• প্রতাপগড় বিধানসভা কেন্দ্রে ব্যাপক রাজনৈতিক সংঘর্ষ
  • এডিসি স্কুলগুলিতে মিড-ডে-মিল চালাতে নাভিশ্বাস শিক্ষকদের
  • দেহ ব্যবসা ও নেশার ঠেক থেকে এক পাণ্ডা সহ দুই খদ্দের ও দুই ছিনতাইবাজ গ্রেপ্তার
  • সরকারের বঞ্চনার শিকারে দ্বিধা বিভক্ত রেগা কর্মচারীরা
  • রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে কর্মী তালিকা বানাতে বেকাদায় এসপি'রা
  • সদরের পর ভোটার তালিকার জালিয়াতির অভিযোগ উঠল জিরানিয়ায়
  • ৭০ বছরের এক বৃদ্ধার লালসায় শিকার নাবালিকা
  • রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার
  • বিশালগড়ে এক ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি, তদন্তে পুলিশ
  • বাইখোরা এলাকায় গণধর্ষণের শিকার নাবালিকা মামলা নিয়ে পুলিশের গড়িমসি
  • ডাল কেলেঙ্কারি টেন্ডার ছাড়াই ৫০ কোটি টাকার ক্রয় বাণিজ্য
  • মদ বিরোধী অভিযানে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ, উত্তপ্ত ড্রপগেইট এলাকা
  • রাজ্যের সাংবাদিকদের নতুন এক্রিডিটেশন পলিসি গঠনের সুপারিশ
  • আইজিএম হাসপাতাল চত্বরে নেশা সামগ্রী সহ ধৃত এক যুবক
  • ডিসিএম'র বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি
  • বিতর্কিত নাগরাজ ফের ডিজি?
  • পানীয় জলের দাবিতে আমবাসা-গণ্ডাছড়া সড়ক অবরোধ
  • ভোটার তালিকায় ভুয়ো প্রমাণপত্র দিয়ে নাম তোলার চেষ্টা অভিযোগ মহকুমা প্রশাসনের
  • দীর্ঘ ১৭ বছর পর ঘরে ফিরল নিলুবধূ
  • ২৫শে নভেম্বরের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রাধানগরের দ্বিতীয় সেতুটি, ভোটের আগে উদ্বোধন অনিশ্চিত উড়াল পুলের
  • আগরতলায় কৃষক জমায়েতের ডাক দিয়েছে বিজেপি
  • এটিটিএফ সুপ্রিমোর গ্রেপ্তার ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি'র
  • চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের গ্রেপ্তার চেয়ে সিবিআইএর কাছে বিজেপি'র চিঠি
  • এটিটিএফ সুপ্রিমোর গ্রেপ্তার ঘিরে গভীর ষড়যন্ত্রের অভিযোগ বিজেপি'র
  • চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে যুক্ত থাকার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের গ্রেপ্তার চেয়ে সিবিআইএর কাছে বিজেপি'র চিঠি

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

টপ ফাইভ

রাজধানী আগরতলায় ১৫ মাস পূর্বের সংঘর্ষ ঘিরে বাক বিতণ্ডা

আগরতলা ১৩ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): গত বছরের ২৩ আগস্ট রাজধানী আগরতলায় এক রাজনৈতিক দলের মিছিলকে কেন্দ্র করে হিংস্রাশ্রয়ী ঘটনায় তদন্ত রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করা নিয়ে অধিবেশনে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। যদিও ম্যাজিস্ট্রেট তদন্তের রিপোর্ট এখনই পেশ করার আর্জি রাজ্য সরকার নাকচ করে দিয়েছে। রাজ্য বিধানসভায় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার বলেন, ২০১৬ সালে ২৩ আগস্ট আগরতলায় এক রাজনৈতিক দলের মিছিলকে কেন্দ্র করে হিংস্রাশ্রয়ী ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার দ্বারা গঠিত ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ে তদন্ত রিপোর্ট গত বছরই ১ অক্টোবর জমা করে। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর অতিরিক্ত প্রশ্নে এই রিপোর্ট বিধানসভায় কেন পেশ করা হচ্ছে না তা নিয়ে জানতে চান বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ। মুখ্যমন্ত্রী এবিষয়ে জানান পুলিশি তদন্ত চলছে আর তাই ম্যাজিস্টেট তদন্তের রিপোর্ট সর্ব সমক্ষে আনা হচ্ছে না। কিন্তু উত্তরে বিরোধী দলের সদস্যরা সন্তুষ্ট হতে পারেননি এবং এনিয়ে তীব্র বাক বিতণ্ডা শুরু হয়। বিরোধী দলের সদস্যরা অভিযোগ করতে থাকেন সংঘর্ষ ও দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টায় শাসক দল যুক্ত ছিল। এজন্যই রিপোর্ট প্রকাশ্যেআনা হচ্ছে না। পুলিশি তদন্তে ১৫ মাস লেগে যাওয়ার কারণ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পাঁচটি মামলা হলেও একজন অভিযুক্তকেও কেন গ্রেপ্তার করা হল না। এনিয়ে বিরোধী দলের সদস্য রতন লাল নাথের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের বেশ কিছুক্ষণ ধরে বাক বিতণ্ডা চলতে থাকে। পড়ে অধ্যক্ষ বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করেন এবং বিষয়ান্তর ঘটান।

13-11-2017 04:23:26 pm

সাংবাদিক শান্তুনু ভৌমিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে উত্তাল বিধানসভা

আগরতলা ১৩ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): সাংবাদিক শান্তুনু হত্যাকাণ্ড মামলা নিয়ে সোমবার রাজ্য বিধানসভায় বিস্তর হই হট্টোগোল হয়েছে। প্রথমদিনে অধিবেশনে প্রথমার্ধে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধী সদস্যরা এই ইস্যুতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্নবানে যথেষ্ট আহত করেছেন। এনিয়ে শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে বিস্তর হই-হট্টগোল পরিলক্ষিত হয়। সোমবার বিধানসভায় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিষয়টি উত্থাপন করেন বিরোধী দলের সদস্য রতন লাল নাথ। তার প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার সভাকে জানান শান্তুনু ভৌমিক হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থেই হত্যা মামলার তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়ার বিষয়ে রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা নেই। নিরপেক্ষ ভাবেই এই মামলা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী টিম (এসআইটি) এর মাধ্যমে তদন্ত করানো হচ্ছে। ফলে তদন্ত রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এই উত্তরে সন্তুষ্ট হতে না পেরে বিধায়ক রতন লাল নাথ সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডে পুলিশের তরফে আদালতে পেশ করা পরস্পর বিরোধী কয়েকটি এডমিশনের কথা উল্লেখ করেন। অন্যদিকে এই ঘটনায় ধৃত অভিযুক্ত দের সংগঠিত অপরাধের আগেই আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এ-অবস্থায় স্থানের পেছনে অনেকের বিরুদ্ধেই তদন্ত দেওয়া প্রয়োজন। তিনি আর উল্লেখ করেন দেশে ১৯টি সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৮টিতেই সিবিআই তদন্ত দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে নিহত সাংবাদিককের পিতা নিজেও সিবিআই তদন্তের দাবী করেছেন। কিন্তু এর উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী আবারো বলেন রাজ্য সরকার সিট গঠন করেছে আর দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা করতে হবে। এরপরই সভা উত্তপ্ত হয়ে উঠে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ এই ঘটনার পেছনে শাসক দলের যুক্ত থাকা, সরকারের একটি মৃত দেহ প্রয়োজন ছিল, শাসক দলের দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা ইত্যাদি বলে অভিযোগ আরো তীব্র করেন। এনিয়ে দীর্ঘক্ষণ বাক বিতণ্ডা চলতে থাকে কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। যদিও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার প্রশ্নে একটি বিল পাশ করানোর বিষয়ে তিনি বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

13-11-2017 04:14:56 pm

সাংবাদিক শান্তুনু ভৌমিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে উত্তাল বিধানসভা

আগরতলা ১৩ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): সাংবাদিক শান্তুনু হত্যাকাণ্ড মামলা নিয়ে সোমবার রাজ্য বিধানসভায় বিস্তর হই হট্টোগোল হয়েছে। প্রথমদিনে অধিবেশনে প্রথমার্ধে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধী সদস্যরা এই ইস্যুতে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্নবানে যথেষ্ট আহত করেছেন। এনিয়ে শাসক ও বিরোধী দলের মধ্যে বিস্তর হই-হট্টগোল পরিলক্ষিত হয়। সোমবার বিধানসভায় অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিষয়টি উত্থাপন করেন বিরোধী দলের সদস্য রতন লাল নাথ। তার প্রশ্নের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার সভাকে জানান শান্তুনু ভৌমিক হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থেই হত্যা মামলার তদন্তভার সিবিআইকে দেওয়ার বিষয়ে রাজ্য সরকারের পরিকল্পনা নেই। নিরপেক্ষ ভাবেই এই মামলা পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী টিম (এসআইটি) এর মাধ্যমে তদন্ত করানো হচ্ছে। ফলে তদন্ত রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এই উত্তরে সন্তুষ্ট হতে না পেরে বিধায়ক রতন লাল নাথ সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডে পুলিশের তরফে আদালতে পেশ করা পরস্পর বিরোধী কয়েকটি এডমিশনের কথা উল্লেখ করেন। অন্যদিকে এই ঘটনায় ধৃত অভিযুক্ত দের সংগঠিত অপরাধের আগেই আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এ-অবস্থায় স্থানের পেছনে অনেকের বিরুদ্ধেই তদন্ত দেওয়া প্রয়োজন। তিনি আর উল্লেখ করেন দেশে ১৯টি সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৮টিতেই সিবিআই তদন্ত দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে নিহত সাংবাদিককের পিতা নিজেও সিবিআই তদন্তের দাবী করেছেন। কিন্তু এর উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী আবারো বলেন রাজ্য সরকার সিট গঠন করেছে আর দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা করতে হবে। এরপরই সভা উত্তপ্ত হয়ে উঠে বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ এই ঘটনার পেছনে শাসক দলের যুক্ত থাকা, সরকারের একটি মৃত দেহ প্রয়োজন ছিল, শাসক দলের দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা ইত্যাদি বলে অভিযোগ আরো তীব্র করেন। এনিয়ে দীর্ঘক্ষণ বাক বিতণ্ডা চলতে থাকে কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। যদিও সাংবাদিকদের নিরাপত্তার প্রশ্নে একটি বিল পাশ করানোর বিষয়ে তিনি বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

13-11-2017 04:14:41 pm

এটিটিএফ সুপ্রিমো দেশদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেপ্তার

আগরতলা ১২ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): দেশদ্রোহিতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল কারাবাস থেকে মুক্ত জঙ্গি নেতা রঞ্জিত দেববর্মাকে। গতকাল গভীর রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ তাকে খোয়াই আদালতে তোলা হয়েছে। ২০১২ সালে বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশের সময় রাজ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (এটিটিএফ) সুপ্রিমো রঞ্জিত দেববর্মাকে মেঘালয় থেকে নাটকীয় ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়। পড়ে দীর্ঘ সময় তার বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলতে থাকে। বিচার বিভাগীয় হেপাজতে রেখে তার বিরুদ্ধে যাবতীয় অভিযোগ নিয়ে আদালতে শুনানির শেষে আদালত তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ থেকে তাকে মুক্ত করে দেয়। কিন্তু সম্প্রীতি রঞ্জিত দেববর্মা পুনরায় সক্রিয় হয়ে উঠেন এবং সম্প্রীতি সিধাই থানাধীন বরকাঠালে আত্মসমর্পণকারী জঙ্গি নেতাদের নিয়ে এক সম্মেলন করেন। সম্মেলনে তিনি ত্রিপুরার ভারত ভুক্তি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন এবং তৎকালীন রাজমাতা কাঞ্চনপ্রভা দেবীর সঙ্গে ভারত সরকারের চুক্তির তীব্র বিরোধিতা করেন। সে সঙ্গে তিনি ভারত সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন রাজ পরিবারকে প্রতারণার অভিযোগ ও তুলেন বলে অভিযোগ। সেই অনুযায়ী পুলিশ দেশ দ্রোহিতার অভিযোগ এনে রঞ্জিত দেববর্মার বিরুদ্ধে একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রজু করে। গতকাল গভীর রাতে তেলিয়ামুড়া ও খোয়াই থানার পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে রঞ্জিত দেববর্মার পৌত্রিক বাড়ি ঘিরে ফেলে এবং তাকে আজ ভোরে গ্রেপ্তার করা হয়। ইতিমধ্যেই তাকে খোয়াইয়ের জেলা ও দায়রা জজের আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। যদিও বিষয়টি এখনো আদালতের চর্চায় আসেনি।

12-11-2017 04:46:17 pm

ত্রিপুরার আইন শৃঙ্খলা নিয়ে সংসদে ঝর তুলবে বিজেপি

আগরতলা ১২ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): ত্রিপুরার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে দু'দিনের রাজ্য সফরে এলেন বিজেপি'র সংসদীয় প্রতিনিধিদল। সফরে এসেই তারা রাজ্যের বিভিন্ন আক্রান্ত এলাকা ঘুরে দেখছেন। সাম্প্রতিককালে রাজ্যের বিভিন্নস্থানে সংঘটিত ঘটনা পর্যবেক্ষণের পর দুই সাংসদ মিনাক্ষী লেখি ও প্রহ্লাদ প্যাটেল বলেন, আইনের শাসন নেই ত্রিপুরাতে। বিষয়টি আসন্ন সংসদ অধিবেশনে তুলে ধরা হবে। এমনকি কিছু বিষয় সিবিআইকে দিয়ে তদন্ত করানো যায় কিনা সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে। প্রতিনিধি দলটি আগরতলায় এসেই দলের সভাপতি বিপ্লব দেব, সহসভাপতি সুবল ভৌমিক ও রামাপদ জামাতিয়া নিয়ে প্রথমে চলে যান সোনামুড়া ও বিলোনিয়াতে প্রহ্লাদ প্যাটেল। আর অপরদিকে মীনাক্ষী লেখি সুদীপ রায় বর্মণকে সঙ্গে নিয়ে চলে যান খয়েরপুর ও বিশালগড়। তারপর তিনি যান এসডিএম অফিস চৌমুহনী। সেখান থেকে সোজা চলে যান বৃহস্পতিবার রাতে সংগঠিত সন্ত্রাস এলাকা মুড়াবাড়িতে। সেখানে গিয়ে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত জায়গাগুলি পরিদর্শন করেন। অপরদিকে সাংসদ প্রহ্লাদ প্যাটেল শান্তিরবাজারে নিহত প্রিয়াঙ্কা রিয়াং ও সুপ্রিয়া মগ-এর বাড়িতে যান। উল্লেখ্য দুর্গাপূজায় সপ্তমীর রাতে উদয়পুরে পাঠরত প্রিয়াঙ্কা বন্ধুর সাথে পুজো দেখতে বের হয়েছিলো। পরদিন সকালবেলা পরিবারের লোকজন জানতে পারে জিবি হাসপাতালে প্রিয়াঙ্কার মৃত্যু হয়। ওর মৃত্যুর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র আছে বলে পরিবারের লোকেরা শ্রী প্যাটেল সহ প্রতিনিধি দলের কাজে জানায়। ওর পরিবারের আরও দাবী তার মৃতদেহ ময়না তদন্ত করা হয়নি। পড়ে প্রতিনিধি দল সুপ্রিয়া মগের বাড়িতেও যান। তারা মৃতার পরিবারের লোকজনদের সাথে কথা বলে। সুপ্রিয়ার পিতা কংকিয় মগ প্রতিনিধি দলকে বলেন, সুপ্রিয়াকে কারা হাসপাতালে নিয়ে গেছে পুলিশ তাদেরকে এখনও কোনো জিজ্ঞেসাবাদ করেনি। প্রমাণ লোপাটের জন্য ময়না তদন্ত ছারাই তড়িঘড়ি রীতি না মেনে সুপ্রিয়ার দেহ আগুনে পোরানো হয় বলে জানায় সুপ্রিয়ার বাবা। দুটি পরিবারের সাথে কথা পড়ে বিজেপি'র সাংসদ শ্রী প্যাটেল বলেন দুটি ঘটনায় পুলিশের দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেন, দুইটি ঘটনায় যাতে অতিসত্বর সিবিআই'র হাতে দেওয়া যায় তার জন্য তিনি সমস্ত ধরনের পদক্ষেপ নেবেন। তিনি আরও বলেন, সংসদের অধিবেশনে ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝর তোলা হবে। তিনি বলেন, ত্রিপুরার মানুষকে রাজ্য সরকার নাক্কাবন্দি অবস্থায় করে রেখেছে আর এই নাক্কাবন্দি থেকে মুক্তি অবশ্যই দেবে বিজেপি দল। এত অন্যায় কোনভাবেই চলতে পারেনা। এইবার লোকসভায় গুরুত্ব দিয়ে ত্রিপুরা সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।

12-11-2017 01:22:38 pm

দেশের সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার: মীনাক্ষী লেখি

আগরতলা ১২ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকে দেশের সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত মুখ্যমন্ত্রী বলে আখ্যায়িত করেছেন সাংসদ 'তথা প্রেস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়ার সদস্যা এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মীনাক্ষী লেখি। তার মতে ত্রিপুরার যে ধরনের অপশাসন চলছে তা দেশের অন্য কোন রাজ্যের রাজ্যের সঙ্গে তুলনা করাই ভার। বিজেপি'র তিন সদস্যের এক সংসদীয় প্রতিনিধি দল দু'দিনের সফরে শনিবার রাজ্যে আসেন। এই সফরে সর্বাধিক গুরুত্ব পেয়েছে সাংবাদিক শান্তুনু ভৌমিক হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি। সফরে এসে মীনাক্ষী লেখি আন্দোলনরত ১১টি সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধির সাথে সাক্ষাৎকারে মিলিত হন। তিনি শান্তুনু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান সাংবাদিক সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের কাছ থেকে। প্রকৃত ঘটনা জানতে পেরে তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, রাজ্যে আসার পর তিনি বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেছেন। আর শান্তুনু ভৌমিক হত্যাকাণ্ডের বিষয়ও তিনি বিস্তারিত খোজ খবর নিয়েছেন। কিন্তু দিল্লি থেকে এসব বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানতে পারেননি। তিনি বলেন, পুলিশের সামনে হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট আরক্ষা কর্মীদের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগ উঠা স্বাভাবিক। মীনাক্ষী লেখি বলেন, বিজেপি সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করবে। তিনি নিজেই এই বিষয়ে সংসদে বলবেন। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী নিজেকে যেভাবে স্বচ্ছ বলে দেখানোর চেষ্টা করেন, যেভাবে পুরস্কার আদায় করে নেন তার পরিষ্কার চিত্র তুলে ধরা হবে। যে সমস্ত সংস্থা তাকে পুরস্কৃত করেছেন তার বিনিময়ে তিনি কী দিয়েছেন তা প্রকাশ্যে আনা হবে। তিনি বলেন, সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অঙ্গ বলেই মনে হচ্ছে। অন্যথায় রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে দিয়ে দিতে পারত। কিন্তু রাজ্য সরকার বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এই বিষয়ে নীরব থাকায় এবং সাংবাদিকদের সিবিআই তদন্তের দাবী না মানা স্বাভাবিকভাবেই অনেক সন্দেহের ইঙ্গিত করে।

12-11-2017 01:21:54 pm

ত্রিপুরায় এসে সাংবাদিক হত্যাকাণ্ড ইস্যুতে আক্রমণাত্মক মীনাক্ষী লেখি

আগরতলা ১১ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): ত্রিপুরার সাংবাদিক শান্তুনু হত্যার ঘটনাটি সংসদে উত্থাপন করবে বিজেপি। সাংবাদিকদের ১১টি সংঘটনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনাকালে বিজেপির সাংসদ তথা প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার সদস্যা মীনাক্ষী লেখি বিষয়টি জানান। সাংবাদিক সংঘটনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনাকালে মীনাক্ষী লেখি বলেন, দিল্লির সাধারণ মানুষ এমনকি সাংবাদিক আইনজীবী, রাজনৈতিক নেতা, বুদ্ধিজীবী কেউই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের স্বচ্ছতা সম্পর্কে যে প্রচার রয়েছে তা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত। এবং তা সর্বসমক্ষে নিয়ে আসতে হবে। আর এই দায়িত্ব নেবে বিজেপি। ত্রিপুরার সামগ্রিক অবস্থা তুলনা অন্য কোন রাজ্যের সঙ্গে হতে পারে না বলে তিনি উল্লেখ করেন। আর অচিরেই বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর মানিক সরকারের অপকর্মের ধরন দেশবাসীর তুলে ধরবেন বলে তিনি জানান।

11-11-2017 05:41:27 pm

বিশালগড়ে টানটান উত্তেজনা, আধা সামরিক বাহিনী মোতায়েন

আগরতলা ১০ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুরু হওয়া রাজনৈতিক সংঘর্ষে এখনো উত্তপ্ত বিশালগড় এবং তৎসংলগ্ন এলাকা। সমগ্র এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিভিন্ন এলাকায় আধা সামরিক বাহিনী জওয়ানরা টহল দিচ্ছে। বিজেপি এবং সিপিআইএম একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৭ জন গুরুতর ভাবে জখম হয়েছেন। বিবাদমান দুই রাজনৈতিক দলের কর্মীসমর্থকেরা বিভিন্ন এলাকায় সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে আছে। ফলে যে কোন সময় পুনরায় সংঘর্ষ হতে পারে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এদিকে পার্টির কর্মীদের উপর হামলা এবং পুলিশের ভূমিকায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আজ বিজেপি বিশালগড়ে একটি বিক্ষোভ জমায়েতের ডাক দিয়েছে। ফলে উত্তেজনা প্রশমনের ইঙ্গিত মিলছে না।

10-11-2017 12:14:07 pm

ত্রিপুরা বিল্ডিং রুলসে ব্যাপক পরিবর্তন

আগরতলা, ৯ নভেম্বর (এ.এন.ই ): টানা ২ বছর দীর্ঘ বিচার বিশ্লেষণের পর ত্রিপুরা বিল্ডিং রুলসে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হল। এখন ৫০ স্কয়ার মিটার ভূমিতেই মিলবে বিল্ডিং তোলার অনুমতি। রাজ্যে করা যাবে স্টিলের স্ট্রাকচারও। রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই নতুন বিল্ডিং রুলসের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে৷ নতুন আইনে একই সাথে নিয়মের আওতায় নিয়ে আসা হল প্রমোটারদেরকেও৷ সরকারই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী মানিক দে বলেন, "২০০৪ সালে ত্রিপুরা বিল্ডিং রুলস কার্যকর করার পর ২০১১ সালে কিছুটা সংশোধন করা হয়েছিল৷ কিন্তু এই সময়ের মধ্যে পরিস্থিতির অনেক পরিবর্তন হয়েছে৷ ইতোমধ্যে বিল্ডিং রুলস নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে কিছু নির্দেশিকা আসে৷ ফলে সময়ের সাথে সাযুজ্য রেখে রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নেয় বিল্ডিং রুলস পরিবর্তন করার৷ সেইমত ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে নগরোন্নয়ন দপ্তরের মুখ্য বাস্তুকারকে চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন দপ্তরেরর আধিকারিকদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়৷ কমিটির সুপারিশ নিয়ে পরবর্তী সময়ে জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করা হয়৷ মোট ৪১টির মত প্রস্তাব সাধারণ মানুষের কাছ থেকে পাওয়া গেছে"। তিনি বলেন, "নতুন বিল্ডিং রুলসের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হল, ৫০ স্কয়ার মিটার অর্থাৎ আধ-গন্ডা জায়গা থাকলেই এখন বিল্ডিং তোলা যাবে৷ এর আগে যে বিল্ডিং রুলস ছিল সেখানে ১০০ স্কয়ার মিটারের কম জায়গা থাকলে বিল্ডিং তোলার অনুমতি দেওয়া হতো না। সংশোধিত আইনে ৫০ স্কয়ার মিটারে বিল্ডিং করা গেলেও তা হতে হবে শুধু একতলা বিশিষ্ট"। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রীর যুক্তি, প্রধানমন্ত্রী শহুরে আবাস যোজনায় ৫০ স্কয়ার মিটার জায়গা থাকলেই ঘর পেতে পারেন৷ এই রুলস সংশোধন করা না হলে ১০০ মিটারের কম জমি রয়েছে এমন পরিবারকে এই প্রকল্পে ঘর দেওয়া সম্ভব হবে না। নগরোন্নয়ন মন্ত্রী আর বলেন, "পাশাপাশি দুটি জমির মালিক যদি মনে করেন দুটি প্লট একসাথে করে বিল্ডিং তৈরি করবেন নতুন আইনে তাও সম্ভব হবে। ২০০৪ সালের বিল্ডিং রুলসে এমন কোনও সংস্থান ছিল না"। তিনি বলেন, "পুরনো বিল্ডিং রুলসের আইন অনুযায়ী প্ল্যান জমা দেয়ার ৬০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পুর-সংস্থাকে হ্যাঁ কিংবা না জানাতে হত৷ নতুন আইনে ৩০ দিনের মধ্যে জানাতে হবে৷ অন্যথায় সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিক মেয়র কিংবা চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন৷ বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন শুরুর ৬০ দিনের মধ্যে পুর-সংস্থার তরফে তদারকি করা হত৷ এখন নির্মাণের ৭ দিনের মধ্যে করতে হবে। এছাড়া, ব্যবহারের জন্য যোগ্য স্থাপিত হলে তা নির্মাণের পর ১০ দিনের মধ্যে অনুমতি দিতে হবে৷ কমানো হয়েছে বাউন্ডারি ওয়ালের উচ্চতার পরিমাপও"। ত্রিপুরা বিল্ডিং রুলস-২০১৭ এর সংস্থান অনুযায়ী স্টিল কাঠামোর উপরে বাড়ি নির্মাণে মান্যতা দেওয়া হয়েছে৷অর্থাৎ কেউ চাইলে স্টিলের পাঁচতলা ভবন নির্মাণ করতে পারবেন ত্রিপুরায়। বিল্ডিং রুলসে ব্যাপক সংশোধনী আনার পাশাপাশি রাজ্য সরকার রিয়্যালএস্টেটদের ক্ষেত্রেও নতুন আইন করা হয়েছে৷ কোনও সংস্থা কিংবা প্রমোটার যদি সংশ্লিষ্ট মালিককে চুক্তি মত বিল্ডিংয়ের সমস্ত সুবিধা না দেন তবে তার বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবে রাজ্য সরকার৷ একই সঙ্গে নয়া বিধি অনুযায়ী শহর এলাকায় যে সমস্ত কৃষি জমি রয়েছে সেখানে বাড়ি করতে হলে আগে কৃষি দপ্তরের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। নতুন আইনে তা ছাড় দেওয়া হয়েছে৷ বাড়ানো হয়েছে বিল্ডিংয়ের উচ্চতার পরিমাণও৷ আগে যেখানে সর্বোচ্চ ১৪ মিটার পর্যন্ত বিল্ডিংয়ের উচ্চতা বাড়ানো যেত, সেখানে নতুন আইনে করা হয়েছে সাড়ে ১৪ মিটার৷ বাড়ানো হয়েছে ফ্লোর এরিয়ার রেশিও। আগে তা ছিল ২ দশমিক ৭৫ মিটার৷ এখন করা হয়েছে ৩ মিটার। কমানো হয়েছে ফ্রন্ট ওপেনিং স্পেস। পুরনো বিল্ডিং রুলসে ১৪ মিটার উচ্চতার বেশি বিল্ডিংগুলির ক্ষেত্রে ফায়ার সার্ভিসের অনুমতির প্রয়োজন হত৷ এখন তা কমিয়ে করা হয়েছে ১২ দশমিক ৫ মিটার।

09-11-2017 04:04:42 pm

ত্রিপুরা বিধানসভায় বিজেপির প্রবেশ, সংশয় মান্যতা নিয়ে

আগরতলা, ৯ নভেম্বর (এ.এন.ই ) : বিজেপি-বিধায়ক হিসেবে অধ্যক্ষের কাছে পরিচয় পেশ করলেও ত্রিপুরার ছয় তৃণমূলত্যাগী বিধানসভায় মান্যতা পাচ্ছেন কি না তা নিয়ে সংশয় বাড়িয়ে দিয়েছেন অধ্যক্ষ। এখনই কোনও সিদ্ধান্ত জানানো যাবে না বলে অধ্যক্ষের স্পষ্ট জবাবে এই সংশয় বেড়ে গেছে। তবে রাজনীতি বিশেষরজ্ঞরা মনে করছেন, তৃণমূলছুট বিজেপি-বিধায়কের মান্যতা দেবে রাজ্য বিধানসভা। ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে বিধানসভার অধিবেশন৷ তার আগে ছয় বিধায়ক এদিন সরকারিভাবে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা জানালেও তা গ্রহণ করা হবে কি না তা এখুনি জানানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ রমেন্দ্রচন্দ্র দেবনাথ। অধ্যক্ষ রমেন্দ্রচন্দ্র দেবনাথ আজ বৃহস্পতিবার সকালে বলেছেন, "বিধানসভার সচিব বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন। সেখান থেকে ১২ নভেম্বর ফিরবেন তিনি। পরের দিন থেকেই অধিবেশন। তাই বিধায়কদের বিজেপিতে যোগদান করা সম্পর্কে এ মুহূর্তে কোনও সিদ্ধান্ত জানানো সম্ভব হবে না। সামগ্রিকভাবে ছয় বিধায়ককে বিজেপি-র বিধায়ক হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত দেওয়ার বিষয়টি খুব কঠিন। এর মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে। তবে ছয় বিধায়ককে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিধানসভায় এ বিষয়ে কেউ প্রশ্ন করলে অধ্যক্ষের আসন থেকে জানিয়ে দেওয়া হবে বিজেপি-সদস্য হিসেবে মান্যতা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন তাঁরা।" বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যের ছয় বিরোধী বিধায়ক নিজেদের বিজেপি-সদস্য হিসেবে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন বিধানসভা অধ্যক্ষ রমেন্দ্রচন্দ্র দেবনাথের কাছে৷ এই ছয় বিধায়ক হলেন, সুদীপ রায়বর্মন, দিবাচন্দ্র রাঙ্খল, আশিসকুমার সাহা, দিলীপ সরকার, বিশ্ববন্ধু সেন এবং প্রাণজিৎ সিংহরায়৷ এক বছর আগে কংগ্রেস ছেড়ে সুদীপ রায়বর্মনের নেতৃত্বে এই ছয় বিধায়ক যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে৷ সেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে আগরতলার আস্তাবল ময়দানে বিশাল সমাবেশ করে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন এই বিধায়করা৷ কিন্তু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সিপিআইএম-তৃণমূল একই প্রার্থীকে সমর্থন করায় প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন রায়বর্মন৷ এর পর রামনাথ কোবিন্দের সমর্থনে গুয়াহাটিতে আয়োজিত বৈঠকে সদলবলে যোগ দেওয়ার পর থেকে শুরু হয়েছিল বিজেপি-র সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলার পালা৷প্রায় তিনমাস আগে বিজেপিতে যোগ দিলেও এতদিন অধ্যক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের দলীয় পরিচয় পেশ করা হয়নি৷ বিধানসভার অধিবেশন যেহেতু সামনে, তাই বুধবার ছয় বিধায়ক একযোগে বিধানসভায় উপস্থিত হয়ে তাঁদের পরিচয়পত্র পেশ করেছেন৷ এর ফলে ত্রিপুরা বিধানসভার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পা রাখতে চলেছে বিজেপি৷ তা-ও প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায়৷ কেননা, ৬০ সদস্য বিশিষ্ট বিধানসভায় ৫১ জন সদস্য বামফ্রন্টের৷ বাকি নয়জনের মধ্যে ছয়জন হবেন বিজেপি-র এবং তিনজন কংগ্রেসের৷ কানাঘোঁষা, কাগজপত্রে থাকলেও বিজেপিতেই পা বাড়িয়ে রেখেছেন কংগ্রেসের অপর এক বিধায়ক রতনলাল নাথ৷ ফলে, বিধানসভার অধিবেশনে তাঁর ভূমিকা কী হয় এখন সেদিকেই তাকিয়ে সংশ্লিষ্ট মহল৷ এদিকে, এদিন আবার বিজেপি পরিষদীয় দলনেতার নাম জানিয়ে একটি চিঠি বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে গেছে পার্টির রাজ্য সদর দফতর থেকে। একইভাবে বিজেপি পরিষদীয় দলনেতা দিবাচন্দ্র রাঙ্খলও একটি চিঠি দিয়েছেন অধ্যক্ষকে।

09-11-2017 02:59:07 pm

ভূকম্পনে কেঁপে উঠল সমগ্র রাজ্য উৎপত্তিস্থল ত্রিপুরার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের শায়েস্তাগঞ্জে

আগরতলা, ৮ নভেম্বর (এ.এন.ই ): ত্রিপুরার সঙ্গে বাংলাদেশেও মৃদু ভূকম্প অনুভূত হয়েছে। জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হলেও এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোন খবর নেই। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০.২০ মিনিটে রাজ্যে ভূকম্পনে অনুভূত হয়।ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ত্রিপুরার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের আখাউড়ার কাছে শায়েস্তাগঞ্জে। যা ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে ৭২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ভূকম্পনের কেন্দ্র ছিল ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। রিক্টার স্কেলে ভূকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৮। রাজ্যের ত্রাণ পুনর্বাসন এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর সূত্রে জানা গেছে, সাড়া রাজ্যেই ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূকম্পন প্রায় ২৯ সেকেন্ড স্থায়ী হয়। এতে জনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। কিন্তু কোথাও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। জেলা প্রশাসনকে বিস্তারিত খোঁজ খবর নিতে বলা হয়েছে। তাৎক্ষণিক ভাবে সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশেও হতাহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি।

08-11-2017 02:36:07 pm

ভূকম্পনে কেঁপে উঠল সমগ্র রাজ্য

আগরতলা ৮ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): রাজ্যে আবার ভূকম্পের অনুভূত হল। ভূকম্পনে কেঁপে উঠল সমগ্র রাজ্য। যদিও এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির কোন খবর নেই। আজ সকাল ১০.২০ মিনিটে রাজ্যে ভূকম্পনে অনুভূত হয়। যদিও এখন পর্যন্ত ভূকম্পনের উৎপত্তিস্থল জানাতে পারছেন না সংশ্লিস্ট কেউই। রিক্টার স্কেলে ভূকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৮। রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে সাড়া রাজ্যেই ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। কিন্তু কোথাও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই।

08-11-2017 12:02:47 pm

কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশ্ন পত্রের উত্তর নিয়ে দিল্লী গেলেন রাজ্যের আধিকারিক

আগরতলা, ৭ নভেম্বর (এ.এন.ই ): রেগা প্রকল্প নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটছেনা। কেন্দ্রীয় গ্রাম উন্নয়ন মন্ত্রকের পাঠানো ২৩ দফা প্রশ্নের উত্তর নিয়ে দিল্লী গেলেন রাজ্য প্রশাসনের এক আধিকারিক। রাজ্যের অর্থ ও তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রী ভানুলাল সাহা জানিয়েছেন উত্তরপত্র সরাসরি মন্ত্রকের আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। কারণ ২৩ দফা প্রশ্নের যে উত্তর পাঠানো হয়েছে তা উপর ভিত্তি করে আরো প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। তাই উত্তরপত্র নিয়ে সরাসরি একজন আধিকারিক দিল্লী চলে গেছেন। যাতে অতিরিক্ত প্রশ্নের জবাব তিনি সেখানে দিয়ে আসতে পারেন। কেন্দ্রীয় সরকার সঠিক ভাবে অর্থ বরাদ্দ করছে না এবং একের পর এক প্রশ্নের উত্তরই চেয়ে যাচ্ছে।

07-11-2017 04:19:09 pm

নিহত জীবন দেবনাথের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ

আগরতলা, ৭ নভেম্বর (এ.এন.ই ): দেহ উদ্ধারের পর মঙ্গলবার রাজ্য সরকার নিহত জীবন দেবনাথের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্য মন্ত্রীসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর খুমুলুঙ, মান্দাই এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় প্রথমে রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং পড়ে পুলিশের সঙ্গে উন্মত্ত জনতার সংঘর্ষের মধ্যে পরেছিলেন গাড়ি চালক জীবন দেবনাথ। ঘটনায় ৪৫ দিন বাদে স্থানীয় এক নদীর অববাহিকা এলাকা থেকে মাটি খুঁড়ে জীবন দেবনাথের পচা গলা দেহ উদ্ধার করা হয়। ২৯ বছর বয়সী জীবন দেবনাথ ছিলেন তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। এই অবস্থায় রাজ্য মন্ত্রীসভা প্রয়াতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্ত্রীসভায় বৈঠকের পর সরকারী সিদ্ধান্তের কথা জানান রাজ্যের তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রী ভানুলাল সাহা। উল্লেখ করা যেতে পারে এই একই দিনে নিহত হয়েছিলেন রাজ্যের তরুণ সাংবাদিক শান্তুনু ভৌমিক। রাজ্য সরকার প্রয়াত ভৌমিকের পরিবারকেও ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতিপূরণ বাবদ দিয়েছে আরো আগেই।

07-11-2017 04:18:13 pm

সহানুভুতির পুরষ্কার হিসাবে ডাইনী অপবাদে নিখোঁজ

আগরতলা, ৭ নভেম্বর (এ.এন.ই ): প্রতিবেশিকে দেখতে গিয়ে নিঁখোজ হলেন গৃহকর্তা।দশদিন পরেও মিলেনি তার হদিশ। নির্বিকার পুলিশ এবং স্থানীয় স্থানীয় প্রশাসন।এক অসুস্থ প্রতিবেশীনিকে দেখতে গিয়ে দশ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন গৃহকর্তা৷ঘটনাটি কমলপুরের ওল্ড বিলাসছড়ায়৷ গ্রামের সহৃদয় দরিদ্র দুর্গাচরণ সবর সাতদিন আগে গিয়েছিলেন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় ঘরবন্দী থাকা পাশের টিলার মাধব বেনীয়ার স্ত্রী রীণা বেনীয়াকে দেখতে। সাথে ছিলেন তার স্ত্রী সবিতা সবরও। প্যারালাইসিস হয়ে পড়ায় বিছানাতেই দীর্ঘদিন ধরে শায়িত রয়েছেন রীণা বেনীয়া। স্ত্রী রীণা বেনীয়াকে সুস্থ করে তুলতে অনেক ওঝা বৈদ্যকেও বাড়িতে ডেকে নিয়ে এসেছিলেন অন্ধ বিশ্বসী মাধব বেনীয়া৷ ওঝারা তখন বলে গিয়েছিল গ্রামে ডাইনী রয়েছে৷ কিন্তু সেদিন দুর্গাচরণ বাড়িতে গিয়ে পরামর্শ দিয়েছিল স্ত্রীকে কমলপুর বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে আসতে৷ একথা বলতেই রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে মাধব সবরের পরিবারের সদস্যরা দুর্গাচরণকে ডাইনী অপবাদ দিয়ে বেধম মারধোর করতে থাকে। অবস্থা বেগতিক দেখে দুর্গাচরণের স্ত্রী সবিতা দ্রুত বাড়িতে ফিরে এলেও আজ অবধি ফিরেনি দুর্গাচরণ৷ নিখোঁজ হবার পরদিনই সবিতা সবর থানায় গিয়ে একটি নিখোঁজ ডাইরি করেন। সেইমত পুলিশ পরদিন গিয়ে একটু নিয়মমাফিক তত্ত্ব তালাশ করে৷ কিন্তু এরপর থেকে কোনো এক অজানা কারণে চুপ রয়েছে৷ একই ভাবে ঘটনাটি জানানো হয়েছিল গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য জীতেন্দ্র সবরকে৷ কিন্তু তিনিও কিছু করছেন না বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে অসহায় হয়ে পড়েছেন দুর্গাচরণের পরিবার৷ নিখোঁজ স্বামীর খোঁজে এদিক সেদিক ঘুরে বেড়াচ্ছেন৷ রোজগেরে স্বামী না থাকায় ঘরেও উনোন প্রায় বন্ধ৷ তার বক্তব্য, "আমার স্বামী কোনো তাবিজ কবজ করে না৷ তা সত্বেও তাকে ডাইনী অপবাদ দিয়ে হাত পা বেঁধে সেদিন প্রচন্ড মারধোর করেছে মাধব বেনীয়ার পরিবার৷থানা পুলিশ করেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি"। পরিবারের একমাত্র অনুপস্থিতিতে এবার অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাতে হচ্ছে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের৷ পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসন সমস্ত কিছু জেনেশুনেও কোনো এক অজানা কারণে নীরব ভূমিকা অবলম্বণ করছেন। যা নিয়ে সন্দেহ তীব্র হচ্ছে।

07-11-2017 03:18:15 pm

স্বচ্ছ ভারত-এর টাকায় উদরপূর্তি হচ্ছে ক্যাডারদের, অভিযোগ

আগরতলা, ৭ নভেম্বর, (এ.এন.ই ): স্বচ্ছ ভারত অভিযান প্রকল্প ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। এই প্রকল্পের অধীন রাজ্যের সব স্কুলে সাফাই অভিযান, সচেতনতা শিবির ইত্যাদি হওয়ার কথা। এ জন্য কেন্দ্র সরকার কাড়িকাড়ি টাকাও দিচ্ছে। বিজেপি-র রাজ্য সম্পাদক তথা সূর্যমণিনগর এলাকার গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজিত প্রার্থী তাপস মজুমদারের অভিযোগ, টাকা জায়গা মতো পৌঁছার আগেই হাওয়া হয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের স্বচ্ছ ভারত অভিযান প্রকল্পটি রাজ্যে চালু হয়েছে সঠিক সময়ে। কিন্তু এখানে এই প্রকল্পের কাজ কোথায় কতটা হচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শী সাধারণ মানুষের চোখে পড়ছে না। অথচ, প্রকল্পের টাকা সরকারি কাগজপত্রে খরচ হচ্ছে বলে যথারীতি দেখানো হচ্ছে। তাপসবাবু বলেন, এলাকাবাসী এবং অভিভাবক মহলের মধ্য থেকেই এমন গুরতর অভিযোগে উঠতে শুরু করেছে। তারই একটি নমুনা ডুকলি ব্লক। ডুকলি ব্লকের কিছু এলাকায় বিভিন্ন স্বচ্ছ ভারত অভিযান হয়েছে বলে দেখানো হলেও বাস্তবে কিছুই হয়নি। ওই এলাকার মতো অন্যান্য ব্লক এলাকায়ও শাসকদলের ক্যাডাররা স্বচ্ছ ভারত অভিযানের টাকা এভাবেই লুটেপুটে খাচ্ছে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি উচ্চস্তরে নিয়ে যাবেন। কেন্দ্রীয় অর্থের কীভাবে নয়ছয় হচ্ছে তার প্রমাণও ইতিমধ্যে আসতে শুরু করেছে বলে জানান তাপস মজুমদার।

07-11-2017 03:17:17 pm

রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে আলোচনায় সন্তুষ্ট নয় আইপিএফটি

আগরতলা ৫ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): পৃথক রাজ্যের দাবীতে আন্দোলনরত আঞ্চলিক দল আইপিএফটি নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাত করলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাথ সিং। তবে তাদের মধ্যে আলোচনা খুব একটা ফলপ্রসূ হয়নি। দিল্লী থেকে টেলিফোনে আইপিএফটি'র রাজ্য সভাপতি নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মা জানিয়েছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এর সরকারী আবাসে গিয়ে পৃথক রাজ্যের দাবী নিয়ে তারা আলোচনা করেন। নরেন্দ্র চন্দ্র দেববর্মা বলেন, আলোচনা খুব একটা সফল হয়েছে বলা যায় না। ১৫ থেকে ২০ মিনিটের মত আলোচনা হয়েছে। আইপিএফটি তরফ থেকে বলা হয়েছে জাতীয় সড়ক অবরোধের সময় থেকে দল ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের জন্য দাবী জানিয়ে আসছিল। কিন্তু এখনো তা হয়নি। পৃথক রাজ্যের যৌক্তিকতা বিচার বিশ্লেষণের জন্য এই ত্রিপাক্ষিক কমিটি গঠনের কথা বলা হয়। তিনি বলেন, এই দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাথ সিং বলেন, এবিষয়ে রাজ সরকারের মতামত প্রয়োজন। রাজ্য সরকারের অনুমোদন ছাড়া এবিষয়ে কিছু করা সম্ভব নয়। ফলে আলোচনা বেশী দূর এগোয়নি। আইপিএফটি'র তরফে আলোচনা ক্ষেত্র প্রস্তুত করার দাবী জানিয়ে আলোচনায় ইতি টানা হয়। তিনি জানান, রাজনৈতিক কোন বিষয়ে আলোচনা হয়নি। তবে পৃথক রাজ্যের দাবীতে আলোচনায় বিশেষ সাফল্য আসেনি।

05-11-2017 06:01:36 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.