• বিশ্ব বিদ্যালয়ের কাণ্ডে ক্ষুব্ধ কংগ্রেসও
  • এসকর্টের ধাক্কায় গুরুতর আহত বৃদ্ধা
  • রাজ্যে আটক তিন বিদেশী অনুপ্রবেশকারী
  • কেরালায় বিজেপি কর্মীদের পাশে দাঁড়ালো ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি
  • বিশ্ব বিদ্যালয় কাণ্ডে বেসামাল কর্তৃপক্ষ, বহিষ্কার ১
  • কদমতলায় আবাসিকে ষষ্ট শ্রেণীর ছাত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, এলাকায় চাঞ্চল্য
  • গর্তে পরে শিশুর মৃত্যু
  • সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশ্ব বিদ্যালয়ের কার্যকলাপ নিয়ে রাজ্যপালের ক্ষোভ
  • কলঙ্কিত ত্রিপুরা বিশ্ব বিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠান
  • ভারতীয়দের ডিএনএফএ ধর্মনিরপেক্ষতা: উপরাষ্ট্রপতি
  • ত্রিপুরায় সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডে প্রশস্থ হল সিবিআই তদন্তের পথ
  • বন্যার পর নদীর ভাঙ্গনে অস্তিত্ব সংকটে বহু মানুষ
  • স্ত্রী, সন্তানদের পুরিয়ে মারার চেষ্টা কনস্টেবলের
  • জলাশয় থেকে এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
  • জি বি বাজারে বিলেতি মদ ভাসল নর্দমায়
  • দূর্নীতি গ্রস্থ কর্মী আধিকারিকদের কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
  • ত্রিপুরার দ্রুত উন্নয়নে আশাবাদী কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী
  • দ্রুত উন্নয়নের পথে ত্রিপুরার সহায় কেন্দ্র
  • উদয়পুরে উদ্ধার হল অজগর সাপ
  • ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে উদ্ধার ফেন্সিডিল এবং গাজা
  • রাজধানীতে আক্রান্ত এক যুবক
  • প্রাইভেট টিউশন শেষে বাড়ি ফেরার পথে অপহরণ স্কুল ছাত্রী
  • মঙ্গলবার থেকে সূচনা হল আগরতলায় দ্বি-সাপ্তাহিক হামসফরের
  • প্রকাশিত হল উচ্চ মাধ্যমিকের বিজ্ঞান বিভাগের ফল, পাশের হার ৮৪.৩১ %
  • চন্ডিপুর সিপিআইএম এর পার্টি অফিস থেকে অস্ত্র উদ্ধার

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

টপ ফাইভ

বিশ্ব বিদ্যালয়ের কাণ্ডে ক্ষুব্ধ কংগ্রেসও

আগরতলা ২৪ মে (এ.এন.ই): বিশ্ব বিদ্যালয়ের কাণ্ডে এবার মুখ খুলল কংগ্রেস। বিষয়টিকে রাজ্যবাসীর অপমান বলে আখ্যায়িত করেছে কংগ্রেস। একেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দল তোপ দাগিয়াছে। কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরজীৎ সিনহা সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ২৬ মে কেন্দ্রীয় সরকারের চতুর্থ বর্ষ 'পূর্ত্তি হচ্ছে। সারা দেশের সঙ্গে ত্রিপুরাতেও দল এদিনটিকে বিশ্বাসঘাতক দিবস হিসাবে পালন করবে। প্রথমেই আগরতলায় মিছিল মিটিং সহ স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন এলাকায় জমায়েত সংগঠিত করা হবে। এরপর সারা রাজ্যেই অনুরূপ কর্মসূচি গুলিতে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আশার পর যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তার বর্তমান বাস্তব চিত্র তুলে ধরা হবে। তিনি বলেন, ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যে সব কান্ডকির্তি হয়েছে তা নজীর বিহীন। দেশের অন্য কোথাও এমনটা হয়েছে বলে কেউ দেখাতে পারবেন না। ঘটনাটি পরিকল্পনা মাফিক হয়েছে। রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী রাজ্য সরকারের, রাজ্যবাসীর প্রতিনিধি এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। তাকে অপমান করা মানেই রাজ্যবাসিকে অপমান করা। কংগ্রেস এই বিষয়ে সুস্ট তদন্ত ক্রমে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দেবার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি জানাবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, কংগ্রেস সারা রাজ্যেই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। মানুষ যে প্রত্যাশা নিয়ে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন তার প্রতিফলন বর্তমান সরকারের কার্যকলাপে প্রতিফলিত হচ্ছে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

24-05-2018 06:05:57 pm

কেরালায় বিজেপি কর্মীদের পাশে দাঁড়ালো ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি

আগরতলা ২৪ মে (এ.এন.ই): কেরালায় রাজনৈতিক সন্ত্রাসে নিহত বিজেপি কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পার্টির ত্রিপুরা প্রদেশ কমিটি। নিহতদের পরিবারদের সহায়তার জন্য বিজেপির প্রদেশ কমিটির তরফ থেকে ১লক্ষ টাকা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব বর্তমানে কেরালায় রয়েছেন। সে রাজ্যে বিধানসভায় উপ নির্বাচনে পার্টির প্রচারে যোগ দিতে তিনি বুধবার রাতে কেরালায় উরে গেছেন। সেরাজ্যে বিধানসভা উপনির্বাচনে পার্টির প্রচারে যোগ দিতে তিনি বুধবার রাতে কেরালায় উরে গেছেন। সে রাজ্যে পৌঁছেই তিনি তার নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার টেলিফোনে তিনি জানিয়েছেন, তিনি কেরালায় রাজধানী সন্ত্রাসে নিহত বিজেপি কর্মীদের বারিতে গেছেন। ত্রিপুরার সঙ্গে ফারাক নেই। ত্রিপুরায় যে ভাবে বাম সন্ত্রাসের কবলে পরে ছিল অনুরূপ পরিস্থিতিও সেই রাজ্যে তৈরি হয়েছে। তবে ত্রিপুরার মানুষ যোগ্য জবাব দিয়েছে। এখন কেরালার জনগণও সেইভাবে তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, কেরালার মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ণ পার্টির মুখ্যমন্ত্রী হয়েই কাজ [করছেন। যেমনটা এতদিন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার করতেন। তারা পার্টি ছেরে রাজ্যের মানুষের মুখ্যমন্ত্রী হতে পারে না। আর সেখানেই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। কেরালার জনগণ অনেক বেশি শিক্ষিত। দুবাইকে আন্তর্জাতিক শহর বানিয়েছে কেরালার লোকেরা। কিন্তু কেরালা দেশের শ্রেষ্ঠ রাজ্যে পরিণত হতে পারলো না। এর দায় সেই রাজ্যের রাজ্য সরকারের। ফলে মানুষ এখন সচেতন হয়েছে। বুঝতে শিখেছে, আর জন সচেতনতার কারণে সিপিআইএম সেই রাজ্যেও হত্যায় রাজনীতি শুরু করেছে। বিজেপি কর্মকর্তাদের হত্যা করা হচ্ছে। যেমনটা ত্রিপুরাতেও বিধানসভা নির্বাচনের আরো হয়েছিল। তিনি জানান, তিনি সেখানে ঘোষণা দিয়েছেন, রাজনৈতিক সন্ত্রাসে নিহত বিজেপি কর্মীদের পরিবারের সহায়তার জন্য ত্রিপুরা বিজেপি রাজ্য কমিটি থেকে ৫লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। সেই রাজ্যের রাজ্য কর্মীদের কাছে অতিসত্বর এই অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে। তবে কেরালাতে পরিবর্তন হচ্ছে চলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

24-05-2018 02:24:05 pm

বিশ্ব বিদ্যালয় কাণ্ডে বেসামাল কর্তৃপক্ষ, বহিষ্কার ১

আগরতলা ২৪ মে (এ.এন.ই): বিশ্ব বিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীকে অপমান করার দায়ে এক সহকারী অধ্যাপককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ঘটনার তদন্তে বিশ্ব বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ের ৫ বছর বাদে হওয়া সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। তাতে রীতিমত স্তভিত রাজ্যের শিক্ষা জগৎ। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী এবং বিশ্ব বিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কাছে রিপোর্ট গেছে। একেই সঙ্গে বিশ্ব বিদ্যালয়ের সংগঠিত বিভিন্ন কেলেঙ্কারির বিশ্বজয় গুলিও এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এই অবস্থায় ত্রিপুরা বিশ্ব বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার অস্তির বাতাবরণ বিরাজ ;করছে। তড়িঘড়ি নেওয়া সিদ্ধান্তে সহকারী অধ্যাপক জয়কৌশলকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বহু কেলেঙ্কারির দায়ে অভিযুক্ত উপাচার্য ডঃ অঞ্জন কুমার ঘোষ রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথের কাছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ক্ষমা চেয়েছেন। এবং দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এদিকে ঘটনার পূনাগ তদন্তের জন্য বিশ্ব বিদ্যালয়ে একটি তদন্ত কমিটির গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। যদিও এই ঘটনার পেছনে বিশ্ব বিদ্যালয়ের উচ্চ পদাধিকারীরা যুক্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী রতন লাল নাথ বিষয়টি পরিকল্পনা মাফিক করা হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন। পূর্বের ষড়যন্ত্রের মোতাবেক এমনটা হয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে রাজ্যের জনগণকে অপমানিত করা হয়েছে। রাজ্যের প্রতিনিধি হিসাবে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। এদিকে জানা গেছে, যে অধ্যাপক রতন লাল নাথের ভাষণ দান কালে তার হাতে ভাষণ বন্ধ করার জন্য চিরকুট ধরিয়ে দিয়ে দিলেন সেই সহকারী অধ্যাপক জয়কৌশল স্বেচ্ছায় এই কাজ করেননি। তার উপর নির্দেশ ছিল কর্তৃপক্ষের। এই অবস্থায় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ। তবে ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়েও অস্থিরতা চরমে রয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিশ্ব বিদ্যালয়ে সাম্প্রতিককালে কেলেঙ্কারি বিভিন্ন বিষয় গুলি নিয়ে নতুন করে তৎপরতা শুরু হবে বলেও ধারনা করা হচ্ছে।

24-05-2018 01:52:32 pm

ত্রিপুরায় সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডে প্রশস্থ হল সিবিআই তদন্তের পথ

আগরতলা ২০ মে (এ.এন.ই): রাজ্যের সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডে এবার সিবিআই তদন্তের বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। সম্প্রতি দুই সাংবাদিক হত্যাকাণ্ড বিষয়ে সিবিআই নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। এবং প্রকৃত দোষীদের আড়াল করায় অপরাধের বিষয়টিও প্রকাশ্যে চলে আসে। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের এই আশ্বাস যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর প্রথম মন্ত্রী সভার বৈঠকেই দুই সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিষয়টির তদন্তভার সিবিআই এর কাছে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেঅনুযায়ী রাজ্য সরকার সিবিআই এর কাছে প্রস্তাব ও পাঠায়। কিন্তু সিবিআই এই তদন্তভার গ্রহণ করতে অনিহা প্রকাশ করে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়ে আসে। আবার ঘটনার তদন্তকারী রাজ্য পুলিশের সিট আদালতে চার্জশিট জমাও করে দেয়। অতিসত্বর এই ঘটনার শুনানী শুরু হওয়ার কথা। এই অবস্থায় সিবিআই তদন্তের বিষয়টি অনিশ্চিত হয়ে পরে। এই অবস্থায় সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনরত সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বুধবার এক বৈঠকে মিলিত হন। মুখ্যমন্ত্রীর সরকারী আবাসে প্রায় সারে তিন ঘণ্টা চলা এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে বসেই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ অনেক আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদেরকে ডাকিয়েও আনেন। আবার সেখান থেকে তিনি সিবিআই এর আধিকারিকদের সাথে তদন্ত সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান। মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, প্রাথমিকভাবে সিবিআই তদন্ত শুরু করার বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রাজ্য সরকার পুনরায় সিবিআইকে এই তদন্তভার নেওয়ার জন্য লিখিত ভাবে বার্তা পাঠায়। ফলে তদন্তভার নেওয়া ভিন্ন সিবিআই এর কাছে অন্য কোন বিকল্প ছিল না। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, রাজ্য সরকারও মনে করে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তই হওয়া উচিত। কারণ সিবিআই তদন্ত ভিন্ন প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা কঠিন। এবং এই দুটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার জন্য সিবিআই তদন্তই যথেষ্ট উপযোগী। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা নির্বাচনী প্রচারে এসে বিজেপি সরকার গঠনের পর এই দুই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার সিবিআইএর কাছে দেওয়া 'হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। একেই ভাবে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেও বিষয়টির উল্লেখ ছিল। এখন রাজ্য সরকার কোন ভাবেই এর থেকে পিছপা হয়ে আসতে পারে না। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের চলতি বিভিন্ন সমস্যা নিরসনের পথ এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন। পরে সাংবাদিক প্রতিনিধি দলের নেতা বরিষ্ঠ সাংবাদিক সুবল কুমার দে জানান, মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসের পর এবং প্রতিনিধিদের সামনে মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল আধিকারিকদের ;সাথে কথা বলেছেন। এমনকি তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গেও কথা বলেছেন। এখন উপযুক্ত তদন্ত অবশ্যই হবে সে আশা করা যায় এবং প্রকৃত সত্য উদঘাঠিত হবে বলেও আশা করা যায়। একেই সঙ্গে যে স্থানটিতে সাংবাদিকদের হত্যার প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু হয়েছিল সেই পথটির নাম শহিদ সাংবাদিকদের নামে উৎসর্গ করার দাবি জানানো হয়েছে। অন্যদিকে সাংবাদিকদের ঐক্যমঞ্চ সম্মিলিত ভাবে আন্দোলন স্থান শহিদ স্কোয়ারে দুই 'নিহিত সাংবাদিকের মূর্তি স্থাপনের সিদ্ধান্তও নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

23-05-2018 04:16:07 pm

বন্যার পর নদীর ভাঙ্গনে অস্তিত্ব সংকটে বহু মানুষ

আগরতলা ২০ মে (এ.এন.ই): রাজ্যের বেশ কয়েকটি বর নদীর ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। নদীর পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসকারীরা তীব্র আতঙ্কে ভুগছেন। যদিও প্রশাসনের তরফে বিশেষ কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা দেখা দিয়েছে খোয়াই নদীর তীরবর্তী অঞ্চলে। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রায় প্রত্যেকটি নদীতে বন্যার পর ভাঙ্গনের সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যার অব্যবহিত পরেই নতুন করে এই সংকট পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে। নদীর তীর ভাঙ্গন এবং গতিপথ পরিবর্তনের জেরে সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছেন নদীর পারে বসবাসকারী সাধারণ জনগণ। ইতিমধ্যেই প্রচুর কৃষি জমি নষ্ট হয়ে গেছে। ধারাবাহিক সৃষ্টির ফলে রাজ্যের প্রায় প্রতিটি নদীতেই ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। জমি হাতছাড়া হওয়ার পর এখন ভিটেমাটিও হাতছাড়া হবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। একেই সমস্যা রয়েছে হাওড়া তীরবর্তী এলাকা গুলিতে। জানা গেছে, প্রচুর ধানের জমি নদীর গর্ভে চলে গেছে। ফলে বর ধরনের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাজ্যে বহু বছর ধরেই এই ধরনের সমস্যা চলে আসছে। তবে প্রশাসনের তরফে তেমন কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার জটিলতা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু পরিবার উদ্বাস্তু হয়ে গেছেন। খোয়াই নদী তীরবর্তী এলাকায় বহু পরিবার অস্থায়ী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। ইতিপূর্বে সরকারের তরফে ভাঙ্গন রোধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে সরকার পদক্ষেপ নিতে চলেছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে একটি প্রকল্প পেশ করা হয়েছে। যা বর্তমানে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

23-05-2018 01:49:06 pm

ত্রিপুরার দ্রুত উন্নয়নে আশাবাদী কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী

আগরতলা ২০ মে (এ.এন.ই): ত্রিপুরা দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজ্য হিসাবে পরিচালিত হতে চলেছে। আর সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে। দেশের উন্নয়ন মূলত উত্তর পূর্বাঞ্চলের উপরই নির্ভর করছে বলে উল্লেখ করেন কেন্দ্রীয় রেল রাষ্ট্রমন্ত্রী রাজেন গৌহাই। আগরতলা থেকে ব্যাঙ্গালুরুগামী হামসফর এক্সপ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজেন গৌহাই বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার মনে কর পূর্বাঞ্চলের রাজ্য গুলির উন্নয়ন না হলে দেশের অগ্রগতি অসম্ভব। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিও তাই। আর এই সরকার মনে করে উত্তরপূর্ব হচ্ছে ঈশ্বরের স্থান। পূজা অর্চনা যদি সেই দিক দিয়েই করতে হয় তবে উত্তরপূর্বাঞ্চলকে অন্নুনত রেখে আর দেশের অগ্রগতি সম্ভাবনা। তিনি বলেন, ইতিপূর্বে দীর্ঘদিন কংগ্রেস পরিচালিত সরকার ছিল। কিন্তু কংগ্রেস এই অঞ্চলের উন্নয়নের কোন গুরুত্বই দেয়নি। অন্যথায় দেশ এতটা পিছিয়ে থাকতো না। আর উত্তর পূর্বাঞ্চলকেও এতটা বিসম পরিস্থিতি সন্মুখিন হতে হতনা। প্রথম এনডিএ সরকার এবং তার পর বর্তমান নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার এই অঞ্চলের দ্রুত উন্নয়নের দিকে বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছে। আর এর প্রভাব সরাসরি জনগণের নজরে পরেছে। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার উত্তর পূর্বাঞ্চলের রেলপথ ও রেল পরিষেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ৯০ হাজার কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। নির্দিষ্ট প্রকল্প গুলিতে কাজ চলছে। এই গুলির কাজ শেষ হলে নতুন করে আরো কোন কিছু প্রকল্প শুরু করার জন্য ইতিমধ্যেই প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ত্রিপুরা এখন অন্যগতিতে এগিয়ে চলেছে। পরিবেশ এবং উপযুক্ত বাতাবরণ থাকলেও এতদিন তা সম্ভব হয়নি। কিন্তু বর্তমান সরকার যে লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে যে গতিতে কাজ শুরু করেছে তাতে ত্রিপুরার শ্রেস্ট রাজ্য পরিণত হওয়া স্বাভাবিক। উল্লেখ করা যেতে পারে হামসফর এক্সপ্রেসের চলাচল মাসখানেক আগে থেকে শুরু হয়ে গিয়েছিল। তবে এতদিন সপ্তাহে একদিন চলত। এখন থেকে দুদিন করে এই ট্রেনটি আগরতলা-ব্যাঙ্গালুরুর মধ্যে যাতায়ত করবে।

22-05-2018 03:55:31 pm

দ্রুত উন্নয়নের পথে ত্রিপুরার সহায় কেন্দ্র

আগরতলা ২০ মে (এ.এন.ই): রাজ্য সরকারকে এখন আর অর্থের জন্য বারং বার কেন্দ্রীয় সরকারকে বলতে হয় না। আর এই ধরনের পরিস্থিতিতে রাজ্যের দ্রুত উন্নয়ন অবশ্যম্ভাবী বলে উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। আগরতলা-ব্যাঙ্গালুরু হামসফর এক্সপ্রেসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বলেন, রাজ্যে এখন দ্রুত গতিতে উন্নয়ন হচ্ছে। ইতিপূর্বের জন্য সরকার বারংবারই বিভিন্ন সরকারী বেসরকারি অনুষ্ঠানে কেন্দ্র দেয়না বলে আওয়াজ তুলতও। কিন্তু এখন সম্পূর্ণ বিপরীত স্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি করতে দেরি হয় কিন্তু অর্থ মঞ্জুরিতে দেরি হয় না। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের দাবি মোতাবেক কেন্দ্র একটির পর একটি প্রকল্প মঞ্জুর করে চলেছে। রেল পরিষেবায় যা চাওয়া হচ্ছে তাই দেওয়া হচ্ছে। এবং কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকার প্রতিষ্ঠিত হাওয়ার পর থেকেই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ শুরু হয়। আর ত্রিপুরায় সরকার বদলের পর এই ধরনের প্রচেষ্টায় আরো গতি আসে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই আগরতলা থেকে দেওঘর এক্সপ্রেসের যাত্রা শুরু হবে। এই ট্রেনের নম্বর দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন শুধু যাত্রা উদ্বোধন বাকি। তিনি আরো বলেন, উত্তর পূর্বাঞ্চল কে উন্নত করতে গেলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিস্তর উন্নতি ঘটাতে হবে। আর সেই জন্য রাজ্য সরকার যে প্রস্তাব গুলি পাঠাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার সে গুলি বিবেচনা করে দেখে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে। আর কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশের চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ব্যবহারের আর অনুমতি পাওয়া যাবে। তাই দুদেশের মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী ফেনি নদীর উপর সেতু নির্মাণের কাজে আরো গতি আনার দাবি করা হয়েছে। আশা করা যায় নির্দিষ্ট সময়ের আগেই এই সেতু নির্মাণের কাজ শেষ হবে। আর এর ফলে খুব কম খরচে ত্রিপুরা সহ সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চলের জন্য পণ্য সামগ্রী আনা সহজ হয়ে যাবে। তিনি আরো বলেন, রাজ্যবাসী পরিবর্তন চাইছিলেন। কিন্তু পরিবর্তনটা এতো জোরালো হবে কেউ ভাবতে পারেনি। এখন যে ব্যপক উন্নয়নের কথা বলা হচ্ছে তাও অনেকেই ভাবতে পারছেন না। কিন্তু তাও বাস্তবায়িত হতে চলেছে। আর এটাই বর্তমান রাজ্য সরকারের লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

22-05-2018 03:53:25 pm

প্রবল বন্যার প্রকোপে ত্রিপুরা

আগরতলা ২০ মে (এ.এন.ই): তীব্র বন্যার কবলে পরেছে ত্রিপুরা। বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে স্বাভাবিক জনজীবন। আকাশ এখনো মেঘাচ্ছন্ন। আরো বৃষ্টি আশঙ্কা করছে আবহাওয়া দপ্তর। রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী আগরতলা সহ সারা রাজ্যে ৬০টি ছোট বর ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। আর এই ত্রাণ শিবির গুলিতে আশ্রয় নিয়েছে ৩ হাজারেরও বেশি পরিবার। গত দুদিন ধরে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে বানভাসি হয়ে পরেছে গোটা রাজ্য। গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ মে ২৪২.৬ মিলিমিটার। দুদিনের প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে রাজধানী আগরতলা পুর এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল সম্পূর্ণভাবে জলমগ্ন হয়ে পরে। বিশেষ করে চন্দ্রপুর, বলদাখাল, শ্রীলঙ্কাবস্তি সহ হাওড়া নদীর পার সংলগ্ন এলাকাগুলি জলমগ্ন হয়ে আছে। জানা গেছে, এনডিআরএফ, টিএসআর, সিভিল ডিফেন্স এবং অগ্নি নির্বাপক দফতরের কর্মীরা উদ্ধার কাজে নিযুক্ত আছেন। প্রশাসনের তরফে শরণার্থী শিবিরের আশ্রিত শরণার্থীদের খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, হাওড়া, খোয়াই, গোমতী এবং বিজয় নদীর জল বারতে থাকায় আশপাশের এলাকা গুলি জলমগ্ন হয়ে পরেছে। পাহাড়ি এলাকায় প্রবল বৃষ্টির ফলে আগরতলা শহরের হাওড়া নদী এবং কাটাখালের জলের স্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। এইদিকে, ভারপ্রাপ্ত মুখ্যমন্ত্রী রতন লাল নাথ প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকদের সাথে বৈঠক করে দ্রুত বন্যা দুর্গত মানুষকে ত্রাণ সাহায্য পাঠাতে নির্দেশ দিয়েছেন। শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রশাসন থেকে খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। ভারপ্রাপ্ত মুখ্যমন্ত্রী রতনলাল নাথ, মুখ্যসচিব সঞ্জীব রঞ্জন রাজ্যের বন্যাজনিত পরিস্থিতি সম্পর্কে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবকে অবহিত করেছেন বলে জানা গেছে।

21-05-2018 12:40:35 pm

প্রবল বর্ষণে ভূমি ধসে নিহত ১, আহত ২

আগরতলা ২০ মে (এ.এন.ই): প্রবল বর্ষণ এবং ভূমি ধসে গৌমতি জেলার অমরপুর তৈদু থানাধীন এলাকায় পুনরায় ভূমিধসে মৃত্যু হয় দশম শ্রেণী পাঠরতা এক ছাত্রীর। মৃত ছাত্রীর নাম মেরি কাইপেং। জানা গেছে, মেয়েটির বাবা মা গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাদের চিকিৎসা চলছে। বাবার নাম হল সাবরেলিয়ান কাইপেং (৪৫) এবং মা'র নাম পুরিহই কাইপেং (৩০)। ঘটনার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ভোর ৩টা থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে গৌমতি জেলার অমরপুর তৈদু থানাধীন এলাকায় পুনরায় ভূমিধসে মৃত্যু হয় দশম শ্রেণী এক ছাত্রী। আর আহত হয়েছে ছাত্রীর বাবা মা। রবিবার ভোর রাত থেকে শুরু হওয়া প্রবল বর্ষণে সাবরেলিয়ান কাইপেং এর পরিবার মাটি ধসে চাপা পরে যায়। রবিবার সকালে বিষয়টি সকলের গোচরে আসে। তখনই খবর দেওয়া হয় অগ্নি নির্বাপক দপ্তরকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় অগ্নি নির্বাপক দপ্তরের কর্মীরা। তাদের সাথে সাথে বিএসএফ এবং সিআরপিএফের জওয়ানরাও সাহায্যের হাত বারিয়ে দেন। সকলের প্রচেষ্টায় মাটির নিচ থেকে তাদেরকে উদ্ধার করে। কিন্তু সাবরেলিয়ান কাইপেং এর কন্যার মৃত্যু হয়। আর মেয়েটির বাবা মা গুরুতরভাবে আহত হন। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় বলে জানা গেছে।

20-05-2018 04:14:58 pm

দুদিনের বিরামে পুনঃবন্যায় রাজ্যের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

আগরতলা ২০ মে (এ.এন.ই): রাজধানীর পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা টানা ৪ ঘণ্টার বর্ষণে ব্যাপকভাবে প্লাবিত হয়েছে। আগরতলা শহর সহ বহু নতুন এলাকায় জল দারিয়ে গেছে। দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় যান বাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। জলমগ্ন এলাকা গুলি থেকে দুর্গতদের সরিয়ে আনা হয়েছে। রবিবার ভোর ৩টা থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণ সকাল ৬ টা থেকে ৬.৩০ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। ফলে জলমগ্ন হয়ে পরে বহু এলাকা। রাজ্যের অন্যান্য এলাকাতেই অনুরূপ বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে বহু এলাকা। রাজধানী আগরতলায় দুপুরের পর জনজীবন স্বাভাবিক হয়। তবে যান চলাচল শুরু হয়। তবে বহু এলাকায় এখনো জলমগ্ন। রাজ্যের ঐতিহাসিক স্মৃতি বিজড়িত তীর্থক্ষেত্র চতুর্দশ দেবতার মন্দির সম্পূর্ণভাবে জলমগ্ন হয়ে পরেছে। দুর্গতদের সাহায্যের জন্য হাত বারিয়ে দিয়েছে রাজ্য প্রশাসন। মাত্র দুদিনের ব্যবধানে এই পুনরায় বন্যায় রাজ্যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে রাজ্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

20-05-2018 03:41:20 pm

কংগ্রেসের প্রভাবহীন আন্দোলন কর্মসূচি

আগরতলা ১৭ মে (এ.এন.ই): রাজ্য সরকারী জমিতে গড়ে উঠা রাজনৈতিক দলগুলির অফিস বাড়ি ভেঙ্গে দেওয়ার প্রতিবাদে সামিল হয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেস বৃহস্পতিবার আক্রোশ অভিযান নাম দিয়ে প্রতিবাদ সংগঠিত করে। রাজ্য সরকার সম্প্রতি ঘোষণা দিয়ে একের পর এক রাজনৈতিক দলের অবৈধ বাড়ি ভেঙ্গে দিচ্ছে। সরকারী জমিতে কোন রাজনৈতিক দলেরেই বাড়ি থাকতে দেওয়া হচ্ছেনা। বুল ডোজার দিয়ে এই ধরনের বাড়ি গুলি ভেঙ্গে দেওয়া হচ্ছে। পূর্বেই কংগ্রেস এর প্রতিবাদ করেছে। যদিও সিপিআইএম ও এর প্রতিবাদ করেছেন। কিন্তু এখনো পথে নামেনি। কংগ্রেস এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছে। পূর্বে ঘোষনা মতে বৃহস্পতিবার কংগ্রেস আগরতলা শহর এবং রাজ্যে বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ, বিক্ষোভ সংগঠিত করে। এর নাম দেওয়া হয়েছে আক্রোশ অভিযান। পরে রাজধানীতে এই আন্দোলন আইন অমান্যের রূপ নিলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরজীৎ সিনহা সহ বেশ কয়েক জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সারা রাজ্যে এই কর্মসূচিতে বিশেষ বেশ প্রভাব পরেনি বলে জানা গেছে।

17-05-2018 07:03:12 pm

বিদ্যুৎ সম্প্রসারণে কেন্দ্রের সবধরনের সহযোগীতার আশ্বাস ত্রিপুরাকে

আগরতলা ১৭ মে (এ.এন.ই): রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা বিদ্যুৎমন্ত্রী যিষ্ণু দেববর্মণের সঙ্গে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী আর পি সিংএর দীর্ঘ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে রাজ্যের বেশ কিছু প্রকল্পের অনুমোদন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। দিল্লিতে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎমন্ত্রী আইপি সিং এর সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আলোচনা রূপায়নে এবং বিদ্যুৎ পরিষেবা সম্প্রসারণের জন্য কেন্দ্রীয় সহায়তা দাবি করেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী যিষ্ণূ দেববর্মণ। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বকেয়া অর্থ দ্রুত পরিষেবার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে দাবি জানানো হয়। আলোচনাকালে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকদের উপস্থিত ছিলেন। পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্রুত অনুমোদিত অর্থ মিটিয়ে দেবার আশ্বাস দেন। আলোচনাকালে উত্তরপূর্বাঞ্চলের রাজ্য গুলি থেকে কেনা বিদ্যুতের মূল্য হ্রাস করার দাবি জানায় রাজ্য 'উপমুখ্যমন্ত্রী যিষ্ণু দেববর্মণ। উপমুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয়মন্ত্রী কে জানান, বঙ্গাইগাও থেকে বিদ্যুৎ যে মুল্যে কেনা হচ্ছে তা রাজ্যের জন্য খুবই বেশি। এই বিদ্যুতের মূল্য হ্রাস করা হলে রাজ্যে বিদ্যুৎ সম্প্রসারণ প্রকল্পের জন্য রূপায়নে যথেষ্ট সহায়ক হবে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, গন্ডাছরা ১৩২ কেজি বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা এখনো সম্ভব হচ্ছেনা। কারণ এক্ষত্রে আর্থিক পাশাপাশি বনমন্ত্রকের অনুমোদনও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই জটিলতা রয়েছে। জটিলতা কাটিয়ে উঠার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের তরফে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব গেছে। কিন্তু তা এখন কার্যকর হয়নি। কেন্দ্রীয়মন্ত্রী আরপি সিং এই উপমুখ্যমন্ত্রী বক্তব শুনে এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। বঙ্গাইগাও থেকে রাজ্য বিদ্যুৎ কিনে নিচ্ছে তার মূল্য হ্রাস করা এবং ১৩২ কেজি লাইনের জন্য দ্রুত অর্থ বরাদ্দ করা এবং বনমন্ত্রকের সঙ্গে পর্যালোচনা ক্রমে কাজ শুরুর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে উপমুখ্যমন্ত্রী টেলিফোনে জানিয়েছেন।

17-05-2018 06:05:49 pm

আবার আইপিএফটি'র সমর্থকদের উন্মত্ত আচরণ

আগরতলা ১৭ মে (এ.এন.ই): রাজ্যের ক্ষমতাসীন বিজেপির শরিক দল আইপিএফটির কর্মীরা ক্রমশই প্রশাসনের সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বুধবারের পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর এখন আবার সমস্যা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। জানা গেছে, আইপিএফটির কর্মী সমর্থকরা পুনরায় উশৃঙ্খল আচরণ শুরু করেছে। ঘেরাও করে রাখা হয়েছে কিল্লার ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের কার্যালয়। কার্যালয়ে আগত সমস্ত কর্মীদের সঙ্গে দু-ব্যবহার করেছে আইপিএফটির কর্মী সমর্থকরা। পরে তাদের অফিস থেকেও বের করা হয়। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকা উত্তেজনা ছড়িয়েছে। প্রচুর সংখ্যক সুরক্ষা কর্মীকে এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন। জানা গেছে, আচমকাই আইপিএফটির উন্মত্ত সমর্থকরা দলের পতাকা সহ ব্লক কার্যালয় চত্বরে এসে হাজির হয়। এবং উত্তেজনা বাধিয়ে দেয়। কার্যালয় ঘেরাও করে কোন ধরনের অনুমতি ছারাই ভিতরে ঢুকে পরে। কার্যালয় ভিতরে ঢুকে পরে কর্মকাণ্ডে বাধাদান করা হয়। একই সঙ্গে চলতে থাকে দু-ব্যবহারও। এরপর সমস্ত কর্মচারী ও আধিকারিকদের কার্যালয় থেকে বের করে দেওয়া হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে, বুধবারই রাতে আইপিএফটির কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকের পর ব্লক উপদেষ্টা কমিটিও চেয়ারম্যান পদ নিয়ে চলতি অচলাবস্থায় সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হয় এবং যে কোন ধরনের সমস্যা নিরসনের সরকারি প্রক্রিয়ার সহযোগিতার আশ্বাস দেন। যদিও সেদিন সারা রাজ্যে সংঘর্ষের কোন ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার আবার অনুরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ায় প্রশাসনের দুশ্চিন্তা বেরে গেছে।

17-05-2018 06:01:38 pm

রাজ্যের বিভিন্ন জনজাতি প্রধান এলাকায় উত্তেজনা চরমে

আগরতলা ১৫ মে (এ.এন.ই): শান্তিরবাজার সখিরাম বাড়ি এবং সাব্রমের শাপ বাড়িতে আইপিএফটি পথ অবরোধ করে দিয়েছে। জাতীয় সড়ক অবরোধের ফলে দক্ষিন জেলা সমগ্র রাজ্য থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পরেছে। পরিস্থিতি খুবই উত্তপ্ত বলে জানা গেছে। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গেছে, পরিকল্পনা মাফিক অবরোধ সংগঠিত করা হয়। ভোর ৫টায় অবরোধ করার চেস্টা শুরু হয়। যদিও সুরক্ষা বাহিনীর কাছে আগাম খবর থাকায় তৎক্ষনে আইপিএফটির কর্মীসমর্থকদের পথে বসতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ যথেস্ট ধর্য্য সহকারে পরিস্থিতি মোকাবেলার চেস্টা করছে। জানা গেছে, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনার সৃস্টির চেস্টা চলছে। সোমবার চাম্পাহাউরর থানায় অবরোধ করেছিল আইপিএফটির সমর্থকরা। এমনকি থানায় ভাঙচুরও চালানো হয়। মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে সে ধরনের চেস্টা জারি আছে। তবে পুলিশ এবং অনান্য সুরক্ষা বাহিনী যথেস্ট ধর্য্যের সঙ্গে সুচিন্তিত ভাবে পরিস্থিতির মোকাবেলার চেস্টা করছে। প্রত্যন্ত এলাকার থানা গুলির বাইরে সুরক্ষা বলয় তৈরী করা হয়েছে। রাজ্যের উপজাতি প্রধান এলাকাগুলিতে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক হারে সুরক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি রাজনৈতিক ভাবে সম্ভাব্য সবধরনের পরিস্থিতির মোকাবেলার জন্য তৈরি হচ্ছে। যে কোন সময় আইপিএফটির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যেতে পাড়ার আশঙ্খায় পার্টির স্থানীয় নেতাদেরও সেইভাবে তৈরি থাকতে বলা হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে আইপিএফটি কি ধরনের পদক্ষেপ নেবে তা এখনো স্পস্ট নয়।

15-05-2018 03:58:49 pm

জোট ইস্যুতে আবার মুখ্যমন্ত্রী ডাকিয়ে আনলেন রাজস্বমন্ত্রীকে

আগরতলা ১৫ মে (এ.এন.ই): রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে আইপিএফটি সমর্থকদের উশৃঙ্খল আচরণ, রাস্তা অবরোধ ইত্যাদির পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব আবার রাজস্বমন্ত্রী নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মাকে তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠিয়েছেন। উভয়ের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ ধরে আলাপ আলোচনা চলে। রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় আইপিএফটির চলতি অবরোধে হাঙ্গামা, ভাঙচুর ইত্যাদি বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। আলোচনা কালে বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পর্কে এবং তার নিষ্পত্তির বিভিন্ন পন্থা পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজস্বমন্ত্রী তথা আইপিএফটির সভাপতি নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এসব হাঙ্গামা আজকের বিকেলের মধ্যে শেষ করতে হবে অন্যথায় বিজেপি একতরফা সম্পর্ক ছিন্ন করে দিতে বাধ্য হবে। বিজেপি জনগণের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আইপিএফটি জনদূর্ভোগ বৃদ্ধি করছে। আর এই পরিস্থিতিতে সরকার কোন ভাবেই এসব চালিয়ে যেতে নারাজ। যে কোন অবস্থায় জনদূর্ভোগ প্রতিহত করা হবে। এনিয়ে কোন ধরনের সমঝোতা হবেনা। আলোচনায় হতে পারে বিভিন্ন বিষয়ে। আলোচনার পথ খোলা আছে। কিন্তু কোন ভাবেই চাপ সৃষ্টি করার অনৈতিক প্রচেষ্টা বরদাস্ত করা হবেনা। রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, এনসি দেববর্মা মুখ্যমন্ত্রীর ;কক্ষ থেকে বেরিয়ে গিয়ে মন্ত্রীসভার আইপিএফটির অপর সদস্য তথা আইপিএফটির সাধারণ সম্পাদক মেবার কুমার জামাতিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলাপ আলোচনা করেছেন। আগামী কয়েকঘন্টা সংশ্লিষ্ট বিষয় যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

15-05-2018 03:41:19 pm

কর্নাটকের জয়ে কৃতিত্ব নরেন্দ্রমোদী ও অমিত শাহকে দিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

আগরতলা ১৫ মে (এ.এন.ই): কর্ণাটকে নির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক জয়কে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাফল্য বলে ব্যক্ষ্যা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। তার মতে কংগ্রেস জাত পাতের রাজনীতি করতে গিয়ে আরো বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে এনেছে। কর্ণাটকে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব বলেন, কর্ণাটকের মানুষ কংগ্রেসের অপশাসনে অতিষ্ঠ হয়ে পরেছিলেন। মানুষ এখন সবকিছু দ্রুত জেনে নিতে পারে। কেন্দ্রের সরকার কি চাইছে এবং ;রাজ্যের সরকার গুলি কিভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে তা আগের মতো তার গোপন করে রাখার পথ নেই। এখন দ্রুত মানুষ সব তথ্য জেনে যেতে পারেন। তিনি বলেন, কর্ণাটকের জনতা ভোট দিয়েছেন কংগ্রেসের নীতির বিরুদ্ধে। এরাজ্যেও তারা জাত পাতের কার্ড নিয়ে ময়দানে নেমেছিল। কিন্তু বিজেপির পথে উন্নয়ন আর রাষ্ট্রভিত্তিক ভিন্ন অন্য কোন বিষয়ই ছিলনা। ফলে জনগণ বিজেপিকেই পছন্দ করেছে। তিনি আরো বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দূরদর্শী পদক্ষেপ এহবং জনমুখি কর্মসূচি। অন্যদিকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের রণনীতির কাছে পযদুস্থ হয়েছে কংগ্রেস। কংগ্রেস এখন মাত্র দুইটি রাজ্যে তাদের অস্তিত্ব রয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে এটা তাদের জন্য বড় বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন এই জয়ের ফলে সারা দেশেই উন্নয়ন কর্মসূচিতে আরো গতি আসবে এবং জাতীয়তাবাদী শক্তির হাত আরো শক্তিশালী হবে।

15-05-2018 03:02:37 pm

বিজেপির আইপিএফটি জোট ভাঙ্গার সম্ভাবনা

আগরতলা ১৫ মে (এ.এন.ই): আইপিএফটির সঙ্গে বিজেপির জোট ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ এবং হুজ্জতি বন্ধ করার জন্য আইপিএফটির সভাপতি নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মাকে সময় বেধে দিয়েছেন। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় আইপিএফটি নানা ধরনের হুজুতি, ঘেরাও এবং থানা দখলের মত অপচেষ্টা শুরু করেছে। এই অবস্থায় রাজ্য বিজেপি সভাপতি তথা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবের কড়া বার্তা যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক বলে মনে করা হচ্ছে। এই অবস্থায় যে ;কোন সময় জোট ভেঙ্গে যেতে পারে। যদিও বিভিন্ন এলাকায় যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে। জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে চলতি অশান্তির পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব রাজ্যের রাজস্বমন্ত্রী তথা আইপিএফটির সভাপতি এনসি দেববর্মাকে ডেকে এনে এই কড়া বার্তা দিয়ে দিয়েছেন। ব্লক উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান ঘোষনারপর থেকে আইপিএফটি বিভিন্ন এলাকায় টানা সংঘর্ষ শুরু করেছে। এতে বিজেপির বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এর আগেইও অনুরূপ সংঘর্ষ হয়েছে। এমনকি বিজেপির বিধায়কের উপরেও হামলা সংগঠিত কড়া হয়। এই অবস্থায় বিজেপি কড়া অবস্থান নিয়েছে। জানা গেছে, রাজ্যের বিজেপির সভাপতি তথা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব আইপিএফটির সভাপতি তথা রাজস্বমন্ত্রী এনসি দেববর্মাকে দুদিনের সময় বেধে দিয়েছেন সন্ত্রাস বন্ধ করার জন্য। অন্যথায় আইপিএফটির সঙ্গে বিজেপি জোট ছিন্ন করে দেবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় বিজেপি আইপিএফটি জোট নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। যে কোন সময় জোট ভাঙ্গনের ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। তবে এতে বিজেপি পরিচালিত সরকারের উপর কোন সংকট আসবে না। কারণ বিজেপির নিরঙ্কুশ সংখ্যা ঘরিস্টতা রয়েছে।

15-05-2018 12:28:08 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.