• বিপুল বাংলাদেশি টাকা সহ গ্রেপ্তার নেতা
  • অমরপুরে বিজেপি-সিপিএম সংঘর্ষে আহত ১৭
  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ত্রিপুরা বিধানসভার বিরোধী বিধায়কদের ভোট চাইল বিজেপি
  • তথ্য তুলে ধরে ত্রিপুরা সরকারকে আসামের মন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার তীব্র আক্রমণ
  • ডাক বিভাগের আঞ্চলিক কার্যালয় আগরতলায়
  • দৃষ্টিহীন বিদ্যালয়ের কিশোরের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র উত্তেজনা
  • বিলোনিয়ায় রতনপুরে অনুষ্ঠিত কৃষক সভা
  • অমরপুর রথযাত্রা উৎসবের ঐতিহ্য বজায়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চাইছেন ধর্মপ্রাণ মানুষ
  • অমরপুরে শিশুপুত্র বিক্রয়, অভাবী মা সহ আটক ৩
  • তথাগত রায়কে অপসারণের দাবী সিপিআইএম ও কংগ্রেসের
  • আন্তর্জাতিক মৈত্রী বাস দুর্ঘটনায় হতাহত ৩
  • তেলিয়ামুড়ায় গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার গাড়ি উল্টে গভীর খাদে, আহত ১
  • মুম্বাইয়ে ত্রিপুরা বামফ্রন্ট সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনামূলক পুস্তক প্রকাশ
  • রাজ্যে বন্যায় তিন জেলার ৮৯টি গ্রামের প্রায় ৭৬৬২টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত
  • পাপাই হত্যায় সেশন কোর্টের রায়ের বিরোধিতা করে হাইকোর্টে রাজ্য সরকার
  • পানীয় জলের বোতলে পোকা
  • চলন্ত অটো থেকে ভিন রাজ্যের চার মহিলা পকেটমার ধৃত
  • আনোয়ারা হত্যাকান্ডে সঠিক তদন্তে সিআইডি'র কাছে ছাত্র সমাজ
  • ত্রিপুরা সফরে এসে যোগ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়
  • ট্রাফিক পুলিশকে পেটালো একদল যুবক
  • বেতন কমিটির রিপোর্টে ভুল প্রত্যাহার দাবী ২৩টি কর্মচারী সংগঠন
  • শান্তিরবাজারে পালিত আন্তর্জাতিক যোগা দিবস
  • শাসক দলকে পাত্তা দিয়ে নারাজ এন সি দেববর্মা
  • নেতা কর্তৃক কিশোরীর সম্ভ্রম নাশঃ বিজেপি
  • বীরেন্দ্র ত্রিপুরা পাড়ায় ৪০টি পরিবার সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে

স্পেশাল আর্টিকেল

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

হোলির রাতে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষের পর সাংবাদিক সন্মেলনে বিপ্লব

চিটফান্ড ইস্যুতে রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারকে তথ্য সহ বিঁধল সুদীপ

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

টপ ফাইভ

00310
ত্রিপুরা বিজেপির সভাপতিকে সিপিআইএম এর তীব্র আক্রমণ

আগরতলা ১৯ই জুন (এ.এন.ই ): রাজ্যের বিরোধীদল বিজেপির বিরুদ্ধে সিপিআইএম আক্রমণ আরও তীব্র করেছে। সিপিআইএম এর রাজ্য কমিটির মুখ পাত্র গৌতম দাস বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লব দেবকে পলিটিকেল আপস্টার্ট বলেছেন। নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যক্তি আক্রমণ আরও তীব্র হচ্ছে। আইপিএফটি'র জাতীয় সড়ক ও রেল অবরোধের ডাক'কে কেন্দ্র করে সিপিএমের সাম্প্রতিক অভিযোগকে ঘিরে বিজেপি এবং আইপিএফটি যে জবাব দিয়েছে তার প্রত্যুত্তর দিতেই সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিজন ধর বলেন, বিজেপি এবং আইপিএফটি উভয় দলের প্রতিক্রিয়াই আসছে। কিন্তু বিজেপি'র সভাপতি বিপ্লব দেব যে সব ভ্রান্ত তথ্যের উত্থাপন করে সিপিএমের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ তুলেছেন তা আপত্তিজনক। বিজেপি'র চালিকা শক্তি আরএসএস'র দ্বিতীয় সরসংঘ চালক এমএস গোলগালকার দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলেন। স্বাধীনতা আন্দোলনে না গিয়ে স্বয়ংসেবকদের ঐক্যবদ্ধ করার কথা বলেছিলেন। সাভারকার পরে ব্রিটিশের বিরোধিতা ছেড়ে দিয়ে হিন্দু সংগঠনে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগোয়ার ১৯৩০ সালের সত্যাগ্রহ এবং তেরঙ্গা বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল হিন্দুরাষ্ট্র। অটল বিহারী বাজপেয়ী ভারত ছাড় আন্দোলনে ধরা পড়ে ইংরেজের রাজসাক্ষী হয়েছিলেন। এদের লক্ষ্য বরাবরই হিন্দুরাষ্ট্র। আর বামেদের লক্ষ্য সমাজতন্ত্র। তিনি বলেন, আইপিএফটি নেতা এস সি দেববর্মা রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে বলেছেন একটি পথ বন্ধ হলে কিছু হয় না। আরও অনেক পথ খোলা থাকছে। এতে প্রমাণিত হয় রাজ্যের উন্নতি হয়েছে, উপজাতি এলাকার উন্নয়নও হয়েছে। বিজন ধর বলেন, এন সি দেববর্মার বক্তব্যে স্পষ্ট তিনি পেছন থেকে কারোর দ্বারা পরিচালিত হয়ে, বাধ্য হয়ে এই আন্দোলনে ডাক দিয়েছেন। আগে এনএলএফটি পেছনে থেকে তাকে পরিচালনা করতো। তাই এডিসি'তে মুখ্য কার্যনির্বাহী ;সদস্য কাকে করা হবে এনিয়ে তিনি ব্যস্ত থাকতেন। আকাশবাণী আগরতলায় চাকরি করার সময় তিনি তার গাড়ি নিয়ে বৈরী ডেরার চলে যেতেন। বিজন ধর আরও বলেন, আগে পেছনে এনএলএফটি থাকলেও এখন এন সি দেববর্মাদের পেছনে বিজেপি রয়েছে বলেই তারা মনে করেন। অন্যথায় এ ধরনের আন্দোলন হতো না। এ আগে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে তারা প্রচণ্ড বিরোধ দেখিয়েছিলেন। কিন্তু দিল্লী গিয়ে এসব ভুলে গেলেন। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে এ আইন হতে পারে না। কিন্তু এখন এন সি দেববর্মা এ নিয়ে কোন কথা বলেন না। কারণ এর পেছনে বিজেপিই আছে। তিনি বলেন, অশ্বমেধের ঘোড়া লব কুশ আটকে ছিল বলে উল্লেখ করেন বিপ্লব দেবও। আর এ রাজ্যে বামেরাই হবে লব কুশ। যারা আগ্রাসী, পুঁজিবাদী, সাম্রাজ্যবাদীদের আটকে দেবে। এর পরেই সিপিএমের রাজ্য মুখপাত্র গৌতম দাস বলেন, বিজেপি'র রাজ্য সভাপতি পলিটিকেল আপস্টার্ট। ত্রিপুরার কিছুই জানে না। তাই বলতে চাইছে পৃথক রাজ্যের দাবী আইপিএফটি কেন করলো। রাজনীতির কোন অভিজ্ঞতা নেই। ত্রিপুরা সম্পর্কে জানে না। উপর থেকে এনে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তার এ ধরনের বক্তব্য। আর তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, তার বিবৃতি যে সাক্ষর করে সেই অশোক সিনহা। যে আগে কংগ্রেসে এ কাজ করতো। এ সমস্ত পচা মাল সেখানে গিয়ে জমেছে। এন সি দেববর্মাদের আন্দোলনের পেছনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ষড়যন্ত্র রয়েছে। অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এস সি দেববর্মার সঙ্গেও এনএলএফটি'র সম্পর্ক রয়েছে।


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.