট্রিটমেন্টে চুলের ক্ষতিই হয়। সাময়িক সৌন্দর্য্য বাড়লেও, তা স্থায়ী হয় না। তাই তারা কয়েকটি সহজ উপায় ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন। ভালো করে মাথায় নারকেল তেল মাখুন। তার পরে আধ ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন। সালফেট ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। স্ক্যাল্পে বেশি জোরে শ্যাম্পু দিয়ে ঘষবেন না। এতে স্ক্যাল্প আরও শুষ্ক হয়ে যায়। এই সময়ে একেবারেই চুলে রং করা বা স্ট্রেট করা বা স্মুদনিং করবেন না। শুধু শুষ্ক স্ক্যাল্প নয়, খুশকি ও চুল পড়ার সমস্যাতেও ভুগতে পারেন। ডায়েট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ওমেগা-৩ সমৃ্দ্ধ খাবার খান। যেমন আখরোট, আমন্ড। এছাড়াও ডিম, তেলযুক্ত মাছ, মাংস, চিজ, ফল ইত্যাদি প্রোটিন-যুক্ত খাবার খান। দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খেলে চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে। তাই ডায়েটে যেন অবশ্যই এই ধরনের খাবার থাকে। দেহে ঠিক ভাবে রক্ত সঞ্চালন হওয়া খুব প্রয়োজন। আর তার জন্য অবশ্যই বেশি করে পানি খাওয়া দরকার। শীতকালে হাইড্রেটেড থাকলে স্ক্যাল্পেও আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

09-01-2018 02:05:39 pm

শীতে ত্বকের যত্ন নেওয়ার বিভিন্ন উপায়

৯ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): শৈত্যপ্রবাহ আর ঘন কুয়াশায় উত্তরাঞ্চলসহ দেশব্যাপী শীতে জবুথবু হয়ে পড়েছে জনজীবন। হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডায় ত্বক হয়ে যাচ্ছে মলিন। তাই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সহজ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলেই ত্বক এবং চুল উজ্জ্বল, মসৃণ রাখা যায়। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক শীতের রাতে ত্বকের যত্ন খুব সহজে কি করে করবেন। ত্বক পরিষ্কার করা : শীতের রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই ত্বক পরিষ্কার করে ঘুমাতে যাওয়া উচিত, না হলে ত্বকে ব্রণের উপদ্রব দেখা দেয়। ত্বক পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে অলিভ অয়েল বা বেবি অয়েল দিয়ে মুখ ভালো করে ম্যাসাজ করে নিন। এরপর হালকা গরম পানিতে কাপড় ভিজিয়ে মুখটা মুছে ফেলুন। সবশেষে ভালো কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ময়শ্চারাইজ করা : প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মুখ ধোয়ার পরে অবশ্যই ত্বককে ময়শ্চারাইজ করা জরুরি। ময়শ্চারাইজার হিসেবে ভালো কোনো ময়শ্চারাইজার বা নাইট ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া ব্যবহার করতে পারেন অলিভ ওয়েল। ময়েশ্চারাইজার পুরো মুখে ভালো করে ম্যাসাজ করে ঘুমিয়ে পড়ুন। সকালে ত্বক হয়ে উঠবে প্রাণবন্ত। ফেস প্যাক : শীতে ত্বকের যত্নের জন্য জেনে নিন দুটি ফেস প্যাক বানানোর পদ্ধতি- ১. এক টুকরা পাউরুটি দুধে ভিজিয়ে নরম করে এর সঙ্গে খানিকটা পাকা কলা চটকে মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। এরপর চন্দন গুঁড়া মিশিয়ে ওই মিশ্রণটি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে শুষ্ক ত্বক মোলায়েম হয়ে ওঠে। ২. পাকা কলা, পাকা পেপে ও ময়দা একসঙ্গে পেস্ট তৈরি করে নিন। এরপর পেস্টটি ১০/১৫ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল ও মসৃণ।

09-01-2018 01:54:42 pm

সর্দিতে ঘন ঘন নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্যর সমাধান জেনে নিন

১৯ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): শীতকালের শীতল বাতাস বইতে শুরু করেছে। আর সেই সাথে কুয়াশা ও ধুলোয় দেখা দিচ্ছে ঠাণ্ডাজনিত অসুখ। শীতকালে দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে মানুষের শরীরে ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাসের আধিক্যও বেড়ে যেতে থাকে। ফলে ঠাণ্ডা লাগা, কাশি এবং ইনফ্লুয়েঞ্জার মত রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন অনেকেই। কারো কারো আবার সর্দিতে ঘন ঘন নাক বন্ধ হয়ে যাওয়ার সমস্য আছে। সেই সাথে জিভের স্বাদটাও চলে যায়। তবে এই সমস্যার সমাধান আছে। ঘরে বসে নিজেই আপনি এ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। তবে আর দেরি না করে চলুন জেনে নেই কীভাবে- ১. গরম জলের ভাপ নিন। দিনে কয়েকবার ভাপ নিলে সর্দিতে আরাম মিলবে, পাশাপাশি মাথার ভোঁতা ভাবটা কেটে যাবে। ২. কুসুম গরম জলে স্নান করুন। ৩. আদা চা বা গরম স্যুপ খেতে পারেন। আদা চা খেলে গলা ব্যথা থাকলে সেটা সেরে যাবে। স্যুপ খেলে শরীর গরম থাকবে। ৪. সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে ২/৩টা বালিশে মাথা রেখে ঘুমান। কিছুটা হলেও ভালো লাগবে। ৫. বাসায় থাকার চেষ্টা করুন। যদি একান্তই বাইরে যেতেই হয় তাহলে নাক ঢেকে রাখেন। নাকে সরাসরি ঠাণ্ডা না লাগলে অসুস্থতা বাড়বে না।

19-12-2017 12:50:28 pm

শীতকালে শরীর যত্নের বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

১৯ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): অনেকের কাছেই শীত বেশ অস্বস্তিরও বটে। পা থেকে মাথা পর্যন্ত নিয়ে ভাবিয়ে তোলে এই ঋতু। এইসময় হাত-পায়ের ত্বক যেমন খুব শুষ্ক হতে থাকে, তেমনই মাথার স্ক্যাল্প শুষ্ক হয়ে যায়। কেউ নাজেহাল ফাটা গোড়ালির সমস্যায়, কেউ বা আবার খুসকিতে কাবু। তাই ঠিক মতো যত্ন না নিলে এই দুই সমস্যায় দুর্ভোগ পোহাতে পারে অনেক। পায়ের সমস্যা : শীতকালে পায়ের ত্বকও খুব শুষ্ক হয়। যারা ঠিক মতো পায়ের যত্ন করেন না, তাদের এই সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। গোড়ালির চামড়া রুক্ষ ও খড়খড়ে হতে থাকে, মোটা চামড়া ফাটে। এই পা ফাটার সমস্যা দীর্ঘ সময় থাকলে, এটি ত্বকের সমস্যার লক্ষণও হতে পারে। একজিমা, সোরিয়াসিস জাতীয় ত্বকের সমস্যা থেকে খুব বেশি মাত্রায় পা ফাটে। সুন্দর পায়ের জন্য : এই সমস্যা খুব বেড়ে গেলে তা থেকে রক্তপাত ও খুব ব্যথা হয়। বাড়াবাড়ি হলে হয় ইনফেকশন। চিকিৎসকের কথায়, ক্লিন্সিং, স্ক্রাবিং অ্যান্ড ময়েশ্চারাইজিং- এই পদ্ধতিতে পায়ের পরিচর্চা অত্যন্ত জরুরি। গরম পানিতে ভাল করে পা পরিষ্কার করতে হবে। স্ক্রাব করতে পিউমিস স্টোন (Pumice Stone) ব্যবহার করে গোড়ালি পরিষ্কার রাখুন। তার পর ভাল ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগান। মোজা ও চটি পরে থাকুন। তাও সমস্যা নিয়ন্ত্রণে না এলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। মাথার ভিলেন খুসকি : শীতকালে মাথার স্ক্যাল্পও শুষ্ক হয়, মাথায় ধুলো জমে খুব বেশি। ফলে খুসকির সমস্যা বাড়ে। ঠান্ডায় খুব কম শ্যাম্পু করার জন্য স্ক্যাল্প খুব বেশি তেলতেল হতে থাকে। যার ফলেও খুসকির মাত্রা বৃদ্ধি পায়। মাথার ত্বক খুব চুলকাতে থাকে। চুলের যত্ন নিন : খুসকির সমস্যায় সপ্তাহে অন্তত তিনদিন শ্যাম্পু করুন। বাজার চলতি অ্যান্টি ড্যানড্র‌াফ শ্যাম্পু ব্যবহার করলে ক্ষতিই বেশি। চিকিৎসকের পরমার্শ মতো ক্ল্যাল্প লোশন ও মেডিকেটেড শ্যাম্পু ব্যবহার করলে খুসকি নিয়ন্ত্রণে আসে সহজে। সমস্যার সমাধান না করলে স্ক্যাল্প ও চুলের মারাত্মক ক্ষতি।

19-12-2017 12:41:35 pm

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং চুল পড়া রোধ পালংশাকের উপকারিতা জেনে নিন

১৪ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): শীতকালে শাক-সবজি বাজারে এসে গেছে। আর শীতের শাকের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পালং শাক। এটি যেমন খেতে ভালো, তেমনি কাজেও দারুণ। পালং শাক খাওয়ার রয়েছে নানান উপকারিতা। চলুন তাহলে জেনে নিই সেগুলো- পালংশাকে যেমন প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘কে’, ‘এ’, ‘সি’, ‘বি২’ ও ফলিক অ্যাসিড থাকে, তেমনি ম্যাংগানিজ, ম্যাগনেসিয়াম ও আয়রনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। প্রতি ১০০ গ্রাম পালংশাকে ২৩ ক্যালরি, ৩ গ্রাম আমিষ, ৪ গ্রাম শর্করা ও ২ গ্রাম আঁশ থাকে, তবে কোনো চর্বি নেই। পালংশাকে প্রচুর জল থাকে। দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনে পালংশাক। রক্তের গুণাগুণ বাড়ায়। পালংশাকের আয়রন লাল রক্ত কণিকা গঠনে সাহায্য করে, যা সারা দেহে অক্সিজেন সরবরাহ করে শরীরে শক্তি ফিরিয়ে আনে। পালংশাকের চেয়ে বেশি ভিটামিন ‘কে’ সমৃদ্ধ শাক খুঁজে পাওয়া কঠিন। হাড় সুরক্ষায় এই ভিটামিন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। অকাল অন্ধত্ব এবং রাতকানা রোধে পালংশাকের ভিটামিন ‘এ’ খুব কাজে দেয়। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং চুল পড়া রোধ করতেও পালংশাক কার্যকরী। ক্যানসার প্রতিরোধক ও প্রতিষেধক হিসেবে পালংশাক অপরিহার্য। আঁশসমৃদ্ধ খাবার হওয়ায় পালংশাক কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। চিনি না থাকায় ডায়াবেটিক রোগীরা নিশ্চিন্তে পালংশাক খেতে পারেন। সতর্কতা: পালংশাকে প্রচুর অক্সালেট থাকে। কিডনির পাথরে অক্সালেট পাওয়া গেছে এমন কেউ বেশি পরিমাণে পালংশাক খাবেন না, পরিহার করাই ভালো। এতে অক্সালিক অ্যাসিডের পরিমাণও বেশি। বেশি অক্সালিক অ্যাসিড ক্যালসিয়ামের মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান শুষে নেয়। হালকা রান্না করলে এই অ্যাসিডের পরিমাণ কমে যায় বলে ধারণা করা হয়।

14-12-2017 11:40:02 am

মন ভালো রাখার কিছু উপায় জেনে নিন

৫ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): দেহের সুস্থতা থেকে মনের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। কারণ আমাদের মনই যে কোনো ব্যাপারে প্রথমে সাড়া দেয়। আর তাই শুধু শারীরিক সুস্থতা ও কায়িক পরিশ্রম দিয়েই একজন মানুষ সব সময় ভালো থাকতে পারে না। মন ভালো রাখার কিছু উপায় জেনে নিন- ক্ষমা : ধরুন আপনার সঙ্গে একজনের খারাপ সম্পর্ক আছে। আপনার মনের মধ্যে তার ছবি কল্পনা করে এবং আপনার উচ্চ সত্তা থেকে ভালোবাসার শক্তি নামিয়ে এনে বার বার বলুন, তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। একপর্যায়ে আপনি মনে মনে চিন্তা করতে থাকুন যে এ সমস্যাটা ঠিক হয়ে গেছে এবং আপনি লোকটিকে ক্ষমা করতে পেরেছেন। দ্বিতীয়বার যখন আপনি এটি করতে যাবেন দেখবেন আপনার মধ্যে লোকটির প্রতি একটু হলেও ভালোবাসা এসেছে। আর যদি ভালোবাসা নাও আসে তবে আবার আপনি একইভাবে এটি করতে থাকুন। একসময় দেখবেন সত্যিই আপনি তাকে ক্ষমা করতে পেরেছেন। যে কোনো বিষয়ে আপনি এ পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। স্থির হওয়ার ব্যায়াম : একটি চেয়ারে বসুন এবং পা দুটি মেঝেতে রাখুন। চোখ বন্ধ করুন ও মনে মনে চিন্তা করুন যেন আপনার মেরুদণ্ডের শেষ প্রান্তে, যোগের ভাষায় যাকে কু-লী বলে, সেখানে একটি বৈদ্যুতিক তার লাগানো রয়েছে। এ তার আপনার মাথার ওপরের শান্ত সাগরের মতো পৃথিবীর ঠিক মাঝখান থেকে ঝরনাধারার মতো নেমে এসেছে। এটি আপনার দেহে ঢুকে সব বর্জ্য পদার্থ ও খারাপ কিছু চুষে নিচ্ছে। আপনি নিজেকে খুব হালকা বোধ করছেন। প্রথম প্রথম এটি করতে শান্ত জায়গার প্রয়োজন হবে। পরে, আপনি এটি আয়ত্ত করতে পারলে যে কোনো স্থানে বা জায়গায় যেমন অফিসে, রাস্তায়, লোকালয়ে করতে পারবেন। মন শান্ত রাখার জন্য এটি একটি মহৌষধ। এর উপকারিতা আপনি প্রতি মুহূর্তে বুঝতে পারবেন। শান্ত থাকার যোগ : আমরা বেশির ভাগ সময় আমাদের নিজেদের কামনা-বাসনা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ি। সব সময় আমাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা কাজ করে- 'আমার কী হবে? আমি এটি পাব কি পাব না? এটি পেতে আমার কী করা উচিত বা অনুচিত?' কিন্তু এটা না করে স্থির থাকুন। নিজেকে আট বছরের বালক বা বালিকা ভাবুন। নিজের দোষ-গুণ সম্পর্কে নিজেকে নিরপেক্ষ কিন্তু নরমভাবে প্রশ্ন করুন। নীরবতাকে মনের মধ্যে আহ্বান করুন এবং বলতে থাকুন- 'নীরবতা এসো', 'শান্ত হও'। একটু পরেই দেখবেন আপনার মন শান্ত হয়ে গেছে। যখনই অশান্ত হয়ে পড়বেন তখনই এটি করতে থাকবেন। তিন চক্রকে সক্রিয় রাখা : বিশুদ্ধ চক্র, অনাহত চক্র ও মণিপুর চক্রের মধ্যে দিব্য আলো, আনন্দ, চেতনা খেলা করতে থাকে। তাই এ চক্রগুলো সক্রিয় রাখা খুব জরুরি। কণ্ঠ, হৃদয় ও প্লিহার ওপরে চাপড়াতে থাকুন। এতে এ চক্রগুলো সক্রিয় হবে। দিনে দুই মিনিট করে আপনি এটি করতে থাকুন। স্নায়ু উত্তেজক ব্যায়াম : জড়তা কোনো ভালো বিষয় নয়। একে যোগের ভাষায় 'তামসিক ভাব' বলা হয়ে থাকে। স্নায়ু উত্তেজিত ও জড়তা দূর করতে আপনি বিভিন্ন যোগব্যায়াম করতে পারেন। যেমন আপনার এক হাতের তালুর একটু ওপরে অন্য হাতের বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিন। আস্তে আস্তে আঙ্গুলগুলো বুড়ো আঙ্গুলের দিকে নামিয়ে আনুন। পনের বার এটা করুন। এতে আপনার জড়তা দূর হবে। কুকুর অথবা বিড়াল পোষা : বেশির ভাগ মানুষ স্বার্থপর হয়ে থাকে। আবার অনেকের মধ্যে পশুবৃত্তি আছে। প্রাণীদের আচার-আচরণ সংক্রামক। কুকুর প্রভুভক্ত। এদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, শিশুসুলভ আচরণ, খেলাপ্রিয়তা ও অল্পে তুষ্ট থাকার প্রবণতা আপনার মধ্যেও সংক্রামক রোগের মতো প্রবাহিত হয়ে থাকে। তাই স্বার্থপর মানুষকে সঙ্গ না দিয়ে প্রাণীদের সঙ্গ দেওয়া অনেক ভালো। সাগরের জলেতে সাঁতার : আমাদের সম্পূর্ণ দেহের ওপর একটি বলয় আছে যাকে 'সূক্ষ্ম দেহ' বলে। এ সূক্ষ্ম দেহ অলৌকিক আভা দিয়ে তৈরি, যা আমাদের দৈহিক ও আত্দিক সুস্থতা প্রকাশ করে থাকে। আমাদের দেহকে এ অলৌকিক আভা প্রকাশের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আর তাই প্রতিদিন ভোরে সাগরের জলেতে স্নান করতে হবে। কারণ লবণাক্ত জলকে প্রাকৃতিক পরিষ্কারক বলা হয়। দেহের অতিরিক্ত বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে ও দেহে মিনারেলের সমতা আনতে লবণের গুরুত্ব অপরিসীম। দেহ পরিষ্কার না থাকলে রোগ দেহে বাসা বাঁধবে এবং জীবনটাকে বোঝা ও বিরক্তিকর মনে হবে। রংতুলি ব্যবহার : শিশু মানেই নিষ্পাপ ও পবিত্র কিছু। শিশুদের মতো রংপেনসিল নিয়ে আঁকতে শুরু করুন। চোখ বন্ধ রেখে কিছুক্ষণ ধ্যান করে মন শান্ত করুন। এরপর আপনার মস্তিষ্ক সচল করার জন্য কাগজের ওপর একটি বৃত্ত আঁকুন এবং একে আট ভাগে ভাগ করুন। এ আট ভাগে আপনার ইচ্ছামতো রং দিয়ে বৃত্তটি পূরণ করুন। ছবি আঁকার পদ্ধতি সম্পর্কে আপনি জানুন বা না জানুন এসব নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না। গাছ লাগানো: গাছ লাগানো খুব ভালো একটা অভ্যাস। বাগান করা মনের খোরাক জোগায়। গাছ লাগানো ও পরিচর্যা আপনাকে প্রকৃতির কাছে নিয়ে যাবে, প্রকৃতিপ্রেমিক করে তুলবে, প্রকৃতির মতো উদার হতে সাহায্য করবে। বাড়িতে করা বাগান থেকে আপনি সতেজ বাতাস পাবেন। তা ছাড়া আপনি রান্নার জন্য তাজা সবজি পাবেন। এ ছাড়াও মনোবিজ্ঞানীরা সবাইকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট প্রাণ খুলে হাসার পরামর্শ দিয়েছেন। আরও কিছু উপায়ে হয়তো আপনি আনন্দে থাকতে পারেন। যেমন শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত সপ্তাহের একটি দিন বা একটি ঘণ্টা প্রিয়জনের সঙ্গে কাটান। তাদের নিয়ে বেড়াতে যান কোনো পছন্দের জায়গায়।

05-12-2017 02:30:17 pm

বাচ্চা শূন্যে ছুড়ে আদর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণও হতে পারে

৪ ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): আমাদের ভেতর অনেকেই বাচ্চাকে শূন্যে ছুড়ে আদর করি। অনেক সময় শিশুকে শূন্যে তুলে ঝাঁকাতেও দেখা যায়। এমনটি যদি আপনিও করে থাকেন, তাহলে এখনই সাবধান হয়ে যান। মারাত্মক বিপদ ঘটে যেতে পারে। এর কারণে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে কোমায় চলে যেতে পারে শিশু। এমনকি তার মৃত্যুও পর্যন্ত হতে পারে। আদরের শিশু সন্তানটিকে ঘুম পাড়ানো হোক বা আদর। কান্না থামানো হোক বা তার দুষ্টুমিকে বাগে আনা। দুরন্ত বাচ্চাকে সামলানো আসলেই একটি চ্যালেঞ্জ। মায়ের কোলে দুরন্ত শিশু শান্ত হয় ঠিকই। কিন্তু অন্য সময় আনন্দে-আহ্লাদে আটখানা হয়ে অনেকেই আদরের আতিশয্যে বাচ্চাকে শূন্যে ছুড়ে আদর করেন বা কান্না থামাতে শিশুকে শূন্যে তুলে ঝাঁকান। আর এর ফলেই তৈরি হতে পারে ভয়াবহ বিপদ। আদর করুন। অনেক ভালবাসুন। যত্নে ভরিয়ে রাখুন শিশুকে। কিন্তু শূন্যে তুলে ঝাঁকানো বন্ধ করুন। সম্প্রতি এক মার্কিন গবেষণায় উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। ৮০ শতাংশ চিকিৎসকের দাবি, ৩ বছরের ছোট শিশুকে ঝাঁকানো হলে শিশুর মস্তিষ্ক থেকে রক্ত বেরোতে পারে। একে সাবডুরাল হেমাটোমা বলে। ৯০ শতাংশ চিকিতসকের মত, শিশুর মারাত্মক রেটিনাল রক্তক্ষরণও হতে পারে। ৭৮ শতাংশ চিকিৎসকের দাবি, এর ফলে শিশুটি কোমায় চলে যেতে পারে। এমনকী মৃত্যুও হতে পারে। শিশুকে ঝাঁকানো হলে বারবার মস্তিষ্ক খুলির গায়ে ধাক্কা খায়। মস্তিষ্ক ও খুলির মাঝে ছোট ছোট রক্তনালি ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলে, রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে যেতে পারে। রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। সেই অংশ ফুলে যেতে পারে। যেহেতু শিশুর ঘাড় সংবেদনশীল হয়, ঝাঁকানোর ফলে পেশি ছিঁড়ে যেতে পারে। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে স্পাইনাল কর্ড। ব্রেনে মারাত্মক ইনজুরি হলে শিশু পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে। অন্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনকী অন্ধ-বধির হয়ে যেতে পারে শিশু।

04-12-2017 03:26:10 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.