• ধর্মনগর দেওছড়ায় যান দুর্ঘটনায় মৃত ২, আহত ২
  • মননের বিকাশের জন্য বই পরা প্রয়োজন: মুখ্যমন্ত্রী
  • স্কুলের ভিতরে মদের বোতল দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী
  • ক্রাইম ব্রাঞ্চের আইজির দায়িত্ব নিতে চলেছেন আইপিএস রাজীব সিং
  • মহাকরণে চালু হল বায়োমেট্রিক সিস্টেম
  • রক্তের অভাবে মারা গেল একটি শিশু
  • রাজ্যে প্রচণ্ড দাবদাহে মৃত্যু ১
  • হাওড়া নদীতে চৌদ্দ দেবতার অবগাহনের মধ্য দিয়ে থেকে শুরু হল ৭ দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী খার্চি উৎসব
  • প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় খুশির হাসি ফুটলো গৃহিণীদের মুখে
  • ধলাই জেলায় শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে পর্যালোচনা সভা
  • শীঘ্রই আগরতলায় চালু হচ্ছে রেডিও ট্যাক্সি পরিষেবা
  • শিক্ষামন্ত্রীর কড়া বার্তায় থরথরি কম্প স্কুল শিক্ষক শিক্ষিকাদের
  • হোস্টেলে ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে রহস্যে
  • লেফুঙ্গায় বিএসি চেয়ারম্যানের বদল নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঙ্কার আইপিএফটির
  • জিরানিয়া থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি গাজা উদ্ধার
  • গৌমতী নদীতে চৌদ্দ দেবতার অবগাহনের মধ্য দিয়ে শুরু হল ৭ দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী খার্চি উৎসব
  • চার বছর অতিক্রান্ত, আজও সরকারী সাহায্য থেকে বঞ্চিত নিহতদের পরিবার
  • সিধাই মুয়াবাড়ি এলাকায় ফেরিওয়ালা হত্যাকাণ্ডে ধৃত আরো ২ যুবক
  • সরকারী নিয়মকে অগ্রাহ্য করে চলছে তিনের অধিক যাত্রী পরিবহন
  • ২০ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে খার্চি উৎসব
  • পক্সো মামলায় আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা এক অভিযুক্তের
  • রাজধানীতে ফের ট্রাফিক পুলিশ আক্রান্ত
  • তেলিয়ামুড়া প্রত্যন্ত গ্রামে ম্যালেরিয়ার আক্রমণ, মৃত ১
  • নিরাপত্তার চাঁদরে ঘেরা রাজ্য
  • নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক নয়, বেদের তাবুতে বেদের বাদুরের মাংস খাওয়া নিয়ে আতঙ্ক মানুষের

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

লাইফস্টাইল

ভোরে ঘুম থেকে ওঠার উপায় জেনে নিন

৬ জুলাই (এ.এন.ই ): ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিরা বেলা করে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিদের তুলানায় বেশি সফল বলে এক গবেষণায় দেখা গেছে। কারণ, সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠতে পারলে কাজ এবং অবসর দুটোর জন্যই অনেক বেশি সময় পাওয়া যায়। কিন্তু লাগামছাড়া ঘুমটাকে যেন কিছুতেই বশ মানানো যায় না। হ্যাঁ, অসংখ্য পরিশ্রমী মানুষ এই সমস্যাতেই ভুগছেন। তবে এই সমস্যা সমাধানের কিছু সহজ উপায় আছে যার মাধ্যমে দেখতে পাবেন ভোরের আলো আর জীবনে পাবেন সাফল্য। আসুন জেনে নেই, সকালে ঘুম থেকে ওঠার উপায়। ঘুমকে প্রাধান্য দিন : যেকোনো অজুহাতের কারণে রাতে ঘুমাতে যেতে দেরি হয় আপনার। কিন্তু চেষ্টা করুন প্রতিদিন রাতে তাড়াতাড়ি ও একই সময়ে ঘুমানোর এবং জেগে ওঠার। প্রথমে একটি পদক্ষেপ নিন : আপনার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সময় নির্ধারণ করুন এবং ছোট ছোট পদক্ষেপ নিন। প্রথম দিন আপনার নিয়মিত ঘুমানোর সময়ের চেয়ে ১৫ মিনিট পূর্বে ঘুমাতে যান এবং ১৫ মিনিট আগে ঘুম থেকে জেগে উঠোন। পরদিন ৩০ মিনিট আগে ঘুমান। এভাবে আস্তে আস্তে সময় বাড়াতে পারেন। দুপুরের তন্দ্রাকে এড়িয়ে চলুন : যদি ডাক্তারের পরামর্শ না থাকে তাহলে দুপুরে ঘুমাবেন না। কারণ দুপুরের ঘুমের কারণেই রাতে দেরিতে ঘুম আসে এবং সকালে ওঠতেও দেরি হয়। তাই দুপুরের ঘুমকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য দুপুরে কাজ করুন বা শখের কাজের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করুন। চক্রটিকে ভাঙ্গুন : আপনি দেরিতে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে দেরিতে ওঠেন– আপনার এই ঘুম চক্রটি থেকে বের হওয়া প্রয়োজন। এর জন্য জোর করে হলেও একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে জেগে উঠুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১ গ্লাস উষ্ণ দুধ পান করুন, ব্যায়াম করুন। এ কাজগুলো আপানাকে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে সাহায্য করবে। কফি খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করুন : দুপুরের পর বা বিকাল থেকে ক্যাফেইন খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনবেন। এক গবেষণায় বলা হয়, ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন খেলে ৬ ঘণ্টা পর তা ঘুমের সমস্যা করে। স্বাভাবিক আকারের এক কাপ কফিতেই এ পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে। বিকাল ৫টার আগে থেকেই কফি খাওয়া বন্ধ করা উচিত। সঠিক পরিবেশ তৈরি করুন : রাতে ঘুমানোর পূর্বে ক্যামোমিল বা ল্যাভেন্ডার এর চা পান করুন বা বই পড়ুন যা আপনাকে শান্ত করতে সাহায্য করবে। প্রতিরাতে এর পুনরাবৃত্তি করুন। সময়ের সাথে সাথে আপনার শরীর এই নিয়মের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে এবং আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কখন আপনার বই বন্ধ করা উচিৎ এবং আপনার ঘুমও চলে আসবে। আপনার ঘরের পরিবেশ ও ঘুম আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনার শোয়ার ঘরটি পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকে তাহলে আপনার মন শিথিল থাকবে এবং দ্রুত ঘুম চলে আসবে। সকালের কাজ ঠিক করুন : সকালে করতে হবে এমন কিছু কাজের তালিকা করুন। এর ফলে আপনার ঘুম থেকে ওঠার প্রেরণা তৈরি হবে। দায়িত্ব দিয়ে দিন : সকালে ঘুম থেকে ওঠাতে পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে দায়িত্ব দিন। অনেকে অ্যালার্ম ঘড়ির শব্দেও উঠতে পারেন না। কিংবা অ্যালার্ম বন্ধ করে আবারো ঘুমিয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে বাড়ির কোনো সদস্য আপনাকে উঠতে বাধ্য করবেন। ধৈর্য ধরুন : একবার ব্যর্থ হলেই চিন্তিত হবেন না। চেষ্টাই হবে আপনার কৌশল। আপনার শরীর হয়তো নির্দিষ্ট ঘুমের ধরনের প্রতি অভ্যস্ত হয়ে গেছে, নতুন অভ্যাস তৈরি করতে কিছুটা সময়তো লাগবেই। তাই আপনার শরীরকে নতুন অভ্যাস আয়ত্তে নিতে সময় দিন। প্রথম দিনই হয়তো আপনি ব্যর্থ হবেন, কিন্তু সপ্তাহ শেষে দেখবেন যে নতুন এই অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে ওঠেছে আপনার শরীর।

06-07-2018 03:13:46 pm

বাজারে আসছে মোবাইল এয়ার ব্যাগ

নয়াদিল্লি ৩ জুলাই (এ.এনো.ই ): আজকাল বিভিন্ন ধরনের স্মার্টফোন বাজারে আসছে। এই ফোনগুলিতে নতুন নতুন ফিচার রয়েছে। এরফলে ফোনগুলি হাইটেক হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন অত্যাধুনিক স্মার্টফোন অত্যন্ত দামী। হাত থেকে কোনও কারণে পড়ে গেলে ফোনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যায়। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য কিন্তু ফোনগুলিতে সে রকম কোনও ফিচার্স নেই। আর এর উপায় বের করলেন জার্মানির এক ছাত্র। এর মাধ্যমে ফোনকে সুরক্ষিত রাখা যায়। ফিলিপ ফ্রেনজেল এমনই একটি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। এটি আসলে মোবাইল এয়ার ব্যাগ। ফোনটি মাটিতে পড়ার উপক্রম হলেই ওই এয়ারব্যাগ আন্দাজ করতে পারে। এরফলে পড়ে গেলেও ফোনটিকে আঘাত থেকে রক্ষা করবে। জার্মানির ওলন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া ফ্রেনজেল এই মোবাইল এয়ারব্যাগের জন্য জার্মান মেকাট্রনিক্স সোসাইটি থেকে পুরস্কারও পেয়েছেন। কিছুদিনের মধ্যেই কিকস্টার্টারের মাধ্যমে এই এয়ারব্যাগ লঞ্চ করা হতে পারে। এই এয়ারব্যাগ এক বিশেষ নকশায় তৈরি করা হয়েছে, যা মোবাইল ফোনকে পড়ে গিয়ে ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা করবে।

03-07-2018 02:24:10 pm

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে মানুষের মধ্যে হৃদরোগ বা স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে দাবি গবেষকদের

২৬ জুন (এ.এন.ই ): বিয়ে করার সুফল বা কুফল নিয়ে যুগ-যুগ ধরে দীর্ঘ তর্ক-বিতর্ক চলে আসছে। অনেকে যেমন বিয়ের ভালো দিকগুলো তুলে ধরেন, তেমনই অনেকেই আবার বিয়ে না করার পক্ষে রায় দেন। কিন্তু, সম্প্রতি একদল গবেষক এমন দাবি করেছেন, যে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে মানুষের মধ্যে হৃদরোগ বা স্ট্রোকের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। জার্নার হার্ট-এ প্রকাশিত এই গবেষণাপত্রে দাবি করা হয়েছে, প্রতিযোগীদের বয়স, জাতির নিরিখে এখনও পর্যন্ত এটিই হলো সবচেয়ে বড় সমীক্ষা। ফলাফলকে আরও সুক্ষ্ম করতে সমীক্ষায় যথা সম্ভব বিস্তৃত ক্ষেত্রের মানুষজনের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে বলে দাবি গবেষকদের। প্রকাশিত গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, হৃদজনিত রোগের ৮০ শতাংশের প্রধান কারণ হলো বয়স, লিঙ্গ, উচ্চরক্তচাপ, অধিক কোলেস্টেরল, ধূমপান ও ডায়াবেটিস। তবে এটা পরিষ্কার নয়, বাকি ২০ শতাংশের কারণ ঠিক কী। ব্রিটেনের কিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল সমীক্ষক এই নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এর জন্য ৪২ থেকে ৭৭ বছর বয়সী প্রায় ২০ লাখ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। মূলত, ইউরোপ, স্ক্যান্ডিনেভিয়া, উত্তর আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়ার মানুষদের সঙ্গে কথা বলা হয়। সব তথ্য একত্রিত করে পর্যালোচনা করার পর গবেষকরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেন যে-যারা বিপত্নীক/বিধবা, ডিভোর্সি অথবা কখনও বিয়ে করেননি-তাদের মধ্যে কার্ডিও ভাস্কুলার বা হৃদজনিত রোগ এবং করোনারি আর্টারি হার্ট ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার বিপদ বা সম্ভাবনা অনেকটাই বেশি। গবেষকদের দাবি, বিয়ে না করার ফলেও, করোনারি হার্ট ডিজিজ বা স্ট্রোকে মৃত্যুর প্রবণতা অনেক বেশি। পর্যালোচনায় উঠে আসে, ডিভোর্সের ফলে নারী ও পুরুষ উভয়ক্ষেত্রেই হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। আবার, বিপত্নীক/বিধবা হলে স্ট্রোকের বিপদ ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, স্ট্রোকে মৃত্যু-পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, সেখানে বিবাহিত ও অবিবাহিতদের মধ্যে কোনও ফারাক নেই। তবে, হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে এই ফারকটা স্পষ্ট। সমীক্ষায় উঠে এসেছে-অবিবাহিতদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৪২ শতাংশ। একই সঙ্গে গবেষকরা জানিয়েছেন, সমীক্ষায় সমলিঙ্গ বিবাহ, বৈবাহিক জীবনের গুণমান, লিভ-ইন সম্পর্ক-এসব বিষয়কে বাইরে রাখা হয়েছে।

26-06-2018 01:54:58 pm

স্ট্রেস থেকে মুক্তি পাবার উপায় জেনে নিন

১৬ এপ্রিল (এ.এন.ই ): কাজ নিয়ে এখন সবারই চিন্তা৷ এই চিন্তাই আমাদের ওপর ফেলছে চাপ৷ সবাই এর থেকে রেহাই পাওয়ার পথ খুঁজছে৷ কিন্তু মিলছে চাপ থেকে মুক্তি। ফলে ক্রমাগত বাড়ছে স্ট্রেস৷ তা থেকে মুক্তির উপায় কী? চিন্তা মুক্ত থেকে খুশী প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে৷ সেটা শুধু খুঁজে নিতে হয়৷ হাজার চেষ্টা করেও অনেকসময় তার নাগাল পাওয়া যায় না৷ তখন অভিজ্ঞদের স্মরণাপন্ন হতে হয়৷ তবে প্রাথমিক ভাবে কয়েকটি বিষয় মেনে চললে কিন্তু স্ট্রেস মুক্ত থাকা যায়৷ ১। চিন্তা ছাড়ুন- কোনও বিষয় নিয়ে অহেতুক চিন্তা স্ট্রেসের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়৷ যেগুলো আপনার হাতের বাইরে, সেগুলো নিয়ে চিন্তা করা ছাড়ুন৷ জীবন যেভাবে চলছে, চলুক৷ পরিস্থিতির চাপ মাথায় নেবেন না৷ যন্ত্রণা ও বিস্ময় জীবনর স্বাভাবিক ঘটনা৷ তাই সবকিছুকেই দুহাত তুলে স্বাগত জানান৷ ২। সন্তুষ্ট থাকুন- যা আপনার জীবনে রয়েছে, তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন৷ স্বপ্ন অবশ্যই বড় দেখুন৷ কিন্তু ব্যর্থ হলে ভেঙে পড়বেন না৷ ৩। সাহায্য করুন- যার দরকার তাকে দুই হাত খুলে সাহায্য করুন৷ যতটা আপনার সামর্থ৷ কাউকে একগ্লাস জল দিয়ে তৃষ্ণা নিবারণ করুন বা কুকুরকে খাওয়ান৷ দেখবেন, ভালো লাগবে৷ ভার অনেক কমবে৷ ৪। হাসুন- হাসি মানুষের প্রধান সম্পদ৷ মনকে ভারমুক্ত করতে চাই মন খুলে হাসুন৷ হাসিখুশি থাকুন সবসময়৷ আপনার হাসি অন্যকেও হাসাবে৷ অন্যরা হাসলে দেখবেন আপনিও হাসিখুশি থাকতে পারবেন৷ ৫। ধ্যান করুন- মনকে একাগ্র করতে ধ্যান করুন৷ এটি আপনার অনুভূতিকে সীমার মধ্যে রাখতে সাহায্য করে৷ যা আপনার আয়ত্ত্বের বাইরে, তার উপর আপনার নিয়ন্ত্রণ আসবে৷ নিজের উপরেও নিয়ন্ত্রণ বাড়বে৷ নেতিবাচক চিন্তাভাবনা দূরে থাকবে৷ এক্ষেত্রে আপনাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে ধ্যান৷

16-04-2018 04:00:53 pm

চোখ ভালো রাখার কয়েকটি সহজ উপায় জেনে নিন

১৬ এপ্রিল (এ.এন.ই ): মানুষের সবচেয়ে স্পর্শকাতর একটি অঙ্গ চোখ। চোখ নেই তো দুনিয়া আঁধার। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন এমন অনেকেই আছেন যারা সারাদিন কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপে কাজ করে থাকেন। তার ওপর মোবাইলে ব্যস্ততা রয়েছেই। আর দীর্ঘসময় ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসে কাজের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমাদেরচোখ। কম্পিউটার হোক কিংবা মোবাইল অথবা টিভি, অত্যধিক ইলেকট্রনিক্স ডিভাইসের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে প্রায়ই আমাদের চোখে নানারকম সমস্যা হতে থাকে। এর বেশিরভাগই আমরা এড়িয়ে চলি। যেমন, চোখ থেকে জল পড়া, চোখ লাল হয়ে যাওয়া, মাথা যন্ত্রণা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া প্রভৃতি। এসব কিছু মোটেই এড়িয়ে যাওয়া উচিত্ নয়। মারাত্মক কিছু রোগের পূর্ব লক্ষণ এগুলি। তাই চোখ ভালো রাখার কয়েকটি সহজ উপায় জেনে নিন- ১) চিকিত্সকরা জানাচ্ছেন, চোখ ভালো রাখতে গেলে, সারাদিনে প্রচুর পরিমানে জল খাওয়া প্রয়োজন। রোজ অন্তত ৬ থেকে ৮ গ্লাস জল খেতে হবে। তার ফলে একদিকে যেমন চোখ পরিষ্কার এবং সুস্থ থাকবে, তেমনই ডিহাইড্রেশনেরও চিন্তা থাকবে না। ২) প্রত্যেক দিনের ডায়েটে তাজা ফল এবং সবজি রাখতে হবে। ফল এবং সবজি চোখকে বিভিন্ন রোগের প্রকোপ থেকে রক্ষা করে। যে সমস্ত খাবারে অ্যান্টি অক্সিডেন্টস রয়েছে যেমন, বিভিন্ন বেরি খেতে হবে। ৩) একটানা অনেকক্ষণ ডিজিট্যাল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা চলবে না। মাঝে মাঝে স্ক্রিন থেকে চোখ সরান। প্রতি ২০ মিনিট অন্তর কিছুক্ষণের জন্য কম্পিউটার, মোবাইল, টিভি স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে রাখুন। ৪) প্রসাধনী চোখের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত প্রসাধনী চোখে ব্যবহার করলে অ্যালার্জিক কনজাংটিভাইটিস, ব্লেফারাইটিস, স্টাই ইত্যাদি রোগ হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। ৫) রোদে বের হলে ইউভি প্রোটেকশনযুক্ত সানগ্লাস ব্যবহার করুন। যাতে সূর্যের প্রখর তাপ চোখে লাগতে না পারে। এছাড়া চোখ ভালো রাখতে ধূমপান করা বন্ধ করতে হবে।

16-04-2018 03:51:16 pm

দেরি করে ঘুম থেকে উঠা মৃত্যুর কারণ হতে পারে

১৬ এপ্রিল (এ.এন.ই ): যারা রাতে দেরি করে ঘুমাতে যান এবং সকালে দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন তাদের অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি বেশি থাকে। যুক্তরাজ্যের ৪ লাখ ৩৩ হাজার মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা যায় সকালে তাড়াতাড়ি ওঠা ব্যক্তিদের চেয়ে রাতজাগা মানুষের অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা ১০ শতাংশ বেশি। গবেষণায় দেখা যায় দেরি করে ঘুম থেকে ওঠার কারণে বিভিন্ন মানসিক ও শারীরিক জটিলতার শিকার হতে হয়। বিজ্ঞানীরা এ সংক্রান্ত গবেষণার জন্য চার ধরণের মানুষকে বেছে নিয়েছেন। যারা প্রতিদিন নিয়মিত সকালে ওঠেন, যারা মাঝে মাঝে সকালে ওঠেন, যারা মাঝে মাঝে দেরি করে ঘুমান এবং যারা প্রতিরাতে নিয়মিত রাত জাগেন। এই চারটি ক্যাটাগরিতে থাকা অংশগ্রহণকারীদের বয়স ৩৮ থেকে ৭৩ বছরের মধ্যে। পরে এই গবেষণাপত্রটি আন্তর্জাতিক ক্রোনবায়োলজি জার্নালে প্রকাশ করা হয়। সেখানে দেখা যায় যে ব্যক্তি নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে ওঠেন তার গড় আয়ু রাতজাগা ব্যক্তিদের থেকে সাড়ে ছয় বছর বেশি। তবে এর সঙ্গে ব্যক্তির বয়স , লিঙ্গ, গোত্র, ওজন, আর্থসামাজিক অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস, লাইফস্টাইল ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় জড়িত। এই সবগুলো বিষয়ের সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেব শেষেই দেখা যায়, সকাল বেলায় যারা ঘুম থেকে ওঠেন, তাদের অকাল মৃত্যুর হার সবচেয়ে কম। আর যাদের দেহঘড়ি অনিয়মে চলে তাদের এই ঝুঁকি বাড়তেই থাকে। রাত জাগার বদভ্যাস যারা গড়ে তুলেছেন তাদের ৯০ শতাংশ বিভিন্ন মানসিক ব্যাধির শিকার হন। ৩০ শতাংশের থাকে ডায়বেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। এছাড়া স্নায়বিক সমস্যা থেকে শুরু করে অন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে বেড়ে যায়। সুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রোনোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ম্যালকম ভনের মতে রাত জাগার এই সমস্যা বর্তমানে জনস্বাস্থ্য সমস্যায় রূপ নিয়েছে, যা এড়িয়ে যাওয়ার কোন উপায় নেই। এই সমস্যা দূর করতে অর্থাৎ সূর্যোদয় সূর্যাস্তের সঙ্গে দেহঘড়ির সামঞ্জস্য ঘটাতে কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে এ বিষয়ে আরো গভীর গবেষণার প্রয়োজন বলে জানান তিনি। নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ক্রিস্টেন নুটসন জানান, অবেলায় খাওয়া দাওয়া, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, ব্যয়াম না করা, রাতে ঘুম থেকে ওঠা বা মাদক সেবন এ ধরণের বদভ্যাসের পেছনে প্রধান কারণ দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ। এমন বিভিন্ন অনিয়মের ফলে মানুষের ঘুমের সময় ওলট পালট হয়ে যায় বলে জানান তিনি। তবে রাত জাগার কারণে আপনার শরীর মন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে, এমনটাও ভাবার কোন কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন অধ্যাপক নুটসন। তিনি জানান, শরীরের ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ জৈব প্রক্রিয়া বা দেহঘড়ির পরিচালনা নির্ভর করে জিনের বৈশিষ্টের ওপর। বাকিটা তার বয়স ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশের ওপর নির্ভর করে। অর্থাৎ কিছু বিষয় আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। আবার কয়েকটি ক্ষেত্রে চাইলেই পরিবর্তন আনা সম্ভব। নিজের দেহঘড়িকে নিয়মের মধ্যে আনতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস দিয়েছেন ঘুম বিশেষজ্ঞরা: ১. আপনার শোবার জায়গাটা এমন হতে হবে যেখানে সূর্যের আলো সহজেই পৌছায় কিন্তু রাতের বেলা অন্ধকার থাকে। ২. প্রতিরাতে একটি নির্দিষ্ট সময়ে বিছানায় যাওয়া এবং সেটা যেন খুব দেরিতে না হয়। ৩. সুস্থ লাইফস্টাইলের জন্য যে অভ্যাসগুলো গড়ে তোলা প্রয়োজন সেগুলো আয়ত্বে আনতে নিজের প্রতি কঠোর হওয়া। ঘুমের সময়ের সঙ্গে কোন অবস্থাতেই আপোষ করা যাবেনা। ৪. দিনের কাজ দিনের মধ্যেই শেষ করে ফেলার চেষ্টা করা। ৫. ঘুমানোর সময় মোবাইল ও ল্যাপটপ থেকে বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার থেকে দূরে থাকা।

16-04-2018 03:26:08 pm

সন্তানদের বৃদ্ধি না হওয়ার বিভিন্ন কারণ এবং তার চিকিৎসার সমন্ধে জেনে নিন

৯ এপ্রিল (এ.এন.ই ): বামনত্ব এক ধরনের শারীরিক সমস্যা। এটা পারিবারিক কারণে যেমন হতে পারে, তেমনি অপুষ্টি বা নানা রোগের কারণেও মানুষ বামনত্বের কবলে পড়তে পারে। এর বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা আছে। বিশ্বখ্যাত ফুটবলার লিওনেল মেসিও ছোটবেলায় বামনত্বে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং দীর্ঘদিন চিকিৎসার আওতায় ছিলেন। সফল চিকিৎসার কারণেই বিশ্ব আজ তাঁর মতো খেলোয়াড় পেয়েছে। কিন্তু শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার কারণ, সমস্যা নির্ণয় ও এর চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে আমাদের দেশের বেশির ভাগ মানুষ এখনো রয়েছে অন্ধকারে। যদিও এসব সমস্যার সফল চিকিৎসা এখন আমাদের দেশেও সুলভ। কী করে বুঝবেন আপনার শিশু বাড়ছে না: একটি শিশু যদি তার সমবয়সীদের তুলনায় কম উচ্চতাসম্পন্ন হয়, তবেই অভিভাবকরা এ নিয়ে চিন্তিত হতে পারেন। জেনে রাখুন একেক বয়সে উচ্চতা বৃদ্ধির হার একেক রকম। দুই বছর বয়স পর্যন্ত শিশু বছরে ২০ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এরপর এ হার কমে আসে এবং ৫-৬ বছর বয়স পর্যন্ত এই হার বার্ষিক ১০-১২ সেন্টিমিটার হয়। ৬-৭ বছরে আরো কমে বছরে ৫-৬ সেন্টিমিটার হারে বাড়ে। আবার বয়ঃসন্ধিকালে হঠাৎ করেই লম্বা হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায় এবং বছরে ১০-১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বাড়তে থাকে। ১৪-১৫ বছরের পর থেকে বৃদ্ধির হার আবারও কমতে থাকে, গড়ে ১ সেন্টিমিটার হারে বেড়ে চলে ১৯ থেকে ২১ বছর বয়স পর্যন্ত। এরপর বৃদ্ধি থেমে যায়। শিশুর বৃদ্ধি কেন ব্যাহত হয়: একটি শিশুর শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি অনেকটাই যেমন জিন ও পরিবেশগত বিষয়ের ওপর নির্ভর করে তেমনি নির্ভর করে তার সার্বিক সুস্থতা ও হরমোনের ওঠানামার ওপর। একেক এলাকায় ও একেক পরিবারে উচ্চতার প্রবণতা একেক রকম। এছাড়া শৈশবে কোনো দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, যেমন কিডনি বা ফুসফুসের রোগ, অপুষ্টি, হজমের গোলমাল ইত্যাদি কারণে শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। শরীরের প্রায় সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বৃদ্ধি যে হরমোনগুলো নিয়ন্ত্রণ করে তার মধ্যে থাইরয়েড ও গ্রোথ হরমোন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এ হরমোনগুলোর অভাবে শারীরিক ও মানসিক বৃদ্ধি থমকে যেতে পারে বা ধীর হতে পারে। নানা ধরনের জেনেটিক সমস্যায় মানুষ খাটো হয়, যেমন টার্নার বা ডাউন সিনড্রোমে। বৃদ্ধি প্রতিবন্ধকতা কী কী সমস্যার সৃষ্টি করে: ঠিকমতো বৃদ্ধি না হলে একটি শিশু নানা ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হয়। অনেক সময় এর সঙ্গে যৌবনপ্রাপ্ত না হওয়ার সমস্যাও দেখা দেয়, যা পরে তার বিবাহ, সন্তান ধারণ বা পারিবারিক জীবনকে ব্যাহত করে। এছাড়া খাটো শিশুরা টিজিং ও বুলিংয়ের শিকার হয় বেশি, সমাজে একঘরে হয়ে পড়ে, শিক্ষা বা কর্মক্ষেত্রে অনেক সময় মেধা থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে পড়ে। বৃদ্ধি প্রতিবন্ধকতার চিকিৎসা: কৃত্রিম গ্রোথ হরমোন আবিষ্কৃত হওয়ার আগে বামনাকৃতি শিশুদের চিকিৎসা ছিল দুর্লভ। কেননা তখন মৃতদেহের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে হরমোন নির্যাস সংগ্রহ করা হতো এবং এতে প্রায়ই প্রতিক্রিয়া ও নানা রোগের আশঙ্কা থাকত। ১৯৮৫ সালে এ পদ্ধতি বাতিল হয় এবং বর্তমানে কৃত্রিম গ্রোথ হরমোন সোমাট্রপিন বা নরডিট্রোপিন দিয়ে সাফল্যের সঙ্গে এর চিকিৎসা করা হচ্ছে। বর্তমানে যে কয়েকটি সমস্যায় গ্রোথ হরমোন থেরাপি ব্যবহৃত হয় তা হলো- ১. বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত শিশু, যার গ্রোথ হরমোন অপর্যাপ্ত ২. টার্নার সিনড্রোম ৩. কম ওজন ও ছোট আকার নিয়ে ভূমিষ্ঠ শিশু ৪. কিডনি জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে যাদের বৃদ্ধি বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী একটি নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত প্রতিদিন রাতে নির্দিষ্ট মাত্রার গ্রোথ হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয় এবং পর্যবেক্ষণ করা হয়। গ্রোথ হরমোনের সমস্যা ছাড়া বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হওয়ার অন্য কোনো কারণ থাকলে সঠিক কারণটি নির্ণয় করে সে অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। তবে দুটি বিষয় মনে রাখা জরুরি। এক. সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় ও পরামর্শ নেওয়া, দুই. যত কম বয়সে চিকিৎসা শুরু করা যায় ততই ভালো ফল পাওয়া যায়। কৈশোর বা তারুণ্যে এসে উচ্চতা বৃদ্ধি কি সম্ভব? উচ্চতা সমস্যা নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টি হয় আমাদের দেশে কৈশোরে বা তারুণ্যে এসে। যখন একটি তরুণ বা তরুণী দেখে যে সে আর দশজনের মতো নয়, এ সময় এরা উচ্চতা বাড়ানোর কৌশল হিসেবে নানা বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয় এবং নানা ধরনের অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসার আশ্রয় নেয়। আমাদের হাড়ের উচ্চতা তত

09-04-2018 04:07:48 pm

এক টানা বেশি সময় ধরে টিভি দেখা ডেকে আনতে পারে মৃত্যু

৯ এপ্রিল (এ.এন.ই ): টিভি দেখার অভ্যাস কমবেশি সবার আছে। রোজ অফিস থেকে বাড়ি ফিরে টিভিটা চালিয়ে এক কাপ গরম চায়ে চুমুক দেয়া অনেকেরই নেশা। ক্লান্তি কাটাতে নিজেকে সোফায় এলিয়ে দিয়ে টিভির রিমোট ঘুরিয়ে পছন্দের চ্যানেল দিয়ে দিলেই হল। কীভাবে সময় গড়িয়ে যায় মধ্য রাতের দিকে খেয়ালও থাকে না। গর্ব করে বলেন, সিগারেট ছুঁই না আমি। শুধু একটাই নেশা। টিভি। জানেন কি টিভির নেশাও সিগারেটের মতোই ক্ষতিকর? ডেকে আনতে পারে মৃত্যুও? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নাকি এখন মৃত্যুর আটটা প্রধান কারণের একটা হল দীর্ঘক্ষণ টিভি দেখা! টানা বসে টিভি দেখার সঙ্গে দুর্বল স্বাস্থ্যের সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক দল গবেষক। তাঁদের সমীক্ষা বলছে, আশি শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান দিনে গড়ে সাড়ে তিন ঘণ্টা করে টিভি দেখেন। গবেষকদের দাবি, এক টানা বেশি সময় ধরে টিভি দেখলে ক্যানসার বা কার্ডিওভ্যাসকুলার অসুখে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। টিভি দেখার নেশা ডেকে আনতে পারে ডায়বেটিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়া, পারকিনসন্স এবং লিভারের একাধিক সমস্যা। এই সমীক্ষার ফল আমেরিকান জার্নাল অফ প্রেভেনটিভ মেডিসিনে প্রকাশিত হয়েছে।

09-04-2018 03:58:25 pm

রাতে গভীর ঘুম ভাঙার কারণ গুলি জেনে নিন

৯ এপ্রিল (এ.এন.ই ): বিশেষজ্ঞদের মতে, মানব শরীরে বেশ কয়েকটি ‘এনার্জি মেরিডিয়ন’ রয়েছে, যা শরীরের বিভিন্ন অংশকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে এনার্জি জোগায়। সেই কারণেই রাতে গভীর ঘুমও ভেঙে যায়। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক এই এনার্জি মেরিডিয়ন আমাদের শরীরে কখন সক্রিয় হয়ে উঠে আমাদের ঘুম ভাঙিয়ে দেয়। রাত ১১টা থেকে একটা। এই সময়ে মানুষের শরীরের গল ব্লাডারের এনার্জি মেরিডিয়ন সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর থেকে ধরে নেওয়া হয় আপনি মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ। এজন্য নিজেকে ভালোবাসা এবং ক্ষমা করতে শিখুন। রাত একটা থেকে ৩টা। এই সময়ে লিভারের এনার্জি মেরিডিয়ন সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই সময়ে ঘুম ভাঙলে বুঝতে হবে, আপনি অল্পতেই রেগে যান। ঠাণ্ডা জল পান করুন। মনে করার চেষ্টা করুন কী কারণে আজ আপনি রেগে গিয়েছিলেন এবং চেষ্টা করুন তা সমাধান করতে। রাত ৩টা থেকে ভোর ৫টা। এই সময়ে লাঙ্গসের এনার্জি মেরিডিয়ন সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে আপনি দুঃখ অনুভব করতে পারেন। এই সময়ে ঘুম ভাঙলে জোরে জোরে শ্বাস নেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের কথা ভেবে নিজেকে আশাবাদী করুন। এছাড়া কোনো কারণ ছাড়াও ঘুম ভাঙতে পারে। যাকে বলা হয় ‘স্লিপ ইনারশিয়া’। এ সময় ঘুম ভাঙলেও মানুষের মস্তিষ্ক পুরোপুরি সজাগ থাকে না।  

09-04-2018 03:53:24 pm

মাথাব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কিছু প্রাকৃতিক উপায় জেনে নিন

৩ এপ্রিল (এ.এন.ই ): রোগ হিসেবে আমরা মাথাব্যথাকে তেমন একটা গুরুত্ব না দিলেও এটি কিন্তু বেশ যন্ত্রণার একটি বিষয়। ছোট বড় প্রায় সকলেই নানা কারণে বিভিন্ন সময় মাথাব্যথায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন। সাধারণত ঘুমের ঘাটতি, ক্লান্তি, দুশ্চিন্তা, মাইগ্রেন ইত্যাদি কারণে হয়ে থাকে মাথাব্যথা। অনেকে এই ব্যথা দূর করার জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন, অনেকে আবার ব্যথানাশক ঔষধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু খুব সহজে কিছু প্রাকৃতিক উপায়ে এই মাথাব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জানি কীভাবে মুক্ত হবেন এই ব্যথা থেকে। ১. আদা আদার অ্যান্টিইনফ্লামেটরি উপাদান মাথা ব্যথা কমাতে ভূমিকা রাখে। আদার উপকারী উপাদান সমূহ রক্ত প্রবাহ ঠিক রেখে মাথাব্যথায় দ্রুত আরাম দেয়। মাথাব্যথা শুরুর সাথে সাথে আদা চা খেতে পারেন, ব্যথা কমে যাবে। ২. জল পান করুন একচুমুক পানি পানও আপনাকে এক মিনিটের মধ্যে মাথা ব্যথা সারাতে কাজে দেবে। যখন আমাদের শরীর আর্দ্র হতে থাকে তখন ব্যথা ধীরে ধীরে কমে। ৩. লেবু ঝটপট মাথাব্যথা সারিয়ে তুলতে লেবুর তুলনা হয়না। ব্যথা শুরু হওয়ার সাথে সাথে আপনি যদি গরম জলের সাথে লেবু মিশিয়ে খান তাহলে মাথাব্যথা দ্রুত কমে আসবে। আপনি যদি লেবু পেস্ট করে কপালে লাগান তাতেও মাথা ব্যথা কমবে আর সাথে খেতে পারেন এক কাপ লেবু চা। ৪. লবঙ্গ কিছু লবঙ্গ তাওয়ার মধ্যে গরম করে নিন। গরম লবঙ্গ একটি রুমালের মধ্যে নিন। এক মিনিট এর ঘ্রাণ নিন এবং দেখুন মাথা ব্যথা চলে গেছে। ৫. মিষ্টিকুমড়োর বিচি খান মিষ্টি কুমড়োর বিচি ভেজে খেলে মাথাব্যথার সমস্যা থেকে দুত মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কারণ মিষ্টি কুমড়োর বিচিতে হয়েছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট যা মাথাব্যথা উপশমে কাজ করে থাকে। ৬. কাঠবাদাম খাওয়ার অভ্যাস রাখুন অনেক সময় আবহাওয়া, ধুলোবালির কারণে মাথাব্যথা শুরু হয়ে যায়, আবার অনেক সময় মানসিক চাপের কারণেও মাথা ব্যথা শুরু হয়। এই সকল ধরনের ব্যথা কমানোর জন্য একমুঠো বা দুইমুঠো কাঠবাদাম চিবিয়ে খান। কাঠবাদামে রয়েছে ‘স্যালিসিন’ যা ম্যথাব্যথা উপশমে কাজ করে রবং দ্রুত ব্যথা নিরাময় করে। ৭. পান পাতা পান পাতার প্রাকৃতিক মাথা ঠাণ্ডাকারী উপাদান মুহূর্তেই মাথা ব্যথা সারিয়ে তুলতে কার্যকারী অবদান রাখে। মাথাব্যথা সারাতে ঘরোয়া চিকিৎসা হিসেবে তাজা দেখে তিন থেকে চারটি পান পাতা নিয়ে মোলায়েম করে ছেঁচে কপালে লাগিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টার মধ্যে এটি আপনাকে মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি দেবে। ৮. লবণযুক্ত আপেল ব্যথা যদি বেশি হয় তবে এই ঘরোয়া পদ্ধতিটি চেষ্টা করে দেখতে পারেন।এক টুকরো আপেল চিবুতে পারেন তবে এতে একটু লবণ ছিটিয়ে নেবেন। এটা দ্রুত ব্যথা মুক্ত করতে সাহায্য করবে। ৯. হাসি খুশি মন অনেকেই হয় তো বিশ্বাস করবেন না, তবে মনকে যদি ইতিবাচক এবং ভালো বিষয়ের দিকে নিয়ে যান তবে মাথা ব্যথা ৬০ সেকেন্ডেই দূর হবে। চেষ্টা করেই দেখুন না! ১০. পেপারমিন্ট মাথাব্যথা সারিয়ে তোলার আরো একটি কার্যকরী উপায় হলো কপালে পেপারমিন্ট মালিশ করা আর ঘাড়ে সামান্য পেপারমিণ্ট মালিশ করা। এরূপে করেই দেখুন মাথাব্যথা একদম সেরে যাবে। ১১. আইসব্যাগ বাজারে নানা আকারের অনেক আইসব্যাগ কিনতে পাওয়া যায়। একটি আইসব্যাগে বরফ ভরে নিয়ে তা মাথার ওপরে অর্থাৎ ঠিক মাথার তালুতে খানিকক্ষণ ধরে রাখুন। দেখবেন মাথা ব্যথা উপশম হচ্ছে। তবে যাদের হুটহাট ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার প্রবণতা আছে তারা এই পদ্ধতি পালন করাই ভালো।

03-04-2018 12:21:21 pm

ইয়ারফোন মানুষ কে সম্পূর্ণ বধির হতেও সাহায্য করে ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের দাবি

৩ এপ্রিল (এ.এন.ই ): গান শুনতে কে না ভালোবাসে। তাই স্মার্টফোনের সঙ্গে এখন বেশিরভাগ মানুষেরই সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে গেছে ইয়ারফোন। কানে দিয়ে রাখলে আপনি পুরো জগতের থেকে আলাদা। কিন্তু জানেন কি, ইয়ারফোন যেমন আপনাকে নিজের জগতে বাঁচতে সাহায্য করে, তেমনই শরীরের একটা অঙ্গকে পুরোপুরি বিকল করে দিতে পারে। ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের (WHO) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইয়ারফোনের কারণে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে কানের। শুধু তাই নয়, সর্বক্ষণের সঙ্গী এই ইয়ারফোনের জন্য আপনি পুরোপুরি বধিরও হয়ে যেতে পারেন। ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশন সম্প্রতি এক তথ্য প্রকাশ করেছে। সেই তথ্যে জানানো হয়েছে, ১.১ বিলিয়ন টিনএজার, যারা প্রায় সারাক্ষণই ইয়ারফোন ব্যবহার করেন, তাদের কানে মারাত্মক হতে পারে। SEI তথ্যে প্রকাশ হয়েছে, ইয়ারফোনের মাধ্যমে ১২ থেকে ৩৫ বছর বয়সীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। মাইকের শব্দের মতোই ইয়ারফোনের তীব্র আওয়াজও কানের জন্য খুবই ক্ষতিকর। ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের (হু) তথ্য অনুযায়ী, যদি কোনও ব্যক্তি টানা ১ ঘণ্টা ৮৫ ডেসিবেলে গান শোনেন কিংবা মাত্র ১৫ মিনিট ১০০ ডেসিবেলে গান শোনেন, তাহলে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে কানের।

03-04-2018 12:10:59 pm

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কী ক্ষতি হচ্ছে জেনে নিন

১ এপ্রিল (এ.এন.ই ): কিশোর কিশোরী থেকে শুরু করে বয়স্করাও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন। ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাটে ছবি হোক কিংবা মনের কথা বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করেন। সোশ্যাল মিডিয়ার নেশায় জড়িয়ে পড়ছেন প্রত্যেক বয়সের মানুষই। ছোট ছোট বাচ্চারাও ব্যবহার করছে তাদের বাবা বা মা কিংবা কোনও অভিভাবকের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট। তবে জেনে নিন কম বয়সে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কী ক্ষতি করছে তাদের ইউনিভার্সিটি অফ এক্সেসের গবেষকরা সম্প্রতি একটি তথ্য প্রকাশ করেছেন। যাতে তারা জানাচ্ছেন, কিশোর এবং কিশোরী উভয়ই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করলেও ১০ থেকে ১৫ বছর বয়সী কিশোরীদের স্বাস্থ্যের জন্য তা খুবই ক্ষতিকর। তারা জানাচ্ছেন, কিশোরদের তুলনায় এই বয়সী কিশোরীরা দিনে ১ ঘণ্টারও বেশি সময় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। সেখানে এই বয়সের কিশোররা গেম খেলায় বেশি সময় দেয়। গবেষকদের মতে, কিশোর বয়সে অতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার তাদের মনের উপর প্রভাব ফেলে। যাতে ক্ষতিগ্রস্থ হয় কিশোরীদের মস্তিষ্ক। মস্তিষ্ক সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারে না। তাই আপনার বাড়ির কিশোরীও যদি অতিরিক্ত পরিমাণে সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ে, তাহলে তাকে এখনই সাবধান করুন।

03-04-2018 11:55:38 am

কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারে যে যে সর্তকতা অবলম্বন করবেন তা জেনে নিন

২৯ মার্চ (এ.এন.ই ): শুধুমাত্র চশমার বিকল্প হিসেবে নয়, বর্তমানে স্টাইল ও ফ্যাশনের জন্যও অনেকে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন। তবে এক্ষেত্রে অনেকে নিজের অজান্তেই কিছু ভুল করে থাকেন। আর এসব অসাবধানতা বা ছোট একটু ভুলের জন্য হয়ে যেতে পারে দৃষ্টিহানির মত কঠিন সমস্যা অথবা চোখের রোগ। ১। দীর্ঘসময় কন্টাক্ট লেন্স চোখে ব্যবহার করা দীর্ঘসময় (১০ থেকে ১২ ঘন্টা) চোখে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা উচিত নয়। এটি চোখের জন্য ক্ষতিকর। এটি চোখের কর্নিয়ায় অক্সিজেন পৌঁছাতে বাঁধা প্রদান করে। যার কারণে খুব সহজে চোখ জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। ২। লেন্সে সাধারণ জল ব্যবহার করা লেন্সে সরাসরি পানি দেয়া উচিত নয়। পানিতে অনেক মাইক্রো অরগানিজম থাকে যা পরবর্তীতে চোখের ক্ষতি করতে পারে। ৩। হাত না ধোয়া অনেকে সময় স্বল্পতার জন্য অথবা আলসেমি করে লেন্স পরা বা খোলার সময় হাত ভালো ভাবে ধুয়ে নিতে চান না। ভালোভাবে হাত না ধোয়া হলে এই জীবাণু হাতের মাধ্যমে লেন্সে চলে যায় এবং পরবর্তীতে চোখের সমস্যা তৈরি করে। সুতরাং লেন্স ধরার আগে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নেয়া প্রয়োজন। ৪। চোখ ব্যথা করলেও লেন্স ব্যবহার করা চোখে কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করে যদি চোখ ব্যথা করে তবে সাথে সাথে তা খুলে ফেলুন। চোখকে কষ্ট দিয়ে লেন্স ব্যবহার করবেন না। ৫। চোখ পরীক্ষা না করা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারের আগে একবার কোনো চিকিৎসক দ্বারা চোখ পরীক্ষা করে নিন। লেন্স ব্যবহারে চোখে জ্বালাপোড়া, চুলকানি, লাল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। ৬। লেন্স পরে পানিতে যাওয়া পানিতে প্রচুর পরিমাণে ব্যাকটেরিয়া থাকে। তাই সাঁতার কাটার সময় লেন্স খুলে জলে নামা ভালো। ৭। কন্টাক্ট লেন্স পরে ঘুমানো ভুলেও কন্টাক্ট লেন্স পরে ঘুমাতে যাবেন না। এটি চোখের ভেতর ইনফেকশন সৃষ্টি করে। লেন্স পরার কারণে কর্নিয়ায় অক্সিজেন প্রবেশ করতে পারে না যার কারণে খুব সহজে জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

29-03-2018 04:25:32 pm

ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে সবজি ও ফল জেনে নিন

২৯ মার্চ (এ.এন.ই ): শুধু রূপচর্চা করলেই হবে না, দীপ্তিময় ত্বকের জন্য চাই পুষ্টিকর খাবার। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় এরকম বেশ কয়েকটি সবজি ও ফল রয়েছে। সেগুলিই সাহায্য করে ত্বক সুন্দর করে তুলতে। আমলকী: সকালে খালি পেটে আমলকী খান। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় এটা ত্বক টানটান রাখতে ও দীপ্তি বাড়াতে সাহায্য করে। আপেল: আপেল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, এটা ত্বকের কাঠিন্য দূর করে এবং ত্বকের মৌলিক ক্ষতি পূরণ করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটা আপেল অথবা এর জুস পান করুন। বিটরুট: অ্যান্থোসায়ানিন্স সমৃদ্ধ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিটরুটে পাওয়া যায় যা বলিরেখার বিরুদ্ধে কাজ করে। চাইলে বিটরুট সিদ্ধ করে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন। নিয়মিত পানে গালের দুপাশে উজ্জ্বলতা ফুটে উঠবে। গাজর: গাজরে আছে বেটা ক্যারোটিন যা শরীরে ভিটামিন এ হিসেবে রূপান্তরিত হয়। এটা ত্বকে বয়সের ছাপ দূর করতে সহায়তা করে। লেবু: ব্রণ, দাগ ও ব্ল্যাকহেডস প্রতিরোধে কাজ করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই হালকা গরম জলে লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। মিষ্টি কুমড়ার বীজ: মিষ্টি কুমড়ার বীজে আছে জিঙ্ক, এটা নতুন কোষ গঠনে সাহায্য করে। এই বীজ ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়। ভালো ফলাফলের জন্য মুঠোভরে মিষ্টি কুমড়ার বীজ খান। পালংশাক: পালংশাক অ্যান্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর, এটা ত্বকের কোষকে দৃঢ় করে এবং বিষাক্ত উপাদান বের করে দেয়। ফলে ত্বক পরিষ্কার দেখায়। স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরিতে আছে ত্বকের রং হালকা করার ক্ষমতা। এটা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা ত্বকে প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বল ভাব আনে। স্ট্রবেরির স্মুদি অথবা পেস্ট তৈরি করে দই ও মধু মিলিয়ে মুখের ত্বকে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন। মিষ্টি আলু: অ্যান্টি-ইনফ্লামাটরি উপাদান সমৃদ্ধ। আর আছে ভিটামিন এ এবং সি। অল্প নুন দিয়ে মিষ্টি আলু সেদ্ধ করে নিন। এরপর এতে গোল মরিচ, লেবুর রস মিশে খান। এটা একটা আদর্শ বিকালের নাস্তা হতে পারে। টমেটো: রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যাসিডিক উপাদান। এটা ত্বকের লোমকূপ টান টান করতে এবং ব্রণ ও অন্যান্য ক্ষতি দূর করতে সাহায্য করে। এর লাইকোপেইন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বার্ধক্য প্রতিরোধে কাজ করে। তাছাড়া রোদপোড়া-ভাব কমায় এবং ত্বক ঝুলে পড়া প্রতিরোধ করে।

29-03-2018 04:21:12 pm

তারুণ্যকে ধরে রাখার খাবারের তালিকা জেনে নিন

২৯ মার্চ (এ.এন.ই ): গবেষণা বলছে, মানুষ সব সময় তারুণ্য ধরে রাখতে চায়। এজন্য বিভিন্ন কৌশলও অবলম্বন করে। ব্যায়াম-রূপচর্চার পাশাপাশি খাদ্যাভাস এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।কারণ এমন কিছু খাবার রয়েছে যা নিয়মিত খেলে ত্বকের লাবন্য ধরে রাখার পাশাপাশি জিনের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করবে যে তার প্রভাবে শরীরেরও বয়স কমবে চোখে পড়ার মতো। চলুন জেনে নেওয়া যাক তেমন কিছু খাবারের নাম। জাম: এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে, যা বয়স বাড়ার গতিকে আটকায় এবং শরীর এবং ত্বকের সৌন্দর্য বাড়তে সাহায্য করে। আঙুর: রেজভারেটল নামে একটি যৌগ রয়েছে এই ফলটিতে, যা একাধারে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং অ্যান্টি- কোয়াগুলেন্ট। এই উপাদান দুটি হার্টকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। ফলে শরীরও তাঙ্গা থাকে। টমেটো: এতে লাইকোপেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, ত্বকের লাবন্য ধরে রাখতে সহায়তা করে। গ্রিন টি : এই চা পান করলে শরীরে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের প্রবেশ ঘটে। যা ক্যান্সার, হার্ট ডিজিজ, এমনকি অ্যালঝাইমার রোগ প্রতিরোধে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। দই : গবেষণায় দেখা গেছে, দই দেহের ভেতরে প্রোটিনের ঘাটতি দূর করার পাশাপাশি উপকারি ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বাড়তে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে শরীরে রিবোফ্লাবিন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি১২ এর মাত্রাও বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে শরীরের বয়স কমে চোখে পড়ার মতো। সবুজ শাক-সবজি : সবুজ শাক-সবজিতে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সেলের ক্ষয় আটকে ত্বক এবং শরীরে বয়স ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। গাজর: এই সবজিতে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন এ। যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাছাড়া ত্বকের জন্যও গাজর অত্যন্ত উপকারী। ভিটামিন এ কোষ গঠনে সাহায্য করে তাই ত্বক সুন্দর রাখে। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার রোধেও সাহায্য করে গাজর।

29-03-2018 04:12:42 pm

ভোরে ঘুম থেকে ওঠার উপায় জেনে নিন

২৬ মার্চ (এ.এন.ই ): তাই নিয়মিত বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন দেখবেন আস্তে আস্তে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শরীরের শক্তিমত্তাও বাড়বে। কাজে কর্মে পাবেন পূর্ণ উদ্যোম। ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিরা বেলা করে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিদের তুলানায় বেশি সফল বলে এক গবেষনায় দেখা গেছে। কারণ, সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠতে পারলে কাজ এবং অবসর দুটোর জন্যই অনেক বেশি সময় পাওয়া যায়। কিন্তু লাগামছাড়া ঘুমটাকে যেন কিছুতেই বশ মানানো যায় না। হ্যাঁ, অসংখ্য পরিশ্রমী মানুষ এই সমস্যাতেই ভুগছেন। তবে এই সমস্যা সমাধানের কিছু সহজ উপায় আছে যার মাধ্যমে দেখতে পাবেন ভোরের আলো আর জীবনে পাবেন সাফল্য। আসুন জেনে নেই, সকালে ঘুম থেকে ওঠার উপায়। ঘুমকে প্রাধান্য দিন : যেকোনো অজুহাতের কারণে রাতে ঘুমাতে যেতে দেরি হয় আপনার। কিন্তু চেষ্টা করুন প্রতিদিন রাতে তাড়াতাড়ি ও একই সময়ে ঘুমানোর এবং জেগে ওঠার। প্রথমে একটি পদক্ষেপ নিন : আপনার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সময় নির্ধারণ করুন এবং ছোট ছোট পদক্ষেপ নিন। প্রথম দিন আপনার নিয়মিত ঘুমানোর সময়ের চেয়ে ১৫ মিনিট পূর্বে ঘুমাতে যান এবং ১৫ মিনিট আগে ঘুম থেকে জেগে উঠোন। পরদিন ৩০ মিনিট আগে ঘুমান। এভাবে আস্তে আস্তে সময় বাড়াতে পারেন। দুপুরের তন্দ্রাকে এড়িয়ে চলুন : যদি ডাক্তারের পরামর্শ না থাকে তাহলে দুপুরে ঘুমাবেন না। কারণ দুপুরের ঘুমের কারণেই রাতে দেরিতে ঘুম আসে এবং সকালে ওঠতেও দেরি হয়। তাই দুপুরের ঘুমকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য দুপুরে কাজ করুন বা শখের কাজের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করুন। চক্রটিকে ভাঙ্গুন : আপনি দেরিতে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে দেরিতে ওঠেন– আপনার এই ঘুম চক্রটি থেকে বের হওয়া প্রয়োজন। এর জন্য জোর করে হলেও একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং ঘুম থেকে জেগে উঠুন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১ গ্লাস উষ্ণ দুধ পান করুন, ব্যায়াম করুন। এ কাজগুলো আপানাকে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে সাহায্য করবে। কফি খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করুন : দুপুরের পর বা বিকাল থেকে ক্যাফেইন খাওয়ার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনবেন। এক গবেষণায় বলা হয়, ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন খেলে ৬ ঘণ্টা পর তা ঘুমের সমস্যা করে। স্বাভাবিক আকারের এক কাপ কফিতেই এ পরিমাণ ক্যাফেইন থাকে। বিকাল ৫টার আগে থেকেই কফি খাওয়া বন্ধ করা উচিত। সঠিক পরিবেশ তৈরি করুন : রাতে ঘুমানোর পূর্বে ক্যামোমিল বা ল্যাভেন্ডার এর চা পান করুন বা বই পড়ুন যা আপনাকে শান্ত করতে সাহায্য করবে। প্রতিরাতে এর পুনরাবৃত্তি করুন। সময়ের সাথে সাথে আপনার শরীর এই নিয়মের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে এবং আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন কখন আপনার বই বন্ধ করা উচিৎ এবং আপনার ঘুমও চলে আসবে। আপনার ঘরের পরিবেশ ও ঘুম আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যদি আপনার শোয়ার ঘরটি পরিষ্কার-পরিছন্ন থাকে তাহলে আপনার মন শিথিল থাকবে এবং দ্রুত ঘুম চলে আসবে।

26-03-2018 01:49:45 pm

জেনে নিন পুরুষেরা মেয়েদের মধ্যে কোন ৭টি বিষয় আগে দেখে থাকে

১৯ মার্চ (এ.এন.ই ): কথায় বলে প্রথম দেখাতেই বাজিমাৎ করতে হয়। আর তাই যদি হয় তাহলে নারীদের আরও একটু বেশি সতর্ক হতে হবে। কারণ পুরুষদের কাছে, আগে দর্শনধারী। তবে যুগের সঙ্গে চিন্তাধারা অনেক কিছু বদলালেও সবটা তো আর বদলে যায় না। তাই আগেভাগেই নিজের দিক থেকে ফিট অ্যান্ড পারফেক্ট থাকুন। আর সেই সঙ্গেই জেনে নিন পুরুষেরা মেয়েদের মধ্যে কোন ৭টি বিষয় আগে দেখে থাকে- ১। হাসি- হাসিরও ধরন রয়েছে। আর সেই ধরনের মধ্যে ফ্রেন্ডলি হাসি থেকে আবেদনময়ী হাসিও কিন্তু তালিকার অনেকটা ওপরের দিকে। তবে ইনোসেন্ট স্মাইলও পছন্দও করেন পুরুষেরা। তবে ব্যঙ্গাত্মক হাসি একটু কম হাসলেই ভালো। পুরুষ শুধু নয়, তা মহিলা, নির্বিশেষে অনেকেরই পছন্দ হয় না। ২। ব্যবহার- অ্যাটিটিউড পরিমাণ মতো রেখে, বিনম্র হলেই কিন্তু পয়েন্টের দিক থেকে এগিয়ে থাকবেন। ৩। গ্রুমিং- সর্বদা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এবং ওয়েল ড্রেসড হওয়াটাই কিন্তু বাধ্যতামূলক, যদি আপনার লক্ষ্যে আপনি পৌঁছাতে চান। ৪) চুল- শুধু সুন্দর মুখশ্রী নয়, আপনার চুল কিন্তু অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় যেদিকে পুরুষদের চোখ থাকে। তাই মানাসই হেয়ারস্টাইল এবং পরিষ্কার চুল রাখতে হবে। ৫) চোখ- চোখে চোখেই যেখানে হাজার কথা হয়, সেখানে চোখের যত্ন না নিলে হয়। চোখ আপনার যেমনই হোক, পরিবেশ অনুযায়ী তাকেও সাজিয়ে তুলুন আর হয়ে উঠুন অনন্যা। ৬। কিভাবে হাঁটেন- ভালো পোশাকের সঙ্গে কিন্তু আপনার হাঁটার স্টাইলও ভালো হতে হবে। তবে পোশাক অনুযায়ী হাঁটার স্টাইল মাথায় রাখবেন। অনেক খুঁটিনাটি জিনিস মেনে চললে তবেই না পারফেকশন আসবে। ৭। বুদ্ধিমত্তা- সব কিছুর পরেও যে বিষয়টা না থাকলে একেবারেই সব জিরো, তা হল আপনার বুদ্ধি। কথা বলুন কিন্তু ভেবেচিন্তে। সম্পর্ক তৈরি হয় সহজেই কিন্তু আপনার বুদ্ধি তাকে ধরে রাখার ক্ষেত্রে প্রধান এবং শেষ কথা।

19-03-2018 03:48:19 pm


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.