BREAKING NEWS
রাজ্যে ভোট ১৮ই ফেব্রুয়ারি। গণনা ৩ মার্চ


  • নির্বাচন ঘোষণা অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখে দারিয়ে বাম নেতৃত্ব
  • সিপিআইএম থেকে বেরিয়েই বিস্ফোরক মন্তব্য নৃপেন সঙ্গী
  • ভুয়ো ভোটার নিয়ে পুনরায় নির্বাচন কমিশনে যাবে বিজেপি
  • রাজ্যে ভোট ১৮ই ফেব্রুয়ারি। গণনা ৩ মার্চ
  • http://www.agartalanewsexpress.com/news/topfive/get.php?id=1663
  • আইপিএফটির সঙ্গে জোট নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা গুয়াহাটিতে বৃহস্পতিবার
  • নির্বাচন ঘোষনার দিন বিজয় প্রতিজ্ঞা দিবস পালন বিজেপি
  • ত্রিপুরায় অনুসুচিত জাতি আইনের প্রয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের স্পষ্টীকরণ
  • ত্রিপুরায় কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা গোপন রাখার চেষ্টা
  • রাজ্যে দুটি পৃথক ঘটনায় মৃত ১, আহত ১
  • সরকারি উদ্যোগে তপশিলি জাতি অংশের উপর অত্যাচারের ঘটনা লোকানোর চেষ্টা
  • পলিট ব্যুরোর সদস্যরাই ত্রিপুরায় বিধানসভা নির্বাচনে সিপিআইএমের তারকা প্রচারক
  • তেলিয়ামুড়ার সিআইটিইউ পার্টি অফিসে অগ্নিসংযোগ
  • ভি ভি পেট নিয়ে পোলিং স্টেশনে স্টেশনে ভোটারদের নয়ে চলছে ভোটদানের মোহরা তেলিয়ামুড়ায়।
  • টেট উত্তীর্ণদের বিষয়ে নমনীয় সরকার, ১০,৩২৩ নিয়ে বিপাকে
  • চিটফান্ড ইস্যুতে ত্রিপুরায় ধেয়ে আসছে সিবিআই
  • রাজ্যে আবার বিজেপি কর্মী খুন, ধৃত অভিযুক্ত
  • ত্রিপুরায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকার উদাসিনঃ কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী
  • ইজরাইল ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারকে সিপিআইএমের আক্রমণ
  • রাজনাথ সিং এর সঙ্গে অজিত দোভাল এবং কৃষ্ণ গোপালজির বৈঠক ঘিরে সিপিআইএমের তীব্র প্রতিক্রিয়া
  • ৪০ মাদ্রাসা শিক্ষকের বকেয়া টাকা মেটাচ্ছেন বিজেপির সভাপতি
  • সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতির সাংবাদিক সম্মেলনে কারোর মুখ না খোলাই শ্রেয় বললেন বার কাউন্সিল অফ ত্রিপুরার চেয়ারম্যান
  • রাজধানী আগরতলা থেকে প্রকাশ্যে টাকা ছিনতাই
  • নির্বাচনী কাজে দায়িত্ব প্রাপ্তদের মধ্যে ব্যাপক রদবদলের এবং দায়িত্ব চ্যুতির সম্ভাবনা
  • ভুয়ো ভোটার নিয়ে তৎপর নির্বাচন কমিশন

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

টপ ফাইভ

নির্বাচন ঘোষণা অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখে দারিয়ে বাম নেতৃত্ব

আগরতলা, ১৮ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): আজ ঠিক এক মাস বাদে রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন হতে চলেছে। একাদশ বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী মার্চ মাসেই। তার আগে পুর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে দ্বাদশ গঠনের জন্য নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী নির্ঘণ্ট [ঘোষণা করে দিয়েছে। ৩ মার্চ ফলাফল বেরিয়ে আসবে। জনমত কার পক্ষে যাচ্ছে তার জন্য অবশ্যই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে থাকতে হবে। ১৮ ফেব্রুয়ারি মত দানের পর ৩ মার্চ গণনা হবে। আর এই দিনই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সব স্পষ্ট হয়ে যাবে পরিবর্তন না প্রত্যাবর্তন। বিভিন্ন দিক থেকে ত্রিপুরার এই বিধানসভা নির্বাচন জাতীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে যথেষ্ট তাপর্যপূর্ণ। উত্তর পূর্বাঞ্চলের দিকে বিজেপি আরো আগেই তাদের দৃষ্টি নিক্ষেপ করেছে। কারণ সাংগঠনিক শক্তি মজবুত করার ক্ষেত্রে উত্তর পূর্বাঞ্চল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চল। আর এই ক্ষেত্রে ত্রিপুরা সম্ভাবনাময় একটি রাজ্য। উত্তর পূর্বাঞ্চল বিশেষ করে ত্রিপুরা জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষেত্রেও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ফলে বিজেপি যে কোন ভাবেই এই রাজ্যটিকে তাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে আগ্রহী। শুধু তাই নয় জাতীয় রাজনীতিতে সংখ্যা গত দিক থেকে সিপিআইএম তথা বাম মোর্চা অপ্রাসঙ্গিক হলেও মোদী সরকার বিরোধী যেকোন আন্দোলন এবং বিরোধী ঐক্য জোট গড়ার ক্ষেত্রে বামেদের বড় ভূমিকা থাকে। সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট বিভিন্নক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে। আবার রাষ্ট্রতত্ব নিয়েও বিজেপির অবস্থানকে বারংবার এও প্রতিপন্ন করছে বামেরা। ফলে এরাজ্যেটিকে বিজেপির অনুকূলে এলে বামেদের আরো দুর্বল করার চেষ্টা রয়েছে। অন্যদিকে সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্টের জন্যও এই নির্বাচন যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ত্রিপুরা হাত ছাড়া হলে বামেদের ভীত নড়ে যাবে। জাতীয় ক্ষেত্রে পার্টি আরো অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরবে। এতদিন ত্রিপুরাকে বিকল্পের মডেল বলে সাড়া দেশে প্রচার করেছে বামেরা। আর এক্ষেত্রে বিপর্যয় হলে জাতীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের কোন ভূমিকাই নিতে পারবে না বামেরা। অন্যদিকে এক সময়ে ত্রিপুরার বিজেপি দল হিসাবে থাকা কংগ্রেস জাতীয় ক্ষেত্রের মতই ত্রিপুরাকে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। কংগ্রেসের সিংহ ভাগ নেতা দল ছেড়ে বিজেপিতে সামিল হয়ে গেছেন। জনাকয়েক নেতা এখন কংগ্রেসের হাল ধরে রেখেছেন। প্রদেশ কংগ্রেসের মূল লক্ষ্য বিজেপিকে ক্ষমতায় আসা থেকে রুখে দেওয়া ফলে সিপিআইএম এর সঙ্গে সে অর্থে এখন বিবাদে নেই বললে চলে। বর্তমান রাজনীতির পরিস্থিতিতে ত্রিপুরার জনমত প্রকৃতপক্ষে দুটি ভাগে আড়াআড়ি ভাবে বিভক্ত হয়ে গেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারনা। ত্রিপুরায় কংগ্রেস অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পরার পর জনমত বাম এবং অবাম দুটি ভাগে বিভক্ত হয়েগেছে। অবাম শিবিরে নেতৃত্বে রয়েছে বিজেপি। আপাতত দৃষ্টিতে এবারই প্রথম নির্বাচনী প্রচারাভিযানে ক্ষমতাসীন সিপিআইএম এর তুলনায় বিজেপি প্রচারে বহুগুণ এগিয়ে গেছে। ইতিপূর্বেই কখনোই রাজ্যে এধরনের পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যায়নি। ১৯৭৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ত্রিপুরায় বামেদের আধিপত্য বহাল রয়েছে। যদিও ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত ৫ বছর কংগ্রেস তৎকালীন আঞ্চলিক দল ত্রিপুরা উপজাতি যুব সমিতির সঙ্গে আঁতাত করে ক্ষমতার স্বাদ ভোগ করে। কিন্তু ১৯৯৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জোট সরকারের পতন হয়। এরপর থেকে বামেরা প্রতিটি নির্বাচনে তাদের আসন সংখ্যা এবং প্রাপ্ত ভোটের হারে মাত্রা বৃদ্ধি করে নিয়েছে। একেই সঙ্গে সক্রিয় সমাজব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা দিতে পার্টির কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩ বিধানসভা নির্বাচনের পর পাঁচ বছর মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন দশরথ দেব। তারপর থেকেই মানিক সরকার মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসছে। ক্রমেই ত্রিপুরা বামেদের এক অভেদ্য দুর্গে পরিণত হয়। সমাজে সর্বস্তরে এমনকি সাংস্কৃতিক জগ্য, শিক্ষা সর্বোপরি পারিবারিক জীবনে বামপন্থি আদর্শ বিস্তর প্রভাব পরিলক্ষিত হতে থাকে। কিন্তু ২০১৩ লোকসভা নির্বাচনের পর জাতীয় ক্ষেত্রে বিজেপির উত্থানে ব্যাপক প্রভাব পরে এরাজ্যেও। ইতিপূর্বে ২০০৩ সালের নির্বাচনে বিজেপি সর্বাধিক ভোট পেয়েছিল। যদিও ৭টি কেন্দ্রের একটিও জামানত রক্ষা করতে পারেনি। কিন্তু দিল্লিতে প্রথম এনডিএ সরকার থাকায় তার স্পষ্ট প্রভাব পরে। কিন্তু ২০১৩ লোকসভার নির্বাচনের পর থেকে ত্রিপুরায় কার্যত বিজেপির ঝড় উঠতে থাকে। দিল্লিতে মোদী সরকার গঠনের পর বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্ব উত্তর পূর্বাঞ্চলের দিকে বিশেষ নজর দেয়। এবং কংগ্রেসের পাশাপাশি কমিউনিস্ট মুক্ত ভারত গড়ার লক্ষে এক যুবনেতাকে দিল্লি থেকে ত্রিপুরাতে পাঠায়। ত্রিপুরায় শিক্ষা সম্পূর্ণ করে এই যুবক দীর্ঘ সময় ধরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের দিল্লিস্থিত কার্যালয়ে থাকতেন। পরে বিজেপির পার্টির নেতা গোবিন্দ চারিয়ার সঙ্গে বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরতে থাকেন। পরবর্তী পর্যায়ে তিনি বিজেপির বিভিন্ন দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। এই যুবনেতা বিপ্লব কুমার দেবকে ত্রিপুরায় পাঠানো হয়। এবং কিছু দিনের মধ্যে তাকে রাজ্য সভাপতিও করে দেওয়া হয়। ২০১৩ লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদীর প্রচার প্রমুখ সুনীল দেওধরকে ত্রিপুরা প্রভারী করা হয়। এরপর থেকেই বিজেপিতে জোয়ার আসে। ইতিপূর্বেই বাম বিরোধী সমস্ত শিবির তছনছ করে দেয় বিজেপি। বহুদলের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়। তৃতীয় পর্যায়ে দীর্ঘদিনের ক্ষমতা থাকার ফলে সিপিআইএম সৃষ্ট বিক্ষুব্ধদেরও বিজেপি নিজেদের দলে সামিল করতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে বাম বিরোধী জোট বিভাজনের সম্ভাবনা শূন্যের কোঠায় পৌঁছে যাওয়ায় সিপিআইএম বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পরে। অন্যদিকে বিজেপি এমন সাংগঠনিক কাঠামো তৈরি করে যা ত্রিপুরায় ইতিপূর্বে কখনই কোন বিরোধী দলের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তবে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকার ফলে সিপিআইএম এর শক্তি এখনো যথেষ্ট বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। কারণ সিপিআইএম এর কাছে প্রশাসনিক ক্ষমতা রয়েছে। আর এই ক্ষমতা জনগণের ভোটের নিদর্শনে যথেষ্ট সহায়ক বলে মনে করা হয়। দীর্ঘ শাসনে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের আধিকারিক নিয়োগ তাদের কর্মস্থল নির্ধারণে ক্ষেত্রে পার্টি বড় ধরনের ভূমিকা নিয়েছে। আর নির্বাচনে এর প্রভাব কোন ভাবেই কাটিয়ে উঠা সহজ নয়। ফলে বিগত পাঁচটি বিধানসভা নির্বাচনে তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস ক্রমাগত তাদের শক্তি হারিয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি অবশ্য কিছুটা আলাদা। আর সিপিআইএম নেতারাও সরাসরি এবিষয়টি স্বীকার করে নিচ্ছেন। তবুও দেশের শীর্ষের বাম নেতারা রাজ্যে আসতে শুরু করেছেন। সিপিআইএম প্রচারের মুল বিষয় রাজ্যে শান্তি সম্প্রীতি বহাল রাখা। তারা সর্বোপরি কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনাই নির্বাচনী প্রচারাভিযানে মুল ইস্যু। কিন্তু বিজেপি নির্বাচনে উন্নয়নকে হাতিয়ার করেছে। ত্রিপুরায় গরিবি, আইনি শৃঙ্খলার 'অবনতি, মহিলাদের উপর অত্যাচার, বেকারত্ব এবং সিপিআইএম এর তথাকথিত ক্যাডার সন্ত্রাসকেই নির্বাচনের মূল ইস্যু করেছে। ইতিমধ্যেই নির্বাচনের প্রচারে সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ ত্রিপুরা ঘুরে গেছেন। ৩১ জানুয়ারি প্রথম দফা সফরে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আসবেন বিজেপি শাসিত প্রত্যেকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে সিপিআইএম এর পলিট ব্যুরো সকল সদস্য ত্রিপুরার নির্বাচন প্রচারে নামছেন। ফলে আগামী কয়েকদিনে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। যদিও রাজনৈতিক সন্ত্রাসে বেশ কয়েকটি ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। সাংবাদিক হত্যাকাণ্ড এবং বিজেপি কর্মীদের খুনের পর আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও যথেষ্ট চ্যালেঞ্জের মুখে এসে ঠেকেছে। ফলে ইতিপূর্বে কখনই সিপিআইএম ত্রিপুরায় এত বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েনি। চিটফান্ড 'কেলেঙ্কারি সহ একাধিক কেলেঙ্কারি পার্টির জন্য সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু সাংগঠনিক ভিতের উপর দাড়িয়ে সিপিআইএম প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে ইতিবাচক রাখছে। কিন্তু দুর্নীতি, খুন, সন্ত্রাস, বেকারত্ব, নারী নির্যাতন ইত্যাদিকে সামনে রেখে কেন্দ্রের সরকারে থাকা সব সুযোগ নিয়ে বিজেপি পরিবর্তনের ঝড় তুলছে সাড়া রাজ্যে।

18-01-2018 07:04:22 pm

রাজ্যে ভোট ১৮ই ফেব্রুয়ারি। গণনা ৩ মার্চ

রাজ্যে ভোট ১৮ই ফেব্রুয়ারি। গণনা ৩ মার্চ

18-01-2018 01:31:00 pm

আইপিএফটির সঙ্গে জোট নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা গুয়াহাটিতে বৃহস্পতিবার

আগরতলা, ১৭ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): ত্রিপুরায় উপজাতিক ভিত্তিক রাজনৈতিক দল আইপিএফটির সঙ্গে বিজেপির জোট গঠনের প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছে। বৃহস্পতিবার গুয়াহাটিতে জোটের প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত রূপ দেওয়া হবে। ত্রিপুরার নির্বাচনী প্রভারী তথা আসামের অর্থমন্ত্রী ডঃ হিমন্ত বিশ্ব-শর্মা বুধবার রাজ্যে সরকারী অতিথিশালায় আইপিএফটির নেতাদের নিয়ে বেশ কয়েক দফা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে আইপিএফটির নেতাদের বিভিন্ন বিষয়ে বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। কোন অবস্থাতেই [বিজেপির সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে জোট করা সম্ভব হবেনা বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, জোট হবে উপজাতিদের আর্থসামাজিক, সংস্কৃতি এবং ভাষাগত মান উন্নয়নের বিষয়টিকে সমর্থনে এর বাইরে অন্য কোন রাজনৈতিক ইস্যু জোটের শর্তে থাকছে না। প্রত্যেকটি রাজনৈতিকদলের আদর্শ কর্মসূচি থাকে আর সেঅনুযায়ী সকলই তাদের কর্মসূচি রূপায়নে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর প্রকাশ্যে আনা হবে কিছুই গোপন রাখা হবে না। তিনি জানান গুয়াহাটিতে আইপিএফটি এবং বিজেপির প্রতিনিধিরা বৃহস্পতিবার যাচ্ছেন। সেখানে জোটের বিষয়গুলি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আর ঐকমতে পৌছনোর পরেই আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনা হবে বলে তিনি জানান।

17-01-2018 08:01:12 pm

নির্বাচন ঘোষনার দিন বিজয় প্রতিজ্ঞা দিবস পালন বিজেপি

আগরতলা, ১৭ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের জন্য সঠিক প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছে বিজেপি। নির্বাচন ঘোষনার সঙ্গে সঙ্গে সাড়া রাজ্যে এযোগে প্রতিটি বুথে বিজয় প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করবে বিজেপির সকল স্তরের নেতা কর্মীরা। ত্রিপুরায় এসে ধারাবাহিক কয়েকটি পর্যায়ের বৈঠকের পর ত্রিপুরা নির্বাচনী প্রভারী তথা আসামের অর্থমন্ত্রী ডঃ হিমন্ত বিশ্ব-শর্মা বলেন নির্বাচনের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত বিজেপি। প্রার্থী তালিকা থেকে শুরু করে সবই চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা সিপিআইএম এর অপশাসন অবসানের। যেকোন দিন নির্বাচ ঘোষনা হতে পারে। আর বিজেপির সকল স্তরের নেতা কর্মীদের তৈরী হবার নির্দেশ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যেদিন নির্বাচন ঘোষনা হউক না কেন ঠিক সেই দিনই সেই মূহুর্ত্ত থেকে বিজেপি সাড়া রাজ্যে বিজয় প্রতিজ্ঞা দিবস পালন করবে।সাড়া রাজ্যে প্রত্যেকটি বুথে কর্মীরা একযোগে সিপিআইএম এ\র অপশাসনের অবসানের বিজয় প্রতিজ্ঞা গ্রহণ \করবে। পার্টির প্রথম সারির নেতারা নির্বাচনী প্রচারে আসবেন। তারা এসে জনগনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কও করবেন। তিনি বলেন, বিজেপি নিশ্চিত নির্বাচনে জয় \হবেই। জনগন আর এক মুহুর্ত এই সরকারকে চাইছে না। জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে এই রাজ্যে।

17-01-2018 08:00:11 pm

জঙ্গি মোকাবিলায় সোশ্যাল মিডিয়াতেও পর্যাপ্ত নজরদারি চালাতে হবে : সেনাপ্রধান রাওয়াত

নয়াদিল্লি, ১৭ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): জঙ্গিদের মোকাবিলা করতে ইন্টারনেট তথা সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরদারি চালানোর ইঙ্গিত দিলেন দেশের সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইন্টারনেটকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলি নিজেদের প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তাই ইন্টারনেটসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় উপর কিছু ক্ষেত্রে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। নয়াদিল্লিতে রাষ্ট্রপতি ভবনে রাইসিনা ২০১৮ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বুধবার এ কথা বলেন চিফ অফ আর্মি স্টাফ জেনারেল রাওয়াত। তাঁর কথায়, বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনগুলি সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করে দেশের যুবাদের মগজধোলাই করছে, সন্ত্রাসে ইন্ধন দিচ্ছে। জঙ্গিদের এই বিপজ্জনক প্রবণতা রুখতে ইন্টারনেটে নজরদারি চালানো প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। তিনি এও জানান, এর ফলে অনেকেই হয়তো ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলবেন। জেনারেল রাওয়াত তাই এই সিদ্ধান্ত দেশবাসীর উপরেই ছেড়েছেন। বলছেন, ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এই নিয়মের বিরুদ্ধে হয়তো অনেকেই প্রতিবাদ করবেন। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আপনারাই নিন। আপনারা সুরক্ষিত ও নিরাপদ পরিবেশ চান নাকি অবাধ স্বাধীনতা চান?’ শুধুমাত্র সম্মুখ সময়ই নয়, জঙ্গিদের মোকাবিলা করতে যে সোশ্যাল মিডিয়াতেও পর্যাপ্ত নজরদারি চালাতে হবে, সে কথা আগেও একাধিকবার বলেছেন রাওয়াত। কিন্তু এদিনের মতো চড়া সুর তাঁর গলায় আগে শোনা যায়নি বলেই মত প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের। বস্তুত, জম্মু ও কাশ্মীরে সোশ্যাল মিডিয়া ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে জঙ্গি নেতাদের একাংশ স্থানীয় যুব সম্প্রদায়কে ভারতের বিরুদ্ধে উসকাচ্ছে বলে আগেই রিপোর্ট দিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। নিজেদের আসল পরিচয় লুকিয়ে জঙ্গিরা নকল আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহার করে স্থানীয় যুবাদের মগজধোলাই করছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। নিয়মিত কাশ্মীরি যুবক ও যুবতীদের মোবাইলে পাঠানো হচ্ছে বিকৃত ভিডিও, জেহাদি কর্মকাণ্ডের দলিল। সেনার বিরুদ্ধে তাঁদের লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। জঙ্গিদের এই প্রবণতা রুখতেই এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় অবাধ বিচরণের উপর রাশ টানার ইঙ্গিত দিলেন সেনাপ্রধান। সন্ত্রাস প্রসঙ্গে আজ ভারতের কড়া অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট করেছেন জেনারেল রাওয়াত। বলেন, ‘জঙ্গিরা এখন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সীমান্তের এপারে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে। জঙ্গি ও জঙ্গিদের মদতদাতাদের শিকড় উপরে ফেলতে সেনা সদা সচেষ্ট।’ পরোক্ষে নাম না করে পাকিস্তানকেও হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন রাওয়াত। বললেন, ‘জঙ্গিদের আর্থিক মদত দিচ্ছে যে রাষ্ট্র, তাদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করতে হবে।’ তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, ‘জঙ্গিদের হাতে পারমাণবিক বা রাসায়নিক অস্ত্র পৌঁছে গেলে গোটা বিশ্বে মানবতাবাদ বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি দাঁড়াবে। জঙ্গি নিধনের পাশাপাশি জঙ্গিবাদমূলক কাজকর্মের উপর নজরদারি চালাতে সেনার হাতে আরও আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের প্রয়োজন বলে জোরাল সওয়াল করেছেন তিনি। সেনার জন্য নতুন ও উন্নতমানের অ্যাসল্ট রাইফেল, ব্যালিস্টিক হেলমেট ও বুলতপ্রুফ জ্যাকেট আসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জেনারেল রাওয়াত। বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব সম্পর্কে তিনি এদিন বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মহলের কাছে সন্ত্রাসবাদ কোনও নতুন কিছু নয়। কিন্তু সম্প্রতি সন্ত্রাসবাদ তার ধরণ এবং চরিত্র বদল করছে সেই বিষয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

17-01-2018 05:43:06 pm

ত্রিপুরায় অনুসুচিত জাতি আইনের প্রয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের স্পষ্টীকরণ

আগরতলা, ১৭ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): ত্রিপুরায় যেকোনো ফৌজদারি অভিযোগের ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর জাতিগত বিষয় পুলিশের অভিযোগের খাতায় উল্লেখ থাকে না বলে স্বীকার করেছেন রাজ্যের তপশিলি জাতি কল্যাণমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় তপশিলি উন্নয়ন কমিশন থেকে করা নির্দেশিকা আসার পর পাল্টা কেন্দ্রীয় সরকারকেই আক্রমণ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী। রাজ্য সচিবালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তপশিলি জাতি কল্যাণমন্ত্রী রতন ভৌমিক বলেন, এটা ঠিক যে যেকোনো অত্যাচারের পর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে থানায় অভিযোগকারীর জাতিগত বিষয়ের কোন উল্লেখ থাকে না। ত্রিপুরায় এটি করা হয়নি। আর এটাও ঠিক কোন অভিযোগের ক্ষেত্রে তপশিলি জাতি অংশের মানুষকে অত্যাচারের অভিযোগে কাউকে অভিযুক্ত করা হয়নি। কারণ এই রাজ্যে এধরনের কোন পরিস্থিতি নেই। এই রাজ্যে জাতিগত হিংসা কিংবা অনুসুচিত জাতির উপর অত্যাচারের কোন ঘটনাই ঘটেনি। উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ কিংবা বিহারের মত পরিস্থিতি এরাজ্যে নেই। তিনি আরো বলেন, অনুসুচিত জাতি অংশের কোন ব্যাক্তি অত্যাচারিত হলে তা জাতিগত কারণে হয়েছে এমনটা ঠিক নয়। এরাজ্যের পরিস্থিতি অনেক আলাদা। রাজনৈতিক সংঘর্ষ হয়েছে কিংবা সম্পত্তির কারণে কিংবা যেকোনো কারণেই হামলা পাল্টা হামলা হতে পারে। আর আক্রান্তরাও অনুসুচিত জাতি হতে পারে। কিন্তু এরাজ্যে জাতিগত কারণে কোন হামলা সংগঠিত হয়নি। এটা এরাজ্যের ঐতিহ্যে নেই। তবে তিনি জানান, কেন্দ্রীয় সরকার এবং তপশিলি জাতি উন্নয়ন কমিশনের নির্দেশেই এখন কেন্দ্রীয় নীতি রাজ্যে প্রযোজ্য হবে। রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে আগামীদিনে এই আইনের যথাযোগ্য প্রয়োগ করা হয়।

17-01-2018 05:22:04 pm

ভাল তালিবান খারাপ তালিবান বলে কিছু হয় না দাবি হুসেন হাক্কানি

নয়াদিল্লি, ১৭ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে মদত দেওয়ার ব্যাপারে পাকিস্তান নিজের অবস্থান এখনও স্পষ্ট করেনি। কিন্তু এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আমেরিকায় নিযুক্ত থাকা প্রাক্তন পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত হুসেন হাক্কানি। এই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভাল সন্ত্রাসবাদী এবং খারাপ সন্ত্রাসবাদী মানে আপনি কাউকে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য অনুমনি দিচ্ছেন। আর এটা সন্ত্রাসবাদকে বন্ধ করার জন্য করা হচ্ছে না। ভাল সন্ত্রাসবাদী বলে উল্টে তাদের কাজকে সমর্থন করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন ভাল এবং খারাপ তালিবান বলে কিছু নেই। রাইসিনা ডাইলগ – ২০১৮ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই কথাই বলেছেন। উল্লেখ্য, এর আগে নাম না করে এই সম্মেলনেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এক হাত নিয়েছিলেন সেনা প্রধান বিপিন রাওয়াত। রাইসিনা ডাইলগ – ২০১৮ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘যেসব রাষ্ট্র নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সন্ত্রাসবাদকে মদত দিয়ে আসছে তাদের চিহ্নিত করা দরকার। আর সংশ্লিষ্ট সেই সব দেশগুলির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রুখে দাঁড়ানো দরকার। তা না হলে সন্ত্রাসবাদ থাকবে।’ অন্যদিকে কিছুদিন আগে সন্ত্রাসবাদ দমনে পাকিস্তানের ব্যর্থতা নিয়ে সরব হন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

17-01-2018 04:06:37 pm

সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে পাকিস্তানের নিন্দায় মুখর সেনাপ্রধান রাওয়াত

নয়াদিল্লি, ১৭ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে নাম না করে পাকিস্তানের নিন্দায় মুখর হলেন সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত। দিল্লিতে আয়োজিত রায়সিনা ডায়লগ ২০১৮ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, 'যেসব রাষ্ট্র নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সন্ত্রাসবাদকে মদত দিয়ে আসছে তাদের চিহ্নিত করা দরকার। আর সংশ্লিষ্ট সেইসব দেশগুলির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ভাবে রুখে দাঁড়ানো দরকার। তা না হলে সন্ত্রাসবাদ থাকবে।' সন্ত্রাসবাদীদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করার প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদীরা অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক সীমারেখাকে অতিক্রম করে হিংসা ছড়িয়ে চলেছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলের কাছে যথেষ্ট উদ্বেগের। সন্ত্রাসবাদীদের হাতে যদি পরমাণু বোমা এবং রাসায়নিক অস্ত্র এসে যায় তবে মানবতার উপর ভয়াবহ প্রভাব পড়বে। ইন্টারনেট কে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলি নিজেদের প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করে সেনাপ্রধান বলেন, ‘ইন্টারনেটসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় উপর কিছু ক্ষেত্রে আমাদের নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। কিন্তু গণতান্ত্রিক দেশে সাধারণ মানুষ এই সিদ্ধান্ত মেনে নেবে না। কিন্তু নিরাপদ পরিবেশের জন্য সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করার জন্য অস্থায়ীভাবে ইন্টারনেটের উপর নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।’ বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মহলের কাছে সন্ত্রাসবাদ কোনও নতুন কিছু নয়। কিন্তু সম্প্রতি সন্ত্রাসবাদ তার ধরণ এবং চরিত্র বদল করছে সেই বিষয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

17-01-2018 04:03:56 pm

ত্রিপুরায় কৃষক আত্মহত্যার ঘটনা গোপন রাখার চেষ্টা

আগরতলা, ১৭ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): রাজ্য বিধানসভায় পেশ করা তথ্য অনুযায়ী এবং কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী আত্মহত্যার মাত্রা দেশের যেকোনো রাজ্যের তুলনায় জনসংখ্যার অনুপাতে ত্রিপুরায় সব থেকে বেশি। আত্মহত্যার এই সংখ্যার মধ্যে একটি বড় অংশ কৃষক রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন রাজ্য বিধানসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা রতন লাল নাথ। সাংবাদিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনাকালে রতন লাল নাথ বলেন, রাজ্যে আত্মহত্যার মাত্রা অন্য যেকোনো রাজ্যের তুলনায় বেশি। আত্মহত্যার এই সংখ্যার সংক্রান্ত বিষয়ে বিধানসভায় বিভিন্ন সময়ে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। বিরোধী দলের তরফে এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর জবাবও চাওয়া হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে রাজ্যের বেকার সমস্যা বামপন্থিদের দ্বারা সৃষ্ট সামাজিক অবস্থা আত্মহত্যার মূল কারণ। মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের আত্মহত্যার সংখ্যা বেশি। রতন লাল নাথ বলেন, ত্রিপুরায় কৃষকদের আত্মহত্যা নেই বলে সিপিআইএম প্রচার করে। অন্যান্য রাজ্যের ঘটনা তুলে ধরে নানা ভাবে রাজনৈতিক ফায়দা নেবার চেষ্টা করে। কিন্তু এসব তথ্য অবাস্তব। ত্রিপুরাতে কৃষকরা ব্যাপক হারে আত্মহত্যা করে। কিন্তু তা প্রকাশ্যে আসে না। আত্মহত্যার পর থানায় ঘটনা লিপিবদ্ধ করা হয়। অন্যান্য রাজ্যে মৃত ব্যাক্তির উপজীবিকা নথিভুক্ত থাকে। কিন্তু ত্রিপুরায় গঠনা লিপিবদ্ধ করার ক্ষেত্রে এই বিষয়টি উহ্য রাখা হয়। বিষয়টিকে ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন রাখা হয় যা অন্যান্য রাজ্যে কখনো হয় না। ত্রিপুরায় কৃষক আত্মহত্যার বিষয়টি সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন রাখে। ত্রিপুরায় ক্রমবর্ধমান আত্মহত্যার প্রবণতা নিয়ে বিধানসভায় বিস্তর আলোচনা হয়েছে। বিধায়ক রতন লাল নাথের তথ্য অনুযায়ী রাজ্যে প্রতিদিন কোথা না কোথাও আত্মহত্যার ঘটনা সংগঠিত হচ্ছে। যদিও রাজ্যের লোকসংখ্যা মাত্র ৩৬ লক্ষ।

17-01-2018 03:59:54 pm

ত্রিপুরায় কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকার উদাসিনঃ কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী

আগরতলা, ১৬ই জানুয়ারি (এ.এন.ই ): দিব্যাঙ্গদের নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গৃহীত কর্মসূচি রাজ্যে বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী বিজয় সামপ্লা। কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষিত প্রকল্প গুলি সম্পর্কে রাজ্য সরকারকে বিস্তারিত অবগত করা হলেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন ধরনের পদক্ষেপ কিংবা প্রস্তাব না পাঠানোর অভিযোগ তুলেছেন। গীতাঞ্জলী অতিথি শালায় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী বিজয় সামপ্লা বলেন, অনুসুচিতজাতি দিব্যাঙ্গদের নেশা মুক্তি প্রভৃতি বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত জানেন। এই সমস্ত ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার গত তিন বছরে বেশ কিছু কল্যাণমূলক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। কিন্তু এর কোন প্রভাব ত্রিপুরায় পড়েনি। এরাজ্যে দিব্যাঙ্গরা এই প্রকল্প গুলির মাধ্যমে উপকৃত হতে পারে। কিন্তু রাজ্য সরকার এসব এক্ষেত্রে অনীহা দেখিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর দিব্যাঙ্গদের নিয়ে আইনের সংশোধন করা হয়েছে। আগে মাত্র ৭ ধরনের দিব্যাঙ্গ চিনহিত করা হত কিন্তু এখন এই সংখ্যা বাড়িয়ে ২১ করা হয়েছে। কিন্তু রাজ্য সরকার সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন ধরনের ব্যবস্থাই নেয়নি। আইনের সংশোধনও করেনি। সাড়া দেশে ১৬০০টি বাড়ি দিব্যাঙ্গদের জন্য তৈরি করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু ত্রিপুরা সরকার এবিষয়ে এখনো সম্পূর্ণ উদাসীন। রাজ্যে ১৪টি এই ধরনের বাড়ি হবার কথা ছিল কিন্তু রাজ্য সরকার কোন প্রস্তাবই পাঠায়নি। ত্রিপুরা সরকার নেশা মুক্তি প্রকল্পে এনজিওদের মাধ্যমে কিছু নেশামুক্তি সেন্টার গড়ে তুলতে পারতো। রাজ্য সরকারকে এসব বিষয়ে জানানো হয়েছে। এবিষয়ে ১০০ শতাংশ আর্থিক সহায়তা কেন্দ্রের। কিন্তু আজ পর্যন্ত রাজ্য সরকার কোন প্রকল্প তৈরি করে পাঠায়নি। কেন্দ্রীয় সরকার নেশা সামগ্রী ত্যাগ করে যারা স্বাভাবিক জীবনে আসতে চায় তাদেরকেও সম্ভাব্য সহায়তা করে স্বনির্ভর হওয়ার জন্য। কিন্তু রাজ্য সরকারের এসবের কোন প্রতিফলনই নেই। তিনি উল্লেখ করেন, যেখানে রাজ্য সরকার এতটা উদাসীন এবং উন্নয়নের বিষয়ে অনিহা দেখাচ্ছেন সেখানে রাজ্যবাসী বিশেষ কিছু প্রত্যাশাই করতে পারে না।

16-01-2018 05:20:07 pm

পোস্টারে প্রধানমন্ত্রীকে রাবণ রূপে দেখানোর জন্য কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের বিজেপির

অমেঠি, ১৬ জানুয়ারি (এ.এন.ই): পোস্টার বিতর্ক অব্যহত উত্তরপ্রদেশে। অমেঠিতে একটি পোস্টারকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বিতর্ক। সেই পোস্টারে রাহুল গান্ধীকে রাম এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে রাবণ হিসেবে দেখানো হয়। এর পরেই রাজনৈতিক তরজা চরমে ওঠে। দেশের প্রধানমন্ত্রীকে এমন বিকৃত ভাবে দেখানোর জন্য কংগ্রেস নেতা রামা শঙ্কর শুক্লার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে বিজেপি নেতা সূর্য প্রকাশ তিওয়ারি। সূত্রের দাবি অমেঠিতে রাহুলের সভার একদিন আগে অর্থাৎ ১৪ ডিসেম্বর অমেঠির গৌরীগঞ্জ স্টেশনে পোস্টারটি প্রথম দেখতে পাওয়া যায়। পোস্টারে রাম রূপে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে দেখানো হয় এবং দশ মাথাওয়ালা রাবণ রূপে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে দেখানো হয়। পোস্টারে কংগ্রেস দাবি করে, ‘রাহুল রূপী ভগবান রামের অবতার ২০১৯ আসবে রাহুল রাজ (রাম রাজ্য)।’ পোস্টারটিতে আরও দেখা গিয়েছে তির ধনুক নিয়ে রাহুল রূপী রাম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকে তাক করে রয়েছে। সূত্রের দাবি পোস্টারটি অভয় শুক্লা নামে এক ব্যক্তি টানিয়েছেন। কিন্তু পরে অভয় শুক্লা বলেন কংগ্রেস দলের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই। পাশাপাশি জেলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ধরণে পোস্টার টানানোটা পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়। এমনকি অভয় শুক্লা নামে কোনও ব্যক্তি সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়। অভয় শুক্লা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কথা দিয়েছিলেন তিনি বিদেশ থেকে কালো টাকা ফেরত আনবেন। কিন্তু কিছুই হয়নি। যত প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছেন তা বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা বিশ্বাস করি ২০১৯ সালে রাহুল গান্ধী দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন এবং প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করবেন।' উল্লেখ্য, অন্য আর একটি পোস্টারে রাহুলকে কৃষ্ণ হিসেবে দেখানো হয়। অন্যদিকে, সোমবার আমেথিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাহুল গান্ধী চিনের সঙ্গে ভারতের উন্নয়নের তুলনা টেনে প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনায় মুখোর হন। পাল্টা জবাব আসে বিজেপির তরফ থেকে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন কংগ্রেস নেতিবাচক রাজনীতি করছে। বিজেপির পক্ষ থেকে রাহুল গান্ধীর মন্দিরে যাওয়াকে লোক দেখানো বলে কটাক্ষ করা হয়।

16-01-2018 02:36:13 pm

৪০ মাদ্রাসা শিক্ষকের বকেয়া টাকা মেটাচ্ছেন বিজেপির সভাপতি

আগরতলা, ১৫ই জানুয়ারি (এ.এন.ই ): মকর সংক্রান্তির দিনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব সোনামুড়া সফর করলেন। এই সফরকালে তার সাথে ছিলেন সহধর্মিণীও। এদিন তিনি সোনামুড়া মণ্ডলের বটতলীতে পৌষ সংক্রান্তি উপলক্ষে আয়োজিত বাৎসরিক মেলা পরিভ্রমণ করলেন। পরে তিনি প্রসিদ্ধ রাধাকৃষ্ণ মন্দিরে যান এবং আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। ফেরার পথে বিপ্লব কুমার দেব মেলাঘরের ঘ্রাণতলী এলাকায় জামিয়া ইসলামিরা মাদ্রাসায় অনুষ্ঠিত মিলাদ মাহফিলে অংশ নেন। সেখানে তিনি মাদ্রাসার শিক্ষকের সাথে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন এবং জানতে পারেন গত ছয়মাস ধরে মাদ্রাসার মোট ৪০ জন শিক্ষক বেতন পাচ্ছেন না। সাথে সাথে বিপ্লব কুমার দেব ওই মাদ্রাসার শিক্ষকদের বেতন বাবদ ৫ লক্ষ টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। এই ঘোষণায় শিক্ষক মহলে খুশির হাওয়া দেখা গিয়েছে।

15-01-2018 05:56:53 pm

সর্বোচ্চ আদালতের বিচারপতির সাংবাদিক সম্মেলনে কারোর মুখ না খোলাই শ্রেয় বললেন বার কাউন্সিল অফ ত্রিপুরার চেয়ারম্যান

আগরতলা, ১৫ই জানুয়ারি (এ.এন.ই ): দেশের সর্বোচ্চ আদালতের চার বিচারপতির সাংবাদিক সম্মেলন এবং আদালতের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্যে মত প্রকাশ করা বাঞ্ছনীয় নয় বলে মনে করে বার কাউন্সিল অফ ত্রিপুরার চেয়ারম্যান। একেই সঙ্গে দ্রুত সমস্যার নিষ্পত্তি হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের চার বিচারপতি বিস্ফোরক মন্তব্যে এবং সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধান বিচারপতিকে উদ্দেশ্য করে যে সব তথ্য প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন তা নিয়ে ত্রিপুরার বিচার ব্যবস্থাতেও আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আদালতে বর্তমানে এটি এখন চর্চার মূল বিষয়। আইনজীবীরা নিজেদের মত করে বিষয় গুলির ব্যখ্যাও করছেন। সংশ্লিষ্ট বিষয় গুলি নিয়ে আইনি বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে তাদের মত প্রকাশও শুরু করেছেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বার কাউন্সিল অফ ত্রিপুরার চেয়ারম্যান বরিষ্ঠ আইনজীবী পীযুষ কান্তি বিশ্বাসকে জিজ্ঞেসা করা হলে তিনি বলেন, সুপ্রিমকোর্টের চার বিচারপতি সাংবাদিক সম্মেলনে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আভ্যন্তরীণ বিষয়। এতে কারোর মন্তব্য করা বাঞ্ছনীয় নয়। অবিলম্বে সমস্যার সমাধান হউক এটাই মূল বিষয়। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন জন সর্বোচ্চ আদালতের বিষয় গুলি 'নিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন। বিভিন্ন ভাবে বিষয়গুলি ব্যাখ্যাও করছেন। কিন্তু আদালতের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে মতামত না প্রকাশ করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে নিতে পারলেই ভাল। উল্লেখ করা যেতে পারে জাতীয় স্তরে এবং রাজ্য স্তরেও এবিষয়টিকে নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা ধরনের বাদানুবাদ শুরু হয়েছে। আর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিতর্কও ক্রমেই তুঙ্গে উঠছে।

15-01-2018 05:54:01 pm

ত্রিপুরায় রাজনৈতিক সন্ত্রাস অব্যাহত, আবার খুন

আগরতলা, ১৪ই জানুয়ারি (এ.এন.ই ): ত্রিপুরাতে আবার খুন হল বিজেপির কর্মী। একেই দিনে দুজনকে খুন করার অভিযোগ করেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনী ক্ষেত্রেও এক বিজেপি কর্মীকে পেটাই করা হয়েছে। একেই সঙ্গে রাজধানী আগরতলায় লাল বাহাদুর চৌহমনীতে বিজেপির একটি গাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। ধর্মনগরে উত্তর পাড়ায় থানা থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে বিজেপির স্থানীয় কার্যকর্তা সুবোধ নাথের নিথর দেহ পাওয়া গেছে। গতকাল রাত থেকে তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজি করার পর রবিবার দুপুরে তার দেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। অন্যদিকে ধর্মনগরই প্রত্যেক রায় এলাকায় বিজেপির মহিলা কার্যকর্তা প্রতিমা 'মালাকারের নিথর দেহ রবিবার 'দুপুরে পাওয়া গেছে। বাড়ি থেকে মাত্র দের কিলোমিটার দূরে জঙ্গলের মধ্যে তার দেহ ফেলে রাখা হয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব বলেন, সাড়া রাজ্যে ক্রমাগত বিজেপির স্থানীয় নেতা কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে এসব করতে থাকলে পথে 'নামার ভিন্ন অন্য 'কোন বিকল্প বিজেপির আর থাকবে না। সুবোধ নাথের গায়ে কোন আঘাতের চিনহ নেই। তবে স্থানীয় কার্যকর্তারা টেলিফোনে বিজেপির রাজ্য ;সদর দপ্তরে খবর দিয়েছেন সুবোধ নাথকে বিষ দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির মহিলা কার্যকর্তা প্রতিমা মালাকারের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য জেলা স্তরের কর্মকর্তাদের ঘটনা স্থলে পাঠানো হয়েছে। রবিবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের নির্বাচনী ক্ষেত্র ধনপুরেও এক বিজেপির স্থানীয় নেতার উপর সংঘবদ্ধ আক্রমণ সংগঠিত করেছে সিপিআইএম এর ক্যাডার বাহিনী। যদিও তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন। এদিকে রবিবার দুপুরে রাজধানী আগরতলার লাল বাহাদুর চৌহমনীতে বিজেপির একটি গাড়িতে হামলা সংগঠিত 'করা হয়। যদিও তখন গাড়িতে চালক ভিন্ন অন্য কেউ ছিলেন না। চালক গাড়ি থেকে নেমে যাওয়ার পর গাড়িটির ব্যাপক ক্ষতি সাধন করা হয়েছে বলে বিজেপির সূত্রে জানা গেছে।

14-01-2018 05:20:07 pm

ত্রিপুরায় আবার ধৃত রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী

আগরতলা, ১৪ই জানুয়ারি (এ.এন.ই ): ত্রিপুরায় আবার ধরা পরল ৬ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী। ধৃতদের সকলেই অপ্রাপ্তবয়স্ক। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরা হয়ে দেশের অন্য প্রান্তে যাওয়ার চেষ্টার সময় আবার ধরা পরল ৬ রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী। তারা রেলে করে বর্হিরাজ্যে যাবার চেষ্টা করছিল। ধর্মনগরে রেল পুলিশ তাদের আটক করে। পরে ধর্মনগর থানার কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতরা সকলেই অপ্রাপ্তবয়স্ক। এদের মধ্যে একটি মেয়েও রয়েছে। ধৃত ৬ জনের মধ্যে একজনের সর্বোচ্চ বয়স ১৭। পুলিশি জিজ্ঞেসার কাছে ধৃত রোহিঙ্গারা জানিয়েছে তারা ব্যঙ্গালোর যাওয়ার চেষ্টায় ছিল সেখানে তাদের পরিজনরা রয়েছেন। উল্লেখ করা যেতে পারে রাজ্যে ব্যাপক হারে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ হচ্ছে বলে বিভিন্ন সময় বিস্তর প্রচার হয়েছে। একেই সঙ্গে বিভিন্ন সময় বেশ কিছু রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ হচ্ছে বলে বিভিন্ন সময় বেশ কিছু রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারী আটকও করা হয়েছে। ধৃতদের জিজ্ঞেসাবাদ চলছে। আগামীকাল তাদের আদালতে হাজির করা হবে বলে 'জানা গেছে।

14-01-2018 05:17:51 pm

মুম্বই উপকূল থেকে নিখোঁজ পবন হংস হেলিকপ্টার, চলছে তল্লাশি

মুম্বই, ১৪ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): মুম্বই উপকূল থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেল একটি পবন হংস হেলিকপ্টার। পবন হংস চপারটিতে ৫ জন যাত্রী ও দু’জন পাইলট ছিলেন। যাত্রীরা সকলেই ওএনজিসি-র কর্মচারী| সমুদ্রের তলা থেকে তেল উত্তোলনের জন্য যে প্ল্যাটফর্ম থাকে, সে রকমই একটি অয়েল রিগে সকাল ১১টা নাগাদ অবতরণ করার কথা ছিল ডৌফিন এন৩ (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভিটি-পিডাব্লিউএ) নামক পবন হংস হেলিকপ্টারটির। কিন্তু, হঠাত্ই মুম্বই উপকূল থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায় পবন হংস হেলিকপ্টারটি। শনিবার সকাল ১০.২৫ মিনিট নাগাদ জুহু এয়ারপোর্ট থেকে টেকঅফ করে ডৌফিন এন৩ (রেজিস্ট্রেশন নম্বর ভিটি-পিডাব্লিউএ) নামক পবন হংস হেলিকপ্টারটি। পবন হংস চপারটিতে ৫ জন যাত্রী ও দু’জন পাইলট ছিলেন। জুহু এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের বদলে অয়ের রিগের নিজস্ব এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোল চপারটির সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব নেয়| কিন্তু, সেই সময়ই রাডার থেকে হারিয়ে যায় হেলিকপ্টারটি| তখন মুম্বই উপকূলে ছিল চপারটি| রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ কপ্টারটির বিষয়ে উপকূল রক্ষী বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে| শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

14-01-2018 11:40:55 am

কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগমনে নির্বাচনের আগে সংশয় তুঙ্গে

আগরতলা, ১৩ই জানুয়ারি (এ.এন.ই ): নির্বাচন ঘোষণার আগেই রাজ্যে ৩০০ কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান রাজ্যে আসবে। ইতিমধ্যেই ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে চলে এসেছে। রাজ্যের নির্বাচন দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন থেক যে ;বার্তা পাঠানো হয়েছে সেঅনুযায়ী নির্বাচন ঘোষণার আগেই রাজ্যের সর্বত্র কেন্দ্রীয় আধাসামরিক জওয়ান পৌঁছে যাবে। প্রত্যেকটি বুথ কেন্দ্রে করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। শনিবার দুপুর পর্যন্ত ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী আগরতলায় পৌঁছে গেছে। যদিও এখনো তাদের নির্দিষ্ট এলাকা গুলিতে মোতায়েন করা হয়নি। আগাম কয়েকদিনের মধ্যে এই কাজ শুরু হবে। রাজ্যের নির্বাচন দপ্তরের এক আধিকারিক আরো জানিয়েছেন, রাজ্যে আপাতত ৩০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী জওয়ান মোতায়েন করা হবে। পরে সংখ্যা আরো বৃদ্ধি করা হতে পারে। নির্বাচন কমিশন থেকে যে বার্তা পাঠানো হয়েছে সেঅনুযায়ী দ্রুত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে বিভিন্ন এলাকা নিরাপত্তার কাজে মোতায়েন করা হবে। নির্বাচন কমিশনের একজন ডেপুটি কমিশনার যাবতীয় বিষয় খতিয়ে দেখবেন। আর তার পরেই নির্বাচন ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যপক হারে আগমনে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মহলে নানা ধরনের জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে।

13-01-2018 04:12:35 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.