• অমরপুর-গন্ডাছড়া সরকে এক অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
  • শীঘ্রই পুনরায় চালু হচ্ছে বন্ধ হয়ে যাওয়া জাইকা প্রকল্পের কাজ: মুখ্যমন্ত্রী
  • দেশের উন্নতি, রাজ্যের উন্নতি হতে গেলে বিভেদ নয় হিন্দু-মুসলিম এবং জাতি-উপজাতির মধ্যে ঐক্য গরে তোলা: সুশান্ত চৌধুরী
  • কাশীপুর এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় আহত মা ও ছেলে, গ্রেপ্তার গাড়ির চালক ও সহ চালক
  • অগ্নিদগ্ধ হয়ে গর্ভবতী এক নাবালিকার মৃত্যু
  • আগরতলার মাস্টারপাড়া থেকে গ্রেফতার কুখ্যাত নেশা কারবারি
  • ধর্মনগর দেওছড়ায় যান দুর্ঘটনায় মৃত ২, আহত ২
  • মননের বিকাশের জন্য বই পরা প্রয়োজন: মুখ্যমন্ত্রী
  • স্কুলের ভিতরে মদের বোতল দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী
  • ক্রাইম ব্রাঞ্চের আইজির দায়িত্ব নিতে চলেছেন আইপিএস রাজীব সিং
  • মহাকরণে চালু হল বায়োমেট্রিক সিস্টেম
  • রক্তের অভাবে মারা গেল একটি শিশু
  • রাজ্যে প্রচণ্ড দাবদাহে মৃত্যু ১
  • হাওড়া নদীতে চৌদ্দ দেবতার অবগাহনের মধ্য দিয়ে থেকে শুরু হল ৭ দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী খার্চি উৎসব
  • প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় খুশির হাসি ফুটলো গৃহিণীদের মুখে
  • ধলাই জেলায় শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে পর্যালোচনা সভা
  • শীঘ্রই আগরতলায় চালু হচ্ছে রেডিও ট্যাক্সি পরিষেবা
  • শিক্ষামন্ত্রীর কড়া বার্তায় থরথরি কম্প স্কুল শিক্ষক শিক্ষিকাদের
  • হোস্টেলে ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে রহস্যে
  • লেফুঙ্গায় বিএসি চেয়ারম্যানের বদল নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঙ্কার আইপিএফটির
  • জিরানিয়া থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি গাজা উদ্ধার
  • গৌমতী নদীতে চৌদ্দ দেবতার অবগাহনের মধ্য দিয়ে শুরু হল ৭ দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী খার্চি উৎসব
  • চার বছর অতিক্রান্ত, আজও সরকারী সাহায্য থেকে বঞ্চিত নিহতদের পরিবার
  • সিধাই মুয়াবাড়ি এলাকায় ফেরিওয়ালা হত্যাকাণ্ডে ধৃত আরো ২ যুবক
  • সরকারী নিয়মকে অগ্রাহ্য করে চলছে তিনের অধিক যাত্রী পরিবহন

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

স্পট লাইট

বিচারের বানী এখনো কি নীরবে কাঁদবে?

আগরতলা, ১০ এপ্রিল (এ.এন.ই ): 'মা' তার সন্তানকে নিয়ে খুঁজে চলেছে নতুন ঠিকানা। কারণ তার ৯ মাসের পুত্র সন্তান বাবাকে চেনে না। মায়ের দাবি বাবা পুত্রসন্তানের জন্মের পর গা ঢাকা দিয়েছেন। সন্তানকে পিতৃ পরিচয় দেওয়ার লক্ষ্যে আজও বাবাকে খুঁজে চলেছেন মা। ঘটনাটি একটু এলোমেলো লাগলেও যখন অশ্রুসিক্ত নয়নে সেই নয় মাসের শিশু সন্তানের মা যখন ঘটনাটি বললো তখন সম্পূর্ণ ঘটনাটি পরিষ্কার হয়ে গেল। অভযোগকারিনী মা জানায় আজ থেকে তিন বছর আগে ২০১৫ সালে অভয়নগর নতুনপল্লী এলাকায় বয়স ৩০-এর অনিমেষ দেববর্মা নামের এক যুবকের সাথে তার পরিচয় হয়। তারপর সেই যুবকের সাথে এই মেয়েটির সম্পর্ক গড়ে উঠে। তারপর দীর্ঘ সময়ে সম্পর্ক আরও গাঢ হয়ে উঠে। পরবর্তী সময় মেয়েটি এক পুত্র সন্তানের মা হন। তারপর থেকে মেয়েটির সাথে ছেলেটির সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হয়। তারই মাঝে ছেলের বাড়িতে এসে মেয়েটি স্বামীর খোঁজ করলে তাকে নিয়ে অনেক কুৎসা কথাবার্তা হয় বলে মেয়েটি জানায়। এইদিকে ছেলেটির বাবা দাবি করেন, পুলিশের সাথে একটা সময় কথা হয়েছে তাছাড়া আইনজীবীদের সাথেও পরামর্শ হয়েছে। পাশাপাশি বৈঠক হয়। বৈঠকে ছেলের বাবা স্পষ্ট জানিয়ে দেয় সেই মেয়েটি যেন প্রমাণ দেয় যে তার ছেলেই সেই মেয়েটির স্বামী। এনিয়ে সে সভাতে সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসেনি। পরবর্তী সময়ে মেয়েটি এক আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত মেয়েটি তার অধিকার ফিরে পায়নি। একমাত্র পুত্র সন্তানকে নিয়ে অধিকারের লড়াইয়ে নেমেছেন তিনি। অধিকার বলতে স্বামীর মর্যাদা। অপরদিকে ছেলেটির বাবা দাবি করেন, তার ছেলে এমন কাজ করতে পারে না। বর্তমানে তার ছেলে দিল্লিতে আইএএস কোচিং নিচ্ছে। অপরদিকে মেয়েটি আজও সন্তানের বাবার খোজে, স্বামীর মর্যাদা পাবার লক্ষ্যে শ্বশুরবাড়ির মূল ফটকের সামনে দাড়িয়ে কাঁদছে।

10-04-2018 01:10:35 pm

প্রজা তুমি কার?

আগরতলা, ১০ মার্চ (এ এন ই): ৯ ই মার্চ আসাম রাইফেলস ময়দানে রাজ্যের নতুন মন্ত্রিসভার শপথগ্রহন অনুষ্ঠান শুরু হবার কিছুক্ষন আগে মঞ্চে এসে উপস্থিত হন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। পর পর চার বারের মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানিয়ে আসন ছেড়ে দাঁড়িয়ে পরেন মঞ্চের বাকি সব অতিথিরা। আর মাঠ ভর্তি সাধারন মানুষের তখন প্রবল চিৎকার এবং করতালি। মঞ্চে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে দারুন সৌজন্যতা রক্ষা করা হলেও সাধারন মানুষের চিৎকারের অনুভুতিটা কিন্তু অধরাই রয়ে গেল। ক্রিকেট খেলার মাঠে যেমন ছয় মারলেও দর্শকের চিৎকার শোনা যায় আবার উইকেট পরলেও করতালি ধ্বনিত হয়, ঠিক তেমনি একটি চিত্র দেখা গেল শুক্রবার আসাম রাইফেলস ময়দানে। ময়দানের হাজার হাজার মানুষ তখন চিৎকার করে কি বলতে চাইল বা কি বোঝাতে চাইল তার ব্যখ্যা নিশ্চয়ই এক একজনের কাছে এক এক রকম থাকতে পারে। কিন্তু প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তখন নিশ্চয়ই একবার হলেও ভেবেছিলেন “প্রজা তুমি কার?” পর পর চার বার আপনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, শপথ গ্রহন করেছেন। কিন্তু শপথ গ্রহনের মত আনন্দ অনুষ্ঠানে কখনো স্থান হয় নি, সেই সব সাধারন মানুষের যারা ২৫ বছর ধরে বামেদের বেছে নিয়েছেন। জন দরদী সরকার বলে নিজেদের পরিচয় দিতেন বামেরা। শুক্রবার নিশ্চয়ই মানিকবাবু দেখলেন শুধু ভাতা নয়, সাধারন মানুষ একটু আনন্দ জোয়ারেও ভাসতে চায়, যে সুযোগ ওনারা কোনদিন করে দিতে পারেন নি অথবা করে দিতে চান নি। তাই এবার হয়ত আর মানিকবাবুদের জন্য সাধারন মানুষের দরদ জেগে ওঠে নি। তাই এবার আবার শূন্য থেকে শুরু। আত্ম সমালোচনা এবং শুদ্ধিকরণ করে হিসাব নিকাশ করতে হবে মানুষ কেন বিমুখ হল। কর্মী সমর্থকদের ঘারে দোষের বোঝা চাপিয়ে না দিয়ে ভেবে দেখতে হবে, নেতারা কিভাবে ও কেন জন সংযোগহীন হয়ে পরলেন। এবার আর চোখ বন্ধ করে নয়, মানুষের সাথে চোখ খুলে কথা বলতে হবে। রাজার মুখে হাসি দেখে নিজের হাজারো যন্ত্রনা ভুলে যায় প্রজা। তাই দম্ভে মোড়া সেই চোয়াল নয়, প্রানবন্ত হাসি হাসা শিখতে হবে।

10-03-2018 02:27:07 pm

জিরো থেকে হিরো বিজেপি, ধুলোয় মিশে গেল বামেরা

আগরতলা, ৫ মার্চ ( এ এন ই): ১.৫ শতাংশ ভোট আর স্বীকৃতি না পাওয়া বিজেপি শূন্য থেকে শুরু করে দুই বছরে বিধানসভায় শীর্ষে পৌঁছে গেল। আগামী পাঁচ বছরে এই বিজয়রথ কোথায় গিয়ে ঠেকবে তা নিয়েই রাজ্যে এখন জল্পনা তুঙ্গে। পাঁচ মন্ত্রী-সহ বিধানসভার উপাধ্যক্ষের পরাজয় দেশের বাম রাজনীতির জন্য বড় ঝটকা বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য রাজনীতির ঘটনাক্রমের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ত্রিপুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ অরুণোদয় সাহা বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল অপ্রত্যাশিত ঠেকেছে শাসক বিরোধী সকলের কাছেই৷ বিরোধী বিজেপি জয়ের ব্যাপারে প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী হলেও এতটা সহজ জয় আসবে তা কেউই কল্পনা করেননি৷ আর বিজেপিকে লঘু করে দেখতে গিয়ে এবার ঐতিহাসিক পরাজয়ের মুখ দেখতে হল বেশ কিছু হেভিওয়েট প্রার্থীদের৷ এই কৃতিত্ব বিপ্লবকুমার দেব আর সুনীল দেওধরের। ৬০ আসনবিশিষ্ট ত্রিপুরা বিধানসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি৷ কিন্তু এই জয়যাত্রার জন্য বেশিদূর হাঁটতে হয়নি রাজ্যের এ মুহূর্তের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বিজেপিকে৷ বর্তমানে বিধানসভায় বামেদের মোট সদস্য সংখ্যা রয়েছে ৫১৷ অন্যদিকে, বিজেপি-র নির্বাচিত বিধায়কের সংখ্যা ছিল শূন্য৷ সদ্য পথ চলতে শুরু করা বিজেপি এই পরিস্থিতিতে একেবারে মহাকরণের নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে এমন আশা অনেকেই করেননি। ক্ষমতাসীন সিপিআইএমের এমন দুর্দশা হবে তা বিরোধী দলের সমর্থকরাও অনেকে অনুমান করতে পারেননি৷ যদিও এই কাজটি অনেক সহজ হয়ে গিয়েছিল সাত বিধায়কের যোগদান৷ মূলত তাঁদের যোগদানের পর থেকেই বিধানসভায় বিরোধী দলের লিখিত স্বীকৃতিটা যেমন আদায় করে নেয় আবার রাজ্য রাজনীতিতে দ্রুত প্রধান বিরোধী হিসাবে উঠে আসার পথটাও প্রশস্ত হয়ে উঠেছিল৷ মাত্র দু-বছরের চেষ্টাতেই অভীষ্ট লক্ষ্য সফল করতে সক্ষম হল কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদীর দল৷ এই সাফল্য ঘরে তুলতে অবশ্য কোনও চেষ্টারও ত্রুটি রাখেননি দলের জাতীয়, আঞ্চলিক কিংবা স্থানীয় নেতৃত্ব৷ খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চার চারটি জনসভা, দু-ডজনেরও বেশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিংবা অন্যান্য প্রদেশের মন্ত্রীদের উপস্থিতি, স্থানীয় নেতাদের অহোরাত্র খাটুনি, পৃষ্ঠাপ্রমুখ থেকে শুরু করে সকল অংশের মানুষের প্রয়াস, সব মিলিয়েই বিজেপিকে আজ সাফল্যের চূড়ায় তুলে দিয়েছে৷ ৬০ আসনবিশিষ্ট বিধানসভায় ৫৯টি আসনের ফলাফলে হেরোদের তালিকায় রয়েছেন রাজ্য মন্ত্রিসভার প্রায় আধ ডজন হেভিওয়েট মন্ত্রী৷ যারা পরাজিত হয়েছেন তাঁদের মধ্যে রয়েছেন উপজাতি ও কৃষি দফতরের মন্ত্রী অঘোর দেববর্মা, বিদ্যুৎ, পঞ্চায়েত দফতরের মানিক দে, গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী নরেশ জমাতিয়া, সমবায় ও মৎস্য দফতরের দায়িত্বে থাকা সদ্যপ্রয়াত মন্ত্রী খগেন্দ্র জমাতিয়া ও কারামন্ত্রী মনীন্দ্র রিয়াং৷ এছাড়া, পরাজিত হয়েছেন খয়েরপুর আসনের শাসকদলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা তথা সদর জেলা কমিটির সম্পাদক পবিত্র কর৷ যিনি আবার ত্রিপুরা বিধানসভার উপাধ্যক্ষ৷ এছাড়া, সিপিআইএম দলের বহু বিধায়কও এদিন হেরে গেছেন রাজনীতিতে প্রায় আনকোরা যুবকদের কাছে৷ সিপিআইএম প্রার্থীরা যে ১৬টি আসনে জয়ী হয়েছেন সেগুলি হল, খোয়াই, যুবরাজনগর, কুর্তি-কদমতলা, বাগবাসা, জোলাইবাড়ি, কৈলাসহর, চন্ডীপুর, বিশালগড়, রাজনগর, কমলাসাগর, ঋষ্যমুখ, ধনপুর, সোনামুড়া, কাকড়াবন, বক্সনগর ও মনু ৷ বিজয়ীদের তালিকায় রয়েছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার, বাদল চৌধুরী, বিজিতা নাথ, ভানুলাল সাহা, সহিদ চৌধুরী ও তপন চক্রবর্তী৷ এছাড়া, বিদায়ী বিধানসভার অধ্যক্ষ রমেন্দ্রচন্দ্র দেবনাথও তাঁর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন৷ অন্যদিকে, বিজেপি জয় পেয়েছে ৩৫টি আসনে এবং জোটসঙ্গী আইপিএফটি জয় পেয়েছে ৮টি আসনে৷ সব মিলিয়ে বিজেপি জোটের অনুকূলে গেছে ৪৩টি আসন৷ এই দলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য জয় পেয়েছেন সভাপতি বিপ্লবকুমার দেব, রামপদ জমাতিয়া, ডাঃ অতুল দেববর্মা, রতনলাল নাথ প্রমুখ৷ এতদিন পর্যন্ত বামেদের প্রধান ভরসা ছিল ২০টি উপজাতি সংরক্ষিত আসন৷ কিন্তু এই ২০টি আসনের মধ্যে ১৮টিতেই এবার বিজয়ী হয়েছেন বিরোধী এনডিএ তথা নেডাজোট প্রার্থীরা৷ একমাত্র জোলাইবাড়ি ও মনু, এই দুটি উপজাতি সংরক্ষিত আসনে জয়ী হয়েছেন বাম প্রার্থীরা৷

05-03-2018 03:36:45 pm

স্বর্ণযুগে রাজ্যে ক্ষুধার জ্বালা মেটাতে ডাস্টবিন থেকে উচ্ছিষ্ট খাদ্যের সন্ধান

আগরতলা, ২৫শে ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): স্বর্ণযুগে রাজ্যে যারা ২৪ বছরে শাসনে বিভিন্ন মিছিলে, মিটিং এবং জনসভায় বলে আসছে এই রাজ্যে ভিখিরি নেই, এই রাজ্যে কেই না খেয়ে মরে না, কিংবা অভুক্ত থাকে না। যারা বিগত ২৪ বছর ধরে এই কথা বলে আসছে তাদের কাছে ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, স্বর্ণযুগের ডাস্টবিনের পচা উচ্ছিষ্ট যেন ঝলসানো রুটি এই প্রবাদটি একটা বেমানান উক্তি। মাইকে ফাটিয়ে গলা উঁচিয়ে চিৎকার করা নেতাদের কাছে লাইনটি অযৌক্তিক বলে মনে হলেও বাস্তবে এই কথাটি সত্যি। কারণ এই স্বর্ণরাজ্যে ছোট্ট শহর তেলিয়ামুড়ার নিঝুম শহরের দৃশ্যটি যারা প্রত্যক্ষ করেছেন তারাই বলতে পারবেন কথাটি কতটা সত্যি। তবে এটা স্বর্ণযুগের সেই সব কাণ্ডারিরা যারা এতদিন ধরে বলে আসছে রাজ্যে ভিখিরি নেই, এই রাজ্যে কেই না খেয়ে মরে না, কিংবা অভুক্ত থাকে না তারা হয়ত সেই মানুষটিকে ভবঘুরে বিশেষণে ভূষিত করে প্রচার চালাবে। কিন্তু অপ্রিয় হলেও এটাই সত্য। তেলিয়ামুড়া থানার মাইগঙ্গার বাসিন্দা। যিনি অভাব অনটনের জন্য পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের মুখে খাবার তুলে দিতে অক্ষম যার দরুন তিনি নিজেও অভুক্ত। তাই শুধু পেটের তাগিদে এবং নিজের পরিবারের সদস্যের মুখে একটু খাবার তুলে দিতে রাতের আধারে ডাস্টবিন আর বিয়ে বাড়ির ফেলে দেওয়া উচ্ছিষ্ট খুঁজে বেরান। যদিও এই ধরনের দৃশ্য আমাদের রাজ্যে আনাচে কানাচে দেখতে পাওয়া যাবে। আর তাদেরকে ভবঘুরে নাম দেওয়া হয়।

25-12-2017 04:22:06 pm

অভাবের তাড়নায় ৮ মাসের সন্তানকে বিক্রি

আগরতলা, ৬ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): আবারও অভাবের তাড়নায় ৮ মাসের সন্তানকে ২০০ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দিল তার পিতা। ঘটনাটি ঘটে তেলিয়ামুড়ার দক্ষিণ মহারানিপুরের বৈষবীপাড়ায় জানা গেছে তেলিয়ামুড়ার দক্ষিণ মহারানিপুর শরৎচন্দ্র পাড়ার বাসিন্দা কর্ণ দেববর্মা অভাবের তাড়নায় সে তার ৮ মাসের শিশু সন্তানকে ২০০ টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়েছেন আগরতলার জনৈক ব্যক্তির কাছে। বর্তমানে এই কর্ণ দেববর্মার আরও ছয়টি সন্তান বিক্রি করে দিয়েছেন বলে কর্ণ দেববর্মা নিজেই জানিয়েছেন। পাড়া প্রতিবেশীরাও একই কথা বলেন। শাসক দলের এলাকার প্রাক্তন ভিলেজ চেয়ারম্যানও ঘটনার কথা স্বীকার করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অভিযোগ, এই শিশুকন্যা বিক্রি করার আগে প্রাক্তন চেয়ারম্যান সহ কর্ণ দেববর্মা এলাকার বর্তমান শাসক দলের তার এপিএল রেশনকার্ডটি যেন বিপিএল করে দেওয়া হয়। শাসকদলের ভিলেজ চেয়ারম্যান সহ বিধায়ক বলে দেন, সুযোগ হলেই সব দেওয়া হবে। বিজেপি নেতা বিকাশ দেববর্মা জানান, কর্ণ দেববর্মা দিনমজুর শ্রমিক বনের বাঁশ, লাকড়ি সংগ্রহ করে বিক্রয় করতে পারলেই পরিবারের মুখে খাবার জোটে। এদিকে, আট মাসের শিশু সন্তান বিক্রি করে দেওয়ায় ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল বিজেপি। বিজেপির মুখপাত্র সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, নিরীহ শ্রমিক কর্ণ দেববর্মা সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে তার শোচনীয় পরিস্থিতির কথা জানিয়ে ফল পায়নি। ওই পরিবার বিপিএল কার্ডও পায়নি। এই সব পরিবারকে চিনহিত করে সরকারী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

06-12-2017 02:09:36 pm

কান্নায় ভেজা ঝাপসা চোখ খোজে সন্তানকে

আগরতলা ২১শে সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): আদর্শ কলোনির বাসিন্দা সাধনা দেবী যার চোখের দৃষ্টি এমনিতেই ঝাপসা, তায় কান্নার জলে এখন সব সময়ই বাষ্প-চোখ। একটু পেছন দিকে তাকানো যাক। আর পাঁচজনের মত উনিও একটি সুখের সংসার করতে চেয়েছিলেন। উনার তিন ছেলে ও এক মেয়ে। যদিও উনার স্বামী গত হয়েছেন অনেকদিন আগেই। সাধনা দেবীর তিন ছেলেই বিয়ে করে সংসার করেন। সাধনা দেবীর বড় আশা ছিল ছেলের বউ তো মেয়েরই মতো। তাই যত্ন আত্তিও নিশ্চয়ই মিলবে। কিন্তু অত সুখ সাধনা কপালে নেই। পোরা কপাল সাধনা দেবীর। ভাত কাপড়ের বদলে জুটতে লাগল দিবা রাত্রি শুধু অপমান শব্দ গুঞ্জনা। সাথে সাথে বোনাস হিসাবে ছিল লাথি, মুখ ঝামটা, ঝাঁটার বাড়ি। এত কিছুর পরও 'অ বুড়ি মরিস না ক্যান'। কথা বলতেই চোখ ভরে যেত জলে। আর বলতো সত্যি আমার মরণ হয় না কেন। বর্তমানে সাধনাদেবীর বাসস্থান জিবি হাসপাতালের যাত্রী শেডের খোলা চাতালে। উনার এই বর্তমান বাসস্থানটিও কিন্তু উনার তিন ছেলের দৌলতে পাওয়া। চিকিৎসার কথা বলে মাকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল। মারের চোটে পাঁজরের দিকটায় ব্যথা হচ্ছিল। ঐ ব্যাথার কথা বলতেই উনার গুণধর ছেলেদেরকে আইডিয়া দিল বউয়েরা। 'হাসপাতালে ডাক্তার দেখামু কইয়া লইয়া যাও। ওইখানেই রাইখ্যা আইও। আপদ যাইব'। আর সেই মোতাবেক কাজ করল সাধনা দেবীর তিন বাধ্য ছেলে। শেডে এই কয়দিন অন্য মানুষজনই সাধনা দেবীকে এটা ওটা দিচ্ছেন। কিছু দিতে গেলেই এক চিলতে হাসি খেলে যাচ্ছে সাধনা দেবীর মুখে। শুধু উনার একটাই প্রশ্ন হ্যাঁ গা, তুমি আমার ছেলেদের চেন? উনার এখনো বিশ্বাস উনার ছেলেরা উনার কাছে আসবেন উনাকে মা বলে ডাকবেন। মায়ের মন। গর্ভে যে ধরেছিলেন একদিন।

21-11-2017 02:00:44 pm

দীর্ঘ ২০ বৎসর ভাতা থেকে বঞ্চিত প্রতিবন্ধী গগণ তাঁতি

আগরতলা ৭ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): কদমতলা ব্লক সরলা গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা গগন তাঁতি দীর্ঘ ২০ বৎসর থেকে ভাতা বঞ্চিত। তার দু পা নেই বিছানায় শয্যাশায়ী। ২০ বৎসর থেকে এমনি অবস্থায় আছে সে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বিজিতা নাথের নিজ বাসভবন থেকে মাত্র ২ কিমি দূরত্বে গগন তাঁতির বাসা। ভাঙা জরাজীর্ণ ঘরে দিন কাটাচ্ছে গগণ। পাচ্ছেনা কোন সরকারী সুযোগ সুবিধা। গরিব মেহনতি মানুষের সরকার বলে পরিচয় দিয়ে গরিবের কি উন্নয়ন হচ্ছে এরাজ্যে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বিজিতা নাথ, বিধায়ক ফয়জুর রহমান বাহুবলি নেতা ইসলাম উদ্দিনের এলাকায় উন্নয়নের যে কুৎসিত চিত্র ধরা পড়েছে তা থেকে বলা যায় ভোটের সময় দাদা কাকা ভোট গেলে কাঁচকলা। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে ভাতা হচ্ছে না গগণের। তার শারীরিক অবস্থা ভাল নয়। সরকারি ভাতাটুকু পেলে সে কমপক্ষে তার চিকিৎসাটুকু হতে পারত।

07-11-2017 01:36:29 pm

এলিয়ানের স্বভাব চরিত্র আর মানুষের স্বভাব চরিত্র এক জানালেন বিজ্ঞানীরা

৫ই সেপ্টেম্বর (এ.এন.ই ): এলিয়ান বিষয়ে আমাদের সচক্ষে কোনও ধারণা নেই। তবে, বিভিন্ন সায়েন্স ফিকশন ছবির দৌলতে এলিয়ান সম্পর্কে কমবেশি ধারণা কিন্তু আমাদের রয়েছে। প্রতিটি এলিয়ানেরই রয়েছে দু’টো পা, হাত, চোখ এবং কান। আর সেই এলিয়ানের স্বভাব চরিত্র নাকি একেবারেই মানুষের মতনই। সম্প্রতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, এলিয়ান এবং মানুষের মধ্যে পার্থক্য খুব সামান্য। এলিয়ানরা অনেকটাই মানুষের মতনই দেখতে। কারণ এলিয়ন এবং মানুষের বিবর্তন হওয়ার প্রক্রিয়াটি অনেকটা একইরকম। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যার এক গবেষক জানিয়েছেন, গবেষণার মাধ্যমে বিবর্তণীয় তত্ত্বের মাধ্যমে বিশ্বের বেশ কিছু বিষয় যাচাই করে দেখা হয়েছে। সেখানে এলিয়ানদের বিষয়টিও স্বাভাবিকভাবে উঠে এসেছে। বিবর্তনের মাধ্যমে এলিয়ানদের মধ্যেও বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। সেখানেই পরীক্ষামূলকভাবে দেখা গিয়েছে যে, এলিয়ানরা হামাগুড়ি থেকে দৌঁড়ানো। সমস্ত কিছুতেই একেবারে পারদর্শী। একেবারে মানুষের মতনই নাকি হাবভাব এলিয়ানদের। তবে, এলিয়ানদের বির্বতনের ধাপটি কিন্তু যথেষ্ট জটিল। বিজ্ঞানীরা আরও জানাচ্ছেন, এই বিবর্তনচক্রটা একেবারেই মানুষের মতন। এমনকি এলিয়ানদের কালচার এবং প্রিন্সিপালও অনেকটাই মানুষদের মতন। এই বিষয়টি নিয়ে একেবারেই নিশ্চিত হয়েই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। মানুষ এবং এলিয়ানদের মধ্যে একাধিক মিল থাকলেও কখনই কিন্তু এদের দুজনকে মানুষ বলা যায়না। এটা সত্যিই তাদের আর মানুষের মত দেখতে এবং তাদের স্বভাব চরিত্রেও বেশ মিল রয়েছে, তবে প্রত্যুত্তর কিন্তু তারা দিতে পারেন না একেবারেই। মানুষের মতন কোনও কথার প্রত্যুত্তর দেওয়ার ক্ষমতা নেই। এই ধরণের আরও বেশ কিছু পার্থক্যও কিন্তু মানুষ এবং এলিয়ানদের মধ্যে রয়েছে।

05-11-2017 01:15:13 pm

মনের জোরে জীবন কাটাচ্ছে প্রতিবন্ধী নৃপেন্দ্র, আশা সরকারী সাহায্যের

তেলিয়ামুড়া (সঞ্জিত দাস) ২৭শে মার্চ (এ.এন.ই ): কল্যাণপুর ব্লক এলাকার কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২নং ওয়ার্ডের আশুবালা বিশ্বাসের ছেলে নৃপেন্দ্র বিশ্বাস (৩৪) জন্মের পর থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী। বলা চলে তার জীবনটা আর পাঁচটা সুস্থ স্বাভাবিক জীবনযাপন কারী ছেলের মত নয়। তার পা দুটি অচলাবস্থা। তার শুধু শারীরিক সমস্যা নয়। বাবা মারা হওয়ার পর মা আশুবালা দুই ছেলেকে নিয়ে খুবই হিমসিমের মধ্যে সংসার প্রতিপালন করে আসছিলেন। তবে অর্থের অভাবে প্রতিবন্ধী ছেলেকে ছোট বেলায় চিকিৎসা করাতে পারেননি আশুবালা দেবী। হয়তো সেই সময় যদি তার চিকিৎসা হত তাহলে তার পা দুটি ভাল হয়ে যেত। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত টা আর হয়ে উঠেনি বলে জানালেন আশুবালা দেবী। তবে যাই হোক আশুবালা দেবী জানালেন বর্তমানে তার ছেলে প্রতিবন্ধী ভাতা হিসাবে ৬০০ টাকা করে পাচ্ছে। তাছাড়া পঞ্চায়েতের নানান সুবিধা গুলি সে পাচ্ছে এখন স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারছেন। তবে পা নিয়ে অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে চলাফেরা করতে হচ্ছে নৃপেন্দ্র বিশ্বাস কে। এক্ষেত্রে নৃপেন্দ্র জানান যদি সরকার তাকে সহায়তা করে তাহলে সে আরো ভালভাবে চলাফেরা করতে পারবে। সে আরো জানায় পা গুলির সমস্যা তেমন কঠিন ব্যাপার নয় রাজ্যে এখন উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা আছে যা অতি সহজেই সুস্থ হওয়া যায়। কিন্তু সমস্যা অর্থের তাই নৃপেন্দ্র বিশ্বাস চাইছেন সরকার যেন একটু সহায়তা জরে থাকে।

27-03-2017 02:42:26 pm

বিকলাঙ্গের সার্টিফিকেট থাকা সত্যেও বৃদ্ধ ভাতা থেকে বঞ্চিত

পানিসাগর (নিজেস্ব প্রতিনিধি) ২০শে মার্চ (এ.এন.ই ): এই ধরনের ঘটনা গুলি বার বার বেশির ভাগ পানিসাগর মহকুমায় ধরা পরেছে। এবং রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে হাজার হাজার এই ধরনের উদাহরণ রয়েছে। অসহায় বিকলাঙ্গ ব্যক্তির নাম শ্রীধর নাথ,বয়স ৮৩ বছর বর্তমানে তিনি মেয়ের বাড়িতে থাকেন। বহু বছর পূর্বে সর্প ধংসের কারনে উনার বাম হাতে সবকটি আঙ্গুল কেটে বাদ দিতে হয়েছিল। সেই থেকে তিনি আর কাজ করতে পারেন না। কোনো সাহায্য না পেয়ে পেটের জালায় ভিক্ষা করতে শুরু করেন। ভিক্ষা করে দুই পয়সা যোগার করে সরকারী হাসপাতালের চক্কর কেটে একটি বিকলাঙ্গের সার্টিফিকেট যোগার করেন। এই ৭০ শতাংশ বিকলাঙ্গের সার্টিফিকেট নিয়ে শাসক দলের নেতাদের কাছে বার বার যাওয়া সত্বেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তিনি বলেন গ্রামের প্রধানের কথা মত ভিক্ষা করে দুইশ টাকা দিয়েও প্রতারণার শিকার হয়েছেন। শুধু তাই নয় তারপর তিনি বিডিও, এসডিও এবং ডিএম এর কাছে বহুবার আবেদন করা সত্যেও কোনো লাভ হয়নি। বার্ধক্য জনিত কারণে তিনি শ্রবণ শক্তি এবং দৃষ্টি শক্তি প্রায় হারিয়ে ফেলেছেন কিন্তু আজ পর্যন্ত শ্রীধর বাবুর বৃদ্ধ ভাতা পাওয়ার সৌভাগ্য হয়ে উঠেনি।

20-03-2017 11:53:19 am

পুকুরে ইলিশ চাষ করে তাক লাগালেন ভারতীয় বিজ্ঞানী

আগরতালা, ৬ই আগস্ট,(এ.এন.ই): পুকুরে ইলিশ! অবাক হলেন ? হবারই কথা কারন নোনা জলের মাছ মিঠা জলেতে চাষ করার অসাধ্য সাধন করতে যাচ্ছেন দেশের বিজ্ঞানীরা। কল্যাণীর সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট অফ ফ্রেশ ওয়াটার অ্যাকোয়া কালচারে (মিষ্টি জলের কেন্দ্রীয় জীবপালন অনুসন্ধান কেন্দ্র) ইতোমধ্যে কিছুটা সাফল্য পেয়েছেন তারা। ওই কেন্দ্রের বদ্ধ জলাশয়ে ৩০০ গ্রাম পর্যন্ত ওজনের রুপালি ইলিশ চাষ করা সম্ভব হয়েছে। খুব শিগগিরই সাধারণ মাছ চাষীরাও এই কাজটি করতে পারবেন বলে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন। নদী থেকে সরাসরি ধরে আনা ইলিশের চারাপোনা পুকুরে ছাড়ার পাশাপাশি কেন্দ্রের গবেষণাগারে ইলিশের বাচ্চা ফোটানো সম্ভব করেছেন কেন্দ্রীয় সংস্থাটির বিজ্ঞানীরা। নদী থেকে ধরে আনা চারাপোনা বেড়ে এখন ৩০০ গ্রাম ওজনের হয়েছে। মাছগুলোকে এতোটা বড় করতে সময় লেগেছে প্রায় দুই বছর। আর গবেষণাগারে ফোটানো আঙুলের সাইজের ইলিশের বাচ্চাগুলি এখন আকারে ১০ সেন্টিমিটার ছাড়িয়েছে। এই খবর ছরিয়া পরতেই আসায় আনন্দিত হয়ে পরেছেন সাধারন মৎস্য চাষিরা। কেন্দ্রটির প্রধান মৎস্যবিজ্ঞানী দেবনারায়ণ বলেন , ল্যাবরেটরিতে বাচ্চা ফুটতে ১৯ থেকে ২২ ঘণ্টা সময় লাগে। এর পর চার-পাঁচদিন মাছের পোনারা কিছুই খায় না। চোখ মুখ ফোটার পর ওদের প্রথমে ট্যাঙ্কের পানিতে রেখে প্রাকৃতিক খাবারের পাশাপাশি কৃত্রিম খাবার খেতে শেখানো হয় ওদের। ধীরে ধীরে এই খাদ্যাভাসই রপ্ত করে পোনা। তিনি বলেন নোনা জল ছাড়াও ইলিশের জীবনযাত্রায় জরুরি হল স্রোতস্বিনী জলধারা। বদ্ধ জলাশয়ে সেই সমস্যার সমাধান হবে কীভাবে? বিদ্যুৎচালিত পাম্পের সাহায্যে পুকুরেই জোরাল পানির প্রবাহ সৃষ্টি করা সম্ভব হচ্ছে। আগাছা ইত্যাদি নষ্ট করতে অল্প কিছু অন্য জাতের মাছ রাখা হয়েছে, যারা আগাছা খেয়ে ফেলতে পারে। এখন শুধু আর ছোট দু একটি পরীক্ষার পর এই পদ্ধতি সাধারন মৎস্য চাষিদের শেখানো হবে বলে খবর।

06-08-2016 03:00:21 pm

বাংলাদেশের রেলসহ গুরুত্বপূর্ণ সকল খাত চলে যাচ্ছে চিনের দখলে

ঢাকা, ৪ জুলাই (এ.এন.ই) : বাংলাদেশ সরকারের চিন প্রীতি নীতি ও ভারতের দূর্বল কুটনীতির কারণে বাংলাদেশের রেলসহ কৌশলগত দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সকল খাত চলে যাচ্ছে চিনের দখলে। এতে ভারতের আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও দীর্ঘ মেয়াদী ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৪ সালে বাংলাদেশের বর্তমান আওয়ামি লিগ সরকার দ্বিতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসার কিছুদিন পর থেকেই বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়রা ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক দিক থেকে লাভবান হওয়ার জন্য চিনের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। এরই ধাকাবাহিকতায় ২০১৪ সালে জুনে অবকাঠামো উন্নয়নের নামে বাংলাদেশের কৌশলগত দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এমন সবদিক উন্নয়নের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর চিন সফরের সময় কয়েকটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতেও এই সংক্রান্ত ঘোষণাও করা হয়েছিল। এরই মধ্যে ৩৪ প্রকল্পে চিনের সঙ্গে এমওইউ স্বাক্ষর করা হয়েছে। চিনের প্রতিশ্রুতি প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ও সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার‌্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তথ্যমতে, ২০১৪ সালের ৬-১১ জুন চিন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উন্নয়নে ৫টি চুক্তি সই হয়। পরে যৌথ বিবৃতিতে কয়েকটি প্রকল্পে অর্থায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছিল জাতীয় ইনফ্রা নেটওয়ার্ক-১, রাজশাহী ওয়াসার ওয়াটার ট্রিটিমেন্ট প্যান্ট, কর্ণফুলি রোড এবং রেল সেতু, দোহাজারি-কক্সবাজার-গুনদুম রেলপথ ও ইস্টার্ন রিফাইনারি-২ নির্মাণ। এর মধ্যে দোহাজারি-কক্সবাজার-গুনদুম রেলপথ নির্মাণে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ঋণ দিচ্ছে। উল্লেখিত পাঁচটি ছাড়াও কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ আরো ২৮ প্রকল্পে ঋণ দেওয়ার আগ্রহ দেখায় চিন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীর চিন সফরের আগে ও পরে বেশকিছু সমঝোতা স্মারকও (এমওইউ) স্বাক্ষর করা হয়। এর মধ্যে চিনের ঋণে ছয় জাহাজ কেনাও রয়েছে। সম্প্রতি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কার‌্যালয় বৈঠকে জানানো হয়, গত বছর জুলাইয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। তিনটি তেলবাহী ও তিনটি বাল্কবাহী জাহাজ কেনায় চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট কর্পোরেশনের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সইও (স্বাক্ষর) করা হয়| এতে ১৮ কোটি ডলার ঋণ দেবে চিন। কর্ণফুলি টানেলের নির্মাণ প্রকল্প এটি সরকার অনুমোদন করে ২০১৫ সালের নভেম্বরে। এর আগেই গত বছর জুনে টানেল নির্মাণে চুক্তি করা হয় দেশটির চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানির সঙ্গে। কিন্তু চিনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সোনাদিয়ায় প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের প্রস্তাবের ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাড়া না পাওয়ায় এ কর্ণফুলি টানেল নির্মাণের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর হলেও অর্থ ছাড়ের ব্যাপারে এখনো চিন সরকারের সম্মতি পাওয়া যায়নি। এ প্রকল্পে প্রায় ৯০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়া কথা চিনের। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরি হলে ভারতের পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যের মালামাল পরিবহন করার জন্য এই কর্ণফুলি টানেল ব্যবহার করা দরকার হবে। তাই চিন গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মাণের সম্মতি না পাওয়ায় কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এ টানেলের নির্মাণে ঋণ সহায়তার ব্যাপারে চুক্তি করা হলেও অর্থ ছাড় দিচ্ছে না চিন। এছাড়া রাজধানী ও আশপাশের পয়োঃবর্জ্য পরিশোধনে দাশেরকান্দিতে ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করা হয় গত বছর অক্টোবরে। চিনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নির্মাণ চুক্তি সই হলেও এখানো অর্থ দেয়নি চিন। এ প্রকল্পে ২৬ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার কথা দেশটির। একইভাবে চার টায়ারের ডাটা সেন্টার নির্মাণে গত বছর চুক্তি করা হয় চিনের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে| রেলওয়ের তথ্যমতে, গত মাসে অনুমোদন করা হয় ঢাকা-মাওয়া-যশোর রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প। পদ্ম সেতু দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে রাজধআনীর সরাসরি রেল যোগাযোগ স্থাপনে এ প্রকল্পে ৩৩২ কোটি ডলার (বাংলাদেশী প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা) ঋণ দিবে চিন। এরই মধ্যে নির্মাণ ও ঋণ চুক্তি প্রস্তুত চলছে। এছাড়া জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ ও জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্পে সমঝোতা চুক্তি হয়| তবে চূড়ান্ত কোনো প্রস্তাব দেয়নি চিনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। একই কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম দ্রুতগতির (হাইস্পিড) রেল নির্মাণ প্রকল্পও থমকে গেছে। এই তিন প্রকল্পে ৪০০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার কথা চিনের। চিনের অর্থায়নে পায়রা সমুদ্র বন্দরের পাশে দেশের প্রথম কয়লাভিত্তিক বড় বিদু্যত্ কেন্দ্র নির্মাণের কথা। ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতা বিদু্যত্ কেন্দ্র নির্মাণে ২০১৬ সালে এপ্রিল মাসে চিনের দ্য ফাস্ট নর্থ-ইলেকট্রিক পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই করা হয়। চিনের এক্সিম ব্যাংক এ প্রকল্পে ২৫০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার কথা। বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর নির্মাণের ব্যাপারে ভারতের প্রস্তাব রয়েছে। আর এ বিদু্যত কেন্দ্র থেকেই পায়রা সমুদ্র বন্দর ব্যবহারের জন্য বিদু্যত সরবরাহ করা হবে। এছাড়াও চিনও ভারতের সঙ্গে যৌথ অর্থায়নে এ পায়রা বন্দর নির্মাণের ব্যাপারে প্রস্তাব দিয়েছে| কিন্তু এতে ভারতের সম্মতি না থাকায় কৌশলগত দিক থেকে পায়রা সমুদ্র বন্দরের অপারেটরকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য চিন এ বিদু্যত কেন্দ্র নির্মাণ করতে চাচ্ছে| দ্বিতীয় পর্বে আরো ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদু্যত্ কেন্দ্র নির্মাণ, ১০০ মেগাওয়াট বায়ু বিদু্যত্ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পগুলো গ্রহণ করা হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকা-সিলেট চার লেন ও ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণে চূড়ান্ত প্রস্তাব দিয়েছে চিনের দুই প্রতিষ্ঠান। চিনের এক্সিম ব্যাংক প্রকল্পগুলোতে অর্থায়নে রাজি হয়েছে। বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের পুরানো কারখানাগুলো সংস্কারে এমওইউ স্বাক্ষর হয়েছে| ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ, চিনের চারটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পৃথক এমওইউ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বৈঠকের সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর কার‌্যালয়ের মুখ্য সচিব আৱুল কালাম আজাদ হিন্দুস্থান সমাচারকে বলেন, চিনের সহায়তায় বাস্তাবায়নের জন্য পাইপলাইনে বেশকিছু প্রকল্প রয়েছে| এগুলোর অগ্রগতি পর‌্যালোচনা করতেই বৈঠক করা হয়। এক্ষেত্রে প্রকল্পোগুলোর প্রাথমিক প্রক্রিয়া শেষ করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে বলা হয়েছে। বৈঠকে চিনের দূতাবাসে প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক ও ইউরোপীয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের যৌথ সহায়তায় ডুয়েল গেড ডাবল লাইনে উন্নীত করা হবে। ঢাকা-চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে ভারতের পূর্বাঞ্চলের সাত রাজ্যের মালামাল পরিবহনের জন্য এ রেল লাইন ব্যবহার করতে হবে। তাই কৌশলগত দিক থেকে এ রেল লাইন গুরুত্বপূর্ণ। এ রেল লাইন নির্মাণে ঠিকাদার নিয়োগ প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। যৌথভাবে এ কাজ পাচ্ছে চিনের চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন, বাংলাদেশের তমা কনস্ট্রাকশন ও ম্যাক্স ইনফ্রাসট্রাকচার (সিটিএম জয়েন্ট ভেঞ্চার)। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা নেই এ অজুহাত দেখিয়ে ভারতের ইরকন ইন্টারন্যাশনালকে বাদ দেওয়া হয়। ২০১৫ সালের ৪ মে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ২৬টি প্রতিষ্ঠান দরপত্র কিনলেও মাত্র ৪টি প্রতিষ্ঠান তা জমা দেয়। রেলওয়ের এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৫৮১ কোটি ৭ লাখ টাকা। চিনসহ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠান দুটি সিটিএম জয়েন্ট ভেঞ্চারের অংশীদার ম্যাক্স ইনফাস্ট্রাকতার বাংলাদেশ রেলওয়ে। লাকসাম-চিনকী আস্তানা ৬১ কিলোমিটার ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ করে। এছাড়া সিটিএম জয়েন্ট ভেঞ্চারের অপর দুই অংশীদার চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং ও তমা কনস্ট্রাকশন যৌথভাবে টঙ্গী -ভৈরববাজার ৬৪ কিলোমিটার ডাবল লাইন নির্মাণ করে। জানতে চাইলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো, ফিরোজ সালাহ উদ্দিন হিন্দুস্থান সমাচারকে বলেন, আখাউড়া-লাকসাম রেলপথ নির্মাণে চিনের একটি ও বাংলাদেশের দুইটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে করছে। তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ ডাবল লাইনে উন্নীতিকরণের অপর দুই অংশের কাজ করেছে। দক্ষতা ও যোগ্যতা থাকায় তারা এবারও কম দরপ্রস্তাব করেছে। তাই তিন প্রতিষ্ঠানকে কাজ দিতে সুপারিশ করা হয়েছে। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের চিন প্রীতির ব্যাপারে জানতে চাইলে বাংলাজেশের রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক কোন মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

04-07-2016 11:44:35 pm

"সুখ কে সব সাথী, দুখ মে না কোই।" কংগ্রেসের এখন এই অবস্থা

আগরতলা,২৭ মে (এ.এন.ই):পুরনো হিন্দি ছায়াছবির একটি জনপ্রিয় গান আছে "সুখ কে সব সাথী, দুখ মে না কোই।" আর এমনি অবস্থা এখন ভারতবর্ষের ১৩০ বছরের দল কংগ্রেসের। সুখের দিনে সবাই ঘিরে ছিল, কিন্তু বর্তমানে ভিষন দুর্দিন চলছে। নিজের মানুষরাই ছেড়ে চলে যাচ্ছে। কে যে কখন পেছন থেকে ছোড়া মেরে নিজের দলেরই ভাবমুর্তির ১২ টা বাজিয়ে দেবে তার কোন বিশ্বাস নেই। অরুণাচল থেকে উত্তরাখণ্ড, আসাম থেকে ত্রিপুরা, ইদানীং সর্বত্রই কংগ্রেস ছাড়ার যে একটা হিড়িক চলছে তা এখন দলের জন্যে সত্যি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই দুর্দিনে কর্মী সমর্থকরা তো বটেই এমনকি বিভিন্ন রাজ্যের বিধায়ক তথা প্রদেশ কংরেস নেতৃত্বরাও দল ত্যাগ করতে বিঁন্দু মাত্র দলের কথা ভাবছে না। দলীয় কর্মীদের মুখের কথায় ও মনের আবেগে আর ভরসা রাখতে পারছেন না দলের সর্বভারতীয় নেতৃত্ব। তাই এবার এক অভিনব পদ্ধতি অবলম্বনে বিধায়কদের দায়বদ্ধ রাখার ফন্দি আটল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। সদ্য সমাপ্ত প: বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসা কংগ্রেসের ৪৪ জন বিধায়ক কে, ১০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে দলের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতে মুচলেকা লিখিয়ে নিল দল। মোট চারটে শর্তাবলির মুলে এই মুচলেকা। ১) বিধায়কদের কোন ধরনের শর্ত ছাড়াই সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী পরীচালিত কংগ্রেস দলের অনুগত থাকতে হবে। ২) বিধায়করা দলের প্রতি কোন ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য করতে পারবে না। ৩) দল বিরোধী কোন কার্যকলাপে লিপ্ত হবার পুর্বে পদ থেকে ইস্তফা দিতে হবে। ৪) নিজের সজ্ঞানে এইসকল নিয়মাবলী মেনে, দলের নেতৃবৃন্দের গ্রহন করা সকল পদক্ষেপকে সমর্থন করতে হবে। দেশে সম্ভাব্য এই প্রথম এ ধরনের কোন মুচলেকায় হস্তাক্ষর করল বঙ্গের কংগ্রেস বিধায়করা। যুক্তি দেখানো হল একটাই। এভাবে নাকি বিধায়কদের দলের প্রতি নিষ্টাবান রাখা যাবে। তবে যে দেশের নেতারা সার্থে আঘাত লাগলে দেশের আইনকেই তোয়াক্কা করতে চান না, তারা এই ১০০ টাকার স্ট্যাম্প পেপারে কতটুকু দায়বদ্ধ থাকবে সেটা সময়ই বলবে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল।

27-05-2016 02:30:54 pm

মানিক বচন গেল ফলে, বঙ্গে বাম রসাতলে

আগরতলা,১৯মে (এ.এন.ই) : আলিমউদ্দীনে বসে সুর্যকান্তবাবুরা আগামী পাঁচ বছর যতই চুল ছেরা বিশ্লেষণ করুক না কেন, বঙ্গের মানুষ লাল রঙ্গের ছাতা যে আর মাথায় তুলতে চাইছে না, তা আজ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে স্পষ্ট হয়ে গেছে। প: বঙ্গে লাল সবুজ জোটের ফলে আখেরে যে লাভ তৃনমূলেরই হবে, তা অবশ্য অনেক আগেই ভবিষৎবাণী করেছিল এ.এন.ই।বাস্তবে হল তাই। ৩৪ বছর বাম শাসনের নির্যাতন এতো সহজেই ভুলে যেতে পারেননি কট্টর কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা। হাই কমান্ড জোটের সবুজ সংকেত দিলেও কাস্তে হাতূড়ি তারাতে ভোট দিয়ে ইতিহাসকে ভুলিয়ে দিতে পারেনি অনেকেই। তাই জোট কেন্দ্রগুলিতে বাম সমর্থন পেয়ে অনেক কংগ্রেস প্রার্থীরা জয়লাভ করলেও, বাম প্রার্থীদের কপালে জোটেনি কংগ্রেসের সব ভোট। আপাতত এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। বলা বাহুল্য বামেদের সাথে জোট করে অধীর চৌধুরী যে মাস্টার স্ট্রোক দিলেন তাতে অন্য যাই কিছু হোক আগামী পাঁচ বছর প: বঙ্গে বিরোধী দলের মর্যাদা কৌশলে বাগিয়ে নিলো কংগ্রেস। বঙ্গে আজ তৃনমূল শাসক, কংগ্রেস প্রধান বিরোধী আর বামফ্রন্টের অবস্থান তো কিছুদিন আগে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রকাশ্যেই বলে দিয়েছিলেন। ২০১৬ সালের বঙ্গের ভোটের কথা মানুষ কিছুদিনের মধ্যে ভুলে যাবে ঠিকই, কিন্তু বাম শিবিরে কংগ্রেসের সাথে জোটের ঘাঁ নিয়ে যে বিতর্ক দানা বেঁধেছিল তা সংঘাতের রুপে অবতীর্ণ হওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। জোট বিরোধী কেরল পন্থীদের চোখ রাঙানী সয্য করে বেঙ্গল পন্থীরা কতদিন মুখে কুলুপ এটেঁ থাকতে পারেন তাই এখন দেখার অপেক্ষায় দেশের রাজনৈতিক মহল।

19-05-2016 09:06:44 pm

এই রায়ে বিচার ব্যাবস্থার উপর মানুষের আস্থা বাড়াল, মেয়েকে আমি আইপিএস পরাতে চাইঃ সোমা

আগরতলা,১৮ মে (এ.এন.ই): ২০১৪ সালে ৬ই অক্টোবর টাটা কালীবাড়ির বাসিন্দারা প্রকাশ্য দিনের বেলায় সোমা মজুমদারের উপর পাশবিক, বর্বরতার অত্যাচারের কথা নিশ্চয়ই আপনাদের মনে আছে। সেই দিনের ঘটনা হয়তো ত্রিপুরা রাজ্যের প্রীতিটি মানুষের জীবনে একটি কালোদিন হিসাবে লেখা থাকবে। তবে যে যতো অন্যায় করুক না কেন একদিন না একদিন শাস্তি তাঁকে পেতেই হবে। আর সেই ঐতিহাসিক ঘটনা টা ঘটলো সোমবার সোমা কাণ্ডে ২০জন অভিযুক্তের মধ্যে ৭জনের সাঁজার মধ্যে দিয়ে। আর বাকি ১৩ জন বেকসুর খালাস পায়। আভিযোক্তদের সাস্তি হওয়ার পর আমাদের এক প্রতিনিধী গিয়েছিলেন টাটা কালীবাড়ি এলাকার সেই সাহসী মহিলা সোমা মজুমদারের বাড়িতে। তার কাছে জানতে আদালত দোষীদের সাস্তি দিয়েছে তাতে কি তিনি খুশী ? সোমা বলল, দেখুন আমি এই ঘটনায় বিচার পেয়েছি। তাই বিচার ব্যাবস্থার উপর সাধারন মানুষের আস্থা আরও অনেক বেড়ে গেল। কিন্তু শুধু সাত জনের সাজা হয়েছে,যদি ২০ জনেরই সাজা হত তাহলে আমি আরও বেশি খুশি হতাম। তিনি এও জানান শেষ দু বছর তাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে সঠিক বিচার পাওয়ার জন্য। মামলার শুরুতে কেও ওনার পাশে ছিলেন না। এমন কি সোমার সামি খুদ সিমাকে এই মামলা ছেরে দিতে বলেছিল। কারন যাদের বিরুধে সোমা অভিযোগ করে ছিল রাতা বেশ প্রভাব সালি ছিলেন। আনেক মহিলা পুলিশ ও সোমাকে ভয় দেখিয়েছে এই মামলা তুলে নিতে। কিন্তু সে পিছু হটেনি। কারন যেমন খারাপ পুলিশ ছিল তেমন কিছু ভাল পুলিশ ও সোমাকে শেষ পর্যন্ত স্যাহায করে গেছে। এর জন্যই হইয়ত আজ সোমা বিচার পেয়েছে।তাই আজ সেই সব পুলিশ অফিসার,পারা প্রতিবেসি,মিডিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সোমা। তার দুই সন্তান এক জন বড় জন ছেলে এবং ছুট জন মেয়ে। এক জন ক্লাস টেন এবং আর এক জন ক্লাস নাইনে পড়ে। এই লড়াই করতে গিয়ে সোমা অনেক কিছু শিখেছে। সে জন্য নিজের মেয়েকে সে আইএস বা আইপিএস অফিসার বানাতে চান। জাতে সেই মেয়ে বড় হয়ে গড়িব মানুষ দের হয়ে লড়াই করতে পারে। আমরা এ.এন.ই পক্ষ থেকেও চাইব সোমার এই স্বপ্ন সত্যি হোক।

18-05-2016 08:27:01 pm

রাজ্যের মহকুমা এবং জেলা হাসপাতাল গুলি নুন্যতম পরিসেবা দিতে বের্থ, ভিড় বারছে জিবিতে

আগরতলা,১৭ মে (এ.এন.ই) : রাজ্যের নেতা মন্ত্রীরা বিভিন্ন জায়গায় ভাষণ দিতে গিয়ে বলে থাকেন, ত্রিপুরা রাজ্য উনয়নের দিকে সাড়া দেশের মধ্যে মডেল। কিন্তু এই নেতা মন্ত্রিরা কি কখনো খুঁজ নিয়ে দেখেছেন যে রাজ্যের জেলা বা মহকুমা হাসপাতাল গুলি কি অবস্থায় রয়েছে। সাধারন মানুষরা সেই সব হাসপাতাল থেকে ঠিক ঠাক পরিষেবা পাচ্ছেতো। তা দেখার জন্য মনেহয় সময় হয়ে উঠেনা নেতা মন্ত্রী বাবুদের কাছে। সেই সব হাসপাতাল গুলি পরিদর্শন করলে বাস্তটা দেখা যাবে। আসলে বর্তমানে রাজের বিভিন্ন জেলা এবং মহকুমা হাসপাতাল গুলির পরিষেবা তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সেই সব হাসপাতালে যদি কোন রোগী যায় তাকে ভাল করে পরীক্ষা নিরীক্ষা না করে সোজা রাজ্যের প্রধান হাসপাতাল জিবিতে রেফার করে দেওয়া হয়। এবার সেই রোগির অবস্থা আশঙ্কা জনক হোক বা নাই হোক। সাধারন জ্বর সর্দি কাসি হলেও মহকুমারে সরকারী হাসপাতালের ডাক্তাররা জিবিতে পাঠিয়ে দেন। এবার সেই রোগির আর্থিক অবস্থা ভাল থাকুক আর নাই থাকুক। সেই কারনে জিবি হাসপাতালে ভিড় বারছে। এমনিতেই জিবি হাসপাতালে প্রতিদিন প্রচুর ভিড় হয় তার উপর যদি সাধারন থেকে সাধারন চিকিৎসার জন্য রাজ্যের প্রধান হাসপাতালে ছুটে আসতে হয় তাহলে মহকুমার হাসপাতাল গুলির কি কাম। মঙ্গলবার জিবির মাডিসিন ডিপার্টমেন্ট এর মেইল অয়াডে গিয়ে দেখা গেল,তিল ফেলার জায়গা নেই। এতবেশি রোগিরা চারিদিকে ছরিয়ে ছিটিয়ে রয়েছে না দেখলে বোজা যাবেনা। হাসপাতালের ফ্লোরে সুরে নিজেদের চিকিৎসা করাছেন প্রচুর মানুষ। যার ফলে সেই অয়াডে হাটাও কঠিন ব্যাপার হয়ে দারিয়াছে। কয়েকজন রোগির সাথে কথা বলে বোজা গেল তাদের তেমন বড় সড় কিছুই হয়নি সাধারন জ্বর, কাশি সর্দি হয়ে ছিল তাদের কেও রেফার করে দেওয়া হয়েছে ভাল চিকিৎসার জন্য। এই পরিস্থিতে চলতে থাকলে একদিন জিবি হাসপাতাল রোগীদের জায়গা দেওয়া যাবেনা। বেসামাল হয়ে উঠছে জিবি হাসপাতাল। এই যদি হয় মহকুমা এবং জেলা হাসপাতালের অবস্থা, তবে কীসের মডেল রাজ্য ত্রিপুরা। প্রশ্ন করবেই সাধারন মানুষ।

17-05-2016 04:07:19 pm

এই রাজ্যেও শক্তি বাড়ানো শুরু করেছে এ.বি.ভি.পি

আগরতলা, ১৩ মে (এ.এন.ই) : ধীরে ধীরে এই রাজ্যেও শক্তি বাড়াচ্ছে বিজেপি সমর্থিত ছাত্র সংগঠন এ.বি.ভি.পি। সাড়া দেশেই এই সংগঠন কাজ করে। বর্তমানে কেন্দ্রে বিজেপি থাকায় এ.বি.ভি.পি ও আগের থেকে এখন একটু বেশি একটিভ বল্লেই চলে। সম্প্রতি কালে জে.এন.ইউ হোক আর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সব জায়গাতেই নাম জড়িয়েছে এ.বি.ভি.পি'র। কিন্তু এই ছুট রাজ্যে তেমন করে কোন দিন নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি এই ছাত্র সংগঠন। বলা চলে এক প্রকার নাম মাত্রই সংগঠন ছিল। তবে এখন রাজ্য বিজেপির উথানের সাথে সাথে এ.বি.ভি.পি ও নিজেদের সংগঠন মজবুত করতে মাঠে নেমে পড়েছে। শুক্রবার এরই এক ঝলক দেখা গেল রাজধানী আগরতলায়। শহরের বিভিন্ন রাস্তায় লাইট পোস্ট গুলিতে এ.বি.ভি.পি'র লোগো পেইন্ট করা হছে। এবং রাজ্যের যুবক যুবতীরা যাতে এ.বি.ভি.পি তে যোগদান করে সেই আহ্বান করা হচ্ছে। সূত্রের খবর ইতি মধ্যেই ত্রিপুরা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এ.বি.ভি.পি'র একটি সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা কাজ করা ও শুরু করে দিয়েছে। খুব শিগ্রই রাজ্য স্তরেও এ.বি.ভি.পি'র সাংগঠনিক কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। তাই আগামী দিনে শাসক দলের ছাত্র সংগঠন এস.এফ.আই এর পক্ষে সব গুলি কলেজ দখল করা যে খুব একটা সহজ হবেনা তা বলাই চলে।

13-05-2016 05:27:34 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.