কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস থেকে পিস্তল সহ ধৃত এক বাংলাদেশী যুবক
কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস থেকে পিস্তল সহ ধৃত এক বাংলাদেশী যুবক

আগরতলা ১৮ ফেব্রুয়ারি  (এ.এন.ই): কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে তল্লাশি চালিয়ে পয়েন্ট নাইন এম এম পিস্তল উদ্ধার করেছে ;পুলিশ। তার সাথে এক বাংলাদেশী যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃত বাংলাদেশী যুবকের নাম হল সুমন চাকমা। তার বাড়ি বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানাধীন বসাকপাড়া গ্রামে। জানা গেছে, ধৃত বাংলাদেশী যুবককে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। আদালতে পুলিশ হেপাজতে  রাখার নির্দেশ দেয়। জানা গেছে, সোমবার রাতে গোপন খবরের ভিত্তিতে আমবাসায়  স্টেশনে পুলিশ ওৎপেতে ছিল। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসটি যখন আমবাসা স্টেশনে পৌছয় তখন পুলিশ  রেলে তল্লাশি চালায়। তল্লাশি অভিযানে নাইন এম এম পিস্তল সহ সুমন চাকমা এক বাংলাদেশী যুবককে গ্রেপ্তার করে ;থানায় নিয়ে যায়। জানা গেছে রাতভোর টানা সুমন চাকমা ;নামে 'ঐ যুবককে জিজ্ঞেসাবাদ চালায় পুলিশ। পুলিশ জানা, জিজ্ঞেসাবাদে বেশ কিছু গোপন তথ্য বেরিয় আসে। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এখনই সেই তথ্য গুলি প্রকাশ্যে আনবে না। পুলিশ ;আরও জানায়, জিজ্ঞেসাবাদে প্রথমে ধৃত যুবক ভুল ঠিকানা দেয় পরে চাপে পরে সে সঠিক কথা বলে তার বাড়ি বাংলাদেশে। জিজ্ঞেসাবাদে ধৃত যুবক সুমন চাকমা পুলিশকে জানায়, গত ১০ ফেব্রুয়ারি সে বাংলাদেশের জলেহা বর্ডার দিয়ে করবুক এলাকায় প্রবেশ করে। তারপর 'বাধারঘাট স্টেশনে রাত কাঠায়। ঐ সময়ে তার সাথে বিশু নামে এক ব্যক্তির সাথে পরিচয় হয়। বিশুর সাথে ভাল বন্ধুত্বও হয়ে যায় সুমনের। সুমন জানায় বিশুর সাথে ভাল বন্ধুত্ব হওয়ার সুবাদে তার সাথে গোলবাজারে দুদিন রাজমিস্ত্রির কাজও করে। এরপর ১৩ ফেব্রুয়ারি রেলে চেপে লামডিং রওয়ানা দেয়। লামডিং এর একটি হোটেলে একজন নাগা ব্যক্তি তাকে পিস্তলটি দেয়। তারপর সোমবার সকাল ৯টায় সে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে উঠে লামডিং থেকে আগরতলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। সে জানায় পিস্তলের মালিক সে নয়। সে শুধুমাত্র পিস্তলটি বাংলাদেশে নিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশ জানায়, মঙ্গলবারও তাকে জিজ্ঞেসাবাদ চালিয়ে যাবে। কারণ পুলিশের ধারণা জিজ্ঞেসাবাদে ধৃত যুবক পিস্তলের মালিকের নাম জানাবে। কেনই বা তাকে লামডিং থেকে পিস্তল ;আনতে বলা হয়েছে। এই ঘটনার পেছনে আসল রহস্য জানতে পুলিশ ধৃত ;বাংলাদেশী যুবক সুমন জিজ্ঞেসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। 

আরো পড়ুন

Advertisement