• রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহত ত্রিপুরার যুবা সাংবাদিক
  • ত্রিপুরায় রাজনৈতিক সংঘর্ষে চরমে, সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা
  • চরম অশান্তির পরিবেশ, রাজনৈতিক সংঘর্ষ
  • আবার রাজনৈতিক সংঘর্ষের সম্ভাবনা, অবরুদ্ধ পথ
  • ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গে ভোটের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলি সহায়তা করছে রোহিঙ্গাদের
  • বঞ্চনার প্রতিবাদে ফের আন্দোলনের হুমকি সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের
  • রোহিঙ্গা নির্যাতন ইস্যুতে রাজ্যপালের ডেপুটেশন জমিয়তের
  • বিদ্যুৎতের ছোবলে মৃত ১ যুবক
  • মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে পদ্ম জোয়ার, ২০৪ ভোটার বিজেপিতে যোগদান
  • এক সত্তরোর্ধ বৃদ্ধার যৌন লালসার শিকার নাবালিকা মেয়ে
  • বিজেপিকে আক্রমণ করতে গিয়ে আরএসএসের দিকে তোপ দাগলেন মানিক সরকার
  • এইচএসসিএলের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি ত্রিপুরা সরকারের
  • বিজেপির ঘরেই ছেঁদ, নিয়োগ-প্রক্রিয়া বন্ধ হয়নি
  • আগরতলা সহ ত্রিপুরার বিভিন্ন মহকুমা সদরে আরএসএসএর পথ সঞ্চালন
  • পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু
  • সুপ্রিমকোর্টের আদেশমূলে রাজ্যেও ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কমিটি
  • স্থান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল এক ব্যক্তি
  • আজ মহালয়া, পিতৃ তর্পণ
  • চাকরির গ্যাঁড়াকলে ফেঁসে গিয়ে পরিস্থিতি জটিল করছে বামেরা
  • খোয়াই ও চম্পকনগরে ব্যাপক রাজনীতি সংঘর্ষ, আহত বহু
  • আবার রাজনৈতিক সংঘর্ষ, আহত বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ
  • সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের মামলাকারীর জীবন সংশয়
  • স্মার্টসিটি থেকে নীল তিমির আতঙ্ক এখন মফস্বলে
  • নিয়মিত করণের দাবিতে অনিয়মিত স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্দোলন প্রত্যাহার
  • শ্রীনগরে বৃদ্ধার অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে ব্যাপক রহস্য অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

স্পেশাল আর্টিকেল

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

হোলির রাতে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের পর সাংবাদিক সন্মেলনে বিপ্লব

চিটফান্ড ইস্যুতে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে তথ্য সহ বিঁধল সুদীপ

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

টপ ফাইভ

রাজনৈতিক সংঘর্ষে নিহত ত্রিপুরার যুবা সাংবাদিক

আগরতলা ২০শে সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): শেষ পর্যন্ত জীবন যুদ্ধে হেরে গেলেন রাজ্যের তরুণ সাংবাদিক শান্তনু ভৌমিক। মান্দাইয়ের রাজনৈতিক সংঘর্ষে তিনি গুরুতর ভাবে জখম হয়েছিলেন। এইমাত্র চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেছেন। ভারপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন সংকটজনক অবস্থায় তাকে জিবি হাসপাতালে আনা হয়েছিল। দ্রুত তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হলে কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসকদের একটি টিম তাকে বাঁচাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন কিন্তু কিছুই করা গেল না। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন শান্তনু ভৌমিকের সর্বাঙ্গে ক্ষত চিনহ রয়েছে। তার মাথায় ও ঘারে কমপক্ষে ১৮টি দা এর কোপ রয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে টাক্কাল (ত্রিপুরার উপজাতিদের ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের দা) দিয়ে তাকে কোপানো হয়েছে। প্রচণ্ড রক্তক্ষরণ হয়েছে। জিবিতে আনার পর অপারেশন থিয়েটারে সে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে। সাংবাদিকরা বর্তমানে রাজ্যের পুলিশ মহানির্দেশকের কার্যালয়ে ছুটে গেছেন। জানা গেছে, দোষীদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ মহানির্দেশকের কাছে দাবী জানানো হবে।

20-09-2017 07:00:20 pm

ত্রিপুরায় রাজনৈতিক সংঘর্ষে চরমে, সাংবাদিককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

আগরতলা ২০শে সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): মন্দাই, খোয়াই এবং চম্পকনগরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমাগত উত্তপ্ত হচ্ছে। রাজনৈতিক সংঘর্ষে এবার গুরুতর ভাবে জখম হলেন এক সাংবাদিক। সংকটজনক অবস্থায় আহত সাংবাদিককে জিবি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, আজ সকাল থেকেই মান্দাই এলাকার উত্তেজনা ছড়াতে থাকে। এক সময় পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনা স্থলে যায়। এই সময় সিপিআইএম এবং এইপিএফটি সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষের জন্য নিজেদের তৈরি করছিল। এই ছবি তুলতে গিয়ে আক্রান্ত হন চিত্র সাংবাদিক সান্তুনু ভৌমিক। তাকে টাকাল( ত্রিপুরার উপজাতিদের ব্যবহৃত দা) দিয়ে এলোপাথাড়ি কুপানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে ঘটনা সম্পর্কে তাদের কাছে প্রথমে কোন খবর ছিলনা। পরবর্তী সময় ঘটনা স্থলে গেলে তাদের কাছে খবর আসে সাংবাদিক দের উপর আক্রমণ হয়েছে। পরবর্তী সময় পুলিশ আহত সাংবাদিকের দেহ ঊর্ধ্বর করতে গেলে পুলিশকেও বিষণ বাধার সম্মুখীন হতে হয়। পরে অনেক অনেক চেষ্টা করে পুলিশের গারিতে করে সেই সাংবাদিক কে স্থানীয় হাসপাতালে আনা হলে তার অবস্থা সঙ্কট জনক হওয়ায় তাকে জিবি হাসপাতালে রেফার করা হয়। এই মাত্র তাকে জিবি হাসপাতালে আনা হয়েছে। কর্তব্যরত ডাক্তাররা জানিয়েছেন তাকে ও টি তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু চিকিৎসকরা কেউ বলতে চাইছেন না আহত সাংবাদিক সান্তুনু ভৌমিক জীবিত আছেন কিনা। তবে তার কোন হেলদোল নেই এবং প্রচণ্ড রক্ত ক্ষরণ হয়েছে। জিবি হাসপাতালে ভিড় জমিয়েছেন সব সাংবাদিকরা তাছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও সাহপাতালে পৌঁছে গেছেন। অন্যদিকে মানদাই,খোয়াই এবং চম্পক-নগরের প্রভিতি এলাকা গুলিতে ব্যাপক হারে সংঘর্ষ চলছে। গ্রামে গ্রামে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পরছে।

20-09-2017 06:28:26 pm

চরম অশান্তির পরিবেশ, রাজনৈতিক সংঘর্ষ

আগরতলা ২০শে সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): আবার খোয়াই, চম্পকনগর, মান্দাই প্রভৃতি বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত ভাবে রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। গতকালের সংঘর্ষের পর এখন পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে বলে পুলিশের অভিমত। অতিরিক্ত সুরক্ষা-বাহিনী এলাকা গুলোতে পাঠানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বিবদমান দুই রাজনৈতিক দল আইপিএফটি এবং সিপিআইএম'র সমর্থকরা সংঘর্ষের প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় জড়ো হচ্ছে। উভয় দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শান্তি বহাল রাখার চেষ্টা হচ্ছে। এলাকায় গতকাল থেকে ১৪৪ ধারা বহাল থকলেও এর বিশেষ কোন প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।তবে আতঙ্কে আগরতলা থেকে খোয়াই’র যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। গতকালের ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে।সমগ্র এলাকা জুড়ে অদ্ভুত আতঙ্কের বাতাবরণ বিরাজ করছে। আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানরা টহল দিচ্ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত ভাবে রাজনৈতিক সংঘর্ষ চলছে। উল্লেখ করা যেতে পারে ক্ষমতাসীন সিপিআইএম'র সবথেকে শক্তিশালী গনসংগঠন ত্রিপুরা উপজাতি গণ মুক্তি পরিষদের(জিএমপি) উপর আইপিএফটি কর্মীরা হামলা চালায়, এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৬০ জন।গুরুতর জখম১১ জনের চিকিৎসা চলছে জিবি হাসপাতালে। ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছে সিপিআইএম, জিএমপি। মঙ্গলবার আগরতলার আস্তাবল ময়দানে ত্রিপুরা উপজাতি গণমুক্তি পরিষদের কেন্দ্রীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্য জুড়েই ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে গেছে। এদিন সমাবেশে যোগদানকারী জিএমপি কর্মীদের উপর আইপিএফটি কর্মীদের নজিরবিহীন হামলায় অন্ততঃ আহত হয়েছে ৬০ জন কর্মী। এদের মধ্যে ১১ জনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাদের জিবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলায় কয়েকজন পুলিশ কর্মীও আহত হয়েছেন। এই ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছে সিপিআইএম ও জিএমপি। দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে শাসক দল। ইতোপূর্বে গণমুক্তি পরিষদের কেন্দ্রীয় সমাবেশ এর তারিখ চূড়ান্ত করেও একবার আবহাওয়ার কারণে বাতিল করতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়েছিল ১৯ সেপ্টেম্বর সেই বাতিল সভা অনুষ্ঠিত হবে আগরতলায়। সেই মত খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেও সারা রাজ্য থেকে জিএমপি কর্মীরা রওয়ানা হয়।অভিযোগ আইপিএফটি কর্মীরা বিভিন্ন স্থানে জিএমপির গাড়ি থামিয়ে কর্মীদের উপর হামলা চালায়। বিশেষ করে অনেক গাড়ির চালক গুরুতর ভাবে জখম হয়েছেন। যে সমস্ত স্থানে এই হামলা চালানো হয়েছে এরমধ্যে রয়েছে ছনখলা,বেলফাঙ, চম্পকনগর, খুমূলুঙ, জম্পুইজলা ইত্যাদি এলাকা। কৈলাশহর, কমলপুর ও খোয়াই থেকে আসা গাড়িগুলিকে ছনখলা,বেলফাঙ এলাকায় আটকে ব্যাপক মারধর করা হয়।উত্তর ত্রিপুরা, ধলাই ও অমরপুর থেকে আসা গাড়িগুলিকে চম্পকনগরে আটকে ব্যাপক মারধর করা হয়। এছাড়া, খুমুলুঙ, জম্পুইজলা, ১৮ কার্ড, বেলবাড়ি থেকে আসা লোকজনদের মেরে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়া হয় বলে অভিযোগ জিএমপির। এছাড়া বেশকিছু স্থানে পার্টি অফিস ভাঙচুর চালানো হয়। সিপিআইএম এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দলের মতে, কোনো রাজনৈতিক দলের সমাবেশে আসা কর্মীদের উপর হামলার ঘটনা রাজ্যে এই প্রথম। এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে শাস্তি দাবি করা হয়েছে। আইপিএফটির পৃথক রাজ্যের দাবিকে উপেক্ষা করে জনসভাতে আসার কারণেই এই হামলা সংগঠিত হয়েছে বলে দলের দাবি।দলের পলিটব্যুরো সদস্য মানিক সরকার এদিন জিএমপি কর্মীদের চোখ কান খোলা রেখে চলতে পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি আইপিএফটির পৃথক রাজ্যের স্লোগান এবং বিজেপির সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিরুদ্ধেও কর্মীদের সতর্ক করে দেন।

20-09-2017 02:04:02 pm

আবার রাজনৈতিক সংঘর্ষের সম্ভাবনা, অবরুদ্ধ পথ

আগরতলা ২০শে সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): প্রায় দশ ঘণ্টা শান্ত থাকার পর আবার রাজনৈতিক সংঘর্ষ বাধার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আইপিএফটি আজ সকাল প্রায় ১০টা থেকে জিরানিয়া-মান্দাই পথ অবরোধ করে বসেছে। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।বিশাল পুলিশ এবং আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ান পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত ভাবে চলছে রাজনৈতিক সংঘর্ষ।জিরানিয়া-মান্দাই পথে সংঘর্ষ ঠেকাতে পুলিশ চেষ্টা করছে। কিন্তু বিবদমান দুই রাজনৈতিক দল আইপিএফটি এবং সিপিআইএম'র সমর্থকরা প্রস্তুতি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গতকাল খোয়াই এবং চম্পকনগর এলাকায় সংঘর্ষের পর এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।গতকালের ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে।সমগ্র এলাকা জুড়ে অদ্ভুত আতঙ্কের বাতাবরণ বিরাজ করছে। আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানরা টহল দিচ্ছে। এলাকায় গতকাল থেকে জারি করা ১৪৪ ধারা বহাল রয়েছে।

20-09-2017 02:01:18 pm

বিজেপিকে আক্রমণ করতে গিয়ে আরএসএসের দিকে তোপ দাগলেন মানিক সরকার

আগরতলা, ১৮ সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): রাজ্য ভাগের চক্রান্তকে ঘিরে জনতাকে সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আদিবাসী প্রধান রাজ্য গুলিতেও উপজাতিরা ত্রিপুরায় জনজাতিদের মত বিকশিত হয়নি বলে মুখ্যমন্ত্রীর দাবী। সিপিআইএমএর জনজাতি সংগঠন ত্রিপুরা উপজাতি জনমুক্তি পরিষদের জমায়েতে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন যারা আগে স্বাধীন ত্রিপুরার ডাক দিয়েছিল তারাই এখন পৃথক রাজ্যের দাবী উপজাতি অংশের জনগণ মেনে নেয়নি। ত্রিপুরাকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে ফলে ত্রিপুরা থেকে অনুউপজাতিদের বিতরণ এবং এডিসিকে নিয়ে পৃথক রাজ্যের দাবী তোলা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিভেদকামী এই শক্তির পেছনে কিছু রাজনৈতিক মুখোসও রয়েছে। আর এর পেছনে ছিল ত্রিপুরা উপজাতি যুব সমিতি এখন তারাই আইপিএফটিতে এসেছে। ১৯৭৭ সালের পর থেকে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় এলে উপজাতিদের উন্নয়ন শুরু হয়। বর্তমানে যে সমস্ত রাজ্যে উপজাতিরাই সংখ্যা গুরু সে সব রাজ্যের তুলনায়ও ত্রিপুরার উপজাতিদের উন্নয়ন অনেক বেশী সফল হয়েছে। বর্হিরাজ্য থেকে প্রতিনিধিরা এসে এসব সাফল্য দেখে রীতিমত বিস্ময় প্রকাশ করেন। তবে রাজ্যে বর্তমানে শান্তি সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চক্রান্ত চলছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ত্রিপুরার জনগনকে সম্মিলিতভাবে এসব প্রতিরোধের ডাক ও তিনি দেন। মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আবার তোপ দাগিয়েছেন। কেন্দ্রের বিজেপির সরকারের কারণে ত্রিপুরাতেও আরএসএস এবং অন্যান্য বিভেদকামী শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বলেও মানিক সরকার অভিযোগ করেন। মানিক সরকার বলেন, কেন্দ্রের সরকারের পেছনে মূল শক্তি আরএসএস। তারা গরিব বিরোধী বড় লোকদের স্বার্থে কাজ করছে। এদের নীতির কারণেই কৃষক আত্মহত্যা করছে। কর্মসংস্থানের সুযোগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, প্রতি বছর এক থেকে দের লক্ষ বেকার যুবক তৈরি হচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গ্রাম উন্নয়ন, শিশুও নারী কল্যাণে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ত্রিপুরার উপজাতি এলাকায় আরএসএস সক্রিয় হয়েছে। তাদের শাখা সংগঠন, কল্যাণ আশ্রম দীর্ঘদিন ধরেই ত্রিপুরাতে কাজ করছে। খুব বেশী শক্তি সঞ্চয় করতে পেরেছে এমনটা নয় তবে হিন্দু ও খ্রিস্টানের বিবাদ লাগিয়ে এখন সমস্যা তৈরি করছে। যদিও আদিবাসীদের জমির অধিকার কিংবা তাদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা নিয়ে তাদের কোন চিন্তা নেই। রাজ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতিকে অশান্ত করে তোলার চেষ্টায় রয়েছে বিজেপি এবং এদের শাখা সংগঠন গুলি। মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন ধর্মের নামে কে কি খাচ্ছেন, না খাচ্ছেন ইত্যাদি বলে। ধর্মীয় শ্রেণির সহয়তা করছে বিজেপি।

19-09-2017 08:01:13 pm

এইচএসসিএলের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি ত্রিপুরা সরকারের

আগরতলা, ১৮ সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা প্রকল্পের কাজকর্মে সন্তুষ্ট নয় রাজ্য সরকার। এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থা এইচএসসিএলের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন রাজ্যের পূর্ত মন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা এইচএসসিএলের কাজকর্মে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ রাজ্য সরকার৷ রাজ্য সরকারের মতে, প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনা তথা পিএমজিএসওয়াই প্রকল্পের কাজে মান এবং অগ্রগতি যথেষ্ট নিম্নমানের৷ এই সংস্থার বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উজাড় করে দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে সিবিআইয়ের দাবি রেখেছেন পূর্ত দপ্তরের মন্ত্রী বাদল চৌধুরী৷ যদিও সিবিআই তদন্ত ইস্যুতে রাজ্য সরকারের অবস্থান কতটা আন্তরিক সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, যদি সিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দিতেই হয় তবে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিলেই হতো। সেই পথে না হেটে কেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালো রাজ্য সরকার সে নিয়ে চলছে বিতর্ক। ত্রিপুরাতে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের দায়িত্ব যে দুটি কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থার উপর ন্যস্ত রয়েছে তার অন্যতম হল এই এইচএসসিএল৷ রাজ্যের তিনটি জেলায় এই প্রকল্পের কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে৷ জেলাগুলি হল- উত্তর, ঊনকোটি ও ধলাই৷ অপর যে সংস্থাটি এই প্রকল্পের কাজের সাথে যুক্ত রয়েছে সেটি হল এনবিসিসি৷ এছাড়া, রাজ্য সরকারের পূর্ত দপ্তরও কোথাও কোথাও বিশেষ করে সংস্কারের কাজে যুক্ত রয়েছে। এনবিসিসির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ নেই৷ কিন্তু এইচএসসিএলের কাজকর্মে বীতশ্রদ্ধ রাজ্য সরকার৷ এমজিএসওয়াই প্রকল্পের কাজকর্ম ছাড়াও আরও কয়েকটি সড়কের দায়িত্ব রয়েছে এই সংস্থাটির হাতে৷ ধর্মনগর-কাঞ্চনপুর রাস্তাটি এরমধ্যে অন্যতম৷ পূর্তমন্ত্রী বাদল চৌধুরীর জানান, গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই সড়কটির কাজ করে চলেছে এইচএসসিএল৷ কিন্তু এখন পর্যন্ত ৩০-৪০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এই সড়কটির মান উন্নত করে তোলা যায়নি৷ নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করার কারণে কয়েকদিনের মধ্যেই সড়কটি নষ্ট হয়ে পড়ছে৷ সম্প্রতি রাজ্য সফর করে গেছেন কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা ও প্রকল্প রূপায়নকারী মন্ত্রকের মন্ত্রী ডিভি সদানন্দ গৌড়া৷ মহাকরণে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্প রূপায়নকারী সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেছিলেন৷ ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী বাদল চৌধুরীকেও৷ তখনই এইচএসসিএলের আধিকারিকের উপস্থিতিতে পূর্তমন্ত্রী অভিযোগ করেন, এই সংস্থার দায়িত্বে যিনিই এসেছেন, কারোর সময়েই রাজ্যে সড়কের কাজের উন্নতি করা যায়নি৷ উপরন্তু গোমতী, ধলাই ও ঊনকোটি এই তিনটি জেলা হাসপাতালের নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাদের হাতে৷ কিন্তু হাসপাতালগুলিকে টু-স্টার ক্যাটাগরির হোটেলের আকারে তৈরি করা হয়েছে৷ পরবর্তী সময়ে যেগুলিকে হাসপাতালের রূপ দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারের কোষাগার থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকা খরচ করতে হয়েছিল। এই সমস্ত অভিজ্ঞতার নিরিখে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারেরই এই সংস্থাটির বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়৷ মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলন করে একথা জানিয়েছেন মন্ত্রী বাদল চৌধুরী। যদিও কেন্দ্রীয় এই সংস্থাটির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠার পরেও কেন রাজ্য সরকার ইতোপূর্বে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি, মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে এই সংস্থার বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের কথা সুপারিশ করা হয়নি তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন৷ এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে অবশ্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সদানন্দ গৌড়ার প্রশস্তি শোনা গেল রাজ্যের মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় প্রধান ব্যক্তিত্ব বাদল চৌধুরীর মুখে৷ বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে মহাকরণে এসে আধিকারিকদের সাথে বৈঠক করা কিংবা দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন না করে মহাকরণেই সাংবাদিক সম্মেলন করা এ সমস্ত কারণে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়ার পুত্রের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন শ্রী চৌধুরী৷ ওই বৈঠকে উদয়পুর-গর্জি ট্রেন চালু করার সূচী নির্ধারিত হয়ে যাবার পরেও তা কোনো নোটিশ ছাড়াই বাতিল করে দেওয়া এবং এখন পর্যন্ত চালু না করার জন্য রেলমন্ত্রকের সমালোচনায় মুখর ছিলেন পূর্ত ও রাজস্ব দপ্তরের মন্ত্রী। জমি অধিগ্রহণের কারণে ত্রিপুরাতে অনেকগুলি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের খরচের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। এ প্রসঙ্গে রাজস্ব মন্ত্রী শ্রী চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি অবশ্য তা অস্বীকার করেন৷ রাজ্যে এমন কোনো প্রকল্পই নেই বলে তিনি জানান, যেখানে জমি অধিগ্রহণ কিংবা রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে দেরি হয়েছে।

19-09-2017 06:06:56 pm

বিজেপির ঘরেই ছেঁদ, নিয়োগ-প্রক্রিয়া বন্ধ হয়নি

আগরতলা ১৯ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): শিক্ষকের চাকরি বাতিল আর তারপর আশিক্ষক পদে তাদের পুনঃনিয়োগের চেষ্টা ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলার পরবর্তী শুনানি ৩ অক্টোবর। এই বিষয়ে রাজ্য আইন দপ্তর এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে।তবে সুনীল দেওধরের মেইল ফাঁস করার পেছনে বিজেপি অন্দরে থাকা শত্রুদেরই ইঙ্গিত করেছেন রাজ্যের শিক্ষা তথা আইন মন্ত্রী।একই সঙ্গে চাকরি প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে না বলেও জানান দিয়েছেন মন্ত্রী। শিক্ষা তথা আইন মন্ত্রী তপন চক্রবর্তী এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, "সুপ্রিম কোর্টের নোটিশের জবাব পাঠানো হবে যথাসময়ে৷ একই সাথে ১২ হাজার শূণ্যপদে নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলবে"৷ তিনি আরও বলেন, "সুপ্রিম কোর্টের প্রদেয় গাইডলাইন মেনেই রাজ্য সরকার ১২ হাজার অশিক্ষক শূণ্যপদে নিয়োগ করছে৷ বিজেপির প্রদেশ পর্যবেক্ষক সুনীল দেওধর শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে মেইল হ্যাক করার যে অভিযোগ তুলেছেন তা অযৌক্তিক"৷ এখানেই ইতি না টেনে এই ঘটনার নেপথ্যে বিজেপির অন্দরে থাকা বিভীষণদের বিষয়েও সুনীল দেওধরকে সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি৷ যদিও মেইল ফাঁস ইস্যুতে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের ভূমিকার কথাও মেনে নিয়েছেন তিনি৷ সুপ্রিম কোর্ট ১০,৩২৩ জনের চাকরি ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিশ ইস্যু করেছে৷ দুই সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে৷ আগামী ৩ অক্টোবর মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য উঠবে৷ তার আগে রাজ্য সরকারকে নোটিশের জবাব দিতে হবে৷ শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, "তিন লাইনের একটি নোটিশ ইস্যু করা হয়েছে৷ রাজ্য সরকার এই নোটিশের উত্তর যথাসময়ে আদালতের কাছে তুলে ধরবে৷ একই সাথে ১২ হাজার শূণ্যপদে নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলবে"৷ চক্রবর্তী বলেন, "সুপ্রিম কোর্টের নোটিশের কোথাও নিয়োগ-প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার কথা বলা হয়নি৷ এমনকি ১০,৩২৩ জনের চাকরি বাতিল ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের পক্ষ থেকে যেসমস্ত গাইডলাইন ইস্যু করা হয়েছিল সেগুলিও অমান্য করা হয়নি"৷ মন্ত্রীর সাফাই দিয়ে বলেন, "২৯ মার্চের গাইড লাইন মেনেই নিয়োগ করার চেষ্টা হচ্ছে৷ সুপ্রিম কোর্টের রায় অমান্য করার প্রশ্নই উঠে না"৷ ১২ হাজার পদে নিয়োগ নিয়ে প্রদেশ বিজেপির পর্যবেক্ষক ষড়যন্ত্র করে চলেছেন বলে অভিযোগ করে এদিন ই-মেল সংক্রান্ত বেশ কিছু কাগজপত্রও সাংবাদিকদের হাতে তুলে দিয়েছেন৷ চক্রবর্তী বলেন, "গত ১ জুন কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়নমন্ত্রকের অবর সচিব অনিল গাওলা রাজ্যের সর্বশিক্ষার রাজ্য প্রকল্প অধিকর্তা এই কে চাকমার কাছে একটি চিঠি দেন৷ ওই চিঠির সাথে তিনি একটি স্মারকলিপির কপিও জুড়ে দেন৷ ওই কপিটি ছিল বিজেপির প্রদেশ পর্যবেক্ষক সুনীল দেওধরের"৷ তিনি বলেন, "কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে এই কপিটি না এলে বুঝতে পারতাম না রাজ্যের বেকারদের বিরুদ্ধে কীভাবে ষড়যন্ত্র চলছে৷ সুনীল দেওধর যেদিন মেইলটি করেছিলেন সেই তারিখটি ছিল ২৫ মে৷ এর পাঁচ দিনের মাথায় সেই চিঠি কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের কাছ থেকেই রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়"! যদিও বিজেপির বক্তব্য, শিক্ষামন্ত্রী দেওধরের মেইল হ্যাক করেছেন৷ শিক্ষামন্ত্রীর মতে, "চিঠির বিস্তারিত পড়ে দেখলেই বুঝা যাবে৷ মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের তরফে রাজ্য সরকারের স্পষ্টীকরণ চেয়ে দেওধরের জবাব ৭ জুলাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু এরপর থেকে এখনো পর্যন্ত এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি"৷ বিজেপির অভ্যন্তরে দলীয় অবিশ্বাসকে এই সুযোগে চাঙ্গা করতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বিজেপির বিভীষণদের দিকেও আঙ্গুল তুলেছেন৷ তিনি বলেন, "দেওধরকে বিপাকে আমরা ফেলছি না, যারা ফেলছে তারা আপনার ডানে কিংবা বামেই বসে আছে৷ ২০১২ সালে যেভাবে সুদীপ রায় বর্মণকে বিপাকে ফেলেছিল যারা, এখন তারাই এই দলে যোগ দিয়েছে"৷ তবে অশিক্ষক পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার প্রশ্নে এদিনও পুরনো অবস্থানেই রয়েছেন মন্ত্রী৷ তাঁর বক্তব্য, "যিনি নিয়োগকর্তা তাঁর মর্জি কোন পদে কি ধরণের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোককে নিয়োগ করবে"। প্রসঙ্গক্রমে তিনি জানান, শিক্ষা অধিকার আইন মতে শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে তুলতে রাজ্য সরকার এই পদগুলি তৈরি করেছে৷ সর্বোচ্চ আদালতের গাইডলাইনে বলা হয়েছিল, নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে যাতে নিয়োগ-নীতি তৈরি করা হয়। সেইমত এই ১২ হাজার পদের জন্য নতুন নিয়োগ-নীতি তৈরি করা হয়েছে৷ সেই মত এই শূণ্য পদ গুলিতে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন।

19-09-2017 05:06:53 pm

আগরতলা সহ ত্রিপুরার বিভিন্ন মহকুমা সদরে আরএসএসএর পথ সঞ্চালন

আগরতলা ১৯ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): দেবী পক্ষের সূচনায় আজ সকালে রাজধানী আগরতলা সহ রাজ্যের বিভিন্ন মহকুমা সদরে আজ রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (আরএসএস) তাদের শক্তি প্রদর্শন করেছে। আরএসএসএর পথ সঞ্চালন ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা পরিলক্ষিত হয়। আগরতলায় প্রায় ৬৫০ স্বয়ং সেবক বৈরাবিক ধজকে সামনে রেখে কুচ কাওয়াজ প্রদর্শন করে। রাজপথের এই পথ সঞ্চালন দেখতে স্থানীয় জনগণ পথের ধারে ভীর জমায়। দণ্ড নিয়ে ব্যন্ডের তালে অনুষ্ঠিত এই পথসঞ্চালনটি ঘিরে বিভিন্ন মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন মহকুমা সদরেও পথ সঞ্চালন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হয়েছে কিন্তু বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই বিভিন্ন স্থানে পথ সঞ্চালন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উল্লেখ করা যেতে পারে সংঘের গণদেশ হাফপেন্ট থেকে ফুলপ্যান্ট হওয়ার পড়ে এটাই ত্রিপুরাতে আরএসএসএর প্রথম পথ সঞ্চালন কর্মসূচী।

19-09-2017 05:04:06 pm

আজ মহালয়া, পিতৃ তর্পণ

আগরতলা ১৯ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): আজ মহালয়া। মা দুর্গার আগমনী বার্তা। পিতৃ পক্ষের আগমন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের, ''যা দেবী সর্বভুতেষু শক্তিরূপেন সংস্থিতা, নমঃস্তস্যই নম: স্তস্যই নমঃ নম:....।" সাংস্কৃতিক শ্লোকে ঘুম ভাঙ্গে সকলের। যদিও সাধারণত ভোর থেকে পিতৃ-পুরুষের উদ্দেশ্যে চলতে থাকে পুকুর, জলাশয় ও নদীতে তর্পণ। তবে এবার বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে অমাবস্যা শুরু হয় সকাল ১০টার পর। মহালয়া উপলক্ষ্যে আজকে সকালে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রভাতফেরি করা হয়। এছাড়া শহরের কয়েকটি ক্লাব সারাদিন ব্যাপী বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এরমধ্যে শহরের পূর্ব শিবনগরের অনিক ক্লাব এবারও প্রতি বছরের ন্যায় শিশুদের বসে আঁকো, পুরুষ ও মহিলাদের বিভিন্ন খেলার প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

19-09-2017 02:58:56 pm

খোয়াই ও চম্পকনগরে ব্যাপক রাজনীতি সংঘর্ষ, আহত বহু

আগরতলা ১৯ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): বিবদমান দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মধ্যে ছুরিমারা মারিতে এবং ঢিল ছোরা ছুরিতে কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছেন, খোয়াই এবং চম্পকনগর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। আগরতলায় সিপিআইএম'র উপজাতি সংগঠন গণমুক্তি পরিষদের সভায় আসা না আসাকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে আহতদের তালিকায় বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মীও রয়েছেন। কমপক্ষে ১২টি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। গুরুতর জখম ৬ জনকে জিবি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকায় আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানদের নামানো হয়েছে। অন্যদিকে আইপিএফটি পথ অবরোধ করে বসেছে। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

19-09-2017 02:33:22 pm

আবার রাজনৈতিক সংঘর্ষ, আহত বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ

আগরতলা ১৮ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): সদ্ধিদ্ধ শাসক দলিয় ক্যাডারদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ সহ বেশ কয়েকজন বিজেপির নেতা। ঘটনায় গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাজধানী আগরতলার অদূরে বিটারবন এলাকায় মোল্লা পারায় আজ দুপুর থেকে বিক্ষিপ্ত ভাবে বিজেপি এবং সিপিআইএম সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয় পড়ে দুপুরের পর এই সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে। রাজ্য বিজেপির সহ সভাপতি সুবল ভৌমিক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বিটারবনে বিজেপির একটি কার্যালয় রয়েছে গতকাল রাতে এই কার্যালয় বন্ধ করার জন্য বাড়ির মালিককে হুমকি দেওয়া হয় এবং কার্যালয়ের সামনে শাসকদলের পতাকা লাগিয়ে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে এলাকার বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ ঘটনাস্থলে ছুটে যান বিজেপির কিছু কর্মী সমর্থকও বেরিয়ে আসেন। তারা পার্টির অফিসে দিকে যেতেই তাদের ঘিরে ফেলা হয় এবং সিপিআইএম এর মহিলা কর্মীদের দিয়ে তাদের দিকে পাথর দিয়ে ঢিল ছোড়া শুরু হয়। বিজেপির বিধায়ক এবং অন্যান্য সমর্থকদের আত্ম রক্ষায় এলাকা থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে। সুবল ভৌমিক অভিযোগ করেন পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় এই হামলা সংগঠিত করা হয়েছে। পড়ে বিজেপির নেতা কর্মীরা খবর পেয়ে দ্রুত ঐ এলাকায় ছুটে যান এবং সিপিআইএম এর ব্যারিগেট ভেঙে আহতদের ঐ স্থান থেকে তুলে আনা হয়। বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ সহ বেশ কয়েকজনকে জিবি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

18-09-2017 07:12:57 pm

সরকারের বিরুদ্ধে আদালতের মামলাকারীর জীবন সংশয়

আগরতলা ১৮ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে অবৈধভাবে চাকরি প্রদান মামলায় রাজ্য সরকারকে নোটিশ জারি করার পর মামলাকারীর সম্পত্তি নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। মামলাকারী যুবক আজ তার মৌলিক অধিকার রক্ষার দাবীতে রাজ্যের পুলিশ মহা নির্দেশকের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে রাজ্যের ১০,৩২৩ শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়ে যাওয়ার পর তাদের পুনর্বহালের জন্য রাজ্য সরকার যে ১২ হাজার অশিক্ষক পদ তৈরি করে ছিল তা নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের পুনরায় মামলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে রাজ্য সরকারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই অবস্থায় রাজ্য সরকারের চলতি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের আঘাত পরেছে। যা রাজ্যের রাজনৈতিক প্রক্রিয়াকে যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে। এই অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টে মামলাকারী দেবাশিষ পাল চৌধুরী নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। গত শনিবার থেকে শাসক দলিয় ক্যাডাররা তার বাড়ি ঘেরাও করে রেখেছে বলেও অভিযোগ। মামলা প্রত্যাহারের জন্য তার উপর চাপ দেওয়া হয়। ফলে পরিস্থিতি আজ আরও জটিল হয়েছে। দেবাশিষ পাল চৌধুরী আজ বিকালে রাজ্যের পুলিশ মহা নির্দেশক এ.কে শুক্লার সঙ্গে সাক্ষাত করেন। তিনি পুলিশ মহা নির্দেশকের কাছে তার দিগুণ সম্পত্তি এবং মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য দাবী জানিয়েছেন। তার উপযুক্ত সুরক্ষার দাবী ও তিনি করেন। পড়ে তিনি জানিয়েছেন, তার বাড়ি শুদ্ধু ঘেরাও করে রাখা হয়েছিল। হুমকির মুখে ছিল তার বৃদ্ধা পিতা, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সহ সমগ্র পরিবার। তিনি এখন তার পরিবার নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন। তিনি পুলিশ মহা নির্দেশকের কাছে তার অধিকার সুরক্ষার দাবী জানিয়েছেন।

18-09-2017 07:06:39 pm

আদালত অবমাননার মামলায় রাজ্য সরকারকে নোটিশ

আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): রাজ্য সরকার কর্তৃক শিক্ষাদপ্তরে সৃষ্ট ১২ হাজার অশিক্ষক পদে নিয়োগের সিদ্ধান্তকে আদালত অবমাননার শামিল দাবি করে সুপ্রিমকোর্টে মামলা দাখিল করলেন রাজ্যেরই জনৈক বঞ্চিত প্রার্থী। সুপ্রিমকোর্টের মাননীয় বিচারপতিদ্বয়ও দাখিল করা আবেদনের সঙ্গে সহমত পোষণ করে শুনানিকালে বলেন যে গত ২৯ মার্চ সুপ্রিমকোর্ট যে রায় দিয়েছিল তার বিরুদ্ধে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে যা আদালত অবমাননার শামিল। যার ফলে রাজ্য সরকারের তরফে নিযুক্ত স্ট্যান্ডিং কাউন্সিলের মাধ্যমে রাজ্যকে নোটিশ দেওয়ার আদেশ দেন মাননীয় বিচার পতিদ্বয়। সুপ্রিমকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের এই মন্তব্য থেকেই পরিষ্কার যে রাজ্য সরকারের রাজ্য শিক্ষা দপ্তরের সৃষ্ট নতুন পদগুলি নিয়োগের সিদ্ধান্তকে মোটেও ভালো চোখে দেখছে না দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়। বরং এই ইস্যুতে বেশ করা মনোভাবই নিয়েছে সুপ্রিমকোর্টে মামলাকারী বঞ্চিত প্রার্থী দেবাশিস পাল চৌধুরী। অভিযোগ, প্রথমে হাইকোর্ট ও পড়ে সুপ্রিমকোর্টের রায়ে রাজ্যের ১০, ৩২৩ জন বেআইনিভাবে নিযুক্ত শিক্ষকের চাকরি বাতিলের পর এই অযোগ্যদের পুনরায় চাকরিতে বহাল রাখতে কৌশলে রাজ্য সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত আদালতের রায়কে পাশ কাটিয়ে চাকরিহারাদের কৌশলে চাকরি পাইয়ে দেওয়াই হল মূল লক্ষ্য। চলতি বছরের ২৯ মার্চ দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ের এই ডিভিশন বেঞ্চই হাইকোর্টের রায়কে মান্যতা দিয়ে বেআইনিভাবে চাকরিপ্রাপ্ত এই ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের চাকরি ডিসেম্বর মাসের পর বাতিল বলে রায় দিয়েছিল। কিন্তু এরপরও রাজ্য সরকার এই অযোগ্য শিক্ষকদের জন্য নতুন করে পদ সৃষ্টি করে রীতিমত দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়েরর সঙ্গেও সংঘাতের পথেই হাঁটছে। সব মিলিয়ে শিক্ষা দপ্তরে নতুন করে সৃষ্ট পদগুলিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে আবারও আদালতে ল্যাজে গোবরে হাতে পারে বলে রাজ্যের বরিষ্ঠ আইনজীবীদের ধারনা। আর এমনটা হলে চলতি বছরের ডিসেম্বরের পর থেকে চাকরিহারা ১০,৩২৩ জনের ভবিষ্যৎ গভীর অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে বলে চলে।

15-09-2017 06:31:35 pm

ত্রিপুরাতে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ, ধৃত ৪

আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): ত্রিপুরার খোয়াই’র ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করে আগরতলায় আসার পথে ৪ রোহিঙ্গাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে তারা ধরা পরে। ধারনা করা হচ্ছে বৃহস্পতিবার তারা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে।তাদের সঙ্গে সীমান্তের এপারের বেশ কিছু লোক সহযোগী হিসাবে রয়েছে বলে পুলিশের ধারণা।উল্লেখ করা যেতে পারে বৃহস্পতিবার মায়ানমারের মুসলিম সম্প্রদায় ভুক্ত রোহিঙ্গাদের সমর্থনে রাজধানী আগরতলায় বিশাল মিছিল সংগঠিত করে জমিয়ত-উলেমা-হিন্দ। এই মিছিল থেকে মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সুচির ফাঁসি দাবী উত্থাপন করা হয়।

15-09-2017 03:17:04 pm

প্রকল্পের টাকা ব্যয় করতে না পারার অভিযোগে ত্রিপুরা সরকারকে উপর অসন্তোষ প্রকাশ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

আগরতলা, ১৫ সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক সেরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সরকারের উপর অসন্তাষে করলেন পরিসংখ্যান, পরিকল্পনা ও পরিকল্পনা রূপায়নকারী মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী ডি.ভি সদানন্দ গৌড়া। এই অবস্থায় প্রকল্পের টাকা যথাসময়ে ব্যয় করতে না পারার অভিযোগে ত্রিপুরা সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন তিন। সাংসদ এলাকা উন্নয়নের অব্যয়িত অর্থ নিয়ে নিশানায় খোদ ত্রিপুরার শাসক দলীয় সাংসদ। দুই দিনের ত্রিপুরা সফরে এসে পরিসংখ্যান, পরিকল্পনা ও পরিকল্পনা রূপায়নকারী মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী ডি.ভি সদানন্দ গৌড়া বৃহস্পতিবার দীর্ঘ বৈঠক করেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের সাথে। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি রাজ্য সরকারকে কার্যত কাঠগড়ায় তুলে বলেন, ঠিক সময়ে কাজ করতে না পারায় ত্রিপুরার ১১টি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের ব্যয় প্রস্তাবিত ব্যয়ের দ্বিগুন হয়ে গেছে৷ টাকা ব্যয় করতে না পারার কারণে পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা কেন্দ্রের প্রক্তন সাংসদ বাজুবন রিয়াংকেও এদিন কাঠগড়ায় তুলেছেন তিনি৷ যদিও তার নিশানা থেকে বাদ যাননি এই কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ জীতেন্দ্র চৌধুরী৷ যদিও বৃহস্পতিবার রাজ্যে এসেই তিনি প্রথম মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন৷ এরপর রাজ্য সরকারের পরিসংখ্যান দফতরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি৷ এই বৈঠকে রাজ্যের তিন সাংসদও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে৷ পরে মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলনে সদানন্দ গৌড়া বলেন, \"পরিসংখ্যান সংক্রান্ত আরও নিখুঁত তথ্য তুলে আনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ত্রিপুরার জন্য ১৫ কোটি ৯৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে৷ খুব শীগ্রই এই টাকা রাজ্যের হাতে তুলে দেওয়া হবে\"। তিনি বলেন,\"সাংসদ এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ৩২ কোটি টাকা এখনো ব্যয় করতে পারেননি সাংসদ জীতেন্দ্র চৌধুরী৷ এরমধ্যে ১৭ কোটি টাকা ছিল পূর্বতন সাংসদ বাজুবন রিয়াং এর সময়কালের৷ ১৫০ কোটি টাকার বেশি এমন ১১টি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ ত্রিপুরাতে চলছে৷ এই ১১টি প্রকল্পের জন্য মোট প্রস্তাবিত ব্যয়বরাদ্দ ধরা হয়েছিল ৪,৪০০ কোটি ৬৪ লক্ষ টাকা৷ কিন্তু সময়মত কাজ শেষ করতে না পারার কারণে এই টাকার পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে গেছে\"। আজ সকালেই তিনি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ সরজমিনে খতিয়ে দেখতে বেড়িয়ে পরেছেন। সাতসকালে তিনি আগরতলা-আখাউড়া প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক রেল প্রকল্পের কাজ পরিদর্শণ করেন।

15-09-2017 03:11:54 pm

জামাতিয়া কাস্টমারি ল তে ত্রিপুরা মন্ত্রীসভার অনুমোদন

আগরতলা, ১৪ সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): জমাতিয়া সমাজের সামাজিক আইনের (কাস্টমারি ল ) এর স্বীকৃতি দেবার জন্য রাজ্যমন্ত্রী সভা প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। রাজ্যমন্ত্রী সভায় সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই রাজ্যপালের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। আজ রাজ্যমন্ত্রী সভার ডাকা জরুরী বৈঠকে জমাতিয়া সমাজের কাস্টমারি ল নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। আলোচনা কালে জামাতিয়া সমাজের পরিচালন সংস্থা জামাতিয়ার হদার রিপোর্ট নিয়েও আলোচনা হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে সম্প্রতি ত্রিপুরা উপজাতি এলাকায় স্বশাসিত জেলা পরিষদের অধিবেশনে রাজ্যের তৃতীয় বৃহত্তম জনজাতি গোষ্ঠী জামাতিয়াদের কাস্টমারি ল এর বিষয়ে অনুমোদন দেয়। ঐ অধিবেশনেও সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে দীর্ঘ চর্চা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কাস্টমারি ল বিষয়ে জিজ্ঞেসা করা হলে রাজ্যের উপজাতি কল্যাণ দপ্তরের সচিব এল.এইচ. ডালং বলেন, জামাতিয়া হদা তাদের কাস্টমারি ল লিখিত আকারে অনুমোদন করিয়ে নেবার প্রক্রিয়া প্রথম শুরু করে এখন রিয়াং এবং চাকমা সহ অন্যান্যদের কাস্টমারি ল নিয়েও বিধিবদ্ধ রূপরেখা তৈরি হবে। তিনি জানান, সংবিধানের ৩০৩ এর (১) ধারা মোতাবেক ষষ্ঠ তপশিলে এই ধরনের আইনের সংস্থান রয়েছে। জামাতিয়াদের কাস্টমারি ল তে ৩০ চাপ্টায় বিভক্ত ৩১৩ টি ধারা রয়েছে। এটি রাজ্যের উপজাতিদের প্রথম অনুমোদিত কাস্টমারি ল হতে চলেছে। যদিও প্রতিটি জনজাতি গোষ্ঠী নিজেস্ব সামাজিক আইনি ব্যবস্থা রয়েছে।

14-09-2017 07:31:51 pm

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সফর ঘিরে তৎপরতা ও বিতর্ক

আগরতলা, ১৪ সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): বৃহস্পতিবার রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডি ভি সদানন্দ গৌরা। ২দিনের এই প্রস্তাবিত সফর ঘিরে ইতিমধ্যেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা,পরিসংখ্যান ও পরিকল্পনা রূপায়ন মন্ত্রী সদানন্দ গৌরা এদিন সকালে রাজ্যে আসবেন। বিজেপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক ছাড়াও তিনি রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে রাজ্য সচিবালয়ে বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। কিন্তু রাজ্য প্রশাসনের এক আধিকারিক জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার সাক্ষাত করবে না বলে আপাতত রাজ্য প্রশাসনের কাছে খবর রয়েছে। আর রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ জটিলতার বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতেই তিনি রাজ্যে আসছেন বলে জানা গেছে।আগামীকাল সকালে তার রাজ্য ত্যাগের কথা রয়েছে।

14-09-2017 03:00:05 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.