• ইভিএম বিভ্রাট নিয়ে কংগ্রেস তাক করলো বিজেপির দিকে
  • বিপ্লব কুমার দেবের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
  • দ্বিতীয়ার্ধে ভোট গ্রহণের অনিয়ম ঠেকাতে বিশেষ পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বিজেপির বৈঠক
  • সবার মতাধিকার সুনিশ্চিত করলেন সিইও
  • ত্রিপুরায় ভোটে ভিলেন সাজলো ইভিএম
  • ১৮ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন
  • ১৮ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন
  • ১৮ ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচন
  • চিরাচরিত পোষাকে ভোট দিলেন রিয়াং জাতিগোষ্ঠীর মহিলারা
  • শান্তিরবাজার দুটি বিধানসভা কেন্দ্রেই উৎসবের মেজাজে চলেছে ভোট গ্রহণ
  • রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে উঠেছে ইভিএম নষ্টের অভিযোগ
  • ভোট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার
  • আধাসামরিক বাহিনীর কড়া নজরদারীর মধ্য দিয়ে চলছে ভোটগ্রহণ
  • শান্তিরবাজারে ভোটগ্রহণ শুরু
  • বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ইভিএম মেশিন খারাপ, পরে নতুন মেশিন এনে ভোট গ্রহণ শুরু
  • ১৮ বিধানসভায় ৫৯টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু
  • তেলিয়ামুড়ায় মহিলা ভোটার দের মধ্যে চকলেট বিতরন
  • নির্বাচনের লক্ষ্যে পোলিং এজেন্টদের নির্দিষ্ট গন্তব্যস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

টপ ফাইভ

00310
কে. বালাচন্দ্র নায়ারের বিরুদ্ধে জামিনঅযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

আগরতলা, ১২ই ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): জিনেটের চেয়ারম্যান কে.বালাচন্দ্র নায়ারের বিরুদ্ধে জামিনঅযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলো ত্রিপুরা উচ্চ আদালত। সোমবার এই আদেশ জারি করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি টি. ভাইপেই এই নির্দেশ জারি করেছে। ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে রাজ্য সরকারের বহু কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ার পর আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। আদলতে তাকে উপস্থিত হওয়ার জন্য বহুবার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি উপস্থিত না হয়ে বার বার অতিরিক্ত সময় চেয়ে যান। আদালত তাকে সশরীরে হাজির থাকার জন্য বলেছিল। শেষ পর্যন্ত সোমবার তাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য তাকে চূড়ান্ত সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও তিনি আদালতে হাজির হননি। আর এরপরই উচ্চ আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। উল্লেখ করা যেতে পারে জিনেটের কর্ণধার কে. বালাচন্দ্র নায়ারের ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজের পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে বেশ কয়েক বছর রাজ্য সরকারের অর্থে কাজ চালিয়ে যান। কিন্তু পরবর্তী সময় রাজ্য সরকারের বহু কোটি টাকা গায়েব করে দিয়ে তিনি রাজ্য থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ।


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.