রহস্যজনকভাবে মৃত্যু এক নববধূর

LATEST UPDATE

রহস্যজনকভাবে মৃত্যু এক নববধূর


আগরতলা ৬ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই): ১৮ বছরের নববধূর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সবার মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ঘটনাটি কি আত্মহত্যা না খুন। যদিও এখনো পর্যন্ত পুলিশও সঠিক কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারেননি। জানা গেছে, পুলিশ তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মৃতার শ্বশুরবাড়ি এবং বাপেরবাড়ি লোকজনদের সাথে কথা বলেছেন। বুধবার পুলিশ গৃহবধূর ময়না তদন্তের শেষে নববধূ জয়ন্তী দাসের মৃতদেহ তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিশের এখনো কিছুই বলছেনা। পুলিশের জানিয়েছে খুব শীঘ্রই নববধূ জয়ন্তীর মৃত্যুর কারণ জানানো হবে। তদন্ত চলছে। উল্লেখ্য গত ১৫ ডিসেম্বর যতনবাড়ির লেবাছড়া এডিসি ভিলেজের গর্জনটিলার কৃষ্ণ বণিকের সাথে জয়ন্তীর বিবাহ হয়। জানা গেছে, কৃষ্ণ বনিক পেশায় একজন অটো চালক। মঙ্গলবার কৃষ্ণ বনিক বাড়িতে এসে দেখতে পায় জয়ন্তী ফাঁসিতে ঝুলছে। ঘটনার খবর পেয়ে জয়ন্তীর মা বাবা সহ তিন বোন ও এক ভাই ছুটে আসেন জয়ন্তীর শ্বশুর বাড়িতে। তারা জয়ন্তীর ফাসিতে ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে হতবাক হয়ে পরে। তাদের মতে জয়ন্তী কখনো আত্মহত্যা করতে পারেনা। এমনকি জয়ন্তীর শ্বশুরবাড়ি এলাকায় পাড়া প্রতিবেশীরাও জয়ন্তীর মৃতদেহ দেখে অবাক হয়ে গেছে। আর সব থেকে বেশী অবাক করার বিষয় হল জয়ন্তী যখন ফাঁসিতে ঝুলছিল তখন তার পা খাটের উপর ছিল। ফাঁসিতে ঝুললে পা কিছুতেই বিছানায় লাগার কথা নয়। তখনই সবার মনে সন্দেহ হয় এটা কি আত্মহত্যা না খুন? তখনই সবাই দ্বন্দ্বে পরে যায়। তদন্ত করতে এসে পুলিশও দ্বন্দ্বে পরে যায়। এদিকে জয়ন্তীর পরিবারের লোকেরা মনে এই ঘটনার পেছনে শ্বশুরবাড়ির কারোর না কারোর হাত আছে। এই রহস্যজনক মৃত্যুর পেছনে অবশ্যই বড় কোন কারণ লুকিয়ে আছে বলে মনে করছে জয়ন্তীর বাপের বাড়ির লোকেরা এবং পাড়া প্রতিবেশীরা। এখন সবাই পুলিশের তদন্তের রিপোর্টের দিকে সবাই চেয়ে আছেন বলে জানা গেছে।


আরো পড়ুন

Advertisement