• তথাগত রায়কে অপসারণের দাবী সিপিআইএম ও কংগ্রেসের
  • আন্তর্জাতিক মৈত্রী বাস দুর্ঘটনায় হতাহত ৩
  • তেলিয়ামুড়ায় গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার গাড়ি উল্টে গভীর খাদে, আহত ১
  • মুম্বাইয়ে ত্রিপুরা বামফ্রন্ট সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনামূলক পুস্তক প্রকাশ
  • রাজ্যে বন্যায় তিন জেলার ৮৯টি গ্রামের প্রায় ৭৬৬২টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত
  • পাপাই হত্যায় সেশন কোর্টের রায়ের বিরোধিতা করে হাইকোর্টে রাজ্য সরকার
  • পানীয় জলের বোতলে পোকা
  • চলন্ত অটো থেকে ভিন রাজ্যের চার মহিলা পকেটমার ধৃত
  • আনোয়ারা হত্যাকান্ডে সঠিক তদন্তে সিআইডি'র কাছে ছাত্র সমাজ
  • ত্রিপুরা সফরে এসে যোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়
  • ট্রাফিক পুলিশকে পেটালো একদল যুবক
  • বেতন কমিটির রিপোর্টে ভুল প্রত্যাহার দাবী ২৩টি কর্মচারী সংগঠন
  • শান্তিরবাজারে পালিত আন্তর্জাতিক যোগা দিবস
  • শাসক দলকে পাত্তা দিয়ে নারাজ এন সি দেববর্মা
  • নেতা কর্তৃক কিশোরীর সম্ভ্রম নাশঃ বিজেপি
  • বীরেন্দ্র ত্রিপুরা পাড়ায় ৪০টি পরিবার সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে
  • ত্রিপুরার ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতন নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জাতীয় মহিলা কমিশনের
  • পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালালো চাকরি বঞ্চিত ক্ষুব্ধ ক্যাডাররা
  • অভাবের জ্বালায় এক ব্যাক্তির আত্মহত্যা
  • কর্মচারীদের কাজের সময়সীমা বৃদ্ধি করলো ত্রিপুরা সরকার, বন্যা ত্রাণে বিশেষ কমিটি
  • ত্রিপুরার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি, ত্রাণ শিবিরে ২ হাজার পরিবার
  • সালেমা সিডিপিও অফিসে ১৭ লক্ষ টাকা গায়েব
  • রাজধানীর আগরতলা আশপাশ সহ ত্রিপুরার বিভিন্ন এলাকায় জলপ্লাবন
  • অমরপুরে অনুষ্ঠিত যোগা বিষয়ক একদিনের আলোচনাসভা
  • নদীর বাড়ন্ত জল দেখতে গিয়ে সলিল সমাধি

স্পেশাল আর্টিকেল

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

হোলির রাতে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের পর সাংবাদিক সন্মেলনে বিপ্লব

চিটফান্ড ইস্যুতে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে তথ্য সহ বিঁধল সুদীপ

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

টপ ফাইভ

১৯৯৩ মুম্বই বিস্ফোরণ, দোষী সাব্যস্ত আবু সালেম সহ ৬

মুম্বই, ১৬ জুন (এ.এন.ই ): ভয়াবহ মুম্বই বিস্ফোরণ (১৯৯৩) মামলায় আবু সালেম, মুস্তফা দোসা, ফিরোজ খান, তাহির মার্চেন্ট, রিয়াদ সিদ্দিকি আর করিমুল্লা শেখকে দোষী সাব্যস্ত করল মুম্বই-এর বিশেষ টাডা (টেররিস্ট অ্যান্ড ডিসরাপটিভ অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেনশন অ্যাক্ট) আদালত। তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসমূলক কায্যকলাপ এবং ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। যদিও অপর অভিযুক্ত আব্দুল কায়ুম-কে ব্যক্তিগত বন্ডে রেহাই দিয়েছে আদালত। অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের বাড়িতে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ ছিল কায়ুমের বিরুদ্ধে। ২৪ বছর পর ১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণ মামলার রায় দিতে গিয়ে শুক্রবার আদালত জানিয়েছে, কায়ুমের বিরুদ্ধে সরাসরি বিস্ফোরণে জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আগামী ১৯ জুন শাস্তি ঘোষণা করবে আদালত। এই মামলায় টাইগার মেমন এখনও পলাতক। উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালের ১২ মার্চ ধারাবাহিক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল বাণিজ্যনগরী মুম্বই। কেঁপে উঠেছিল বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ, কাঠাবাজার, সেনাভবন লাগোয়া লাকি পেট্রোল পাম্প, পাসপোর্ট অফিসের বিপরীত স্থান, মহিম কজওয়ের ফিশারম্যান কলোনি, এয়ার ইন্ডিয়া ভবনের বেসমেন্ট প্রভৃতি জায়গা। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ২৫৭ জনের। আহত হয়েছিলেন ৭১৩ জন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল অগুণিত। ভয়াবহ বিস্ফোরণে দাউদ ইব্রাহিম, আবু সালেম সহ মোট ৩৬ জন অভিযুক্ত রয়েছে।

16-06-2017 04:29:55 pm

সিপিআইএম কে পাল্টা আক্রমণ আইপিএফটির

আগরতলা ১৬ই জুন (এ.এন.ই ): আইপিএফটির প্রস্তাবিত রেল এবং সড়ক অবরোধ কর্মসূচি নিয়ে আতঙ্ক এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। বুধবার এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন আইপিএফটির এন সি দেববর্মার গোষ্ঠী। দলের সভাপতি এন সি দেববর্মা বুধবার প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেছেন, আগেও পৃথক রাজ্যের দাবী নিয়ে এ ধরনের অবরোধ হয়েছে। এই জাতীয় কর্মসূচি নতুন নয়। তিনি বলেন, আগামী ১০ জুলাই বড়মুড়ার খামতিংবাড়ি এলাকায় এই সড়ক এবং রেল অবরোধ কর্মসূচি হবে শুধুমাত্র একটি পয়েন্টে। রাজ্যের অন্যান্য পথ খোলা থাকবে। মানুষের যাতে তেমন অসুবিধা না হয় এ লক্ষ্যেই এমন পদক্ষেপ। তিনি বলেন, কেন্দ্রের কাছে তাদের দাবী। দলের ৩১ সদস্যক কমিটি এ সব দাবীর বিষয়গুলি দেখছে। এর মধ্যে কেন্দ্রের কাছ থেকে ইতিবাচক বার্তা পেলে কর্মসূচিতে পরিবর্তন হতে পারে বলেও তিনি আভাস দেন। গত ২৩ আগস্ট আইপিএফটির মিছিলে হাঙ্গামার ঘটনায় শাসকদলকে দায়ী করে তিনি বলেন, এদিন সিপিএম মাফিয়া গোষ্ঠীর ইন্ধনেই ওই ঘটনা হয়। যার জন্য জেলাশাসকের তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছে রাজ্য সরকার। তিনি বলেন, নির্বাচনে পুরানো রেকর্ড বাজানোর লক্ষ্য নিয়েই সিপিএমর এই কর্ম প্রক্রিয়া। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক বিজন ধরের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এন সি দেববর্মা বলেন, সন্তাসবাদীদের সাথে তাদের সম্পর্ক নেই। সিপিএমের সাথেও সন্ত্রাসীদের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সিপিএম অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে। যার জন্যই রাজ্য কমিটির বৈঠকে পলিটব্যুরোর দুই সদস্য ছুটে আসতে হচ্ছে।

16-06-2017 01:51:26 pm

সমাজ কল্যাণ দপ্তরের বহু লক্ষ টাকা গায়েব, অস্থতিতে প্রশাসন

আগরতলা ১৬ই জুন (এ.এন.ই ): সমাজ কল্যাণ দপ্তরের সালেমা সিডিপিও অফিসে ২০.১৬ লক্ষ টাকার হিসাব নেই। এজির অডিটে বিষয়টি উল্লেখ করা হলেও দপ্তর আজ পর্যন্ত এই টাকা ব্যয়ের হিসাব মেলাতে পারেনি। বরাদ্দ এই অর্থে সামাজিক ভাতা দেবার জন্য দেওয়া হয়েছিল। এজির অডিটে ধরা পরে সামাজিক ভাতার জন্য বরাদ্দ ২০. ১৬ লক্ষ টাকা দপ্তরের একজন সুপারভাইজার ঊষা দাসের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে গেছে। অডিট রিপোর্টে বিষয়টি ধরা পড়ার পর তিনি দপ্তরে রিপোর্ট করেছেন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৭.১০ লক্ষ টাকা তিনি নগদে বিলি করেছেন। কিন্তু বাকি ৩.০৬ লক্ষ তাকা সম্পর্কে কোনও রিপোর্টিং নেই। দপ্তরে ফেরতও দেওয়া হয়নি। ঘটনা ২০১১-১২ অর্থ বর্ষের। এজি রিপোর্টে এর উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু এরপর দপ্তর আজ পর্যন্ত ২০.১৬ লক্ষ টাকার সন্তোষজনক হিসাব যেমন পায়নি, তেমনি সরকারী অর্থ নিয়ে অনিয়ম করার দায়ে কারোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও গ্রহণ করেনি। এই অবস্থায় আগামী ১৯ জুন রাজ্য অডিট দপ্তরের টিম যাচ্ছে অডিট করতে। অভিযোগ, তৎকালীন সিডিপিও সন্তোষ দাসের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে সুপারভাইজর সরকারী টাকা ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন। কিন্তু দপ্তর রহস্যজনকভাবে সিডিপিও এবং সুপারভাইজরের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। উল্টো সিডিপিও সন্তোষ দাসকে অন্যত্র নিরাপদ স্থানে বদলি করে কলঙ্কমুক্ত করা হয়। অভিযোগে জানা গিয়েছে, বরাদ্দ অর্থের সিংহভাগ আত্মসাৎ হয়ে গেছে। এখন দেখার বিষয় রাজ্য সরকারের অডিট টিম আর্থিক অনিয়মের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের পথে হাটে না ঘটনা ধামাচাপা দেবার পথ বের করে।

16-06-2017 01:49:19 pm

কর্মচারীদের বঞ্চিত করতে অভূত ফর্মুলা নিয়েছে বামফ্রন্ট সরকারঃ বিজেপি

আগরতলা ১৬ই জুন (এ.এন.ই ): রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের জন্য বর্ধিত বেতনক্রম নিয়ে বিজেপি বুধবার রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ তুললো। দলের মুখপাত্র ডাঃ অশোক সিনহা বিষয়টিকে বামফ্রন্ট সরকারের ধাপ্পাবাজির এক নতুন সংস্করণ বলে উল্লেখ করেছেন। বিজেপি'র মুখপাত্র ডাঃ অশোক সিনহা বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকার সপ্তম বেতন কমিশন দেবার পর সিপিআইএমের সর্বভারতীয় নেতারা প্রচণ্ড সমালোচনা 'করেছিলেন। তখন তাদের মনে হয়েছিল ওই বেতনক্রম খুবই কম মাত্র ১৪ শতাংশ হারে বেতন বৃদ্ধি হওয়াটা সে দিন তাদের কাছে বেমানান ছিল এবং কর্মচারীদের প্রতি দরদ উথলে উঠার ভান করেছিল। কিন্তু ত্রিপুরার বামফ্রন্ট সরকার গত মঙ্গলবার ত্রিপুরার কর্মচারীদের জন্য যে ধরনের ঘোষণা দিলো তা নিন্দার ভাষা রাখে না। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের বেতনক্রম ১ শতাংশও বৃদ্ধি করা হয়নি। যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন কর্মচারীরা ঠিক সেখানেই তারা রয়ে গেছেন। রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের প্রকৃতপক্ষে বেতন ভাতা শূন্য শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সিপিএমের এই গোলক ধাঁধা বুঝতে কর্মচারীদের যদিও কিছুটা সময় লেগেছে। বিজেপি'র প্রদেশ কার্যালয়ে ডাঃ অশোক সিনহা বলেন, ত্রিপুরার কর্মচারীদের সঙ্গে যে ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে তাও একটি বিরলতম ঘটনা। ত্রিপুরার কর্মচারীদের ৩৭ শতাংশ মহার্ঘ্যভাতা বাকি ছিল\। কেন্দ্রীয় সরকার এই অর্থ বকেয়া রাখেনি। কেন্দ্রীয় সরকার নিয়মিত রাজ্যকে এই অর্থ দিয়ে গেছে। বিজেপি'র সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিজ্ঞরা বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছেন। সে অনুযায়ী দেখা গেছে কর্মচারীদের মাইনে বাবদ কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া অর্থের মধ্যে ১২০০ কোটি অব্যায়িত ছিল। ৩৭ শতাংশ মহার্ঘভাতার টাকা দিল্লী থেকে এনে তা জমিয়ে রাখ হয়েছিল। দীর্ঘদিনের জমানো এই টাকার সুদ কি পরিমাণে হতে পারে তা অনেকেই বুঝে গেছেন। ডাঃ অশোক সিনহা বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপি কেন্দ্রীয় বেতনক্রমের জন্য রাজ্য সরকারের উপর চাপ দিয়ে আসছিল। কিন্তু পে এন্ড পেনশন রিভিশন কমিটির নামে রাজ্য সরকার প্রতারণার ছক কষছিল। আমলাদের সঙ্গে বিস্তর হিসাব নিকাশ করে রাজ্য সরকার ঠিক যত টাকা মহার্ঘভাতা পাওনা ছিল কর্মচারীরা সেই টাকাটাই দিয়ে বামফ্রন্ট সরকার ১৯ শতাংশ বেতনভাতা বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে দেয়। তিনি বলেন, বামপন্থী কর্মচারী সংগঠনের নেতারা এসব ধাপ্পাবাজি বুঝতে পারছেন না এমনটা নয়। তাদের কাছেও সবই স্পষ্ট। এখন তারা নানা কারণে সিপিআইএমের বেড়াজাল থেকে বের হতে পারছেন না। কিন্তু সকলেই অসন্তুষ্ট। বামেদের দ্বিচারিতা চিরাচরিত বিষয়। কেন্দ্রের বেতনক্রমকে সিপিআইএমের কেন্দ্রীয় নেতারা খুবই কম হয়েছে বললেও এ রাজ্যের বিষয়ে, এ রাজ্যের কর্মচারীদের জন্য তারা মুখ খুলেন না। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে প্রথম ক্যাবিনেটেই সপ্তম বেতন কমিশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে পার্টির সর্বভারতীয় সভাপতি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন। পার্টি এই 'সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে।

16-06-2017 12:58:51 pm

ত্রিপুরায় অস্তির বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে বিজেপিঃ বিজন ধর

আগরতলা ১৪ই জুন (এ.এন.ই ): ত্রিপুরায় বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির ছত্র ছায়ায় দুষ্কৃতিকারীরা অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে বলে ক্ষমতাসীন সিপিআইএম অভিযোগ করেছে। একেই সঙ্গে আইপিএফটির মাধ্যমে রাজ্যে পুনরায় বৈরী তৎপরতার সৃষ্টির চেষ্টার বিষয়েও আশঙ্কার প্রকাশ করেছে পার্টি। আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে সিপিআইএম এর রাজ্য সম্পাদক বিজন ধর বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিজেপির আশ্রিত দুষ্কৃতিকারীরা সিপিআইএম এর কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। ধর্মনগরের কয়েক দফা এজাতীয় ঘটনা ঘটেছে। গতকাল তেলিয়ামুড়াতে ও কলেজের ছাত্র ভর্তি করাকে কেন্দ্র করে বিজেপির আশ্রিত সমাজ বিরোধীরা ব্যপক সন্ত্রাস চালিয়েছে। ফলে পার্টির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে সাধারণ মানুষ এসবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। তিনি বলেন, ত্রিপুরাতে আইপিএফটিকে সামনে রেখে বিজেপি অস্থির বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে। উগ্রবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে আইপিএফটি নেতারা। আর অস্থিরতায় সৃষ্টির জন্যই জাতীয় সড়ক এবং 'রেলপথ অনির্দিষ্ট কালের জন্য অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছে। সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক বিজন ধর আশঙ্কা প্রকাশ করছেন ১৯৮৮ সালের ন্যায় পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ত্রিপুরায় ক্ষমতা বদলের চক্রান্ত করছে বিজেপি। তবে এই চেষ্টা সফল হবে না বলেও তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

14-06-2017 07:41:07 pm

কৃষক বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে ত্রিপুরায় বামেদের আন্দোলন

আগরতলা ১৪ই জুন (এ.এন.ই ): তিন বামপন্থি গন সংগঠন কেন্দ্রীয় সরকারের তথাকথিত কৃষক বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে রাজ্যে আন্দোলনে যাচ্ছে। আগামী ১৬জুন রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হবে। সাড়া ভারত কৃষক সভা, ক্ষেত মজুর ইউনিয়ন এবং ত্রিপুরা উপজাতি গনমুক্তি পরিষদ একত্রিত ভাবে এই আন্দোলন সংগঠিত করবে। তিন সংগঠনের তরফে আজ বলা হয়েছে সাড়া দেশে অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার কৃষকদের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। যদিও ঐক্যবদ্ধ কৃষক আন্দোলনে মহারাষ্ট্রে কিছুটা সাফল্য এসেছে। মহারাষ্ট্রের বিজেপি সরকার কৃষকদের উৎপাদিত সামগ্রীর অতিরিক্ত মূল্য দেওয়ার বদলে গুলি দিয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কৃষকরা কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যকলাপে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বামপন্থী সংগঠন গুলির তরফে আরও বলা হয়েছে, সাড়া দেশেই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন শুরু হয়েছে। রাজ্যেও এর অঙ্গ হিসাবে রাজ্যের প্রতিটি এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সভা সংগঠিত করা হবে। ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হবে।

14-06-2017 07:34:29 pm

পুঞ্চে পাক সেনার এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ, যোগ্য জবাব ফিরিয়ে দিয়েছে ভারত

শ্রীনগর, ১৪ জুন (এ.এন.ই ): বিনা প্ররোচনায় জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর (এলওসি) গোলাগুলি বর্ষণ করে পুনরায় সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করল পাকিস্তানি সৈন্য। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বুধবার ভোর ৫টা থেকে পুঞ্চ জেলার ভিমবের গালি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে পাকিস্তানি সেনা। মর্টার হামলাও চালানো হয়। ভোর ৫টা থেকে শুরু হয় গুলিবর্ষণ ও মর্টার হামলা| চলে ৫.৪৫ মিনিট পর্যন্ত। শত্রুপক্ষকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৮২ এমএম মর্টার শেল, স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র এবং ছোট আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলিবর্ষণ শুরু করে পাকিস্তানি সৈন্য। শত্রুপক্ষকে যোগ্য ফিরিয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই। উল্লেখ্য, বিগত ১৫ দিন ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ ও রাজৌরি সেক্টরে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে ক্রমাগত এলোপাথাড়ি গুলি চালাচ্ছে পাকিস্তানি সৈন্য| ভারতীয় সেনার মতে, জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটাতেই বারবার এই কুকাজ করছে পাকিস্তানি সেনা।

14-06-2017 04:59:31 pm

ত্রিপুরায় এসে বামফ্রন্ট সরকারকে আক্রমণ করলেন আসামের মন্ত্রী রঞ্জিত দাস

আগরতলা ১৪ই জুন (এ.এন.ই ): ত্রিপুরার বামফ্রন্ট সরকারের মন্ত্রী ও আমলারা অনেকেই চিটফান্ড কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করেছেন আসাম মন্ত্রীসভার সদস্য রঞ্জিত দত্ত। একেই সঙ্গে তিনি সীমান্তের সমস্যা গুলি নিয়ে ত্রিপুরার বামফ্রন্ট সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। ত্রিপুরার আন্তর্জাতিক সীমান্ত শহর সোনামুড়ায় বিজেপির এক কার্যক্রমে যোগ দিতে গিয়ে তিনি বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে অপশাসনের বিস্তর অভিযোগ আনেন। সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়ের সময় তিনি বলেন, ত্রিপুরার বামফ্রন্ট সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী এবং আমলা চিটফান্ড কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত। রোজভ্যালির সঙ্গে তাঁদের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল। সাধারণ মানুষের অর্থ এরা লুটে নিয়েছে। রাজ্য সরকারের স্বদিচ্ছা থাকলে চিট ফান্ডের উপযুক্ত তদন্ত হত। সিবিআই ছাড়া চিটফান্ড কেলেঙ্কারি তদন্ত হওয়াও সম্ভব নয়। বিজেপি সরকার ত্রিপুরায় ক্ষমতায় এলে আসামের মতই এই লুটেরাদের ধরতে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমাদের হিন্দু বাঙালিদের কোন সমস্যা হবে না। বাংলাদেশ থেকে হিন্দুরা বিতাড়িত হয়ে এদেশে এলে তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু ত্রিপুরায় তা এখনো হচ্ছে না। তবে বিজেপি ক্ষমতায় এলেও সংখ্যালঘু মুসলিমদের উন্নয়নে বিস্তর পরিকল্পনা নেওয়া হবে। এই বাম সরকারের আমলে মুসলিমরা প্রকৃত অর্থেই আরও পিছিয়ে পড়েছে। তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলার বেহাল দশা, নারী নির্যাতন রোধে কোন ধরনের ব্যবস্থা নিতে না পারা এবং কর্মচারী বঞ্চনা অভিযোগও তুলে ধরেন।

14-06-2017 04:52:38 pm

ত্রিপুরা সরকারের ঘোষিত নয়া বেতনক্রম নিয়ে বিজেপির তীব্র প্রতিক্রিয়া

আগরতলা ১৩ই জুন (এ.এন.ই ): ত্রিপুরা সরকারের আজকের ঘোষিত কর্মচারীদের নয়া বেতনক্রমকে বঞ্চনার নয়া দলিল বলে উল্লেখ করেছে বিজেপি। বিজেপির মতে রাজ্য সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা কেন্দ্রের সপ্তম বেতন কমিশনের ধারে কাছেও নেই। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিজেপির মুখপাত্র ডাঃ অশোক সিনহা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ত্রিপুরা সরকারের আজকের ঘোষিত নয়া বেতনক্রম বাস্তবে কর্মচারীদের ধোঁকা দেওয়ার সামিল। বিষয়গুলি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যাতে মনে হবে রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের বেতনভাতা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের কাছাকাছি চলে গেছে। কিন্তু এই ফারাক আরও অনেক বেড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকারের এই বঞ্চনা থেকে মুক্তি পাবার একমাত্র পথ বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই সপ্তম বেতন কমিশন দেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, ত্রিপুরা সরকারের কর্মচারীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী এবং অন্যান্য রাজ্যের কর্মচারীদের বেতনভাতার ফারাক যে ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে তাতে বৈষম্য বাড়বে। একেই ধরনের কাজ করে একেই শ্রেণির কর্মচারীরা আরও অনেক বেশী বেতন পাবেন। আর রাজ্য সরকারের কর্মচারী দেশের নিম্নহারে বেতন ভাতা পাবেন।

13-06-2017 06:14:55 pm

রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের বর্ধিত বেতনক্রম ঘোষিত

আগরতলা ১৩ই জুন (এ.এন.ই ): ত্রিপুরা সরকার তার কর্মচারী এবং পেশনাদের বেতনভাতার নূতন বর্ধিত ক্রমের ঘোষণা দিয়েছে। রাজ্য মন্ত্রীসভার বৈঠকে পে-এন্ড পেনশন রিভিশন কমিটির প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। কমিটির প্রস্তাবিত বিভিন্ন বিষয়ে মন্ত্রীসভা বিশেষ কোন পরিবর্তন না করেই রা কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যমন্ত্রী সভার বৈঠক শেষে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ভানুলাল সাহা সাংবাদিকদের বর্ধিত বেতনক্রমের প্রস্তাব কার্যকর করার মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, রাজ্যে প্রায় আড়াইলক্ষ নিয়মিত, অনিয়মিত এবং পেনশনার রয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া সপ্তম বেতন কমিশনের হুবুহু কার্যকর করা সম্ভব না হলেও পে-ম্যাট্রিক পদ্ধতি গ্রহণ করে বেতনভাতার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কর্মচারী ও পেনশনাদের বেতনভাতা ১৯.৬৮ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাবে। ফলে রাজ্য সরকারের ১৭-১৮ অর্থবছরে ১১৮৯ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হবে। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের তুলনায় রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির হার অনেকটাই বেশী। যদিও তাদের বেতনভাতা আগে থেকেই বেশী ছিল। তবে রাজ্য সরকার যে নতুন বেতনক্রমের ঘোষণা দিয়েছে সেই অনুযায়ী গ্রুপ-ডি কর্মচারীদের কমপক্ষে ৪০০০ টাকা, গ্রুপ-সি দের ৫,৫০০ টাকা, গ্রুপ-বি ৯,৫০০ টাকা এবং গ্রুপ-এ কর্মচারীদের বেতনভাতা কমপক্ষে ১৫,০০০ টাকা বৃদ্ধি পাবে। অনুরূপ হারে স্থির বেতনে নিযুক্ত কর্মচারীদের বেতনভাতা ও বাড়বে। ২.২৫ হারে ফিটম্যান্ট ফ্যাক্টর দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো জানান, রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এখন থেকে রাজ্যের অফিস আদালতগুলি দ্বিতীয় শনিবার ছাড়াও চতুর্থ শনিবার ও বন্ধ থাকবে। একেই সঙ্গে রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘভাতা এই বর্ধিত বেতনের সঙ্গে যুক্ত করে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে এখন আর কর্মচারীদের কোন পাওনা মহার্ঘভাতা থাকছে না। রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের এতদিন ৩৭ শতাংশ মহার্ঘভাতা পাওনা ছিল। তিনি জানান, অঙ্গনয়ারী কর্মী এবং পাম্প অপারেটারের বেতনভাতা ও ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। রাজ্যে এখন নূন্যতম পেনশন হবে ৭,০২০ টাকা, সর্বাধিক পেনশন হচ্ছে প্রায় ১লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা। তিনি জানান, নতুন বেতনক্রম অনুযায়ী রাজ্য সরকারের কর্মচারী ও পেনশনাররা যা পাবেন তা মোটামুটি ভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারীদের প্রায় কাছাকাছি। খুব বেশী ফারাক এখন আর থাকছে না। অতিরিক্ত ব্যয়ভার বহনের জন্য রাজ্য সরকার কাজের দিন একদিন কমিয়ে এনেছে এবং জি.এস.টি কার্যকর হওয়ার ফলে অতিরিক্ত আয়ের সম্ভাবনা ও রয়েছে।

13-06-2017 04:14:25 pm

চাকরীচ্যুত ১০,৩২৩ জন তাদের সুরক্ষার দাবীতে পথে নামল

আগরতলা ১২ই জুন (এ.এন.ই ): দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে বাতিল হওয়া ত্রিপুরায় ১০,৩২৩ শিক্ষক এবার সরকারের বিরুদ্ধে পথে নেমেছে। যদিও চাকরীচ্যুতরা সকলেই বিভিন্ন বিষয়ে একমত নন বলে জানা গেছে। সোমবার দুর্যোগপূর্ণ আবহওয়া উপেক্ষা করে চাকরীচ্যুতদের একটি বড় অংশ রবীন্দ্র ভবনের সামনে জড়ো হয়। সেখানে তারা তাদের সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেছে। চাকরীচ্যুতরা জানিয়েছে ৯৬২ জন বিজ্ঞান শিক্ষকের নিয়োগ ইস্যুতে দায়ের করা আবেদনের বিষয়ে রাজ্য সরকার যে অবস্থান নিয়েছে তা তাদের ক্ষেত্রেও নেওয়া যেত। কিন্তু সরকার রা করেননি। ৯৬২ জন বিজ্ঞান শিক্ষক নিয়োগের অনিয়মের বিষয়ে মামলাকারী যোগ্য বঞ্চিতদের চাকরি দিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিচারপতি জাস্টিস শুভাশিস তলাপাত্রের দেওয়া এই রায়ের বিরুদ্ধে ডাবল বেঞ্চে যাচ্ছে না ত্রিপুরা সরকার। ১০,৩২৩ শিক্ষকের মামলায় আদালত প্রথম একেই ধরনের রায় দিয়েছিল। বঞ্চিত মামলাকারী ৫৮ জনকে চাকরি দিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল উচ্চ আদালত। কিন্তু রাজ্য এর বিরুদ্ধে ডাবল বেঞ্চে যায় এবং ত্রিপুরা উচ্চ আদালতের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি জাস্টিস দীপক গুপ্তা ১০,৩২৩ শিক্ষকের চাকরি বাতিল করেছেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার সর্বোচ্চ আদালতে যায় এবং উচ্চ আদালতের রায়ই বহাল থাকে। আন্দোলনকারীরা জানিয়েছে সেই সময় মামলাকারী ৫৮ কে চাকরি দিয়ে দিলে আর সমস্যা হত না। তারা বলেছেন, রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে পরিবার পরিজনদের বাঁচানোর স্বার্থে জোটবদ্ধ হয়ে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিতে হবে।

12-06-2017 06:40:33 pm

জাতির জনকের বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে যাচ্ছে প্রদেশ কংগ্রেস

আগরতলা ১১ই জুন (এ.এন.ই ): গুজরাটে জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর বিরুদ্ধে কুরুচিকর মন্তব্যে অভিযোগ এনে ত্রিপুরায় প্রদেশ কংগ্রেস আন্দোলনে নামছে। প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে রাজ্য কংগ্রেসের সভাপতি বীরজীত সিনহা বলেন, মহাত্মা গান্ধী কে চতুর বানীয়া বলে যে অপরাধ করেছেন তার মাশুল দিতে হবে। তবে এটি বিজেপির বক্তব্য নয়। এটি আর এস এস এর নীতি-আদর্শের বহিঃপ্রকাশ। তিনি বলেন, নাথুরাম গডসে আর এস এস এর লোক ছিল যে মহাত্মা গান্ধী কে হত্যা করেছে। কিন্তু সাড়া বিশ্ব যখন মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ কে পাথেয় করার কথা বলছেন তখন বিজেপির সভাপতি অমিত শাহের বক্তব্য খুবই অপমান জনক। জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীকে অপমান করার প্রতিবাদে প্রদেশ কংগ্রেস আগামী বুধবার রাজধানীর আগরতলায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে চার ঘণ্টা গণঅবস্থান সংগঠিত করবে। উল্লেখ করা যেতে পারে সম্প্রতি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের বক্তব্য কে কেন্দ্র করে দেশের বিরোধীর রাজনৈতিক দল গুলি তীব্র প্রতিক্রিয়া করেছে।

12-06-2017 04:02:51 pm

দলত্যাগীদের বিরুদ্ধে সিপিআইএম এর কটাক্ষ, পাল্টা জবাব

আগরতলা ১১ই জুন (এ.এন.ই ): সিপিএম এর দুই নেতা বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজক বাক্য বিনিময় শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে রাজনৈতিক শিষ্টাচার নিয়েও। রবিবার সিপিআইএম এর সঙ্গে যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করে দিয়ে রাজ্য বিধানসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ তথা ৬ বারের বিধায়ক জিতেন সরকার এবং ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য জয়কিশোর জামাতিয়া বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বিজেপিতে যোগদান কালে তারা সিপিআইএম নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন। এবিষয়ে আজ সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক বিজন ধর প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করতে গিয়ে বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যে কেউ একদল ছেড়ে অন্য দলে যেতেই পারে। কিন্তু বিষয় হচ্ছে বিজেপিকে নিয়ে। বিজেপিতে যে সব মাল মশলা সিপিএম থেকে ঢুকছে তাতে বিজেপি পার্টিটাই ময়লাখলায় পরিণত হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, পার্টিতে থেকে পার্টির আভ্যন্তরিন বিষয়গুলির আলাপ আলোচনা জন্য উত্থাপন করলে নেতৃত্ব তাতে গুরুত্ব দেয়। কিন্তু পার্টি থেকে বেরিয়ে গিয়ে কোন অভিযোগ করলে তা মূল্যহীন হয়ে পড়ে। জিতেন সরকার ও জয়কিশোর জামাতিয়া বক্তব্য পার্টির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিচার্য বিষয়ই নয়। বিজেন বাবুর বক্তব্যে উষ্মা প্রকাশ করে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া জিতেন সরকার বলেন, রাজনীতিতে শিষ্টাচার বলতে কোন বিষয় আছে তা সিপিআইএমের নেতারা ভুলে গেছেন। বিজন বাবুর অনেক আগে আমি পার্টিতে এসেছি। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারেরও বহু আগে পার্টির জন্য কাজ শুরু করেছি। টানা ৪৫ বছর সিপিআইএমের জন্য ঘাম ঝরিয়েছি। ফলে কোন বক্তব্য রাখার আগে চিন্তা করা উচিৎ বিজন বাবুদের। অন্যদিকে জয়কিশোর জামাতিয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেন, রবিবার বিকালে ৪টায় তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। আর যোগ দেওয়ার খবর আগেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তখন সকাল ১০টা থেকে বহুবার বহু নেতা তাঁকে ফোন করেছেন এবং সরাসরি সাক্ষাৎ করে পার্টিতে যাবতীয় মর্যাদা ফিরিয়ে দেবার আশ্বাস দেন। এমনকি জেলা সম্পাদক করার প্রস্তাবও দেন। বিজন বাবুর মতে আবর্জনা হলে আমাকে নিয়ে এত চেষ্টা তারা কেন করেছিলেন তার জবাব দিতে হবে। এই ইস্যুতে রাজ্য রাজনীতিতে এখন তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়েছে। সিপিএম জিতেন বাবুদের সুবিধাবাদী বলেও অভিযোগ করেছেন।

12-06-2017 04:01:17 pm

বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্ব ত্রিপুরাকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিচ্ছেঃ রামলালা

আগরতলা,১১ই জুন(এ.এন.ই):ত্রিপুরায় বিজেপির ক্ষমতায় আসা এখন মাত্র সময়ের অপেক্ষা আর এজন্য বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাজ্য কমিটিকে সব ধরনের সাহায্য দেবে বলে জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সংগঠন মন্ত্রী রামলালা। তিনি জানান, অন্যান্য রাজ্যের মত ত্রিপুরাতেও অন্যান্য দল ভাঙছে। কংগ্রেসের ভাঙন আগেই শুরু হয়েছে, এখন সিপিআইএম’র পালা। রবিবার বিজেপির রাজ্য কার্যালয়ে দুই বর্ষীয়ান সিপিআইএম নেতাকে বিজেপিতে স্বাগত জানানো হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে অলাপচারিতায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সংগঠন মন্ত্রী রামলালা বলেন, “ত্রিপুরায় ক্ষমতার পরিবর্তন হবেই। এই লক্ষে কাজ চলছে। বিজেপির রাজ্য কমিটি এজন্য যেধরনের সাহায্য চাইবে সবই করা হবে। বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্ব ত্রিপুরাকে সর্বাধিক প্রাধান্য দিচ্ছে”। তিনি বলেন, “একমাস আগে এরাজ্যে ৩ দিনের জন্য এসেছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত সাহকে। এর পর অনেক কেন্দ্রীয় নেতা রাজ্যে এসে গেছেন। আর এবার সর্বভারতীয় সংগঠন মন্ত্রী হিসাবে ৩ দিনের জন্য আমাকে এরাজ্যে পাঠানো হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে আরও কয়েক জন কেন্দ্রীয় নেতা আসবেন”। ত্রিপুরা সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ তীব্র করে দিয়ে তিনি বলেন, “এই সরকার রোজগার বিরোধী, নারী বিরোধী এবং উন্নয়ন বিরোধী। আর তার চাইতেও বড় কথা হল এরা মিথ্যাবাদী। এরা সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করছে। এদের জনগণ চিনে ফেলেছে। এদের পতন আসন্ন”।

11-06-2017 11:25:47 pm

বিধান সভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সহ দুই বর্ষীয়ান সিপিআইএম নেতা বিজেপিতে

আগরতলা,১১ই জুন(এ.এন.ই): রবিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন সিপিআইএম’র প্রবীণ নেতা ৬বারের বিধায়ক তথা বিধান সভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ জীতেন সরকার এবং ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদের বর্তমান সদস্য জয় কিশোর জমাতিয়া। বিজেপির সর্বভারতীয় সংগঠন মন্ত্রী রামলালা তাদের বরন করে নিয়েছেন। বিজেপিতে যোগ দিয়ে বিধান সভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ জীতেন সরকার বলেন, মানুষের স্বার্থেই এখন সিপিআইএম পরিচালিত সরকারের পতন দরকার। দুর্নীতি এখন চরমে উঠেছে। আর এই লক্ষেই তিনি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু কংগ্রেসের গোষ্ঠ কোন্দল কাল হয়েছে। তাই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে না গিয়ে বিজেপিতে যাবার চেষ্টা করে ছিলেন তিনি। কিন্তু সুদীপ রায় বর্মণের জন্য তা হয় নি। শুধু মাত্র তার ব্যক্তি স্বার্থের জন্য। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় তাকে এবং দিলিপ সরকারকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। তাই আত্মরক্ষায় তিনি পুনরায় সিপিআইএম’এ যোগ দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। কিন্তু মনে প্রাণে এই দলকে আর সমর্থন করতে পারছিলেন না। তিনি বলেন, বিজেপিই পারবে সিপিআইএম কে ক্ষমতা থেকে দূরে সরাতে। কংগ্রেস বিধায়করা যারা তৃণমূলে গেছেন তারা এর আগে বিজেপিতে যোগ দেবার চেষ্টায় দিল্লী ঘুরে এসেছিলেন।বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত সাহ তাদের যথেষ্ট সম্মানও দিয়েছিলেন। কিন্তু তৎকালীন বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে না মানা এবং তাকে সরিয়ে দেবার দাবি অগ্রাহ্য করে দিয়েছিল। অন্যদিকে ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদের সিপিআইএম সদস্য জয় কিশোর জমাতিয়া বলেন, “ এই রাজ্যের মন্ত্রীদের নির্বাচনই ক্ষেত্রেও বহু গ্রাম আছে যেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া পরে নি। উপজাতি এলাকা স্বশাসিত জেলা পরিষদকে দেওয়া অর্থ আটকে রেখেছে রাজ্য সরকার। তাই তিনি মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন”। উল্লেখ করা যেতে পারে জয় কিশোর জমাতিয়াকে সিপিআইএম আগেই পার্টী থেকে বহিষ্কার করেছে। কিন্তু জীতেন সরকারের বিষয়ে সিপিআইএম এখনোও কোন ঘোষণা দেয় নি।

11-06-2017 11:23:44 pm

বিজেপির নেতার সুরক্ষায় তৎপর কংগ্রেস নেতা

বিজেপির নেতার সুরক্ষায় তৎপর কংগ্রেস নেতা আগরতলা, ১১ জুন(এ.এন.ই):রাজ্য তিনি বলেন,বিজেপির প্রভারি সুনীল দেউধরের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস বিধায়ক রতন লাল নাথ।তিনি এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছেও লিখিত বার্তা পাঠিয়েছেন। রাজনীতিতে এই ধরনের ঘটনা খুব কমই লক্ষ্য করা যায়। সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসেই রতন লাল নাথ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে সুনীল দেউধরের জন্য নিরাপত্তা চেয়ে বার্তা পাঠিয়ে ছিলেন। এর প্রতিলিপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপি সভাপতি অমিত সাহর কাছেও দিয়েছিলেন। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কংগ্রেস বিধায়ক রতন লাল নাথকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, সুনীল দেউধর এরাজ্যের বাংলাদেশে গরু পাচার যে এবং অন্যান্য পাচার বাণিজ্যের বীরুধে যে ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন তা ইতি পূর্বে কেও নেয়নি। ফলে পাচার বাণিজ্যের সাথে যুক্তরা এবং রাজ্য মাফিয়াদের একটি চক্র সুনীল দেউধরকে হত্যার পরিকল্পনা নিচ্ছে। আর এই ধরণের কজে রাজ্য শাসক দলের মদত রয়েছে। তাই সুনীল দেউধরের সুরক্ষা বিশেষ প্রয়োজন। এক জন জন প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের জীবন ও সম্পতি রক্ষা করার জন্য প্রয়াসী হওয়া এবং উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া কোন দোষের বিষয় নয়। আর পরিস্থিতি অনুধাবন করেই তিনি এই বার্তা পাঠিয়েছে। তবে কংগ্রেস বিধায়কের এই ভাবে বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা তথা ত্রিপুরা প্রভারি সুনীল দেউধরের বিষয়ে এই ধরণের বার্তা পাঠানো রাজ্য রাজনীতির জন্য বিশেষ ইঙ্গিত বলে মনে করছেন অনেকেই। উল্লেখ্য করা যেতে পারে ইতি মধ্যেই রতন লাল নাথের সঙ্গে বিজেপির ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এবং কংগ্রেস রতন লাল নাথকে রাও আগেই দল বিরোধী কার্যকলাপের জন্য কারন দর্শানো নোটিশ পাঠিয়েছে।

11-06-2017 03:07:53 pm

চাকরি মামলায় আর উচ্চ আদালতের নির্দেশের বিরুদ্ধে আপীল করবেনা ত্রিপুরা সরকার

আগরতলা ১০ই জুন (এ.এন.ই ): বিজ্ঞান শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় ত্রিপুরা উচ্চ আদালতে সিদ্ধান্তে পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে বিচার বিশ্লেষণ শুরু করেছে। ১০,৩২৩ শিক্ষকের চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলার রায় থেকে শিক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকার এবারের রায়ের বিরুদ্ধে আর কোন মামলা করতে যাবেনা বলে রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। এক্ষেত্রে আদালতের রায় মেনে চলার বিষয়ে রাজ্য সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে। যদিও পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনামা এখনো সরকারের কাছে এসে পৌঁছায়নি। সংশ্লিষ্ট এই মামলার চূড়ান্ত রায়দান করতে গিয়ে শুক্রবার হাইকোর্টের বিচারপতি শুভাশিস তলাপাত্র এই মামালার আবেদনকারীদের মধ্যে যোগ্যদের আগামী ৬ মাসের মধ্যে চাকুরী প্রদানের আদেশ দেন। আদালতে নির্দেশে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করতে গিয়ে রাজ্যের আইন ও শিক্ষামন্ত্রী তপন চক্রবর্তী বলেন, এখনো নির্দেশের প্রতিলিপি রাজ্য সরকারের কাছে এসে পৌছোঁয়নি। এটি পাওয়ার পরেই সরকার নির্দেশের তর্জমা করবে। রাজ্য সরকার চাকরি দেওয়া বিরুদ্ধে নয়। তিনি বলেন, ১০,৩২৩ শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে যে কঠিন রায় দিয়েছে তাই রাজ্য সরকার মানতে বাধ্য হয়েছে। আর এই ক্ষেত্রে ১০ জন কে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকার আগামী 'কিছু দিনের মধ্যেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেবে। তবে এই ১০ জনের চাকরি শিক্ষা দপ্তরেই দিতে হবে এমন কোন কথা নেই। তাদের চাকরি তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী যে কোন ক্ষেত্রেই দেওয়া যেতে পারে। উল্লেখ করা যেতে পারে ২০১২ সালে বিজ্ঞান স্নাতক শিক্ষক পদে ৯৬৬ জন নিযুক্তির পর পরই চাকুরি বঞ্চিত ১৪ জন হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। তাদের দাবি ছিল যোগ্যতা ও মেধা থাকা স্বতেও ভুল নিয়োগনীতির কারণে তুলনামূলকভাবে কম যোগ্যতা ও মেধাসম্পন্নরা বিজ্ঞান শিক্ষক পদে নিযুক্তি পেয়ে যান। বিশেষ করে প্রায় ১ হাজার চাকুরিপ্রাপ্তদের মধ্যে সৌম্যব্রত চক্রবর্তী, আব্দুল হুসেন, নিখিল রুদ্রপাল, উত্তম পাল ও দেবাশিষ দে এই ৫ জন চাকুরিপ্রাপ্তের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন মামলাকারীরা। বাদী পক্ষের অভিযোগ ভুল নিয়োগনীতির কারনেই অযোগ্যরা বিজ্ঞান স্নাতক শিক্ষকের মত গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্তি পেয়েছেন। বাদী পক্ষের আইনজীবী কৌশিক রায় তার সওয়াল জবাবে নিয়োগ নীতির ত্রুটির পাশাপাশি আবেদনকারীদের যোগ্যতা তুলে ধরে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন। যদিও বিবাদী পক্ষে আইনজীবী প্রশান্ত কুমার পাল এই মামালায় যে ৫ জনের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল তাদের পক্ষে হয়ে আদালতে বিভিন্ন আইনি যুক্তি তুলে ধরেন। সব পক্ষ শোনার পর এদিন হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ ২০১২ সালে বিজ্ঞান স্নাতক হিসাবে শিক্ষক পদে নিযুক্তিদের চাকুরী নিয়ে কোনো মন্তব্য না করেলেও আবেদনকারীদের মধ্যে যোগ্যদের চাকুরী দিতে আদেশ জারি করেন। এর জন্য মামলার রায়ের প্রত্যয়িত নকল শিক্ষা দপ্তর ও রাজ্যের মুখ্য সচিবকে প্রদানের জন্যও আদেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আবেদনকারীদের পক্ষের আইনজীবী। প্রসঙ্গত রাজ্যে ১০,৩২৩ জন শিক্ষক মামালার ক্ষেত্রেও তদানীন্তন গৌহাটি হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ চাকুরী বঞ্চিত মামলাকারীদের জন্যও অনুরূপ রায় দিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপীল মামলা করলে পরবর্তী সময়ে ত্রিপুরা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ চাকুরী প্রাপ্তদের চাকুরী বাতিল করে নতুন করে যোগ্য ও মেধাসম্পন্নদের নিযুক্তির আদেশ দেন। পড়ে দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ও ত্রিপুরা হাইকোর্টের রায় বলবৎ রাখে।

10-06-2017 05:21:14 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.