24.05 C
Clouds



এই খবরের কোনো ভিডিও নেই |

অতিরিক্ত হাই ওঠা বন্ধ করতে জেনে নিন কিছু টিপস

লাইফ স্টাইল



July 9, 2021, 3:36 p.m.

আগরতলা,০৯/০৭/২০২১ (এ.এন.ই প্রতিনিধি):-সারা রাত ঘুমানের পরও জখন হাই উঠতে থাকে তখন স্বাভাবিক ভাবেই বিরক্ত লাগবেই। সকালে অফিসে গিয়ে অথবা ক্লাসে গিয়ে উঠতে থাকে হাই। কিছুতেই যেন এর হাত থেকে রেহাই মেলে না। যেমন না চাইতেই উঠছে এই হাই , তার ফলে আপনাকে হয়ত অনেক কথাও সুনতে হয়। যখনই এই অবাঞ্ছিত হাই আপনাকে উত্ত্যক্ত করে তোলে তখন মেনে চলুন কতগুলি টিপস...

 

 

 

১. নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিয়ে মুখ দিয়ে ছাড়ুন

 

জানা যাই যে অনেক সময় শরীরে অক্সিজেনের অভাব হলে হাই ওঠে। তার জন্য নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিন এবং মুখ দিয়ে ছেড়ে দিন। দেখবেন আস্তে আস্তে হাই ওঠা কমে যাবে। এবং যখন নিঃশ্বাস নেবেন তখন জোড়ে জোড়ে নিঃশ্বাস নিন।এইভাবে আপনার শরীরের অক্সিজেনের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যায়। এবং হাই উঠাও বন্ধ হয়ে যাই।

 

২. ঠাণ্ডা পানীয় খান

 

যখনই হাই উঠবে তখন ঠাণ্ডা জল অথবা কোল্ড ড্রিংস খান। সোডা এবং কার্বোনেটেড পানীয় হাই বন্ধ করতে সক্ষম। যখন ক্লাসে আসবেন তখন বোতলে করে ঠাণ্ডা জল নিয়ে যাবেন। কারন আমাদের মস্তিষ্ক গরম হয়ে যাই তখন আমাদের সরির থেকে বেশি করে টক্সিন বেরিয়ে যাই ঘাম এর সাথে তখন এই ঠাণ্ডা জল শরীরের উষ্ণতা কমিয়ে দেই, ফলে আমাদের হাই উঠা বন্ধ হয়ে যাই।

 

 

৩. ঠাণ্ডা খাবার

 

আমরা হাই তুলি বিশেষ করে জখন আমরা ক্লান্ত ও শুষ্ক হয়ে উঠি । আমরা যখন খাবার খাই আমাদের শরীরের । ঠাণ্ডা খাবারও খুবই কার্যকরী। যেমন ফ্রিজ থেকে বের করা খাবার, ফল ইত্যাদি। এছাড়া আইসক্রিমও খেতেই পারেন। মিষ্টি জাতীয় খাবারও খুব ভালো। এটা আপনার শরীরের শর্করার পরিমাণ বাড়িয়ে ক্লান্তিকে দূর করতে সক্ষম হয়।

survice 1.jpg

৪. কর্মসূচী এক রাখুন

 

একটি কর্মসূচী বানিয়ে নিতে পারেন। যার মাধ্যমে রোজ এক সময় খাওয়া, ঘুমানো ইত্যাদি কাজ গুলি করতে পারবেন। তাহলে দেখবেন এই কর্মসূচীকে আপনার শরীর মানিয়ে নেবে তখন আর কোনও ক্লান্তি, হাই কোনও কিছুই ছুঁতে পারবে না আপনাকে। এছাড়া ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন। তাতে শরীর ঠিক থাকবে।

 

৫. হাঁটুন

একভাবে বসে কাজ করার ফলে ক্লান্তি আসতে পারে। যার জেরে হাই ওঠে। তাই একইভাবে অনেকক্ষণ কাজ না করে কাজের ফাঁকে কিছুটা হেঁটে নিন। দেখবেন এতে ক্লান্তি লাগবে না। বরং কাজে স্পৃহা আসবে।

 

৬. যোগা

 

বিভিন্ন আসন নির্দিষ্ট প্রক্রিয়াতে শারীরিক ও মানসিক প্রয়োজন অনুজাই বডির এনার্জি মধ্যে সমতা সৃষ্টি করে। যার ফলে শরীর রিল্যাক্স ও প্রয়োজনে অ্যাক্টিভ ভাবে সমস্ত কাজ কর্ম করতে পারে।! তার জন্য সকালে ঘুম থেকে উঠে যোগা করা খুবই প্রয়োজন। আমাদের শরীরের বাড়তি টক্সিন এবং অতিরিক্ত ফ্যাট ক্লান্তির প্রধান কারণ। এর জন্য অন্ততপক্ষে দিনে ২০ মিনিট যোগা করা আবশ্যক। তাছাড়া হেলদি খাবার যেমন, সবুজ শাক-সবজি, ফল-মূল ইত্যাদি খান। ক্লান্তিকে আপনার সাথী হতে না দিলেই আর অবাঞ্ছিত হাইয়ের সমস্যাতেও ভুগতে হবে না আপনাকে।

 




পক্ককপাতিত্ব নয়, সোজা সাপ্টা খবর |

© Copyright, 2021 Agartala News Express. All Rights Reserved. Developed and Maintained by Chevichef Private Limited.

Images published in the Image Gallery are subjected to Copyright of the photographer under The Copyright Act, 1957 of the Republic of India. Any unauthorized use of any image is prohibited.