শিক্ষকের রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ
শিক্ষকের রহস্যজনক মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

আগরতলা ৮ মার্চ (এ.এন.ই): শিক্ষকের রহস্যজনক মৃত্যুর কারণ এখনো পর্যন্ত পুলিশ খুঁজে বের করতে পারেনি। তবে বিশালগড় থানা সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষক কৌশিক সাহার মৃত্যুর রহস্য অতিসত্বর বের করা হবে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত শিক্ষক কৌশিকের বাবাকে জিজ্ঞেসাবাদ করেছে। জিজ্ঞেসাবাদে কৌশিকের বাবা মানিক লাল সাহা কোন কিছুই বলেনি। তবে পুলিশের জিজ্ঞেসাবাদ জারি রয়েছে বলে বিশালগড় থানা সূত্রে জানা গেছে। এদিকে নিজ বাড়িতে বৃহস্পতিবারে রাতে শিক্ষক কৌশিকের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে কৌশিকের সহপাঠী এবং প্রতিবেশীদের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ হয়। তাদের মতে এটা একটি আত্মহত্যা নয়। কৌশিককে মৃত্যুর জন্য ;বাধ্য করা হয়। আর পেছনে কৌশিকের বাবাই দায়ী। কারণ দীর্ঘদিন কৌশিকের বাবা মানিক লাল সাহা নিজের ছেলেকে মানসিক ও শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে আসছিল বলে কৌশিকের প্রতিবেশীরা জানায়। তারা জানায়, কৌশিকের ;মাও স্বামীর যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে প্রায় সময়ই বাপের চলে যান। জানা গেছে, কৌশিকের মা'র শরীর খুবই খারাপ। আর উনার শরীর খারাপের জন্য কৌশিককেই নাকি দায়ী করা হত বলে কৌশিকের মামা জানায়। কৌশিকের মামা জানিয়েছেন, কৌশিকের বাবা মানিক লাল সাহা পেশায় পঞ্চায়েত সচিব। নলছড়ে তিনি কর্মরত। কৌশিকের মামা আরও জানান দীর্ঘদিন ধরেই কৌশিকের বাবা-মা মধ্যে ঝগড়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পরেছিল কৌশিক। এদিকে কৌশিকের স্কুলের শিক্ষকরাও একই কথা বলছিলেন যে বেশ কয়েকদিন ধরেই মানসিক রোগে ভুগছিলেন। সে নিয়মিত ক্লাস করতে পারছিলনা। জিজ্ঞেস করা স্বত্বতেও সে চুপ করে থাকতো। হঠাৎ করে এধরনের ঘটনা ঘটে যাবে তা তারা আশাও করতে পারেনি বলে কৌশিকের স্কুলের শিক্ষকরা জানায়। পাশাপাশি তারা এও দাবি জানায় পুলিশ যেন অতিসত্বর এই ঘটনার সাথে যারা যুক্ত আছেন তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হউক। সকলেই দাবি করছেন এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক। জানা গেছে, পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

আরো পড়ুন

Advertisement