• মামার বাড়িতে এসে জলে তলিয়ে গেল এক শিশু
  • আজ মহাষষ্টি, দেবীর অধিবাস
  • পুজোতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা রাজধানী আগরতলায়
  • রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত শান্তিবাজারে
  • গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ
  • ম্যালেরিয়ায় মারণ থাবায় এক শিশুর মৃত্যু
  • নর্থ ইস্ট ফিনান্স ব্যাঙ্কের মহিলা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে ১৭ লক্ষ টাকা গায়েবের অভিযোগ
  • চতুর্থীতেই জনজুয়ারে ভাসল আগরতলা
  • আধুনিকতার সাথে প্রযুক্তির সংমিশ্রণ হলে ত্রিপুরাকে মডেল রাজ্য হিসাবে গড়ে তুলতে পারবো: মুখ্যমন্ত্রী
  • রেলস্টেশন থেকে গাঁজা উদ্ধার
  • দুর্গাপূজা উপলক্ষে নতুন সাজে উঠেছে দুর্গাবাড়ি
  • জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের অভিযোগে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা
  • বগাফা ব্লকের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৭ প্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান
  • আগরতলা ১৪ অক্টোবর (এ.এন.ই ): শনিবার বগাফা ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতি হল রুমে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে নির্বাচিত ৭ জন প্রতিনিধিদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে, শপথ বাক্য পাঠ করান জেলা পঞ্চায়েত অফিসার কমিসনার কলই। জানা গেছে, বগাফা ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন দেবাশীষ মজুমদার এবং ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে ত্রিকেন্দ্র ত্রিপুরা নির্বাচিত হয়েছেন। জানা গেছে, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাব্রুমের বিধায়ক শংকর রায়, বগাফা ব্লকের বিডিও প্রদীপ সরকার, জেলা পঞ্চায়েত অফিসার কমিসনার কলই প্রমুখ। শপথ বাক্য পাঠ করার পর দেবাশিষ বাবু জানায়, শপথ বাক্য পাঠ করার পর দেবাশীষ বাবু জানায় তিনি দশমত নির্বিশিষে সকলের উন্নয়নের জন্য কাজ করবেন।
  • রাজ্যের আইন শৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ মহানির্দেশকের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর
  • শারদোৎসবের প্রাক মুহূর্তে বোমা বিস্ফোরণে কেপে উঠল আসাম, সর্তকতা জারি রাজ্যেও
  • শারদ উৎসবে রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
  • শ্রীনগর থেকে ৬ জুয়ারি আটক
  • চকোলেটের মণ্ডপ এমবিবি ক্লাবে
  • কুখ্যাত নেশা কারবারি গ্রেপ্তার
  • রেলে কাটা পরে যুবকের মৃত্যু
  • ধলাইয়ে প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন কেন্দ্রে প্রবীণদের চিকিৎসা পরিষেবা
  • পূর্বাশার আর্থিক আয় বাড়াতে সরকারের নয়া সিদ্ধান্ত
  • শহরের সাথে পাল্লা দিয়ে মহকুমার পুজো প্রস্ততি চলছে জোর কদমে
  • অপরাধ দমনে ক্রাইম ব্রাঞ্চকে আধুনিকরণের উদ্যোগ রাজ্য সরকারের

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

লাইফস্টাইল

তারুণ্যকে ধরে রাখার খাবারের তালিকা জেনে নিন

২৯ মার্চ (এ.এন.ই ): গবেষণা বলছে, মানুষ সব সময় তারুণ্য ধরে রাখতে চায়। এজন্য বিভিন্ন কৌশলও অবলম্বন করে। ব্যায়াম-রূপচর্চার পাশাপাশি খাদ্যাভাস এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কারণ এমন কিছু খাবার রয়েছে যা নিয়মিত খেলে ত্বকের লাবন্য ধরে রাখার পাশাপাশি জিনের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করবে যে তার প্রভাবে শরীরেরও বয়স কমবে চোখে পড়ার মতো। চলুন জেনে নেওয়া যাক তেমন কিছু খাবারের নাম। জাম: এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা বয়স বাড়ার গতিকে আটকায় এবং শরীর এবং ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে সাহায্য করে। আঙুর: রেজভারেটল নামে একটি যৌগ রয়েছে এই ফলটিতে, যা একাধারে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি- কোয়াগুলেন্ট। এই উপাদান দুটি হার্টকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। ফলে শরীরও তাঙ্গা থাকে। টমেটো: এতে লাইকোপেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, ত্বকের লাবন্য ধরে রাখতে সহায়তা করে। গ্রিন টি : এই চা পান করলে শরীরে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের প্রবেশ ঘটে। যা ক্যান্সার, হার্ট ডিজিজ, এমনকি অ্যালঝাইমার রোগ প্রতিরোধে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। দই : গবেষণায় দেখা গেছে, দই দেহের ভেতরে প্রোটিনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি উপকারি ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বাড়তে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে শরীরে রিবোফ্লাবিন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি১২ এর মাত্রাও বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে শরীরের বয়স কমে চোখে পড়ার মতো। সবুজ শাক-সবজি : সবুজ শাক-সবজিতে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সেলের ক্ষয় আটকে ত্বক এবং শরীরে বয়স ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। গাজর: এই সবজিতে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ। যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ত্বকের জন্যও গাজর অত্যন্ত উপকারী। ভিটামিন এ কোষ গঠনে সাহায্য করে তাই ত্বক সুন্দর রাখে। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার রোধেও সাহায্য করে গাজর।

29-03-2018 04:12:42 pm

ভোরে ঘুম থেকে ওঠার উপায় জেনে নিন

২৬ মার্চ (এ.এন.ই ): তাই নিয়মিত বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন দেখবেন আস্তে আস্তে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শরীরের শক্তিমত্তাও বাড়বে। কাজে কর্মে পাবেন পূর্ণ উদ্যোম। ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিরা বেলা করে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিদের তুলানায় বেশি সফল বলে এক গবেষনায় দেখা গেছে। কারণ, সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠতে পারলে কাজ এবং অবসর দুটোর জন্যই অনেক বেশি সময় পাওয়া যায়। কিন্তু লাগামছাড়া ঘুমটাকে যেন কিছুতেই বশ মানানো যায় না। হ্যাঁ, অসংখ্য পরিশ্রমী মানুষ এই সমস্যাতেই ভুগছেন। তবে এই সমস্যা সমাধানের কিছু সহজ উপায় আছে যার মাধ্যমে দেখতে পাবেন ভোরের আলো আর জীবনে পাবেন সাফল্য। আসুন জেনে নেই, সকালে ঘুম থেকে ওঠার উপায়। ঘুমকে প্রাধান্য দিন : যেকোনো অজুহাতের কারণে রাতে ঘুমাতে যেতে দেরি হয় আপনার। কিন্তু চেষ্টা করুন প্রতিদিন রাতে তাড়াতাড়ি ও একই সময়ে ঘুমানোর এবং জেগে ওঠার। প্রথমে একটি পদক্ষেপ নিন : আপনার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সময় নির্ধারণ করুন এবং ছোট ছোট পদক্ষেপ নিন। প্রথম দিন আপনার নিয়মিত ঘুমানোর সময়ের চেয়ে ১৫ মিনিট পূর্বে ঘুমাতে যান এবং ১৫ মিনিট আগে ঘুম থেকে জেগে উঠোন। পরদিন ৩০ মিনিট আগে ঘুমান। এভাবে আস্তে আস্তে সময় বাড়াতে পারেন। দুপুরের তন্দ্রাকে এড়িয়ে চলুন : যদি ডাক্তারের পরামর্শ না থাকে তাহলে দুপুরে ঘুমাবেন না। কারণ দুপুরের ঘুমের কারণেই রাতে দেরিতে ঘুম আসে এবং সকালে ওঠতেও দেরি হয়। তাই দুপুরের ঘুমকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য দুপুরে কাজ করুন বা শখের কাজের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করুন। চক্রটিকে ভাঙ্গুন : আপনি দেরিতে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে দেরিতে ওঠেন– আপনার এই ঘুম চক্রটি থেকে বের হওয়া প্রয়োজন। এর জন্য জোর করে হলেও একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে জেগে উঠুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১ গ্লাস উষ্ণ দুধ পান করুন, ব্যায়াম করুন। এ কাজগুলো আপানাকে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে সাহায্য করবে। কফি খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করুন : দুপুরের পর বা বিকাল থেকে ক্যাফেইন খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনবেন। এক গবেষণায় বলা হয়, ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন খেলে ৬ ঘণ্টা পর তা ঘুমের সমস্যা করে। স্বাভাবিক আকারের এক কাপ কফিতেই এ পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে। বিকাল ৫টার আগে থেকেই কফি খাওয়া বন্ধ করা উচিত। সঠিক পরিবেশ তৈরি করুন : রাতে ঘুমানোর পূর্বে ক্যামোমিল বা ল্যাভেন্ডার এর চা পান করুন বা বই পড়ুন যা আপনাকে শান্ত করতে সাহায্য করবে। প্রতিরাতে এর পুনরাবৃত্তি করুন। সময়ের সাথে সাথে আপনার শরীর এই নিয়মের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে এবং আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কখন আপনার বই বন্ধ করা উচিৎ এবং আপনার ঘুমও চলে আসবে। আপনার ঘরের পরিবেশ ও ঘুম আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনার শোয়ার ঘরটি পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকে তাহলে আপনার মন শিথিল থাকবে এবং দ্রুত ঘুম চলে আসবে।

26-03-2018 01:49:45 pm

জেনে নিন পুরুষেরা মেয়েদের মধ্যে কোন ৭টি বিষয় আগে দেখে থাকে

১৯ মার্চ (এ.এন.ই ): কথায় বলে প্রথম দেখাতেই বাজিমাৎ করতে হয়। আর তাই যদি হয় তাহলে নারীদের আরও একটু বেশি সতর্ক হতে হবে। কারণ পুরুষদের কাছে, আগে দর্শনধারী। তবে যুগের সঙ্গে চিন্তাধারা অনেক কিছু বদলালেও সবটা তো আর বদলে যায় না। তাই আগেভাগেই নিজের দিক থেকে ফিট অ্যান্ড পারফেক্ট থাকুন। আর সেই সঙ্গেই জেনে নিন পুরুষেরা মেয়েদের মধ্যে কোন ৭টি বিষয় আগে দেখে থাকে- ১। হাসি- হাসিরও ধরন রয়েছে। আর সেই ধরনের মধ্যে ফ্রেন্ডলি হাসি থেকে আবেদনময়ী হাসিও কিন্তু তালিকার অনেকটা ওপরের দিকে। তবে ইনোসেন্ট স্মাইলও পছন্দও করেন পুরুষেরা। তবে ব্যঙ্গাত্মক হাসি একটু কম হাসলেই ভালো। পুরুষ শুধু নয়, তা মহিলা, নির্বিশেষে অনেকেরই পছন্দ হয় না। ২। ব্যবহার- অ্যাটিটিউড পরিমাণ মতো রেখে, বিনম্র হলেই কিন্তু পয়েন্টের দিক থেকে এগিয়ে থাকবেন। ৩। গ্রুমিং- সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং ওয়েল ড্রেসড হওয়াটাই কিন্তু বাধ্যতামূলক, যদি আপনার লক্ষ্যে আপনি পৌঁছাতে চান। ৪) চুল- শুধু সুন্দর মুখশ্রী নয়, আপনার চুল কিন্তু অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যেদিকে পুরুষদের চোখ থাকে। তাই মানাসই হেয়ারস্টাইল এবং পরিষ্কার চুল রাখতে হবে। ৫) চোখ- চোখে চোখেই যেখানে হাজার কথা হয়, সেখানে চোখের যত্ন না নিলে হয়। চোখ আপনার যেমনই হোক, পরিবেশ অনুযায়ী তাকেও সাজিয়ে তুলুন আর হয়ে উঠুন অনন্যা। ৬। কিভাবে হাঁটেন- ভালো পোশাকের সঙ্গে কিন্তু আপনার হাঁটার স্টাইলও ভালো হতে হবে। তবে পোশাক অনুযায়ী হাঁটার স্টাইল মাথায় রাখবেন। অনেক খুঁটিনাটি জিনিস মেনে চললে তবেই না পারফেকশন আসবে। ৭। বুদ্ধিমত্তা- সব কিছুর পরেও যে বিষয়টা না থাকলে একেবারেই সব জিরো, তা হল আপনার বুদ্ধি। কথা বলুন কিন্তু ভেবেচিন্তে। সম্পর্ক তৈরি হয় সহজেই কিন্তু আপনার বুদ্ধি তাকে ধরে রাখার ক্ষেত্রে প্রধান এবং শেষ কথা।

19-03-2018 03:48:19 pm

ওজন কমানোর বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

১৯ মার্চ (এ.এন.ই ): ওজন কমাতে কত কিছুই করি আমরা। তবে এমন কিছু সহজ উপায়ও আছে, যা প্রতিদিনকার জীবনে মেনে চললে ওজন কমানো বা খাওয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা, কোনও কিছুতেই আর বেগ পেতে হবে না জেনে নিন।- ১। জল খাওয়া- বেশি করে জল খেলে ক্ষুধা বোধ কমে। কাজেই আপনি কম পরিমাণে খাবেন, ওজনও কম বাড়বে। দিনে কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস জল খাওয়া ভাল। খাওয়ার আগেও জল খেয়ে খেতে বসুন। ২। রাতের খাবার- রাতের খাবার খুব ভারী হলে, ঘুমের মধ্যে শরীর ক্যালরি পোড়াতে পারে না। চেষ্টা করুন, শুতে যাওয়ার অন্তত দু'ঘণ্টা আগে খাওয়া সারতে এবং অবশ্যই হালকা খাবার খান। ৩। ব্রেকফাস্ট- সকালের খাবার ভুলেও বাদ দেবেন না। সারারাত বিশ্রামে থাকার পর, সকালে আমাদের মেটাবলিজমকে নতুন করে কাজ শুরু করতে হয়। তারও ফুয়েল চাই। ৪। গ্রিল করুন- কোনও কিছু ভেজে খাওয়ার থেকে গ্রিল করে খাওয়া ভাল। ভাজা খাবার তেল টানে আর গ্রিলড খাবার বাড়তি তেল ঝরিয়ে দেয়। ৫। সোক করুন- ভাজা খাবার তেল থেকে তোলা মাত্রই টিস্যু বা অ্যাবসর্বেন্ট কিচেন পেপারে রেখে মুড়িয়ে নিন। এতে অতিরিক্ত তেল টিস্যু শুষে নেবে।

19-03-2018 03:17:03 pm

গরমে শান্তির ঘুমের জন্য বিভিন্ন উপায় গুলি জেনে নিন

১৯ মার্চ (এ.এন.ই ): যদিও এখনো পুরোপুরি গরম পরেনি। সামনেই আসছে গরমের দিন। বিশেষ করে এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত গরমে রাজ্যবাসী যেন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে। বিশেষ করে রাতের বেলা বিদ্যুৎ চলে যায় তখনতো ঘুমানো বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে উঠে। ফলে অনেকেই শান্তির ঘুম থেকে বঞ্চিত হয়। তীব্র গরম সত্ত্বেও কীভাবে শান্তির ঘুম দেয়া যায় তা নিয়েই নিচে আলোচনা করা হলো : ১. দিন ও রাতে যদি প্রচণ্ড গরম হয় তাহলে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে স্নান করুন। কারণ এতে শরীরের তাপমাত্রা সাধারণের তুলনায় অনেক কমে যাবে। ফলে ঘুমাতে কোনো অসুবিধা হবে না। এমনকি ঘুমটাও গভীর হবে। আর যদি স্নান করা সম্ভব না হয় তাহলে পায়ের পাতা ভিজিয়ে ঘুমুতে যান। দেখবেন স্বস্তিতে ঘুমাতে পারবেন। ২. রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঘরের কোণে এক বালতি ঠাণ্ডা জল রাখতে পারেন। তাহলে ফ্যানের বাতাসে বালতির জল বাষ্পাকারে পরিণত হবে। এতে ঘরের গরম অনেকটাই কমে আসবে। আবার আপনি চাইলে ঘুমুতে যাওয়ার আগে ঘরের মেঝেতে জল স্প্রে করতে পারেন। এতেও ঘরের তাপমাত্রা কমবে এবং আপনার ভালো ঘুম হবে। ৩. গরমের সময় জানালা খোলা রেখে ঘুমালেও স্বস্তি লাগে। আবার জানালায় ভারী কাপড় ভিজিয়ে ঝুলিয়ে রাখলেও ঘরের বাইরের বাতাস প্রবেশের সময় ঠাণ্ডা বাতাস পাবেন। এতে রাতের বেলা শান্তিতেই ঘুম হবে আপনার। ৪. ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে একটি ভারী পশমি কাপড় ভিজিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন। পরে ঘুমানোর সময় কাপড়টি কপালে দিয়ে শুয়ে পড়ুন। তাহলে খুব তাড়াতাড়িই ঘুম এসে যাবে আপনার। ৫. ঘুমাতে যাওয়ার কমপক্ষে ১.৫-২ ঘণ্টা আগে খেয়ে নিন। কারণ খাওয়ার ১.৫-২ ঘণ্টা পর্যন্ত পরিপাকের কারণে শরীর গরম থাকে। তাই শান্তিতে ঘুমাতে চাইলে রাতের খাবারটা আগেই খেয়ে নিন। ৬. সম্ভব হলে বিছানার চাদর রোজ রাতে বদলে নিন। কারণ পরিষ্কার বিছানায় ঘুমালেই মনে এক রকমের প্রশান্তি আসে, যা ভালো ঘুমাতে সহায়তা করে। তবে এক্ষেত্রে বিছানার চাদর সুতির হওয়াই ভালো। ৭. খুব বেশি ঘামার প্রবণতা থাকলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে শরীরে ট্যালকম পাউডার মেখে নিন। এক্ষেত্রে মেনথল ফ্লেভারের পাউডার বেশ আরাম দেবে। ৮. এই গরমে সন্ধ্যায় বা রাতে ব্যায়াম না করাই ভালো। আর যদি করতেই হয় তাহলে ব্যায়ামের পর ভালোভাবে স্নান করে পোশাক বদলে নিন। ৯. গরমের দিনে এক বিছানায় বেশি মানুষ না ঘুমানোই ভালো। সবসময় নিরিবিলিতে ঘুমাবার চেষ্টা করুন। সেটা সম্ভব না হলে পাশের মানুষ ও আপনার মাঝে একটি কোলবালিশ রাখতে পারেন। ১০. ফোমের বিছানায় গরম বেশি লাগে। তাই জাজিম ও তোশক ব্যবহার করুন। গরমে আরামে ঘুমাতে শিমুল তুলার বালিশও ব্যবহার করতে পারেন।

19-03-2018 03:11:15 pm

ব্রণের সমস্যা সমাধানের সহজ উপায় জেনে নিন

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): ব্রণের যন্ত্রণায় অনেকেই বিপদে আছেন। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য এবং সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয় ব্রণ। এটি সাধারণত গাল, কপাল, কাঁধ, বুক, নাক, গলায় হয়। বেশিরভাগ মানুষই অনেক চেষ্টা করেও এর থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে পান না। অনেকেই আবার ওষুধ খান কিংবা এটা-ওটা মুখে মাখেন, কিন্তু কোনো কিছুতেই কোনো লাভ হয় না। ব্রণ হওয়ার কারণ হিসেবে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, হরমোনের পরিবর্তনের জন্যই প্রধাণত ব্রণ-অ্যাকনের মতো ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়। তবে ব্রণের সমস্যা সমাধানের সহজ উপায় আছে। কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে কোনোরকম রকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই মুক্তি পাওয়া যায় ব্রণের হাত থেকে। ১. কমলা লেবুর খোসা শুকিয়ে মিক্সিতে গুঁড়ো করে নিন। মসুরির ডাল আর চাল ভিজিয়ে ভালো করে পিষে নিন। ঐ পেস্টের মধ্যে চন্দন পাউডার, মুলতানি মাটি, কমলালেবুর খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে ভালো করে মিলিয়ে নিন। এই মিশ্রণের মধ্যে দুই চামচ দুধও মিশিয়ে নিতে পারেন। মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখার পর ধুয়ে নিন। এই প্যাকটা নিয়মিত মুখে লাগান। ত্বকের জেল্লা বাড়বে। ব্রণের দাগও দূর হয়ে যাবে। ২. ত্বক পরিস্কার রাখতে মধুর জুড়ি মেলা ভার। ব্রণ-অ্যাকনের উপর মধু ব্যবহার করুন। একঘণ্টা পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৩. আপেল এবং মধুর মিশ্রণ হচ্ছে ব্রণের দাগ দূর করার সবচেয়ে জনপ্রিয় ঘরোয়া পদ্ধতি। প্রথমে আপেলের পেষ্ট তৈরি করে তাতে ৪-৬ ফোঁটা মধু মিশাতে হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষন অপেক্ষা করেএরপর মুখ ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখে এবং গায়ের রঙ হালকা করে। সপ্তাহে ৫-৬ বার এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনি কয়েকদিনের মধ্যে পরিবর্তনটা অনুভব করতে পারবেন। ৪. সমপরিমাণ লেবুর রস এবং গোলাপ জল মিশিয়ে ব্রণর জায়গায় ব্যবহার করুন। খুব সহজেই ব্রণর হাত থেকে মুক্তি পাবেন। ৫. ব্রণের জায়গায় ডিমের সাদা অংশ ব্যবহার করুন। এর পর সেটি শুকনো হতে দিন। টানা ৪ বার ব্যবহার করুন।

15-03-2018 02:25:41 pm

চোখের যত্ন নিন

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): চোখের সুস্থতার জন্য দরকার বাড়তি যত্ন। যারা দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটার ও মোবাইলে ফোন ইত্যাদির দিকে তাকিয়ে থাকেন তাদের জন্য চোখের ব্যায়াম অত্যান্ত জরুরি। তবে আর দেরি না তরে চলুন জেনে নেই চোখের আরাম ও সুস্থতার জন্য করণীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে। ১. যারা কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন বেশি মাত্রায় ব্যবহার করেন তাদের চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। তাদের জন্য ব্যায়াম হচ্ছে একটানা না তাকিয়ে থেকে ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলা। কম্পিউটার ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় সাধারণের তুলনায় ঘন ঘন চোখের পাতা ফেলুন। এতে চোখ শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন। ২. চোখের অশ্রুনালির কাছে হালকা চাপ দিয়ে ম্যাসাজ করলে চোখের আর্দ্রতা বাড়ে এবং চোখের প্রশান্তি দেয়। চোখের পাতার ওপর মৃদুভাবে তিন আঙুল দিয়ে চক্রাকারে ম্যাসাজ করতে পারেন। ১০ বার ঘড়ির কাঁটার দিকে ও ১০ বার বিপরীত দিকে এ ম্যাসাজ করুন। চোখের দুই পাতার মাঝখানে তিনবার ম্যাসাজ করতে পারেন। ৩. মাথাটা স্থির রেখে চোখ দুটো বন্ধ করুন। এবার ধীরে ধীরে চোখের মণি দুটো একবার ওপরে ও একবার নিচে করুন। এভাবে করুন ১০ বার। চোখের আরামের জন্যে উপকার পাবেন। ৪. কাজের ফাঁকে খানিকটা সময় চোখ বন্ধ করে রাখুন। হাতে হাত ঘষে হাতের তালু কিছুটা গরম করে নিয়ে বন্ধ চোখের ওপর রাখুন। হাতের তালু এমনভাবে রাখবেন যাতে ভেতরে কোনো আলো না যেতে পারে। ২ মিনিট এভাবে চোখ বন্ধ রাখুন। দিনে বেশ কয়েকবার এভাবে করুন। এতে চোখের রক্ত সরবরাহ বাড়বে এবং চোখের পেশি সক্রিয় থাকবে। ৫. দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারের সামনে বসে থাকলে কিছুক্ষণ পর পর টানা দুই মিনিট চোখ পিটপিট করুন। এই ব্যায়াম আপনার চোখের রক্তসরবরাহ বাড়াতে সাহায্য করবে। কিছুক্ষণ পর পরই এই ব্যায়াম করলে সুফল পাবেন।

15-03-2018 02:12:13 pm

ত্বকে আঙ্গুর ব্যবহারের বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): ত্বকের জন্য আঙুর খুবই উপকারী। ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন—যা স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য দরকারি। সুস্বাদু এ ফলের আছে নানা খাদ্য ও ভেষজ গুণ। ত্বককে সুন্দর, সুস্থ এবং উজ্জ্বল করে যৌবন ধরে রাখতে আঙুরের জুড়ি মেলা ভার। কেননা বিভিন্ন রকম ত্বকের সমস্যা থেকে রক্ষা করে আঙুর। যেমন, সূর্যের তাপে ত্বকের উপরিভাগ কালো হয়ে যাওয়া বা সানবার্ন প্রতিরোধ করে, ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না ইত্যাদি। জেনে নিন কীভাবে ত্বকে আঙুর ব্যবহার করলে এই সমস্যাগুলো থেকে প্রতিকার পাওয়া যায়। ১) সানবার্ন থেকে মুক্তি : কখনও কখনও সানবার্ন ত্বকের এতটাই ক্ষতি করে যে, ত্বক দেখতে খুবই খারাপ হয়ে যায়। অনেক নামী-দামী প্রসাধনী দ্রব্য ব্যবহার করেও বিশেষ উপকার পাওয়া যায় না। এই সানবার্নের হাত থেকে আশ্চর্য রকমের কাজ দেয় আঙুর। কয়েকটি আঙুর নিয়ে থেঁতলে মণ্ড করে নিন। এবার সেই মণ্ড সানবার্ন হওয়া জায়গায় ব্যবহার করুন। ৩০ মিনিট সেই মণ্ডটি লাগিয়ে রেখে দিন। তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ২) ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া থেকে মুক্তি : পরিবেশে যে পরিমাণ দূষণ হচ্ছে, তাতে ত্বকে খুব তাড়াতাড়ি বয়সের ছাপ পড়ে যায়। শুধু দূষণের কারণেই নয়, হরমোন এবং অনিয়মিত ডায়েট এবং লাইফস্টাইলের জন্যেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া থেকে কীভাবে আঙুর ব্যবহার করবেন? দানাবিহীন আঙুরের মণ্ড তৈরি করুন। এবার মুখে ভালো করে সেই মণ্ড লাগান। ২০ মিনিট পর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

15-03-2018 02:03:47 pm

বেশি ঘুমে ডেকে আনতে পারে বিপদ

২১ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): ঘুম কম হলে শরীরে যেমন সমস্যা সৃষ্টি হয়, তেমনি বেশি ঘুম হলেও যে সুস্থ থাকবেন, এমনটা নয়। প্রতিদিন অন্তত ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমোনো প্রয়োজন। তার থেকে কম কিংবা বেশি ঘুম হলেই বিপদ হতে পারে। দেখা দিতে পারে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। প্রয়োজনের অতিরিক্ত ঘুম হলে সারাদিন ঝিমুনি কিংবা ক্লান্তি ভাব দেখা দিতে পারে। সম্প্রতি কোরিয়ান একদল চিকিৎসক অতিরিক্ত ঘুম নিয়ে বেশ কয়েকজন পুরুষ-নারীর উপর সমীক্ষা চালিয়েছিলেন। সমীক্ষা থেকে জানা গেছে, বেশিমাত্রায় ঘুমোলে হৃদরোগেও বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হয়। বেশি ঘুমানোর ফলে ওজন মারাত্মক ভাবে বেড়ে যেতে পারে। ওই কোরিয়ান চিকিৎসকদের দাবি, বেশি ঘুমানোর ফলে ওজন ২৫ কেজি পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে! চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত ঘুমানো আসলে একটি রোগ। হাইপারসমনিয়া নামে এই রোগের ফলে ডায়াবেটিস, স্থূলতা, শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যথা হয়। অনেকে শোয়ার আগে ঘুমোনোর ওষুধ খান। এতেও ঘুম দীর্ঘায়িত হয়ে বিভিন্ন রকম শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে।

21-02-2018 03:04:42 pm

চুল বা ত্বকে ঘি নানান ভাবে উপকারি জেনে নিন

২১ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): গরম ভাতে এক চামচ ঘি। এরপর আর কিছু দরকার নেই। তবে ঘিয়ের যে কত উপকারিতা, সেটা অনেকেই জানেন না। ঘি যতটা খাবারের স্বাদ বাড়ায়, ততটাই উপকারী ত্বক এবং চুলের জন্যও। চুল বা ত্বকের উপকারিতার জন্য ঘি কীভাবে কাজে লাগে, সেটি তাহলে জেনে নিন আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে- ১) আমাদের সকলের অল্পবিস্তর ঠোঁট ফাটে। এই ঠোঁটকে আরও নরম এবং গোলাপি রাখতে ঘিয়ের জুড়ি মেলা ভার। অল্প একটু ঘি নিয়ে ঠোঁটে লাগিয়ে হালকা হাতে ঘষুন। তারপর ম্যাজিক দেখুন। ২) ঠোঁটের মতো চুলের সৌন্দর্য বাড়াতেও ঘি দারুণ উপকারী। চুলকে আরও চকচকে এবং নরম রাখে ঘি। এক চামচ নারকেল তেলের সঙ্গে ২ চামচ ঘি নিয়ে চুল এবং স্কাল্পে ভালো করে লাগান। ৩০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৩) চোখের নিচের কালি দূর করতে অনেক কিছুই করি আমরা। তাহলে এবার এক ফোঁটা ঘি নিয়ে চোখের চারপাশে ম্যাসেজ করুন। সারারাত রেখে সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ৪) প্রত্যেকদিন স্কাল্পে ঘি ম্যাসেজ করলে মাথায় রক্ত চলাচল ভালো হয় এবং চুল বাড়তে সাহায্য করে। ৫) ত্বকের জন্যও দারুণ উপযোগী ঘি। দু'চামচ ঘি হালকা গরম করে ভালো করে তাতে অল্প পানি মেশান। তারপর সেই মিশ্রণ সারা গায়ে এবং মুখে মাখুন। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।

21-02-2018 02:59:01 pm

বয়স বারলেও চেহেরায় বয়সের ছাপ যাতে না পরে তার বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

৩ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): বয়স বাড়লেও, চেহারায় বয়সের ছাপ পড়ুন এটা আমরা কেউই চাই না। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার জন্য বয়সের ছাপ পড়ে। কিন্তু এমন কিছু পদ্ধতি রয়েছে, যার মাধ্যমে ত্বকের এই সমস্ত সমস্যা দূর হয়ে যাবে এবং আপনার যে বয়স হয়েছে, তাও বোঝা যাবে না। ১) একসঙ্গে অলিভ অয়েল এবং মধু মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ২) একটি স্প্রে বোতলে অর্ধেকটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার এবং অর্ধেকটা জল মিশিয়ে রাখুন। প্রত্যেকদিন সেই মিশ্রন মুখে স্প্রে করুন। ৩) ত্বকের জন্য দই খুবই উপকারী। অর্ধেক কাপ দই নিয়ে ভালো করে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। ৪) এক কাপ মেথি গুঁড়ো করে নিন। এবার জলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে মাখুন। সারা রাত রেখে দিন। সকালে ধুয়ে ফেলুন। ৫) একটা জায়গায় পাকা পেঁপে নিন। এবার সেই পাকা পেঁপে চটকে মুখে লাগান। ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। ৬) গোলাপজল, মধু এবং গ্লিসারিন একসঙ্গে মিশিয়ে তুলো দিয়ে মুখে লাগান। প্রত্যেকদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ব্যবহার করুন।

03-02-2018 02:00:42 pm

মেদহীন পেট পাওয়ার আসল রহস্য জেনে নিন

৩ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): মেদহীন পেট বহু মানুষের স্বপ্ন। কিন্তু মেদহীন পেট পাওয়ার জন্য যে পরিমান পরিশ্রম করতে হয়, তা অনেকের পক্ষেই অসম্ভব। শরীরের বাকি অঙ্গের মেদ কমানোর থেকে কঠিন পেটের মেদ কমানো। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, একটা জিনিস রয়েছে, যা সকালে ৮টার আগে খালি পেটে খেলে আপনি ঝরে যাবে আপনার পেটের মেদ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সারাদিনের সমস্ত খাবারের মধ্যে ব্রেকফাস্ট সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারা জানাচ্ছেন এমন একটি সুপারফুডের কথা, যা সকালে ৮টার আগে খেলে অনায়াসেই পেতে পারেন মেদহীন পেট। চিকিৎসকরা বলছেন, সকাল ৮টার আগে দুটো ডিম খান। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আধ চামচ অলিভ অয়েল দিয়ে ডিম রান্না করুন। এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ডি, প্রোটিন, বায়োটিন রয়েছে। অনেকেরই মনে হতে পারে ডিমের কুসুম কি খাবেন নাকি খাবেন না। যাদের মনে এমন প্রশ্ন রয়েছে, তারা জেনে রাখুন, ২টা ডিমের কুসুম শরীরে কোনও ক্ষতি করবে না। অনায়াসেই খাওয়া যেতে পারে। তবে, যদি আপনার কোলেস্টেরলের সমস্যা থেকে থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

03-02-2018 01:39:56 pm

গোপন ঈর্ষাকাতর মানুষদের চিহ্নিত করার উপায়গুলি জেনে নিন

২৪ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): ব্যক্তিগত জীবন, ক্যারিয়ার, পেশা, পারিবার ও আত্মিক শান্তিতে আপনি একজন সফল মানুষ। যার ফলে ঈর্ষাণ্বিত কিছু চোখ আপনাকে ঘিরে রয়েছে। প্রকাশ্যে যারা আপনাকে ঈর্ষা করেন, তাদের আপনি সহজেই চিহ্নিত করতে পারেন। কিন্তু এমন বহু মানুষ রয়েছেন, যাদের ঈর্ষা গোপন। এদের সহজে আপনি চিহ্নিত করতে পারেন না। তবে কয়েকটি লক্ষণ দেখে চিহ্নিত করা যেতে পারে এই সব গোপন ঈর্ষাকাতর মানুষদের। তাহলে এক ঝলকে জেনে নিন কারা আপনাকে গোপনে ঈর্ষা করে- ১. লক্ষ রাখুন, কেউ আপনাকে অনুকরণ করছেন কি না। গোপনে ঈর্ষান্বিত ব্যক্তিদের এটা প্রাথমিক লক্ষণ। ২. খেয়াল রাখবেন, কেউ অযথা আপনার স্তুতি করছেন কিনা। বেশি তোষামোদকারী মানুষের মনে কিন্তু গোপন ঈর্ষা বাস করে। ৩. কেউ যদি আপনার কোনও সাফল্যকে ছোট করে দেখেন, জানবেন, তিনি আপনার প্রতি ঈর্ষাকাতর। ৪. সর্বদা আপনার খুঁত ধরেন, এমন লোক থেকে সাবধান। এরা কিন্তু আপনার প্রতি গোপনে হিংসার জাল বুনে চলেছেন। ৫. খেয়াল রাখবেন, আপনার পিছনে কেউ কোনও গুজব রটাচ্ছেন কি না। যদি রটে, তা হলে সেই গুজব ছড়ানো ব্যক্তিকে খুঁজে বের করুন। জানবেন, তিনি কোনও গোপন ঈর্ষা থেকেই এই কাণ্ড ঘটাচ্ছেন। ৬. কেউ আপনাকে অযাচিত উপদেশ দিলে মনে করবেন সেই ব্যক্তি গোপন ঈর্ষাকারী হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

24-01-2018 02:09:47 pm

ভোরে ঘুম থেকে ওঠার উপায় জেনে নিন

২৪ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিরা বেলা করে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিদের তুলানায় বেশি সফল বলে এক গবেষনায় দেখা গেছে। কারণ, সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠতে পারলে কাজ এবং অবসর দুটোর জন্যই অনেক বেশি সময় পাওয়া যায়। কিন্তু লাগামছাড়া ঘুমটাকে যেন কিছুতেই বশ মানানো যায় না। হ্যাঁ, অসংখ্য পরিশ্রমী মানুষ এই সমস্যাতেই ভুগছেন। তবে এই সমস্যা সমাধানের কিছু সহজ উপায় আছে যার মাধ্যমে দেখতে পাবেন ভোরের আলো আর জীবনে পাবেন সাফল্য। আসুন জেনে নেই, সকালে ঘুম থেকে ওঠার উপায়। ১. ঘুমকে প্রাধান্য দিন : যেকোনো অজুহাতের কারণে রাতে ঘুমাতে যেতে দেরি হয় আপনার। কিন্তু চেষ্টা করুন প্রতিদিন রাতে তাড়াতাড়ি ও একই সময়ে ঘুমানোর এবং জেগে ওঠার। ২. প্রথমে একটি পদক্ষেপ নিন : আপনার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সময় নির্ধারণ করুন এবং ছোট ছোট পদক্ষেপ নিন। প্রথম দিন আপনার নিয়মিত ঘুমানোর সময়ের চেয়ে ১৫ মিনিট পূর্বে ঘুমাতে যান এবং ১৫ মিনিট আগে ঘুম থেকে জেগে উঠোন। পরদিন ৩০ মিনিট আগে ঘুমান। এভাবে আস্তে আস্তে সময় বাড়াতে পারেন। ৩. দুপুরের তন্দ্রাকে এড়িয়ে চলুন : যদি ডাক্তারের পরামর্শ না থাকে তাহলে দুপুরে ঘুমাবেন না। কারণ দুপুরের ঘুমের কারণেই রাতে দেরিতে ঘুম আসে এবং সকালে ওঠতেও দেরি হয়। তাই দুপুরের ঘুমকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য দুপুরে কাজ করুন বা শখের কাজের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করুন। ৪. চক্রটিকে ভাঙ্গুন : আপনি দেরিতে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে দেরিতে ওঠেন– আপনার এই ঘুম চক্রটি থেকে বের হওয়া প্রয়োজন। এর জন্য জোর করে হলেও একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে জেগে উঠুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১ গ্লাস উষ্ণ দুধ পান করুন, ব্যায়াম করুন। এ কাজগুলো আপানাকে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে সাহায্য করবে। ৫. কফি খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করুন : দুপুরের পর বা বিকাল থেকে ক্যাফেইন খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনবেন। এক গবেষণায় বলা হয়, ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন খেলে ৬ ঘণ্টা পর তা ঘুমের সমস্যা করে। স্বাভাবিক আকারের এক কাপ কফিতেই এ পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে। বিকাল ৫টার আগে থেকেই কফি খাওয়া বন্ধ করা উচিত। ৬. সঠিক পরিবেশ তৈরি করুন : রাতে ঘুমানোর পূর্বে ক্যামোমিল বা ল্যাভেন্ডার এর চা পান করুন বা বই পড়ুন যা আপনাকে শান্ত করতে সাহায্য করবে। প্রতিরাতে এর পুনরাবৃত্তি করুন। সময়ের সাথে সাথে আপনার শরীর এই নিয়মের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে এবং আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কখন আপনার বই বন্ধ করা উচিৎ এবং আপনার ঘুমও চলে আসবে। আপনার ঘরের পরিবেশ ও ঘুম আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনার শোয়ার ঘরটি পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকে তাহলে আপনার মন শিথিল থাকবে এবং দ্রুত ঘুম চলে আসবে। ৭. সকালের কাজ ঠিক করুন : সকালে করতে হবে এমন কিছু কাজের তালিকা করুন। এর ফলে আপনার ঘুম থেকে ওঠার প্রেরণা তৈরি হবে। ৮. দয়িত্ব দিয়ে দিন : সকালে ঘুম থেকে ওঠাতে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে দায়িত্ব দিন। অনেকে অ্যালার্ম ঘড়ির শব্দেও উঠতে পারেন না। কিংবা অ্যালার্ম বন্ধ করে আবারো ঘুমিয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে বাড়ির কোনো সদস্য আপনাকে উঠতে বাধ্য করবেন। ৯. ধৈর্য ধরুন : একবার ব্যর্থ হলেই চিন্তিত হবেন না। চেষ্টাই হবে আপনার কৌশল। আপনার শরীর হয়তো নির্দিষ্ট ঘুমের ধরনের প্রতি অভ্যস্ত হয়ে গেছে, নতুন অভ্যাস তৈরি করতে কিছুটা সময়তো লাগবেই। তাই আপনার শরীরকে নতুন অভ্যাস আয়ত্তে নিতে সময় দিন। প্রথম দিনই হয়তো আপনি ব্যর্থ হবেন, কিন্তু সপ্তাহ শেষে দেখবেন যে নতুন এই অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেছে আপনার শরীর।

24-01-2018 02:02:55 pm

মন ভাল রাখতে বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

১৩ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): মন খারাপ করে রাখতে কেউই চায় না। সবাই চায় মনটাকে ফুরফুরে রাখতে। কিন্তু যান্ত্রিক এই জীবনে প্রাণ খুলে হাসার সময়টাও আমাদের নেই। তার ওপর আবার কাজের চাপ। ফলে বড়ছে স্ট্রেস, মানসিক অবসাদ। কিন্তু ভালো তো থাকতেই হবে। এক্ষেত্রে মন ভালো করার কিছু সহজ উপায় আছে । ১. মন ভাল রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম একান্ত দরকার। খাবারের সময় বদল করবেন না। আর প্রতিদন অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি। ঘুম আর খাওয়া ঠিক থাকলে আপনার মন এমনিই ভাল থাকবে। ২. নিজের মনে ইচ্ছেকে কখনও মনে চেপে রাখবেন না। মন যা চায় তাই করুন, দেখবেন তাতে আপনার আত্মবিশ্বাস অনেকটা বাড়বে। ৩. নিজের জীবদ্দশায় ঠিক কি কি করতে চান তার একটা লিস্ট তৈরি করুন। এতে আপনার লক্ষ্য স্থির হবে। মনসংযোগ বাড়বে এবং আপনি নিজেকে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী বলে মনে করবেন। ৪. মন ভাল রাখতে চাইলে হাসি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উপায়। তাই প্রাণ খুলে হাসুন। হাসি মস্তিষ্কে এন্ডরফিনের মাত্রা বাড়ায় যা মানসিক শান্তি প্রদান করে। ৫. সপ্তাহে একদিন এমন জায়গায় ঘুরে আসুন যেখানে শান্তি আছে, বা মানুষের ভিড় অনেক কম। এতে মনে প্রশান্তির সৃষ্টি হয়। তবে তাই বলে একেবারে শহর ছেড়ে অন্য কোথাও পাড়ি দিতে হবে তা নয়, নিজের শহরেই একটা শান্ত পরিবেশ খুঁজে নিতেই পারেন। ৬. নিজের ভাবনা চিন্তাকে আগে আপনাকে নিজেকেই সম্মান জানাতে হবে। দু নৌকায় পা রেখে চলা যায় না। তাই যা করবেন মনে মনে স্থির করে নিন।

13-01-2018 12:22:40 pm

শীতকাল ফাটা গোড়ালির সমস্যা সমাধানের উপায় জেনে নিন

১৩ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): শীতকাল আসলেই ত্বকের বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার না করলে ত্বক ফাটতে পারে। শীতকালে ঠোঁট ফাটলে আমরা বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার করে থাকি। তেমনই ফাটা গোড়ালির সমস্যায়ও বহু মানুষ জর্জরিত হয়ে থাকেন এই সময়ে। বহু ওষুধ ব্যবহার করেও ফাটা গোড়ালির সমস্যা থেকে মুক্তি পান না। তাহলে জেনে নিন ঘরোয়া কোন কোন উপায়ে ফাটা গোড়ালির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন- ল্যাভেন্ডার ফুট ক্রিম প্রথমে মাখন এবং নারকেল তেল নিন। এবার চুলা জ্বালিয়ে দু'টিকে গলে যেতে দিন। গলে গেলে তাতে ল্যাভেন্ডার তেল মেশান। মিশ্রণটিকে ঠান্ডা করে জারে ভরে রাখুন। প্রত্যেকদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। তারপর মোজা পরে ফেলুন। পিপারমেন্ট ফুট ক্রিম প্রথমে মাখন, নারকেল তেল এবং অলিভ অয়েল নিন। প্যান গরম হলে আঁচ কমিয়ে উপকরণগুলিকে গলে যেতে দিন। গলে গেলে আঁচ বন্ধ করে পিপারমেন্ট অয়েল মেশান। এবার মিশ্রনটিকে ঠান্ডা করে জারে ভরে রাখুন। প্রত্যেকদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। তারপর মোজা পরে ফেলুন। জিঞ্জার-লেমন অয়েল ফুট ক্রিম একটি প্যানে নারকেল তেল, মোম, নারকেলের মাখন নিন। হালকা আঁচে উপকরণগুলি গরম করে আমন্ডের তেল মেশান। একইরকমভাবে উপকরণগুলি গলে গেলে একটি জারে ভরে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগিয়ে নিন। তারপর মোজা পরে ফেলুন। মিল্ক অ্যান্ড হানি ফুট ক্রিম একটি প্যানে দুধ এবং মধু নিয়ে অল্প আঁচে গরম করুন। এবার তাতে অরেঞ্জ জুস মেশান। ঠান্ডা করে জারে ভরে রাখুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো করে গোড়ালিতে লাগান। ৪০ মিনিট রেখে হালকা গরম জলে ধুয়ে ফেলুন। টি ট্রি ফুট ক্রিম কোকোয়া বাটার, অলিভ অয়েল এবং মোম নিয়ে একটি প্যানে গলতে দিন। এবার আঁচ বন্ধ করে তাতে টি ট্রি অয়েল মেশান। স্নান করার পর এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগে গোড়ালিতে লাগান। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে কাজুতে রয়েছে ওলিসিক নামে এক ধরনের মোনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, যা দেহে বাজে কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে দারুন কাজে আসে। তাই তো নিয়মিত এই বাদমটি খেলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ফলে হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় কপার হল সেই খনিজ, যা চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ানোর পাশাপাশি চুলের গোড়াকে শক্তপোক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে কাজুতে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন কিভাবে কাজু চুলের সৌন্দর্য বাড়িয়ে থাকে। তবে এখানেই শেষ নয়, কাজু বাদামে থাকা কপার শরীরের অন্দরে এমন কিছু এনজাইমের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, যা চুলের কালো রংকে ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে আমাদের দেশে যে হারে সুগার রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বাদাম খাওয়ার প্রয়োজন বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। কারণ একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে- প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ এই খাবারটি নিয়মিত খেলে রক্তে সুগারের মাত্র নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে শরীরর কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

13-01-2018 12:14:22 pm

শীতকালে পার্লারে না যাওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

৯ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): শীতকাল মানেই শুষ্ক ত্বক। শুধু ত্বক নয়, স্ক্যালপেও আর্দ্রতা কমে যায় এই সময়। তাই শুষ্ক স্ক্যাল্পের জন্য চুলও শুষ্ক থাকে। সঙ্গে ফাংগাল ইনফেকশন হওয়ারও প্রবল সম্ভাবনা থাকে। এই ধরনের সমস্যা এড়ানোর জন্য অনেকেই কেমিক্যাল ট্রিটমেন্ট করেন বিভিন্ন বিউটি পার্লার থেকে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা কেমিক্যাল ব্যবহার করতে না করছেন। তাদের বক্তব্য, নিত্য দিনের সামগ্রী দিয়েই সম্ভব এই সমস্যার সমাধান। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বন্দনা পঞ্জাবি এবং পুষ্টি বিশেষজ্ঞ ফারাহ আফরিনের মতে, কেমিক্যাল ট্রিটমেন্টে চুলের ক্ষতিই হয়। সাময়িক সৌন্দর্য্য বাড়লেও, তা স্থায়ী হয় না। তাই তারা কয়েকটি সহজ উপায় ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন। ভালো করে মাথায় নারকেল তেল মাখুন। তার পরে আধ ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করে নিন। সালফেট ফ্রি শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। স্ক্যাল্পে বেশি জোরে শ্যাম্পু দিয়ে ঘষবেন না। এতে স্ক্যাল্প আরও শুষ্ক হয়ে যায়। এই সময়ে একেবারেই চুলে রং করা বা স্ট্রেট করা বা স্মুদনিং করবেন না। শুধু শুষ্ক স্ক্যাল্প নয়, খুশকি ও চুল পড়ার সমস্যাতেও ভুগতে পারেন। ডায়েট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ওমেগা-৩ সমৃ্দ্ধ খাবার খান। যেমন আখরোট, আমন্ড। এছাড়াও ডিম, তেলযুক্ত মাছ, মাংস, চিজ, ফল ইত্যাদি প্রোটিন-যুক্ত খাবার খান। দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার খেলে চুলের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে। তাই ডায়েটে যেন অবশ্যই এই ধরনের খাবার থাকে। দেহে ঠিক ভাবে রক্ত সঞ্চালন হওয়া খুব প্রয়োজন। আর তার জন্য অবশ্যই বেশি করে পানি খাওয়া দরকার। শীতকালে হাইড্রেটেড থাকলে স্ক্যাল্পেও আর্দ্রতা বজায় থাকবে।

09-01-2018 02:05:39 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.