• বড়মুড়া জঙ্গল থেকে ১০০ কেজি গাজা উদ্ধার
  • বড়মুড়া জঙ্গল থেকে ১০০ কেজি গাজা উদ্ধার
  • দুই সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের 'তদন্তভার নিল সিবিআই
  • পূর্ব শিবনগরে এক দম্পতির মৃতদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
  • মা-বাবার বকুনিতে আত্মহত্যা অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীর
  • সোসাইটি পরিচালিত মেডিকেল কলেজে মাশুল বৃদ্ধি ব্যবস্থা নেবে রাজ্য সরকার
  • শিক্ষক কর্তৃক চতুর্থ শ্রেণীর এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি
  • নেশা বিরোধী তৎপরতার জন্য সহায়ক হল চন্দ্রপুর গুলি কাণ্ড
  • ভালবাসার পরিণতি ধর্ষণ শেষে আত্মহত্যার চেষ্টা
  • সন্ধ্যা রাতে নাবালিকা ছাত্রী অপহৃত
  • পুকুরে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার
  • সোনামুড়ায় এক দিব্যাঙ্গ শিশুর ধর্ষণ
  • আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর বয়ান
  • বীর স্বপন দেববর্মা ও তাঁর কন্যাকে সন্মান জানালো বিধানসভা
  • উপাধক্ষ্য হিসাবে বিনা প্রতিদন্ডিতায় নির্বাচিত বিশ্ববন্ধু সেন
  • যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজ্যে পালিত বিশ্ব যোগা দিবস
  • ঋষ্যমুখে বাইক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু, আহত ২
  • শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে গোমতী জেলা হাসপাতালে উত্তেজনা
  • খুব শীঘ্রই আগরতলায় চালু হচ্ছে ওলা ও ওবের পরিষেবা
  • অল্টো এবং বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১
  • শিশু চুরি অভিযোগে এক অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
  • রহস্যজনকভাবে চলন্ত অবস্থায় আগুনে পুরলো গাড়ি
  • বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনে কাজ করতে গিয়ে এক বিদ্যুৎ কর্মীর মৃত্যু
  • কৈলসহরে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি, মনু নদীর জল বিপদ সীমার নিচে
  • স্বাভাবিক ছন্দে ফিরেছে কৈলাসহরে জনজীবন

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

স্বাস্থ্য

শরিরে রসুন এবং নারিকেল তেলের বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): ঘরে যদি রসুন আর নারকেল তেল থাকে, তাহলে আর কড়া কড়া অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দরকার হবে না। গবেষকরা বলছেন, কাঁচা রসুন আর নারকেল তেল অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। রসুন- রান্না অবস্থায় নয়, ব্রেকফাস্টের আগে খালিপেটে রসুন খান। চিবিয়ে খেতে না চাইলে, জল দিয়ে গিলে ফেলুন দু কোয়া কাঁচা রসুন। গবেষকদের মতে, খালিপেটে রসুন খেলে উচ্চ রক্তচাপ ও স্ট্রেস কমায়। অনেক সময় স্ট্রেস থেকে হজম ও পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রেও রসুন কার্যকরী। ডায়েরিয়া হলেও খালিপেটে রসুন খেলে ভাল ফল পাবেন। এছাড়া, রসুন রক্ত পরিসুদ্ধ করে, লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তবে, রসুনে এলার্জি থাকলে খাবেন না। নারকেল তেল- মার্কিণ যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরা জানিয়েছেন, দাতের এনামেলের ক্ষয়রোধ করে নারকেল তেল। যুক্তরাষ্ট্রের 'ইউনিভার্সিটি অফ ওয়ারউইক'-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন জেনারেল মাইক্রোবায়োলজি সোসাইটির সাধারণ সভায় নারকেল তেলের এই বিশেয গুণের কথা প্রকাশ করেন গবেষকরা। আয়ারল্যান্ডের অ্যাথলোন ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির একদল গবেষক জানান, তারা নারকেল তেলের সঙ্গে একধরনের এনজাইম মিশিয়ে পরীক্ষা করে বিশেষ ফল পেয়েছেন। এটি হজমে সাহায্যকারী এনজাইমের সঙ্গে মিশে মুখ ও দাঁতের ভিতর লুকিয়ে থাকা জীবানু ধ্বংশ করে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, দাঁতের ক্ষয়ের প্রধান কারণ মুখের ভিতর বসবাসকারী স্ট্রেপটোকক্কাস নামের এক ব্যাকটিরিয়া। এই ব্যাকটিরিয়ার সঙ্গে থাকা স্ট্রেপটোকক্কাস মিউটানস নামে অ্যাসিড তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন এক ধরনের অণুজীব মূলত দাঁতের ক্ষয় করে। দাঁতে লেগে থাকা খাবার ও আংশিক হজম হওয়া দুধ থেকে স্ট্রেপটোকক্কাস মিউটানশের সৃষ্টি হয়। এই অণুজীবকে নিষ্ক্রিয় করতে পারে এনজাইম মুক্ত নারকেল তেল।

15-03-2018 02:18:37 pm

আনারসের কিছু উপকারিতা জেনে নিন

১৫ মার্চ (এ.এন.ই ): অসংখ্য গুণে গুনান্বিত মৌসুমী ফল আনারস। এই ফল যেমন শরীরে জলের চাহিদা মেটায়, তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই এর। চলুন জেনে নেই আনারসের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে। ১. আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। ২. দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্তবাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিণ্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে। ৩. শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট রয়েছে। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। ৪. আনারস আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আনারস খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। ৫. আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

15-03-2018 02:07:14 pm

আলুর বিভিন্ন গুন গুলি জেনে নিন

২১ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): পৃথিবীতে মানুষের প্রধান খাদ্য হিসেবে ভুট্টা, গম আর চালের পরই আলুর অবস্থান। বিশ্বের অনেক দেশেই রুটি বা ভাতের বদলে আলু খাওয়ার প্রচলন আছে। তবে আমাদের দেশে আলু এখনো পরিপূরক বা সহায়ক খাবার। ভাতের সঙ্গে আলুর ভর্তা বা তরকারিতে আলু না হলে চলেই না। আমরা প্রায় প্রতিদিন অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি আলু খেয়ে থাকি। এই আলুর পুষ্টিগুণ অনেক। আলুতে ভিটামিন 'এ', 'বি' ও 'সি' আছে। এছাড়াও আলুর খোসাতে আছে ভিটামিন 'এ', পটাশিয়াম, আয়রন, অ্যান্টি-অক্সাইড, ফাইবারসহ প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট। চলুন এবার দেখে নেওয়া যাক আলু খাওয়ার উপকারিতা। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: ব্লাড প্রেসারকে (রক্তচাপ) ঠিক রাখতে ভীষণভাবে সাহায্য করে আলু। কারণ আলুতে আছে কুকোয়া-মাইনাস নামের এক ধরণের কেমিক্যাল। তবে মনে রাখতে হবে অতিরিক্ত আলু খেলে রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায় এবং ওজন বেড়ে যেতে পারে। হজমে সহায়ক: হজমের পক্ষে আলু খুব ভাল। কারণ আলুতে হাই ফাইভার থাকে। ত্বকের পক্ষে উপকারী: আলু, বেটে কিংবা আলুর রস ত্বকে লাগালে বিভিন্ন দাগ, র‍্যাশ ও অন্যান্য ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আলুতে ভিটামিন সি, বি কমপ্লেক্স, পটাশিয়াম ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক, ফসফরাস ইত্যাদি রয়েছে যা ত্বকের জন্য জরুরি। এছাড়া রোদে পোড়া ভাবও দূর করতে সহায়তা করে আলুর রস। রোগ প্রতিরোধ: আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'সি' আছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। একটি মধ্যম আকৃতির(১৫০ গ্রাম) আলুর ত্বকে প্রায় ২৭ মিলিগ্রাম ভিটামিন 'সি' আছে। এছাড়া আলুতে পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন বি, ও আয়রন আছে। মানসিক চাপ কমায়: আলুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি-৬ রয়েছে, যা মন ভালো রাখার জন্য কার্যকরী দুটি উপাদান সেরেটোনিন ও ডোপামিন নামক নিওট্রান্সমিটার গঠনে সহায়তা করে। নিওট্রান্সমিটার মস্তিষ্কে অনুভূতি আদান প্রদান করে থাকে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে মন ভালো করতে সহায়তা করে। মস্তিষ্ক সচল ও কর্মক্ষম রাখে: আলুতে গ্লুকোজ, অক্সিজেন, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, এমিনো এসিড, ওমেগা-৩ ও অন্যান্য ফ্যাটি এসিড আছে,. যা মস্তিষ্ক সচল ও কর্মক্ষম রাখার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো সরবরাহ করতে সহায়তা করে।

21-02-2018 03:08:00 pm

রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কম ও হার্টের ভাল রাখতে সাহায্য করে পপকর্ন

২১ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): পপকর্ন ফ্যাট ফ্রি, সুগার ফ্রি ও লো ক্যালরি খাবার। এক কাপ পপকর্নে মাত্র ৩০ ক্যালরি থাকে। অথচ আঁশযুক্ত খাবার হওয়ায় অনেকক্ষণ পেট ভরা রাখে। ক্ষুধা কম পায়। এভাবে ওজন কমাতে সাহায্য করে পপকর্ন। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে সমৃদ্ধ পপকর্ন রক্তে ফ্রি-র‌্যাডিক্যালস-এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। যা চুল পড়া, অ্যালঝেইমার'স-এর মতো বয়সকালীন সমস্যা মোকাবিলায় সাহায্য করে। পপকর্নে ফাইবার, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ই, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পরিমাণ প্রচুর। যা হজমে সাহায্য করে ও পেট পরিষ্কার রাখে। পপকর্ন রক্তনালী ও ধমনীর দেওয়ালে কোলেস্টেরল জমতে বাধা দেয়। ফলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে ও হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। পপকর্ন রক্তে শর্করার মাত্রা ও ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে পপকর্ন। ডায়াবেটিস থাকলে নিয়মিত ডায়েটে ১ কাপ ঘরে তৈরি পপকর্ন রাখতে পারেন।

21-02-2018 02:55:15 pm

ফ্রিজে রেখে চকোলেট খাওয়া বিপদজনক বললেন চকোলেট বিশেষজ্ঞ

৩ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): ফ্রিজের ভেতর বলতে আমাদের চোখের সামনে যা যা ভেসে ওঠে, তার মধ্যে জল, ফ্রুট জুস, শাক-সবজি, মাছ-মাংস, মাখন থাকবেই। আর একটা জিনিসও অবধারিত ভাবে থাকবে। সেটি হল চকোলেট। চকোলেট ঠান্ডা করে, মানে একেবারে চিলড করে খাওয়ার অভ্যাস বিপুল সংখ্যক মানুষের। অনেকে তো আবার এমন ধারণা পোষণ করেন যে, ফ্রিজে না রেখে চকোলেট খাওয়াই যায় না। আর এই জন্যই কিন্তু চকোলেট প্রেমীদের সাবধান করছেন নিউ জিল্যান্ডের প্রখ্যাত চকোলেট বিশেষজ্ঞ লিউক আওয়েন স্মিথ। তার মতে, চকোলেট ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘দ্য মিরর’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্মিথের বক্তব্য, ফ্রিজে রাখা চকোলেটের স্বাদ একেবারই বিনষ্ট হয়ে যায়। চকোলেট এমনিতেই অত্যন্ত নাজুক পদার্থ। তার স্বাদ-গন্ধকে অক্ষুণ্ন রাখতে হলে থাকে রাখতে হবে স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেই। প্রবল গরমে চকোলেটকে অবিকৃত রাখার উপায় বাতলে দিয়েছেন স্মিথ। তিনি জানাচ্ছেন, ১০ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার একটি কাবার্ডই চকোলেটের সব থেকে ভাল আস্তানা। কিন্তু বাইরের তাপমান যদি ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, তা হেল ফ্রিজে রাখা ছাড়া কোনও উপায় থাকে না। তখন ‘বিস্বাদ’ চকোলেটই খেতে হবে।

03-02-2018 01:50:45 pm

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে কিছু খাবার জেনে নিন

৩ ফেব্রুয়ারি (এ.এন.ই ): কোলেস্টেরলের কারণে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের মতো কার্ডিওভাস্কুলার রোগ হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। তাই এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা খুবই জরুরি। কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে কিছু খাবার। ১. গ্রিনটি প্রতিদিন কয়েক কাপ গ্রিনটি পান করা সার্বিক কোলেস্টেরল এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর একটি সহজ উপায়। গ্রিনটি এর বিভিন্ন উপাদান পরিপাক নালীতে কোলেস্টেরলের শোষণ প্রতিহত করে এবং রেচনে সাহায্য করে। এছাড়াও গ্রিনটি ধমনীতে প্লাক জমা প্রতিহত করে এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। ২. কমলার জুস টকমিষ্টি স্বাদের কমলার রস কোলেস্টেরল কমানোর অত্যন্ত উপকারী। গবেষকেরা জানিয়েছেন, কমলার রস হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া রক্তের লিপিড প্রোফাইলের উন্নতি ঘটায়। এর কারণ হচ্ছে কমলার রসে ভিটামিন সি, ফোলেট এবং হেসপিরিডিন এর মত ফ্লেভনয়েড থাকে। ৩. কাঠবাদাম হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার থাকে কাঠবাদামে, যা ভালো কোলেস্টেরল এইচ ডি এল এর মাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ২০১১ সালে নিউট্রিশন রিভিউতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয় যে, কাঠবাদামের মত গাছের বাদাম খাওয়া এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে। এর ফলে করোনারী ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকি ৩ থেকে ৯ শতাংশ কমে। ৪. ওটমিল সকালের নাস্তায় ওটমিল খাওয়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ওটমিলের দ্রবণীয় ফাইবার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্তস্রোতে কোলেস্টেরলের শোষণ কমায়। এছাড়াও নিয়মিত ওটমিল খেলে কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।

03-02-2018 01:43:42 pm

মুখের দূর্গন্ধ দূর করতে সহয়তা করে এলাচ

২৪ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): সুগন্ধিযুক্ত এলাচকে মশলার রানি বলা হয়। খাবারে অতিরিক্ত স্বাদ বাড়াতে এ মশলার ভূমিকা অপরিসীম। রান্নার স্বাদ বাড়ানো ছাড়াও এর রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপকারী গুণ। বিশেষ করে, এলাচের ভেষজ গুণ শরীরের নানাবিধ রোগ প্রতিরোধ করে। এলাচে রয়েছে ভিটামিন সি, যা রক্তসঞ্চালন ও ত্বক সমস্যার সমাধান করে। অনেকে মনে করেন, সকালে খালি পেটে এলাচমিশ্রিত জল খেলে হজম সংক্রান্ত সমস্যা দূর হয়। এক চিমটি এলাচ গুঁড়ো রক্তস্বল্পতা দূর করে এবং দুর্বলতা কমিয়ে আপনার শক্তি বাড়াতে পারে। আসুন, জেনে নিন এলাচের আর কী কী উপকারিতা রয়েছে- রক্তস্বল্পতা দূর করে- এক বা দুই চিমটি এলাচ গুঁড়ো এবং হলুদ গুঁড়ো এক গ্লাস গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এর সঙ্গে অল্প পরিমাণে চিনি মিশিয়ে নিতে পারেন। প্রতি রাতে এটি পান করুন। রক্তস্বল্পতা দূর হবে, দুর্বলতা কমবে এবং শক্তি বাড়বে। এলাচে বিদ্যমান রিবোফ্লাবিন, ভিটামিন সি, নিয়াসিন, আয়রন এবং কপার রক্তস্বল্পতা দূর করতে সাহায্য করে। হজমশক্তি বৃদ্ধি করে : ২টি এলাচ, ১টি ছোটো আদার টুকরো, ২-৩টি লং এবং কয়েকটি ধনিয়া একসঙ্গে গুঁড়ো করে নিন। এটি গরম জলে মিশিয়ে পান করুন। হজমশক্তি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি গ্যাস, বমিভাব দূর করবে। মুখের দুর্গন্ধ দূর করে : খাবার পর এক টুকরো এলাচ কিছুক্ষণ চিবিয়ে নিন অথবা এলাচ চা খান প্রতিদিন সকালে। এটি আপনার পাঁচনতন্ত্র শক্তিশালী করে। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান মুখের দুর্গন্ধ দূর করে। হেচঁকি কমায় : ঘনঘন হেঁচকির সমস্যা হলে এলাচ খাওয়া শুরু করুন। এটি আপনার পেশি রিল্যাক্স করে হেঁচকিকমাবে। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর : এলাচ একটি ভেষজ উপাদান। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ ফাঙ্গাস, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া দূর করে। হার্ট সুস্থ রাখে : প্রতিদিনের খাবারে এলাচ যুক্ত করুন অথবা এলাচ চা পান করুন। এটি আপনার হার্ট সুস্থ রাখার পাশাপাশি হার্টবিট নিয়মিত রাখবে। অ্যাসিডিটি কমায় : সমপরিমাণে এলাচ, জিরা, মৌরি একটি পাত্রে ভেজে গুঁড়ো করে নিন। এক কাপ গরম জলে আধ চা চামচ এই গুঁড়ো মিশিয়ে নিন এবং পান করুন। এটি অ্যাসিডিটি, পেটের গ্যাস এবং পেট ফাঁপা রোধ করবে।

24-01-2018 01:57:54 pm

খাঁটি মধু চেনার উপায় জেনে নিন

২৪ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনি যে মধুটা খাবেন সেটা খাঁটি মধু নাকি জাল মধু, সেটা কিন্তু আপনি জানেন না। মধু খাঁটি কিনা বোঝার কয়েকটা বিশেষ পদ্ধতি আছে, সেগুলোকে সঠিকভাবে মেনে চললে, আপনার খাঁটি মধু চিনে নিতে কোনও অসুবিধা হবে না। ১। আপনি বুড়ো আঙুলের দ্বারা মধু খাঁটি কিনা পরীক্ষা করতে পারেন। মধু কেনার সময় হাতের বুড়ো আঙুলের ওপর অল্প একটু মধু নিয়ে দেখবেন সেটা জলের মতো ছড়িয়ে যাচ্ছে নাকি ঘন অবস্থায় এক জায়গায় রয়েছে। যদি দেখেন মধুটা ছড়িয়ে যাচ্ছে তবে সেটা কখনই খাঁটি মধু নয়। ২। একটা পাত্রের মধ্যে কিছুটা মধু ঢেলে, তারপর তারমধ্যে খানিকটা জল ঢেলে দেখবেন মধুটা জলের মধ্যে মিশে যাচ্ছে নাকি আগের মতোই ঘন হয়ে এক জায়গায় রয়েছে। মধু খাঁটি হলে সেটা এক জায়গায় স্থির থাকবে। ৩। অনেক সময় খাঁটি মধু জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তাই একটা দেশলাই কাঠি নিয়ে সেটাকে মধুর মধ্যে ডুবিয়ে তুলে নিয়ে দেশলাইটাকে আবার জ্বালানোর চেষ্টা করুন, যদি সেটা জ্বলে যায় তবে সেটা খাঁটি মধু। ৪। মধু পরীক্ষা করার আরও একটা উপায় হল, একটা পাত্রে কিছুটা মধু নিয়ে সেটা ভাল করে আচেঁ ফোটান। যদি দেখেন মধু ধীরে ধীরে ক্রমশ ঘন হয়ে যাচ্ছে তবে বুঝবেন ওই মধু এক নম্বর।

24-01-2018 01:51:40 pm

চিকিৎসকদের মতে মানব দেহে এক সপ্তাহে ১০ কিলোগ্রাম ওজন কমাতে সাহায্য করে সেদ্ধ ডিম

১৩ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): মেদ কমানোর জন্য অনেক কিছু করি আমরা। কখনও কঠিন ডায়েট, তো কখনও সকাল হলেই দৌড়, জিমে গিয়ে নানা ব্যায়াম। তবুও ফলাফল শূন্য। কোনও এক্সারসাইজ, কোনও ডায়েটই কাজে সমস্যার সমাধান করতে পারছে না। তবে আপনার এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে মাত্র সেদ্ধ ডিম। চিকিৎসকরা বলছেন, এক সপ্তাহে ১০ কিলোগ্রাম ওজন কমাতে সাহায্য করবে সেদ্ধ ডিম। তবে শুধু এই ডিম সেদ্ধ খেলেই হবে না। রয়েছে এর আরও নানা নিয়ম কানুন। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে রইলো আপনাকে যেসঅব নির্দেশিকা মেনে চলতে সেই সম্পর্কিত একটি নির্দেশিকা- সোমবার- ব্রেকফাস্টঃ একটা ফল, ২ টো ডিম সেদ্ধ লাঞ্চঃ ফল, পাউরুটি, ডিনারঃ স্যালাড, গ্রিলড চিকেন মঙ্গলবার- ব্রেকফাস্টঃ একটা ফল, ২ টো ডিম সেদ্ধ লাঞ্চঃ গ্রিন স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন, ডিনারঃ দুটো সেদ্ধ ডিম, স্যালাড ও কমলালেবু বুধবার- ব্রেকফাস্টঃ একটা ফল, ২ টো ডিম সেদ্ধ লাঞ্চঃ চিজ, টমাটো, পাউরুটি ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন বৃহস্পতিবার- ব্রেকফাস্টঃ ফল ও দুটো সেদ্ধ ডিম লাঞ্চঃ ফল ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন শুক্রবার- ব্রেকফাস্টঃ ফল ও দুটো সেদ্ধ ডিম লাঞ্চঃ ফল ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন শনিবার- ব্রেকফাস্টঃ ফল লাঞ্চঃ এক কাপ ভাত, দুটো ডিম সেদ্ধ, একটু মাখন ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন রবিবার- ব্রেকফাস্টঃ ফল ও দুটো সেদ্ধ ডিম লাঞ্চঃ ফল ডিনারঃ স্যালাড ও গ্রিলড চিকেন

13-01-2018 12:18:11 pm

স্বাস্থে কাজু বাদামের বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

১৩ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): কাজু বাদাম খাওয়া কি স্বাস্থ্যকর? এমন প্রশ্নে জবাবে বলতে হয়, পুষ্টিগুণ এবং শরীরিক উপকারিতার দিক থেকে কাজু বাদামের কোন বিকল্প হয় না বললেই চলে। এতে উপস্থিত প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ এবং ভিটামিন নানা ভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে। শুধু তাই নয়, কাজু বাদামে ভিটামিনের মাত্রা এত বেশি থাকে যে চিকিৎসকেরা একে প্রকৃতিক ভিটামিন ট্যাবলেট নামেও ডেকে থাকেন। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত যদি কাজু বাদাম খাওয়া যায়, তাহলে শরীরে নান পুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে আরও কিছু উপকার পাওয়া যায়। ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে মারণ রোগটি যদি সাপ হয়, তাহলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল বেজি। তাই তো যেখানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, সেখানে ক্যান্সার সেলের খোঁজ পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তাই তো প্রতিদিন এক মুঠো করে কাজু বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। আসলে এই বাদমটির শরীরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার সেলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি টিউমার যাতে দেখা না দেয় সেদিকেও খেয়াল রাখে। প্রসঙ্গত, কাজু বাদামে থাকা প্রম্যান্থোসায়ানিডিন নামে একটি উপাদান এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সংক্রমণের আশঙ্কা কমে প্রাকৃতিক উপাদানটিতে থাকা জিঙ্ক, ভাইরাসের আক্রমণের হাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে। তাই আপনি যদি এই ধরনের ইনফেকশনের শিকার প্রায়শই হয়ে থাকেন, তাহলে রোজের ডায়েটে কাজু বাদামের অন্তর্ভুক্তি ঘটাতেই পারেন। হার্টের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে কাজু বাদামে উপস্থিত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট একদিকে যেমন ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে, তেমনি নানাবিধ হার্টের রোগ থেকে বাঁচাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যাদের পরিবারে হার্ট ডিজিজের ইতিহাস রয়েছে, তারা প্রয়োজন মনে করলে এই প্রকৃতিক উপাদানটির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতেই পারেন। ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে মাঝে মধ্যেই কি রক্তচাপ গ্রাফের কাঁটার মতো ওঠা-নামা করে? তাহলে তো চটজলদি কাজু খাওয়া শুরু করতে হবে। কারণ এই বাদামে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, যা ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

13-01-2018 12:08:51 pm

অ্যাটাক নিয়ে কিছু ভুল ধারণা জেনে নিন

৯ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): হার্ট অ্যাটাক হলে বুকে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভূত হয়। এই ব্যাথা ২০-৩০ মিনিট স্থায়ী হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী হাসপাতালে পৌছার আগেই মৃত্যুবরন করে। তাই এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি। আমরা ভাবি মানুষ বুড়ো হলে ,মোটা হলে বা টেনশন করলে হার্ট অ্যাটাক হয়। কিন্তু এটা ভুল। যে কোন সময় হার্ট অ্যাটাক হয়ে যেতে পারে। এছাড়াও হার্ট অ্যাটাক নিয়ে আরও কিছু ভুল ধারণা রয়েছে আমাদের। যেমন- ১। পরিবারে হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস থাকলেই যে হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়বে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাব, অনিয়মিত লাইফস্টাইল, মদ্যপান, ধূমপান হার্ট অ্যাটাক ডেকে আনতে পারে। ২। ডায়েট থেকে ফ্যাট বাদ দিলেই হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমবে এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। ট্রান্স ফ্যাটের মধ্যে থাকা হাইড্রোজেন অয়েল হার্টের জন্য অস্বাস্থ্যকর। চিজ, ডিম, অ্যাভোকাডো, স্যামন মাছে থাকা ফ্যাট হার্টের জন্য স্বাস্থ্যকর। ৩। বুকে ব্যথা মানেই হার্ট অ্যাটাক ভেবে নেন অনেকেই। বুকে ব্যথা ছাড়াও নীরবে আসতে পারে হার্ট অ্যাটাক। বুকে ব্যথা ছাড়াও মাথা ঘোরা, শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট, গা গোলানোও হতে পারে হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। ৪। ডায়াবেটিস হালকা ভাবে নেবেন না। হার্ট অ্যাটাকের মতোই ঝুঁকিপূর্ণ ডায়াবেটিস। অনেকেই মনে করেন ওষুধ খেয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। এইমনটা ভাবার কোনও ভিত্তি নেই। কোলেস্টেরলের মাত্রা, ওবেসিটি অনেক কিছুর জন্যই বাড়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। ৫। এমন একটা ধারণা রয়েছে যে পুরুষদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি মহিলাদের তুলনায় বেশি। যদিও পুরুষদের মধ্যে অল্প বয়সে বেশি আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা দেখা যায় কিন্তু স্ট্রেস, ওবেসিটির মতো অনেক বিষয় রয়েছে যা মহিলাদের মধ্যেও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

09-01-2018 01:59:47 pm

আদা চায়ের বিভিন্ন উপকারিতা জেনে নিন

৯ জানুয়ারি (এ.এন.ই ): এক কাপ চায়ে যদি কয়েক কুচি আদা থাকে, তা হলে স্বাদ যেমন বাড়ে, সঙ্গে বাড়ে তার গুণও। এক কাপ খেলেই বহু সমস্যার সমাধান হতে পারে। গাড়িতে চড়লে অনেকের বমি বমি ভাব হয়। সেক্ষেত্রে আগে থেকে এক কাপ আদা চা খেয়ে নিন। বমি বমি ভাব কেটে যাবে। পেট খারাপ বা পেট ব্যথা হলে কী খাবেন বুঝতে পারেন না। এক কাপ আদা-চা খেয়ে নিন। পেট ভাল থাকবে। গায়ে, হাত ও পায়ে ব্যথা বা মাথার যন্ত্রণা থাকলে আদা-চা খান। অ্যালার্জি, সর্দির সমস্যা বা হার্টের সমস্যা থাকলেও এক কাপ চা সমাধান হিসেবে কাজ করবে। দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকঠাক হলে শরীর সুস্থ থাকে। তাই নিয়মিত আদা-চা খান। হাই অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার ফলে শরীরে রোগ প্রতিরোগ করার ক্ষমতা বেড়ে যায়। স্ট্রেস কমানোর জন্যও এক কাপ আদা-চার জুড়ি মেলা ভার।

09-01-2018 01:51:37 pm

হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে লেবুর খোসা

১৯ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): লেবুর খোসায় এমন সব পুষ্টিকর উপাদান রয়েছে, যা লেবুতেও নেই। একাধিক গবেষণায় একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, লেবুতে যে পরিমাণ ভিটামিন থাকে তার থেকে প্রায় ৫-১০ গুণ বেশি থাকে লেবুর খোসায়। সেই সঙ্গে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম,পটাশিয়াম, ভিটামিন সি এবং ফাইবার। এই সবকটি উপদানই নানা ভাবে শরীরে কাজে লেগে থাকে। সেই সঙ্গে মেলে আরও অনেক উপকারিতা। যেমন... ১. স্ট্রেস কমায়: লেবুর খোসায় উপস্থিত সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের ভেতরে প্রবেশ করার পর এমন কাজ শুরু করে যে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে সার্বিকভাবে মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর একেবারে চাঙ্গা হয়ে ওঠে। তাই তো এবার থেকে যখনই দেখবেন শরীর আর চলছে না, তখন অল্প করে লেবুর খেসা নিয়ে চটজলদি খেয়ে ফেলবেন। দেখবেন উপকার মিলবে। ২. ওজন কমায়: পেকটিন নামে একটি উপাদান প্রচুর মাত্রায় থাকায় লেবুর খোসা নিয়মিত খেলে ওজন কমার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। কারণ এই উপাদানটি শরীরে উপস্থিত অতিরিক্ত চর্বিকে ঝড়িয়ে ফেলতে বিশেষভাবে সাহায্য করে থাকে। ৩. ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে: লেবুর খোসায় উপস্থিত স্য়ালভেসস্ট্রল কিউ ৪০ এবং লিমোনেন্স নামে দুটি উপাদান ক্যান্সার সেলের ধ্বংসে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরের অন্দরে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়া কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। এখানেই শেষ নয়, লেবুর খোসা খাওয়া মাত্র ব্যাকটেরিয়াল এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশেনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। ৪. মুখ গহ্বরের রোগের প্রকোপ কমবে: ভিটামিন সি-এর ঘাটতি হলে মুখ গহ্বর সংক্রান্ত একাধিক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই তো নিয়মিত লেবুর খোসা খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এতে উপস্থিত ভিটামিন সি এবং সাইট্রিক অ্যাসিড মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, জিঞ্জিভাইটিস সহ একাধিক রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ৫. হাড় শক্তপোক্ত হয়: প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকার কারণে লেবুর খোসা খাওয়া শুরু করলে ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়। ৬. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়: লেবুর খোসায় উপস্থিত পলিফেনল নামে একটি উপাদান শরীরে খারাপ কোলেস্টরলের মাত্রা কমায়। অন্যদিকে লেবুর পটাশিয়াম ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণা রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই তো যাদের পরিবারে কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্টের রোগের ইতিহাস রয়েছে তারা প্রতিদিনের ডায়েটে লেবুর খোসাকে অন্তর্ভুক্ত করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। ৭. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়: একাধিক কেস স্টাডিতে দেখা গেছে লেবুর খোসার অন্দরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের নিচে জমে থাকা টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের বয়স কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা যেমন কমে, তেমনি ত্বক টানটান হয়ে ওঠে। এই কারণেই তো বয়স ৩০-এর কোটা পরলেই প্রতিদিন লেবুর খোসা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা। ৮. হজমের উন্নতি ঘটায়: ফাইবার সমৃদ্ধি যে কোন খাবার হজম ক্ষমতার উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর পরিমাণে রয়েছে লেবুর খেসায়। তাই তো বদ-হজন থেকে গ্যাস-অম্বল, যে কোনও ধরনের হজম সংক্রান্ত সমস্যায় এই প্রকৃতিক উপাদানটি দারুন উপকারে আসে। লেবুর খোসায় উপস্থিত পুষ্টিকর উপাদান: ১০০ গ্রাম লেবুর খোসায় প্রায় ১৩৪ এমজি ক্যালসিয়াম, ১৬০ এমজি পটাশিয়াম , ১২৯ এমজি ভিটামিন সি এবং ১০.৬ গ্রাম ফাইবার থাকে। এই সবকটি উপাদানটি শরীরের গঠনে নানাভাবে কাজে লেগে থাকে। সেই কারণেই তো চিকিৎসকেরা লেবুর খোসা খাওয়ার পক্ষে মত দিয়ে থাকেন। খাবেন কীভাবে লেবুর খোসা? অনেকভাবে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি খেতে পারেন। যেমন ধরুন- ১. কয়েক ঘণ্টা লেবুর খোসাটা ফ্রিজে রাখার পর গ্রেট করে নিন। তারপর অল্প পরিমাণ নিয়ে চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। ২. লেবুর খোসাটা শুকিয়ে নিয়ে। তারপর গ্রায়েন্ডারে লেবুর খোসা, অল্প পরিমাণ লবন এবং গোলমরিচ নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। তারপর মিশ্রনটি খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পারেন। ৩. লেবুর খোসাকে শুকিয়ে নিন। তারপর বেটে নিয়ে পাউডার বানিয়ে ফেলুন। সেই পাউডার এবার খাবারের সঙ্গে অথবা অন্য যে কোনওভাবে গ্রহণ করতে পারেন।

19-12-2017 12:45:55 pm

কফির কিছু গুণাগুণ ও উপকারিতা জেনে নিন

১৯ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): ক্লান্তি বা বিষন্নতা থেকে নিজেকে সতেজ করতে কফির তুলনা নেই। এমন অনেকেই আছেন যাদের সকালে ঘুম থেকে উঠে কফিতে চুমুক না দিলে দিনটাই মাটি। আবার দিনের শেষে বিকেলে হালকা নাস্তার সঙ্গে কফি না হলে তো চলেই না। তাহলে চলুন জেনে নিই কফির কিছু গুণাগুণ ও উপকারিতা সম্পর্কে- কফিতে থাকা সবচেয়ে সক্রিয় উপাদানটির নাম ক্যাফেইন। যা আপনাকে প্রতিকূল পরিস্থিতি অমনোযোগ কাটিয়ে কাজে মনোযোগ দিতে সাহায্য করবে। টাইপ ২ ডায়াবেটিসের সম্ভাবনাও কমায় কফি। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়মিত কফি খায় তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কম হয়। এই ঝুঁকি কমানোর পরিমাণটা ২৩ থেকে ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। কফি আলঝেইমার্স ও পারকিনসন্স রোগের বিরুদ্ধেও লড়ে। বয়স বাড়লে কফি আপনার মস্তিস্ককে সুরক্ষা দেয়। পুষ্টিগুণ আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই পানীয়টি। কফিতে ভিটামিন বি৫, ভিটামিন বি২, থায়ামাইন বি১, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। শুধু তাই নয় কফিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আপনাকে রাখবে আরো বেশি সতেজ। স্কিনক্যান্সারের প্রতিরোধক হিসেবেও বেশ কার্যকর কফি। ন্যাশনাল ক্যান্সার ইন্সটিটিউটের একটি গবেষণাপত্রে সম্প্রতি জানিয়েছে প্রতিদিন কফি পান করলে সেটা শরীরে ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমা তৈরিতে বাধা দেয়। ফলে ত্বক রক্ষা পায় ক্যান্সারের হাত থেকে। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে কফি শুষ্ক চোখের সমস্যা সমাধানেও বেশ কার্যকর। ক্যাফেইন চোখের অশ্রুগ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে সেই সঙ্গে সেটা সালিভা এবং পাচকরস তৈরি বাড়ায়। প্রতিদিন এক কাপ কপি যদি আপনাকে এত এত উপকার দেয় তাহলে অন্য কোনো পানীয় ছেড়ে কফির দিকে ঝুঁকতে বাধা কিসের। সুতরাং আজ থেকেই শুরু হোক কফিপ্রীতি।

19-12-2017 12:36:44 pm

ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করতে সহয়তা করে ফুলকপি

১৪ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): শীতের সবজি এখন বাজারে। আর এরমধ্যে ফুলকপি অন্যতম। এটি পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি। এতে রয়েছে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’ ও ‘কে’। প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপির পাতায় ক্যালসিয়াম ৬২৬ মিলিগ্রাম ও আয়রন ৪০ মিলিগ্রাম থাকে। আরও থাকে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’, ক্যালসিয়াম, আয়রন। ফুলকপিতে যে পরিমাণ ক্যালসিয়াম রয়েছে তা কালো কচুশাকের চেয়ে প্রায় দেড় গুণ, সবুজ কচুশাকের চেয়ে প্রায় ৩ গুণ, লালশাকের চেয়ে দ্বিগুণ, কলমিশাকের চেয়ে ৬ গুণ, পুঁই ও পাটশাকের চেয়ে ৭ গুণ, পালং ও ডাঁটাশাকের চেয়ে ৮ গুণ, মুলাশাকের চেয়ে ২৫ গুণ ও গরুর দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি। ফুলকপির কচি পাতাও পুষ্টিতে ভরপুর। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে যা সবুজ কচুশাকের চেয়ে ৪ গুণ, ডাঁটা শাকের চেয়ে দেড় গুণ, কলমিশাকের চেয়ে ১০ গুণ, মুলাশাকের চেয়ে ১২ গুণ ও পালংশাকের ৫ গুণ বেশি। এছাড়া ফুলকপির ডাঁটায়ও রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। ফুলকপির গুণাগুণ: - ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত-মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লুরাইড। নিয়মিত ফুলকপি খেলে অকালে দাঁত লালচে হয়ে যাওয়া ও দাঁতের মাড়ি দুর্বল হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। - ফুলকপি খেলে দাঁতের উজ্জ্বলতা বাড়ে। বাড়ন্ত শিশুদের দাঁতের পূর্ণ বিকাশের জন্য ফুলকপির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। - ঠাণ্ডাজনিত সমস্যায় ফুলকপি খাওয়া ভালো। এতে সর্দি, হাঁচি, কাশি, জ্বর জ্বর ভাব, সারা শরীরে ব্যথা ভাব, নাক দিয়ে পানি পড়া, ঠান্ডায় কান বন্ধ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দূর হয়। - ফুলকপিতে উপস্থিত উচ্চমাত্রাসম্পন্ন আয়রন রক্ত তৈরি, গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য, বাড়ন্ত শিশু ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমী মানুষের জন্য অত্যান্ত জরুরি। - ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’ জিহ্বায় ঘা হওয়া, তালুর চামড়া ওঠা বা ছিলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। - ফুলকপিতে রয়েছে দেহ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় আমিষ। - ফুলকপি স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে এই সবজি। ক্যান্সারের জীবাণুকে দেহ থেকে বের করে দেওয়ার ক্ষেত্রে ফুলকপির যথেষ্ট অবদান রয়েছে। সতর্কতা: ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ ও পটাশিয়াম রয়েছে। তাই যারা কিডনির জটিলতায় ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে ফুলকপি খাবেন।

14-12-2017 12:04:27 pm

শারীরিক সমস্যা নিরাময়ে আদার গুণাগুণ জেনে নিন

১১ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): নিয়মিত আদা খাওয়ার অভ্যাসে মারাত্মক বেশ কিছু রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আদার গুণাগুণ এবং শারীরিক সমস্যা নিরাময়ে আদার ব্যবহার সকলেরই জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। জেনে নিন আদার অজানা গুণাগুণ- ১. বমিভাব বা বমি হচ্ছে অনেক? আদা কুচি করে চিবিয়ে খান অথবা আদার রসের সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে পান করুন। তাৎক্ষণিক সমাধান পেয়ে যাবেন। ২. উল্টাপাল্টা এবং বেশি ভাজাপোড়া খাবারের কারণে বুকজ্বলার সমস্যা হুট করেই শুরু হতে পারে। এক কাজ করুন, ২ কাপ জলে ২ ইঞ্চি আদা ছেঁচে জ্বাল দিয়ে চায়ের মতো তৈরি করে পান করুন। বুকজ্বলা কমে যাবে। ৩. আদার রস ব্যথানাশক ঔষধের মতো কাজ করে। সরাসরি আক্রান্ত স্থানে লাগাতে পারেন আদার রস অথবা পান করে নিতে পারেন, দুভাবেই ভালো উপকার পাবেন। ৪. নতুন আদার সাথে আধা সেদ্ধ ডিম খাওয়ার অভ্যাস পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বাড়ায় এবং স্পার্ম কাউন্ট বৃদ্ধি করে। ৫. আদা হজমে সমস্যা সমাধান করে এবং পেটে ব্যথা দূর করতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে ১ কাপ আদা চা পান করলে পুরোদিন পেট ফাঁপা বা বদহজম থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।

11-12-2017 12:46:04 pm

ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধে বিভিন্ন উপায় জেনে নিন

১১ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্তদের ঘন ঘন প্রস্রাব হয়; অধিক তৃষ্ণার্ত অনুভব করে এবং বার বার মুখ শুকিয়ে যায়। আক্রান্তরা অতিশয় দুর্বলতা, সার্বক্ষণিক ক্ষুধা, স্বল্প সময়ে দেহের ওজন হ্রাস, চোখে ঝাপসা দেখাসহ নানান সমস্যায় ভোগে। ডায়াবেটিস নির্দিষ্ট মাত্রার বাইরে গেলে তা শরীরের ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর নিয়ন্ত্রণে রাখাই সর্বোত্তম পস্থা। এ জন্য প্রয়োজন কঠোর নিয়মানুবর্তিতা। এর পাশাপাশি কিছু খাবারও ডায়াবেটিস রোগীকে সুস্থ থাকতে সহায়তা করে। নিচে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক কয়েকটি খাবার নিয়ে আলোচনা করা হলো : সবুজ চা : সবুজ চা মানুষের শরীরে ইনসুলিনের মতো কাজ করে; ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে এটি। মাছ : গবেষণায় দেখা যায়, মাছের ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিনের সংবেদনশীলতাকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি গ্লুকোজের ঘনত্ব কমিয়ে ডায়াবেটিস রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়তা করে। এতে চর্বিহীন প্রোটিন রয়েছে। টক দই : টক দই একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য। এতে চিনির পরিমাণ খুব কম। এটি রক্তে চিনির পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। দুপুরের খাবারের সঙ্গে বা বিকেলের নাস্তায় স্যান্ডউইচের সঙ্গে টক দই খাওয়া যায়। এটি ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে। ডিমের সাদা অংশ : ডিম পেশি গঠনকারী খাদ্য। এতে উচ্চ মানের প্রোটিন রয়েছে। ডিমের সাদা অংশে উচ্চ মানের চর্বিহীন প্রোটিন এবং কম মাত্রায় কার্বোহাইড্রেট রয়েছে যা ২ ধরণের ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সাহায্য করে। লেবু : লেবু ও লেবু জাতীয় ফল ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কাজ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন সি এর অভাবে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রয়েছে। তবে লেবু জাতীয় ফল খেলে ভিটামিন সি এর অভাব পূরণ হয়। জাম্বুরা, কমলা, লেবু এবং লাইমস ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিনের মতো কাজ করে। সবুজ শাকসবজি : সবুজশাক সবজি ২ ধরনের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়। পালং শাক, পাতা কপি, শালগম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লেটুস পাতা ইত্যাদি খাবারে ক্যালরি এবং কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ কম। গবেষণায় বলা হয়, সবুজ শাক সবজি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ পর্যন্ত কমে। শস্য দানা : প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শস্য দানা মানুষের শরীরের রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা কমে। আবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে শস্য দানা। বাদাম : গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিসের ঝুকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমায় চীনাবাদাম। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১ আউন্স আখরোট বা কাজুবাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বিস্ময়করভাবে কাজ করে। নিয়মিত বাদাম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। মটরশুটি : ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাদ্য মটরশুটি। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন ১ কাপ মটরশুটি খেলে ২ ধরনের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। এতে উচ্চমাত্রায় শর্করা, চর্বিহীন প্রোটিন এবং আঁশ রয়েছে। এটি শরীরের রক্তে চিনি কমাতে সাহায্য করে; হৃদরোগের সম্ভাবনাও কমায়।

11-12-2017 12:42:43 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.