• সাব্রুমে তরল গ্যাসীয় উদগিরন জারি
  • নেশা কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবার ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর
  • খোয়াইয়ের সিপিআইএম কার্যালয় গুলিতে শ্মশানের স্তব্ধতা
  • আবার বিশেষ সহায়তার জন্য দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী
  • রাজ্যের রেল গুলিতে চালু হচ্ছে ই-কেটারিং পরিষেবা
  • সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না বর্তমান সরকার: মুখ্যমন্ত্রী
  • মহাভারত যুগে ইন্টারনেট, মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যপাল
  • পুষ্পবন্ত প্রাসাদ রূপ নেবে আধুনিক সংগ্রহ শালায়
  • পুজা অর্চনার পর নতুন রাজভবনের দারোঘাটন
  • সাব্রুমে মাটি থেকে লাভা নিঃসরণ, আতঙ্ক চরমে
  • নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তোপ দাগালেন বর্ষীয়ান সিপিআইএম নেতা
  • রাজ্যে পালিত হচ্ছে স্বচ্ছ ভারত দিবস
  • কুখ্যাত বৈরী গ্রেফতার
  • গোমতী জলে তলিয়ে যাওয়া ৭ বছরে শিশুর মৃতদেহ উদ্ধার
  • অক্ষয় তৃতীয়ায় সরকারী আবাসে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপালও যাচ্ছেন নতুন আবাসে
  • পুরনিগম হাত ছাড়া হতে চলেছে শঙ্কিত সিপিআইএম
  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে স্থান পাচ্ছে ত্রিপুরার কুইন ভ্যারাইটি আনারস
  • নিগম গুলিকে রাজনীতি মুক্ত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান করার উদ্যোগ সরকারের
  • গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, চাঞ্চল্য
  • নববর্ষের প্রথম দিনে ভবঘুরেদের মধ্যাহ্নভোজন, নজির সৃষ্টি করল বিলোনীয়ার কতিপয় যুবক
  • নাটকীয় ভাবে ঘরে ফিরলেন কাউন্সিলার
  • ট্রান্সফরমার নিয়ে বিস্তর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ
  • গায়ক বিপ্লব কুমার দেব, জনপ্রিয়তা তুঙ্গে উঠছে মুখ্যমন্ত্রীর
  • ওডিসি নৃত্যের ইতিহাস জেনে নিন
  • ধর্ষকদের ফাঁসির আদেশ দেওয়ার পক্ষে আবেদন জানাল নির্ভয়ার পরিবার

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

টপ ফাইভ

00310
ত্রিপুরা বিজেপির সভাপতিকে সিপিআইএম এর তীব্র আক্রমণ

আগরতলা ১৯ই জুন (এ.এন.ই ): রাজ্যের বিরোধীদল বিজেপির বিরুদ্ধে সিপিআইএম আক্রমণ আরও তীব্র করেছে। সিপিআইএম এর রাজ্য কমিটির মুখ পাত্র গৌতম দাস বিজেপির রাজ্য সভাপতি বিপ্লব দেবকে পলিটিকেল আপস্টার্ট বলেছেন। নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যক্তি আক্রমণ আরও তীব্র হচ্ছে। আইপিএফটি'র জাতীয় সড়ক ও রেল অবরোধের ডাক'কে কেন্দ্র করে সিপিএমের সাম্প্রতিক অভিযোগকে ঘিরে বিজেপি এবং আইপিএফটি যে জবাব দিয়েছে তার প্রত্যুত্তর দিতেই সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বিজন ধর বলেন, বিজেপি এবং আইপিএফটি উভয় দলের প্রতিক্রিয়াই আসছে। কিন্তু বিজেপি'র সভাপতি বিপ্লব দেব যে সব ভ্রান্ত তথ্যের উত্থাপন করে সিপিএমের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ তুলেছেন তা আপত্তিজনক। বিজেপি'র চালিকা শক্তি আরএসএস'র দ্বিতীয় সরসংঘ চালক এমএস গোলগালকার দেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলেন। স্বাধীনতা আন্দোলনে না গিয়ে স্বয়ংসেবকদের ঐক্যবদ্ধ করার কথা বলেছিলেন। সাভারকার পরে ব্রিটিশের বিরোধিতা ছেড়ে দিয়ে হিন্দু সংগঠনে জড়িয়ে পড়েন। এমনকি আরএসএসের প্রতিষ্ঠাতা কেশব বলিরাম হেডগোয়ার ১৯৩০ সালের সত্যাগ্রহ এবং তেরঙ্গা বয়কটের ডাক দিয়েছিলেন। তাদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল হিন্দুরাষ্ট্র। অটল বিহারী বাজপেয়ী ভারত ছাড় আন্দোলনে ধরা পড়ে ইংরেজের রাজসাক্ষী হয়েছিলেন। এদের লক্ষ্য বরাবরই হিন্দুরাষ্ট্র। আর বামেদের লক্ষ্য সমাজতন্ত্র। তিনি বলেন, আইপিএফটি নেতা এস সি দেববর্মা রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে বলেছেন একটি পথ বন্ধ হলে কিছু হয় না। আরও অনেক পথ খোলা থাকছে। এতে প্রমাণিত হয় রাজ্যের উন্নতি হয়েছে, উপজাতি এলাকার উন্নয়নও হয়েছে। বিজন ধর বলেন, এন সি দেববর্মার বক্তব্যে স্পষ্ট তিনি পেছন থেকে কারোর দ্বারা পরিচালিত হয়ে, বাধ্য হয়ে এই আন্দোলনে ডাক দিয়েছেন। আগে এনএলএফটি পেছনে থেকে তাকে পরিচালনা করতো। তাই এডিসি'তে মুখ্য কার্যনির্বাহী ;সদস্য কাকে করা হবে এনিয়ে তিনি ব্যস্ত থাকতেন। আকাশবাণী আগরতলায় চাকরি করার সময় তিনি তার গাড়ি নিয়ে বৈরী ডেরার চলে যেতেন। বিজন ধর আরও বলেন, আগে পেছনে এনএলএফটি থাকলেও এখন এন সি দেববর্মাদের পেছনে বিজেপি রয়েছে বলেই তারা মনে করেন। অন্যথায় এ ধরনের আন্দোলন হতো না। এ আগে নাগরিকত্ব আইন নিয়ে তারা প্রচণ্ড বিরোধ দেখিয়েছিলেন। কিন্তু দিল্লী গিয়ে এসব ভুলে গেলেন। দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে এ আইন হতে পারে না। কিন্তু এখন এন সি দেববর্মা এ নিয়ে কোন কথা বলেন না। কারণ এর পেছনে বিজেপিই আছে। তিনি বলেন, অশ্বমেধের ঘোড়া লব কুশ আটকে ছিল বলে উল্লেখ করেন বিপ্লব দেবও। আর এ রাজ্যে বামেরাই হবে লব কুশ। যারা আগ্রাসী, পুঁজিবাদী, সাম্রাজ্যবাদীদের আটকে দেবে। এর পরেই সিপিএমের রাজ্য মুখপাত্র গৌতম দাস বলেন, বিজেপি'র রাজ্য সভাপতি পলিটিকেল আপস্টার্ট। ত্রিপুরার কিছুই জানে না। তাই বলতে চাইছে পৃথক রাজ্যের দাবী আইপিএফটি কেন করলো। রাজনীতির কোন অভিজ্ঞতা নেই। ত্রিপুরা সম্পর্কে জানে না। উপর থেকে এনে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তার এ ধরনের বক্তব্য। আর তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, তার বিবৃতি যে সাক্ষর করে সেই অশোক সিনহা। যে আগে কংগ্রেসে এ কাজ করতো। এ সমস্ত পচা মাল সেখানে গিয়ে জমেছে। এন সি দেববর্মাদের আন্দোলনের পেছনে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ষড়যন্ত্র রয়েছে। অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। এস সি দেববর্মার সঙ্গেও এনএলএফটি'র সম্পর্ক রয়েছে।


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.