• নিয়মিতকরণের দাবীতে আমরণ অনশনের হুমকি সর্ব শিক্ষার শিক্ষকদের
  • ফের চালু হচ্ছে পাশ ফেল প্রথা
  • অমরপুর মহারানিস্থিত শিব বাড়িতে শিবের আরাধনা
  • শিক্ষক কর্মচারীদের বছরে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ ৬০ হাজার টাকা, চাপে সরকার
  • রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত কুমারঘাট মহকুমা সদর
  • আগুনে পুড়িয়ে গৃহবধূকে হত্যা, ধৃত স্বামী
  • শীঘ্রই শিক্ষক-কর্মচারীদের বদলিনীতি নিয়ে মুখ খুলতে চায় বিজেপি
  • বেহাল রাস্তার দরুন বিগত তিনদিন ধরে শ্রীমন্তপুরে আমদানি রপ্তানি ব্যবসা বন্ধ
  • তিপ্রাল্যান্ডের নামে আন্দোলনকারীদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন এন.সি দেববর্মাঃ রাধাচরণ দেববর্মা
  • ১:১ ফর্মুলায় বিধানসভার নির্বাচনে প্রার্থী দেবে বিজেপি
  • সিপিএম ঘেরাও অমরেন্দ্রনগরে
  • বিজেপিতে যোগ দিতে দিল্লীমুখি ত্রিপুরার ছয় বিধায়ক
  • বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবক গ্রেপ্তার
  • দুর্নীতিগ্রস্ত উপাচার্যের বরখাস্তের দাবীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপকদের মুখে কালো বেঁধে প্রতিবাদ
  • কেন্দ্রীয় বরাদ্দ ঠিকমত না রাজ্যে না আসায় হতাশ অর্থমন্ত্রী
  • এনসি'র ফাঁকি ধরা পরে গেলো: অর্থমন্ত্রী
  • চাকরি দেবার নামে প্রতারণা
  • ভোমরাছড়া ভিলেজের মানুষের সার্বিক উন্নতিতে এগিয়ে এলো নবম টিএসআর বাহিনী
  • দ্রুত রেল পরিষেবা চালু করতে প্রশাসনিক স্তরে তৎপরতা শুরু
  • ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি ঢাকতে তদন্তের দায়িত্ব অভিযুক্তদের হাতেই
  • নারী নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্ত আইনজীবী বিদ্যুৎ ঘোষের অন্তর্বর্তী জামিন
  • বিজেপি-সিপিআইএম সংঘর্ষে মৃত ১, আজ লংতরাইভ্যালি ১২ ঘণ্টার বনধ
  • রাজ্যপালের প্রশংসা, মানিককে নৈতিকতার পাঠ বিপ্লবের
  • অবরোধ প্রত্যাহারের সম্ভাবনা নিয়ে অচলাবস্থা, ভাঙনের মুখে আইপিএফটি
  • আইপিএফটির অনির্দিষ্ট কালীন সড়ক ও রেল অবরোধের দশম দিনে প্রত্যাহারের সম্ভাবনা

স্পেশাল আর্টিকেল

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

হোলির রাতে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের পর সাংবাদিক সন্মেলনে বিপ্লব

চিটফান্ড ইস্যুতে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে তথ্য সহ বিঁধল সুদীপ

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

টপ ফাইভ

বেহাল রাস্তার দরুন বিগত তিনদিন ধরে শ্রীমন্তপুরে আমদানি রপ্তানি ব্যবসা বন্ধ

আগরতলা ২৪ই জুলাই (এ.এন.ই ): বেহাল রাস্তার দরুন বিগত তিনদিন ধরে শ্রীমন্তপুরে আমদানি রপ্তানি ব্যবসা বন্ধ। আগামী আরও কিছুদিন বন্ধ হয়ে থাকার সম্ভাবনা প্রবল। কারণ সীমান্তের শূন্য পয়েন্ট থেকে বিএসএফ ক্যাম্প পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে পড়েছে। বিরাট বিরাট গর্ত রাস্তার উপর। শ্রীমনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের এই রাস্তাটির দুই পাশে প্রচন্ড ঘন বসতি। এই বসতির মানুষদের বাঁধা প্রদানের ফলেই আমদানি রপ্তানির কাজ গত তিনদিন ধরে বন্ধ হয়ে রয়েছে। যার পরিণাম হল সরকারী আয়, আমদানি রপ্তানি কারকদের আয়, গাড়ি ও শ্রমিকের আয়ও বন্ধ হয়ে আছে। রাস্তাটিকে সারাই এর কাজে হাত না দেওয়া পর্যন্ত কবে থেকে বাণিজ্য শুরু হবে বলা মুস্কিল। এইদিকে গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে শ্রীমন্তপুর ল্যান্ড কাস্টমস এর আধিকারিকের কাছে অনুরোধ করা হয় লিখিত ভাবে, রাস্তা সারাই না হওয়া পর্যন্ত বাণিজ্যের কাজ যাতে বন্ধ রাখা হয়। সেই আবেদনের পর থেকেই বাণিজ্য বন্ধ।

24-07-2017 01:25:47 pm

তিপ্রাল্যান্ডের নামে আন্দোলনকারীদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন এন.সি দেববর্মাঃ রাধাচরণ দেববর্মা

আগরতলা ২৪ই জুলাই (এ.এন.ই ): তিপ্রাল্যান্ডের নামে আন্দোলন করেছিল আইপিএফটি। কর্মীদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন দলের নেতারা এমটাই জানিয়েছেন গণমুক্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাধাচরণ দেববর্মা। এদিন সংগঠনের একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় মেলারমাঠ সিপিআইএমের দলীয় 'কার্যালয়ে। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, অনেক প্ররোচনা ও ষড়যন্ত্রের পরেও শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এই আন্দোলন। এজন্য 'ধন্যবাদ রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে। আইপিএফটির আন্দোলনকে হঠকারী বলে উল্লেখ করে শ্রী দেববর্মা বলেন, এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একটা অস্থির পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা হয়েছিল। বিজেপি'র মদতে প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকেই এই আন্দোলন পরিচালনা করা হয়েছিল। আন্দোলন প্রত্যাহার ইস্যুতে আইপিএফটি নেতা এন.সি দেববর্মা মিথ্যাচার করেছেন বলে অভিযোগ করে তিনি 'বলেন, এন.সি দেববর্মা কর্মীদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আইপিএফটি কর্মীরা এই আন্দোলনের পর থেকে হতাশাগ্রস্ত হয়ে গণমুক্তি পরিষদে যোগ দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। রাধাচরণ দেববর্মা বলেন, ২১ জুলাই আইপিএফটি'র পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। ওই চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে মেবার কুমার জামাতিয়ার। এছাড়া, আর 'কারোর সাথে আইপিএফটি নেতাদের কোনও আলোচনা হয়েছে বলে জানা নেই। তিনি জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে শান্তি-সম্প্রীতি নিয়ে আইপিএফটি ও বিজেপি'র ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে গণমুক্তি পরিষদ আগরতলায় একটি র‍্যালি করবে। এছাড়া আগামী ৯ আগস্ট জিএমপি'র উদ্যোগে আদিবাসী দিবস উদযাপন করা হবে।

24-07-2017 01:24:26 pm

বিজেপিতে যোগ দিতে দিল্লীমুখি ত্রিপুরার ছয় বিধায়ক

আগরতলা ২২ই জুলাই (এ.এন.ই ): তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়া ছয় বিধায়ক অচিরেই দিল্লীতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ এবং তাঁর আগে সর্বভারতীয় সম্পাদক রাম মাধবের সঙ্গে তাঁরা সাক্ষাত করবেন। দিল্লীতেই তাঁদের বিজেপিতে আসার বিষয়টি সুনিশ্চিত হয়ে যাবে। তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়া ছয় বিধায়ক বিজেপিতে যাওয়া নিয়ে বেশ কয়েকদফা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে দিনভর আলোচনা হয়েছে। জানা গেছে, ২৪ অথবা ২৫ তারিখ তাঁরা দিল্লী যাচ্ছেন। প্রথমে তাঁরা সর্বভারতীয় সম্পাদক রামমাধব এবং পরে সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলবেন। জানা গেছে, দিল্লী থেকে ফিরে আসার পরেই তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেবেন। তাঁদের স্বাগত জানাতে রামমাধবও আগরতলায় আসবেন তবে এই ছয় বিধায়ক ঐক্যবধ্য নন বলেও জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে দিলীপ সরকার পৃথক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। উল্লেখ করা যেতে পারে এই ছয় বিধায়কের মধ্যে দিলীপ সরকার বিজেপির সঙ্গে আগে থেকেই সম্পর্ক দৃঢ় করেছেন এবং তৃণমূলের সঙ্গে আগে থেকেই সম্পর্ক ছিন্ন করার প্রক্রিয়ায় ছিলেন। সদ্য সমাপ্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এরা প্রত্যেকেই বিজেপির প্রত্যাশী রামনাথ কোবিন্দকে ভোট দিয়েছেন।

22-07-2017 06:13:27 pm

দুর্নীতিগ্রস্ত উপাচার্যের বরখাস্তের দাবীতে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপকদের মুখে কালো বেঁধে প্রতিবাদ

আগরতলা ২২ই জুলাই (এ.এন.ই ): ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসার ও অধ্যাপকদের বিরুদ্ধে ফের সরব হল প্রতিবাদী অধ্যাপক ও গবেষকরা। এদিন মুখে কালো কাপড় বেঁধে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মৌনমিছিল করলো দেড়শো শতাধিক অধ্যাপক ও গবেষক। এই আন্দোলনে এবার যোগ দিতে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরাও। জানা গেছে, আন্দোলনের জেরে এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেই আসেননি উপাচার্য। উপাচার্য অঞ্জন কুমার ঘোষ সমেত একাধিক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক ও অধ্যাপকের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে যে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল সে রিপোর্টেও তা প্রমাণিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিবাদী অধ্যাপকদের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত হয়ে উঠেছে দুর্নীতিগ্রস্তরা। এই দুর্নীতিগ্রস্তদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে এদিন মুখে কালো কাপড় বেঁধে সেন্ট্রাল ক্যান্টিন থেকে দেড় শতাধিক অধ্যাপক ও গবেষক একটি মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন চত্বরে ঘুরে প্রশাসনিক ভবনের সামনে মিলিত হন। সেখান থেকে ফের মিছিল করে ১১ নং একাডেমিক বিল্ডিংয়ের সামনে জড়ো হন। এখানে প্রতিবাদী অধ্যাপক ও গবেষকরা সিদ্ধান্ত নেন এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন জারি রাখতে হবে। আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ছাত্রদেরকেও যুক্ত করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রসঙ্গত, এদিন আন্দোলনের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়েই আসেননি উপাচার্য অঞ্জন ঘোষ।

22-07-2017 02:19:51 pm

ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্নীতি ঢাকতে তদন্তের দায়িত্ব অভিযুক্তদের হাতেই

আগরতলা ২১ই জুলাই (এ.এন.ই ): ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রমবর্ধমান দুর্নীতি ধামাচাপা দিতে গিয়ে এবার অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জনৈক সিকিউরিটি অফিসারের সাজানো একটি অভিযোগের রহস্য উন্মোচন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাত সদস্যের একটি ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে। আগামী একমাস সময়ের মধ্যে কমিটিকে বলা হয়েছে রিপোর্ট জমা দিতে। বলাবাহুল্য যে, ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একের পর এক আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে চলে আসছিল সম্প্রতি। গত ১৬ মে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি অফিসার সুরজিৎ সরকার একটি অভিযোগ দায়ের করেছিল। সেই অভিযোগের সত্যতা খুঁজে দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সাতজনকে নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সই করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ইনচার্জ শাণিত দেবরায়। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো সিকিউরিটি অফিসারের সাজানো একটি অভিযোগের রহস্য উন্মোচন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যে সাত সদস্যের একটি ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছে তাঁদের অধিকাংশের বিরুদ্ধেই উঠেছে দুর্নীতির অভিযোগ। এদের মধ্যে অন্যতম হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর অঞ্জন মুখার্জি। এছাড়া আরও কয়েকজন রয়েছেন যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে চলা দুর্নীতির ঘটনাকে ধামাচাপা দিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে বিশ্ব'বিদ্যালয় সূত্রের খবর।

21-07-2017 02:18:57 pm

রাজ্যপালের প্রশংসা, মানিককে নৈতিকতার পাঠ বিপ্লবের

আগরতলা ২১ই জুলাই (এ.এন.ই ): টানা ১১ দিনের মাথায় আইপিএফটির অবরোধ প্রত্যাহারের পর বিজেপি রাজ্যের রাজ্যপালের উদ্যোগকে অভিনন্দন জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব। পাশাপাশি তিনি সিপিআইএমের অপচেষ্টা বিনষ্ট করার জন্য জনগণকে সজাগ থাকার আবেদনও জানিয়েছে। বিপ্লব কুমার দেব বলেন, আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়ায় রাজ্যবাসীর সমস্যা কিছুটা হলেও হ্রাস পাবে। রাজ্যের বামফ্রন্ট সরকার এবং শাসক দল সিপিআইএমের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, রাজ্যের ৩৭ লক্ষ মানুষের সঙ্গে সিপিআইএম ষড়যন্ত্র করেছে। ১০ তারিখ আন্দোলনের প্রথম দিনেই এন সি দেববর্মা গ্রেপ্তার বরণের কথা বলেছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার না করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা নেয়। তবে রাজ্যের রাজ্যপাল সক্রিয় ভূমিকা না নিলে সিপিআইএম আরও ষড়যন্ত্র করার সুযোগ পেয়ে যেতো। রাজ্যপাল যে ভূমিকা নিয়েছেন তা যথেষ্ট সময়োপযোগী 'ছিল। বিজেপি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ১৩ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। কিন্তু রাজ্যপাল তথাগত রায় বিজেপি'র প্রতিনিধিদের ডেকে শহরবাসীর স্বার্থে অবরোধ প্রত্যাহার করে নিতে বলেন। একই সঙ্গে আইপিএফটি'র সঙ্গে ২ ঘণ্টার মধ্যে কথা বলার আশ্বাসও দেন। সে অনুযায়ী তিনি ব্যবস্থাও নিয়েছেন। বিপ্লব দেব বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নৈতিকতা জাগ্রত হোক। শুধু পার্টির উপর নয়, দেশের ও রাজ্যের মানুষের উপর দায়বদ্ধতা থাকা উচিত। মানিক সরকারকে রাজধর্ম পালন করা উচিত। যতদিন ক্ষমতায় টিকে আছেন, তিনি যেন ক্যাডার সন্ত্রাস, অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা থেকে বিরত থাকেন তাঁর নৈতি কতা জাগ্রত হোক।

21-07-2017 02:14:00 pm

অবরোধ প্রত্যাহারের সম্ভাবনা নিয়ে অচলাবস্থা, ভাঙনের মুখে আইপিএফটি

আগরতলা, ১৯ জুলাই (এ.এন.ই ): আইপিএফটির অনির্দিষ্ট কালীন জাতীয় সড়ক ও রেল অবরোধের দশম দিনে আন্দোলন প্রত্যাহারের সম্ভাবনা নিয়ে আবার অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পৃথক রাজ্যে তিপ্রাল্যান্ডের দাবীতে অবরোধকারীদের মধ্যে মতানৈক্য দেখা দিয়েছে। কার্যত আইপিএফটি ভাঙনের মুখে এসে ঠেকেছে। এখন বিভাজন ঠেকানো কঠিন বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে জাতীয় সড়ক ও রেল অবরোধ নিয়ে প্রচণ্ড অনৈক্য দেখা দিয়েছে। আইপিএফটির সভাপতি নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মা আর তার দলের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছেন না। দলের একটি গোষ্ঠী অবরোধ চালিয়ে যেতে আগ্রহী। যদিও নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মা ও আরও কয়েকজন রাজ্যের রাজ্যপাল তথাগত রায়ের আবেদন এবং রাজ্যের মানুষের সৃষ্ট সমস্যা গুলো বিবেচনায় রেখে আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেবার পক্ষে মত দেন। তিপ্রাল্যান্ড ইস্যুতে আইপিএফটি নেতৃত্বের দাবী মেনে রাজ্যপাল কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তাদের বিষয় নিয়ে আলোচনার আশ্বাসও দেন। এই ইস্যুতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের দাবিও রাজ্যপাল তথাগত রায় কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টিতে আনার আশ্বাস দিয়েছিলেন। দশম দিনে জাতীয় সড়ক ও রেল আইপিএফটির অনির্দিষ্ট কালীন সড়ক ও রেল অবরোধ আজ প্রত্যাহার করে নেবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। রাজ্যপালের আবেদন নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকও শুরু হয়। কিন্তু এই বৈঠকে জটিলতা আরও প্রকট হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে আলোচনা করার কথা থাকলেও আইপিএফটির সাথে কথা বলেনি কেউই। পরিবর্তে রাজ্যপাল তথাগত রায়ের সাথে কথা বলতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রের সেই বক্তব্য মোতাবেক এদিন নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মার নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাজ্যপালের সাথে কথা বলেছেন। একই দিনে দুই দুইবার তাদের মধ্যে কথা হয়েছে। রাজ্যপাল আইপিএফটি নেতৃত্বকে জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত করতে লিখিত অনুরোধ জানিয়েছেন। রাজ্যপালের আবেদন মেনে সড়ক ও রেল অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে কি না তা নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আলোচনা বুধবার সকালে শুরু হয়। পৃথক তিপ্রাল্যান্ডের দাবি নিয়ে গত ১০ জুলাই থেকে শুরু হয়েছিল আইপিএফটির অনির্দিষ্ট কালীন সড়ক ও রেল অবরোধ। প্রশাসনের তরফে কোনও বাধা না পেয়ে বড়মুড়া পাহাড়ের পাদদেশে জাতীয় সড়ক ও রেল পথে অবরোধ আন্দোলন এখনও চালিয়ে যাচ্ছে আইপিএফটি কর্মীরা৷

19-07-2017 05:23:09 pm

অবরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে কংগ্রেসের ডাকা ১২ ঘণ্টা ধর্মঘট শান্তিপূর্ণ

আগরতলা, ১৯ জুলাই (এ.এন.ই ): পৃথক রাজ্য তিপ্রাল্যান্ডের দাবি নিয়ে গত ১০ জুলাই থেকে শুরু হওয়া আইপিএফটির অনির্দিষ্ট কালীন সড়ক ও রেল অবরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের ডাকা ১২ ঘণ্টা ব্যাপী ধর্মঘট সকাল থেকে শুরু হয়েছে। সকাল ৫টা থেকে শুরু হওয়া বনধ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। রাজ্যে অনেকটা ছুটির মেজাজেই শুরু হয়েছে ধর্মঘট। পথঘাট সুনসান। জনাকয়েক কংগ্রেস কর্মী পোস্টঅফিস চৌমহনির কংগ্রেস ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে টায়ার পোড়ালেন। পরে সচিবালয়ের সামনে পিকেটিঙের জন্য হাজির হয় কংগ্রেস নেতা কর্মীরা। পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ প্যারেড গ্রাউন্ডের অস্থায়ী শিবিরে নিয়ে যায়। রাজধানী আগরতলা ছাড়াও রাজ্যের অন্যান্য এলাকাতেও শান্তিপূর্ণ ভাবেই চলছে বনধ। কথ কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর নেই।পিকেটিং করতে এসে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরজিৎ সিনহা বলেন, “আইপিএফটি গণতান্ত্রিক ভাবে আন্দোলন করতেই পারে কিন্তু এই আন্দোলন গণতন্ত্রের নামে সাধারণ জনগণের মানবাধিকার হনন করছে। কিন্তু রাজ্য সরকার নীরব দর্শক হয়ে বসে আছে। পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপের হচ্ছে”।তিনি অভিযোগ করেন, "আইপিএফটির অবরোধের পেছনে বিজেপির মদত রয়েছে। নির্বাচনের আগে মনিপুরেও তাই করেছিল বিজেপি।এসব বিজেপির পুরানো খেলা। বিজেপি অস্থিরতা সৃষ্ট করতে চাইছে"।তিনি আরও বলেন, “রাজ্য সরকারের ভূমিকা সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। রাজ্য সরকার না আলোচনা করছে, না অবরোধ মুক্ত করছে। এই ধরনের পরিস্থিতি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসাবে কংগ্রেস মেনে নিতে পারেনা। তাই আজ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। সারা রাজ্যের জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এতে সামিল হয়েছে”।অন্যদিকে রাজ্য সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব অভিযোগ করেন, "কংগ্রেস রাজ্য থেকে ধুয়ে মুঝে যাচ্ছে। এই সময় সিপিআইএমের সাহায্যে, তাদের ইশারাতেই কংগ্রেস এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।এই ধর্মঘটের ডাক দিয়ে রাজ্যের মানুষকে নতুন সমস্যার মুখে ফেলে দিল কংগ্রেস"।তিনি আরও বলেন, "কংগ্রেসের ডাকা ধর্মঘট রাজ্যের মানুষের জন্য আগুনে ঘি ঢালার মত কাজ করেছে। জনগণের সমস্যার সম্মুখীন জিনিষপত্র আসছে না, তার উপর ধর্মঘট"। বিজেপি অনেক জায়গায় বনধ বিরোধী পাল্টা প্রচারে নেমেছে।

19-07-2017 02:32:43 pm

আইপিএফটির অনির্দিষ্ট কালীন সড়ক ও রেল অবরোধের দশম দিনে প্রত্যাহারের সম্ভাবনা

আগরতলা, ১৯ জুলাই (এ.এন.ই ): দশম দিনে আইপিএফটির অনির্দিষ্ট কালীন সড়ক ও রেল অবরোধ আজ প্রত্যাহার করে নেবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। রাজ্যপালের আবেদন নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক শুরু হয়েছে। এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। আইপিএফটির সভাপতি নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মা জানিয়েছেন, "রাজ্যপালের আবেদন এবং রাজ্যের মানুষের সৃষ্ট সমস্যা নিয়ে বৈঠকে কথা হবে। যদিও এখনও অবরোধ চলছে। তবে অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয় নিয়ে চর্চা হবে"। গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে আলোচনা করার কথা থাকলেও আইপিএফটির সাথে কথা বলেনি কেউই। পরিবর্তে রাজ্যপাল তথাগত রায়ের সাথে কথা বলতে বলা হয়েছে। কেন্দ্রের সেই বক্তব্য মোতাবেক এদিন নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মার নেতৃত্বে ৯ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাজ্যপালের সাথে কথা বলেছেন। একই দিনে দুই দুইবার তাদের মধ্যে কথা হয়েছে। রাজ্যপাল আইপিএফটি নেতৃত্বকে জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত করতে লিখিত অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে রাজ্যপালের আবেদন মেনে সড়ক অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে কি না তা নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে আলোচনা করে বুধবার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে রাজ্যপালকে জানিয়েছেন নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মা। সে অনুযায়ী আজ বৈঠক শুরু হয়েছে। পৃথক তিপ্রাল্যান্ডের দাবি নিয়ে গত ১০ জুলাই থেকে শুরু হয়েছিল আইপিএফটির অনির্দিষ্ট কালীন সড়ক ও রেল অবরোধ। প্রশাসনের তরফে কোনো বাধা না পেয়ে বড়মুড়ার পাদদেশে জাতীয় সড়ক অবরোধ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে আইপিএফটি কর্মীরা৷ তিপ্রাল্যান্ড ইস্যুতে আইপিএফটি নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের উপস্থিতিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের দাবি জানিয়েছিল। কিন্তু আপাততঃ ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের সম্ভাবনা তো দূর, দ্বিপাক্ষিক আলোচনাতেও রাজি হয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এর সাথে ফোনে কথা বলে দিল্লি অবস্থানরত আইপিএফটি নেতৃত্বের জন্য এপয়েন্টমেন্ট এর ব্যবস্থা করে দিতে অনুরোধ জানিয়েছিলেন। সেই মতো রাজনাথ সিং প্রতিমন্ত্রী কিরেণ রিজিজুকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন আইপিএফটি নেতৃত্বের সাথে কথা বলতে। মঙ্গলবার বিকেলে তাদের জন্য সময়সীমাও নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল বলে একাংশ নেতৃত্ব জানিয়েছিলেন। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে তাদের ডাকা হবে বলে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী কিরেন রিজিজু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে ফোন করে বলেছিলেন রাজনাথ সিং এর তরফে তাকে দায়িত্ব প্রদানের কথা৷ মঙ্গলবার তিনি আইপিএফটির সাথে কথা বলবেন বলেও সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সবকিছুই উল্টে গেছে যখন দেখা গেলো রিজিজু আইপিএফটি নেতৃত্বের সাথে কথা না বলে রাজ্যপালের দরজা দেখিয়ে দিয়েছেন। দিল্লি থেকে রাজ্যপালের সাথে কথা বলার পরামর্শ দিতেই বিকেল ৫টা নাগাদ আইপিএফটি নেতৃত্ব ছুটে যান রাজভবনে। সেখানে রাজ্যপালের সাথে প্রথমে দাবি দাওয়া নিয়ে মৌখিক আলোচনা হয়। এরপর ৮ টা নাগাদ পুনরায় আইপিএফটি নেতৃত্ব একটি লিখিত দাবি সনদ রাজ্যপালের হাতে তুলে দেন। রাজ্যপাল লিখিতভাবে আইপিএফটিকে জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত করতে অনুরোধ জানান। কিন্তু রাজ্যপালের এই অনুরোধ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কোনও প্রতিশ্রুতি দেননি নেতারা। তারা জানিয়েছেন, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে আলোচনা করে তবেই সিদ্ধান্ত নেবেন। এদিকে আজ অবরোধ ১০ দিনে পড়ল। অবরোধের ফলে সাধারণ ও ব্যবসায়ীদের প্রচণ্ড হয়রানি এবং নানারকমের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে৷ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে থাকায় আগরতলা থেকে বহিঃরাজ্যগামী যাত্রীদের সীমাহীন অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে৷জাতীয় সড়ক বন্ধ থাকায় অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে বিমানের টিকিটের দাম।

19-07-2017 02:31:26 pm

কংগ্রেসের ডাকে আজ ১২ঘন্টার ত্রিপুরা বনধ

আগরতলা ১৮ই জুলাই (এ.এন.ই ): আইপিএফটির জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ এবং তা প্রত্যাহার করাতে সক্ষম হয়নি রাজ্য সরকার। তাতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে কংগ্রেস দল। রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা ও চক্রান্তের অভিযোগ এনে কংগ্রেস দলের ডাকা ১২ ঘণ্টার ত্রিপুরা বনধের আজ সকাল ৬টা থেকে শুরু হয়েছে। এই বনধের ফলে স্কুল, অফিস, আদালত সবই ছিল বন্ধ। দোকান পাঠ সবই বন্ধ। বেসকারী সরকারী গাড়ি রাস্তায় নামেনি। মোটর স্ট্যান্ড, নাগেরজলা স্ট্যান্ড, চন্দ্রপুর এবং রাধানগর বাস স্ট্যান্ড অন্যান্য দিনের তুলনায় আজ ছিল সম্পূর্ণভাবে ফাঁকা। শহরের বিভিন্ন জায়গায় টিএসআর, সিআরপিএফ বাহিনীরা টহল দিচ্ছে যাতে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন বাজার গুলি ছিল একদম ফাঁকা। কোথাও বাজার বসেনি। অপরদিকে সিপিআইএম কংগ্রেসের এই প্রস্তাবিত বনধ এর বিরোধিতা করে আগেই বিবৃতি দিয়ে বলেছে, আইপিএফটি এনসি'র অনির্দিষ্টকালের জাতীয় সড়ক ও রেল অবরোধ এমনিতেই রাজ্যে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে। তারপর কংগ্রেস দলের ডাকা এই বনধ জনদুর্ভোগ আরও বাড়াতে সাহায্য করবে। এইদিকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরজীত সিনহা বলেন, ১০ জুলাই থেকে আইপিএফটির এডিসির এলাকাকে নিয়ে পৃথক তিপ্রাল্যান্ড গঠনের দাবীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জাতীয় সড়কও রেলপথ অবরোধ আন্দোলনের ফলে রাজ্য ও রাজ্যবাসী জটিল সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে বহিঃরাজ্যে উচ্চশিক্ষার পাঠরত এবং নতুন করে ভর্তি হওয়ার জন্য ছাত্রছাত্রীরা যাতায়তের ক্ষেত্রে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। পাশাপাশি বিমানের ভাড়া কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। এই সমস্যার আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার আইপিএফটির অবরোধ আন্দোলন প্রত্যাহার করার জন্য প্রয়োজনীয় কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বীরজীত সিনহা। সেই কারণেই রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ এনে আজকের এই ১২ ঘণ্টার ত্রিপুরা বনধ।

19-07-2017 12:05:53 pm

উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির সামাল দিতে সক্রিয় হলেন রাজ্যপাল তথাগত রায়

আগরতলা ১৮ই জুলাই (এ.এন.ই ): ত্রিপুরায় উদ্ভূত অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সক্রিয় হলেন রাজ্যের রাজ্যপাল তথাগত রায়। ধারনা করা হচ্ছে আজ রাতের মধ্যে কোন সমাধান সূত্র খুঁজে বের করা সম্ভব হবে। আইপিএফটির চলতি অনির্দিস্টকালীন জাতীয় সড়ক এবং রেলপথ অবরোধের পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আর এই অবরোধ মুক্ত করতে ব্যর্থ হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীকে অবরুদ্ধ করেছে বিজেপি। সামগ্রিকভাবে রাজ্য প্রশাসন আজ উদ্ভূত পরিস্থিতির সন্মুক্ষিন হয়েছে। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সক্রিয় হলেন রাজ্যের রাজ্যপাল তথাগত রায়। জানা গেছে, বিজেপির রাজ্যনেতৃত্বদের দুপুরে আচমকা রাজভবনে ডাকা হয়। রাজভবনে বিজেপির নেতৃত্বের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব এবং প্রভারী সুনীল দেওধর এই প্রতিনিধি দলে ছিলেন। বৈঠক শেষে বিপ্লব কুমার দেব জানিয়েছেন, গত নয় দিনের অবরোধে রাজ্যে যে সংকটজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তার জন্য প্রথমেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের রাজ্যপাল। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে রাজ্য সরকার যে ব্যর্থ হয়েছে তাও রাজ্যপাল মেনে নিয়েছেন। রাজ্যপাল বিষয়গুলি নিয়ে রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। এবং মুখ্যমন্ত্রীকে অবরোধ মুক্ত করার আবেদন জানান। তিনি বিজেপি প্রতিনিধি দলকে এ বলেছেন আইপিএফটির অবরোধ প্রত্যাহার করে নেবার জন্য আজ তিনি সেই দলের নেতাদের সঙ্গেও কথা বলবেন। এই সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তিনি সক্রিয় ভূমিকা নেবেন। বিপ্লব দেব বলেন, রাজ্যপালের বক্তব্যে তাঁরা সন্তুষ্ট কারণ রাজ্য সরকারের ব্যর্থতার কথা রাজ্যপাল মেনে নিয়েছেন এবং তিনি নিজে সমস্যার সমাধানে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। বিজেপির তরফে বলা হয়েছে রাজ্যপালের আবেদন নিয়ে পার্টির রাজ্য কমিটির পদাধিকারীদের বৈঠকে আলোচনা হবে। এই বৈঠক আজ সন্ধ্যায় শুরু হচ্ছে। এই বৈঠকের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রীকে আর অবরোধ রাখা হবে কিনা। তবে বিপ্লব কুমার দেব আশা প্রকাশ করেছেন রাজ্যপালের কথায় ধারনা করা যায় আইপিএফটি আজ অবরোধ তুলে নিতে পারে কারণ রাজ্যপাল ইতিমধ্যেই তাঁদের কাছে আবেদন করেছেন এবং আইপিএফটি এক প্রতিনিধি দল রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজভবনে আসছেন।

18-07-2017 04:28:57 pm

পাল্টা অবরোধের জেরে রাজ্য মন্ত্রীসভার বৈঠক বাতিল, নজর বিহীন ঘটনা

আগরতলা ১৮ই জুলাই (এ.এন.ই ): বিজেপি কর্তৃক মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সরকারী আবাসে অবরুদ্ধ হয়ে পরায় রাজ্যমন্ত্রীসভার আজকের বৈঠক বাতিল করা হয়েছে। ত্রিপুরায় এর আগে কখনো এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলে জানিয়েছে প্রবীণ আমলারা। রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, মুখ্যমন্ত্রীর সরকারী আবাসকে ঘিরে শুরু হওয়া বিজেপির আজকের অবরোধ কর্মসূচির জেরে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের সচিবালয়ের আসার যাবতীয় চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে গেছে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী আবাসের পার্শ্ববর্তী এলাকার আরও চারজন বরিষ্ঠ মন্ত্রীর আবাসেও অবরোধের ঘেরাটোপের মধ্যে পরে। ফলে তাঁদের কেউই সচিবালয়ে আসতে পারেননি। সচিবালয় সূত্রে আরও জানা গেছে, সরকারী আবাস থেকে বেড়িয়ে আসার যাবতীয় চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যাবার পর মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মুখ্যসচিব সঞ্জীব রঞ্জনকে ফোন করেন। উভয়ের মধ্যে টেলিফোনে বার্তালাপের পর মন্ত্রীসভার বৈঠক বাতিল করার বিষয়ে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। রাজ্য প্রশাসনের এক বরিষ্ঠ আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজ্যের ইতিহাসে এই ধরনের ঘটনা ইতিপূর্বে কখনো ঘটেনি। আর যে ভাবে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িকে অবরোধ করা হয়েছে তা মুক্ত করাও পুলিশের পক্ষে সহজ নয় বলে পুলিশ প্রশাসনের তরফে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে জানানো হয়েছে। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর সরকারী আবাস ঘিরে তীব্র দাবদাহ সত্ত্বেও অবরোধ চলছে। জানা গেছে, ইতিমধ্যে তিন জন আন্দোলনকারী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদেরকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া দুজন মহিলা পুলিশকর্মীও দাবদাহে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

18-07-2017 04:25:50 pm

অবরুদ্ধ মানিক সরকার, বিস্তর প্রশাসনিক জটিলতা, অস্থিরতা চরমে

আগরতলা ১৮ই জুলাই (এ.এন.ই ): আইপিএফটির টানা নয় দিনের অবরোধের জেরে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার অভিযোগ তুলে বিজেপি আজ সাত সকালে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি অবরোধ করে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে কর্মী সমর্থকদের সংখ্যা ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে। রাজ্য পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এখন কমপক্ষে ৭ হাজার লোক মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি অবরোধ করে বসে আছে। মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে যাওয়ার সমস্ত অলিগলি পথ গুলিও ঘিরে ফেলেছে বিজেপির সমর্থকরা। এদিকে জানা গেছে, আগরতলার বাইরে থাকা রাজ্য বিজেপির সভাপতি বিপ্লব কুমার দেব এবং রাজ্য প্রভারী সুনীল দেওধর অবরোধস্থানে এসে পৌঁছেছেন। কর্মীসমর্থকদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় সুরক্ষা কর্মীদের সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে বাড়ানো হচ্ছে। এদিকে রাজ্য প্রশাসনের এক শীর্ষ স্থানীয় আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার জটিল সমস্যার মধ্যে পড়েছে। কারণ আজ মন্ত্রীসভার বৈঠক হবার কথা ছিল। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আজকের মন্ত্রীসভার বৈঠকে উত্থাপিত হওয়ার কথা ছিল। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গতকাল সন্ধ্যায় বৈঠকের এজেন্ডাও মন্ত্রীসভার সদস্যদের মধ্যে বিলি করে দেওয়া হয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তার সরকারী আবাস থেকে বেড়িয়ে সচিবালয়ে আসার মত কোন পরিস্থিতি নেই। শুধু মুখ্যমন্ত্রীই নন, মুখ্যমন্ত্রীর সরকারী আবাসের পাশে আরও চার জন মন্ত্রীর সরকারী আবাস রয়েছে তারাও অবরোধের মুখে পড়েছেন। প্রশাসনিক সূত্রটি জানিয়েছে অবরুদ্ধ বাকি চারমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী সরকারী হাজির হয়েছেন। অন্যান্য মন্ত্রীরা ইতিমধ্যেই সচিবালয়ে পৌঁছেছেন। কিন্তু এই অবস্থায় মন্ত্রীসভার বৈঠক কি ভাবে করা হবে তা নিয়ে কোন সুনিশ্চিত পন্থা পাওয়া যায়নি। রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন তিনি তার চাকরি জীবনে ২৮ বছরে এমন জটিল পরিস্থিতির মধ্যে পরেনি কিংবা এই ধরনের পরিস্থিতিতে মন্ত্রীসভার বৈঠক কিভাবে করা যাবে বা বৈঠক বাতিলের প্রক্রিয়া সম্পর্কেও তার বিশেষ কিছু জানা নেই। বিষয়গুলি নিয়ে প্রশাসনের সর্বোচ্চস্তরে আলাপ আলোচনা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে অবরোধের জেরে রাজধানী আগরতলায় ব্যপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ কর্মীরা সামগ্রিক পরিস্থিতির সামাল দিতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে।

18-07-2017 12:39:00 pm

মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করলো পুলিশ প্রশাসন

আগরতলা, ১৭ জুলাই (এ.এন.ই ): রাজ্যের উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রীর আবাস সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নামানো হয়েছে আধা সামরিক বাহিনীর জওয়ানদেরও। মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনের পথের দুই দিকের পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। সামনের দিকে বসানো উঁচু গ্রিলে মধ্যদিয়ে আসা যাওয়ার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। জানাগেছে, মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও অন্যান্যমন্ত্রী এবং এডিসি মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য এবং অন্যান্য কার্যনির্বাহী সদস্যদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

17-07-2017 06:41:24 pm

সরকারী বিবৃতি সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে আইপিএফটির আলোচনার সম্ভাবনা খারিজ করে দিল বিজেপি

আগরতলা, ১৭ জুলাই (এ.এন.ই ): কেন্দ্রীয় সরকারের কোন মন্ত্রীই বা রাষ্ট্রমন্ত্রীই ত্রিপুরা মুখ্যমন্ত্রীর আবদারে আইপিএফটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও সোমবার সকালে রাজ্য প্রশাসনের তরফে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী কিরেন রিজুজুর উধৃত করে আইপিএফটির সঙ্গে আগামীকাল কথাবার্তা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজ্য বিজেপির প্রভারী সুনীল দেওধর সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংএর মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী কিরেন রিজুজুর এবং প্রধানমন্ত্রী দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহের সঙ্গে বিজেপির রাজ্য নেতৃতের বিস্তারিত কথাবার্তা হয়েছে। এই কথাবার্তার পরিপ্রেক্ষিতে আইপিএফটির কোন নেতার সঙ্গেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা কোন আলাপ আলোচনা করবে না বলে জানিয়েদিয়েছেন। তবে তাঁরা কোন ধরনের আলোচনা করতে চাইলে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারে। তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দায়িত্ব এড়াতে চাইছেন। অবরোধমুক্ত করার বিজেপির ধার্য সময়সীমা অতিবাহিত হয়েগেছে। এখন মুখ্যমন্ত্রীকে কোথায় কি ভাবে কি পরিস্থিতিরে ঘেরাও করা হবে তা এখন প্রকাশ্যে আনা হবে না। যা হবে তা তখনই প্রকাশ্যে আসবে। যদিও আজ সকালে রাজ্য সরকারের তরফে পাঠানো এক প্রেস বিবৃতিতে বলা হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী কিরেন রিজুজু আজ সকালে মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন রাজনাথ সিং আইপিএফটির প্রতিনিধি যারা দিল্লী রয়েছেন তাঁদের সাথে ১৮ জুলাই বিকালে কথা বলবেন।

17-07-2017 06:38:55 pm

রাজ্যের বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে ত্রিপুরাকে গৃহযুদ্ধের দিকে টেনে দেওয়ার অভিযোগ

আগরতলা, ১৭ জুলাই (এ.এন.ই ): ত্রিপুরার বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে রাজ্যে গৃহযুদ্ধ সৃষ্টি করার চেষ্টার অভিযোগ তুললেন কংগ্রেস বিধায়ক রতনলাল নাথ। যদিও কংগ্রেসে তার অবস্থান নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক রয়েছে। রাজ্য বিধানসভার প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা তথা বিধায়ক রতনলাল নাথ আজ অভিযোগ করেছেন রাজ্যকে যে ভাবে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে এবং রাজ্যের বামফ্রন্ট সরকার যে ভাবে এই অবরোধকে মদত দিয়ে যাচ্ছে তাতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট হয়ে গেছে। রাজ্যকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবার চেষ্টা করছে রাজ্যের বামফ্রন্ট সরকার তথা শাসক সিপিআইএম দল। তিনি বলেন, টানা ৮ দিন ধরে জাতীয় সড়ক এবং রেলপথ বন্ধ। রাজ্যের ইতিহাসে কখনই এমনটা হয়নি। এই অবস্থায় কোন রাজনৈতিক দল মুখ্যমন্ত্রীকে অবরুদ্ধ করে রাখলে তখন রাজ্য সরকার ৮ দিন অপেক্ষা করে কিনা তাও দেখা প্রয়োজন। রতনলাল নাথ কংগ্রেসে বিধায়ক হলেও বর্তমানে বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি তিনি বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বেশ কয়েকবার প্রকাশ্যে মিলিতও হয়েছেন।

17-07-2017 04:06:44 pm

ত্রিপুরায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণ শুরু

আগরতলা, ১৭ জুলাই (এ.এন.ই ): রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য দেশের অন্যান্য রাজ্যের মত ত্রিপুরাতেও ভোট গ্রহণ পর্ব শুরু হয়েছে। ত্রিপুরা বিধানসভায় বিজেপির একজনও বিধায়ক নেই। কিন্তু কমপক্ষে ৭টি ভোট বিজেপি প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দের পক্ষে পরবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ৬০ সদস্যের ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্যদের ভোট গ্রহণ পর্ব সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়েছে। ত্রিপুরা বিধান সভার অধ্যক্ষ রমেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ চিকিৎসার জন্য বেশ কিছু দিন ধরে বহিঃরাজ্যে আছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় গিয়ে তার মতাধিকার প্রয়োগ করবেন। রাজ্য থেকে নির্বাচিত ২ লোকসভার সদস্য এবং ১জন রাজ্য সভার সদস্য দিল্লিতে সংসদ ভবনেই ভোট দেবেন। ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্যদের ভোটের মান ২৬x৬০। তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন রাজ্যের ৬ বাম-বিরোধী বিধায়ক বিজেপি প্রার্থী রামনাথ কোবিন্দের পক্ষে ভোট দেবার আগাম প্রতিশ্রুতি দিয়ে রেখেছেন। একইসঙ্গে কংগ্রেসের এক বিধায়কও অনুরূপ ঘোষণা দিয়ে রেখেছেন। তবে বামফ্রন্টের ৫১ জন কংগ্রেসের ৩ জনের মধ্যে ২ জন মীরা কুমারের পক্ষেই মতদান করবেন বলে ধারনা করা হচ্ছে।

17-07-2017 03:38:13 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.