• অমরপুর-গন্ডাছড়া সরকে এক অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ
  • শীঘ্রই পুনরায় চালু হচ্ছে বন্ধ হয়ে যাওয়া জাইকা প্রকল্পের কাজ: মুখ্যমন্ত্রী
  • দেশের উন্নতি, রাজ্যের উন্নতি হতে গেলে বিভেদ নয় হিন্দু-মুসলিম এবং জাতি-উপজাতির মধ্যে ঐক্য গরে তোলা: সুশান্ত চৌধুরী
  • কাশীপুর এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় আহত মা ও ছেলে, গ্রেপ্তার গাড়ির চালক ও সহ চালক
  • অগ্নিদগ্ধ হয়ে গর্ভবতী এক নাবালিকার মৃত্যু
  • আগরতলার মাস্টারপাড়া থেকে গ্রেফতার কুখ্যাত নেশা কারবারি
  • ধর্মনগর দেওছড়ায় যান দুর্ঘটনায় মৃত ২, আহত ২
  • মননের বিকাশের জন্য বই পরা প্রয়োজন: মুখ্যমন্ত্রী
  • স্কুলের ভিতরে মদের বোতল দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ শিক্ষামন্ত্রী
  • ক্রাইম ব্রাঞ্চের আইজির দায়িত্ব নিতে চলেছেন আইপিএস রাজীব সিং
  • মহাকরণে চালু হল বায়োমেট্রিক সিস্টেম
  • রক্তের অভাবে মারা গেল একটি শিশু
  • রাজ্যে প্রচণ্ড দাবদাহে মৃত্যু ১
  • হাওড়া নদীতে চৌদ্দ দেবতার অবগাহনের মধ্য দিয়ে থেকে শুরু হল ৭ দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী খার্চি উৎসব
  • প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনায় খুশির হাসি ফুটলো গৃহিণীদের মুখে
  • ধলাই জেলায় শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে পর্যালোচনা সভা
  • শীঘ্রই আগরতলায় চালু হচ্ছে রেডিও ট্যাক্সি পরিষেবা
  • শিক্ষামন্ত্রীর কড়া বার্তায় থরথরি কম্প স্কুল শিক্ষক শিক্ষিকাদের
  • হোস্টেলে ছাত্রীর মৃত্যু নিয়ে রহস্যে
  • লেফুঙ্গায় বিএসি চেয়ারম্যানের বদল নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঙ্কার আইপিএফটির
  • জিরানিয়া থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫০ কেজি গাজা উদ্ধার
  • গৌমতী নদীতে চৌদ্দ দেবতার অবগাহনের মধ্য দিয়ে শুরু হল ৭ দিন ব্যাপী ঐতিহ্যবাহী খার্চি উৎসব
  • চার বছর অতিক্রান্ত, আজও সরকারী সাহায্য থেকে বঞ্চিত নিহতদের পরিবার
  • সিধাই মুয়াবাড়ি এলাকায় ফেরিওয়ালা হত্যাকাণ্ডে ধৃত আরো ২ যুবক
  • সরকারী নিয়মকে অগ্রাহ্য করে চলছে তিনের অধিক যাত্রী পরিবহন

ইক্সক্লোসিভ ভিডিও

ঘরেই বানিয়ে নিন লাইটিং লেন্টার্ন

ত্বকের উজ্বলতার জন্য ২০টি টিপস

ডেনমার্কে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম লম্বা ডিম! দেখুন কীভাবে লম্বা ডিম পাড়ে মুরগী

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

বিজ্ঞাপণ ব্যানার

লাইফস্টাইল

00310
0057
0057
0057
0057
মন ভালো রাখার কিছু উপায় জেনে নিন

৫ই ডিসেম্বর (এ.এন.ই ): দেহের সুস্থতা থেকে মনের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। কারণ আমাদের মনই যে কোনো ব্যাপারে প্রথমে সাড়া দেয়। আর তাই শুধু শারীরিক সুস্থতা ও কায়িক পরিশ্রম দিয়েই একজন মানুষ সব সময় ভালো থাকতে পারে না। মন ভালো রাখার কিছু উপায় জেনে নিন- ক্ষমা : ধরুন আপনার সঙ্গে একজনের খারাপ সম্পর্ক আছে। আপনার মনের মধ্যে তার ছবি কল্পনা করে এবং আপনার উচ্চ সত্তা থেকে ভালোবাসার শক্তি নামিয়ে এনে বার বার বলুন, তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। একপর্যায়ে আপনি মনে মনে চিন্তা করতে থাকুন যে এ সমস্যাটা ঠিক হয়ে গেছে এবং আপনি লোকটিকে ক্ষমা করতে পেরেছেন। দ্বিতীয়বার যখন আপনি এটি করতে যাবেন দেখবেন আপনার মধ্যে লোকটির প্রতি একটু হলেও ভালোবাসা এসেছে। আর যদি ভালোবাসা নাও আসে তবে আবার আপনি একইভাবে এটি করতে থাকুন। একসময় দেখবেন সত্যিই আপনি তাকে ক্ষমা করতে পেরেছেন। যে কোনো বিষয়ে আপনি এ পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। স্থির হওয়ার ব্যায়াম : একটি চেয়ারে বসুন এবং পা দুটি মেঝেতে রাখুন। চোখ বন্ধ করুন ও মনে মনে চিন্তা করুন যেন আপনার মেরুদণ্ডের শেষ প্রান্তে, যোগের ভাষায় যাকে কু-লী বলে, সেখানে একটি বৈদ্যুতিক তার লাগানো রয়েছে। এ তার আপনার মাথার ওপরের শান্ত সাগরের মতো পৃথিবীর ঠিক মাঝখান থেকে ঝরনাধারার মতো নেমে এসেছে। এটি আপনার দেহে ঢুকে সব বর্জ্য পদার্থ ও খারাপ কিছু চুষে নিচ্ছে। আপনি নিজেকে খুব হালকা বোধ করছেন। প্রথম প্রথম এটি করতে শান্ত জায়গার প্রয়োজন হবে। পরে, আপনি এটি আয়ত্ত করতে পারলে যে কোনো স্থানে বা জায়গায় যেমন অফিসে, রাস্তায়, লোকালয়ে করতে পারবেন। মন শান্ত রাখার জন্য এটি একটি মহৌষধ। এর উপকারিতা আপনি প্রতি মুহূর্তে বুঝতে পারবেন। শান্ত থাকার যোগ : আমরা বেশির ভাগ সময় আমাদের নিজেদের কামনা-বাসনা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ি। সব সময় আমাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা কাজ করে- 'আমার কী হবে? আমি এটি পাব কি পাব না? এটি পেতে আমার কী করা উচিত বা অনুচিত?' কিন্তু এটা না করে স্থির থাকুন। নিজেকে আট বছরের বালক বা বালিকা ভাবুন। নিজের দোষ-গুণ সম্পর্কে নিজেকে নিরপেক্ষ কিন্তু নরমভাবে প্রশ্ন করুন। নীরবতাকে মনের মধ্যে আহ্বান করুন এবং বলতে থাকুন- 'নীরবতা এসো', 'শান্ত হও'। একটু পরেই দেখবেন আপনার মন শান্ত হয়ে গেছে। যখনই অশান্ত হয়ে পড়বেন তখনই এটি করতে থাকবেন। তিন চক্রকে সক্রিয় রাখা : বিশুদ্ধ চক্র, অনাহত চক্র ও মণিপুর চক্রের মধ্যে দিব্য আলো, আনন্দ, চেতনা খেলা করতে থাকে। তাই এ চক্রগুলো সক্রিয় রাখা খুব জরুরি। কণ্ঠ, হৃদয় ও প্লিহার ওপরে চাপড়াতে থাকুন। এতে এ চক্রগুলো সক্রিয় হবে। দিনে দুই মিনিট করে আপনি এটি করতে থাকুন। স্নায়ু উত্তেজক ব্যায়াম : জড়তা কোনো ভালো বিষয় নয়। একে যোগের ভাষায় 'তামসিক ভাব' বলা হয়ে থাকে। স্নায়ু উত্তেজিত ও জড়তা দূর করতে আপনি বিভিন্ন যোগব্যায়াম করতে পারেন। যেমন আপনার এক হাতের তালুর একটু ওপরে অন্য হাতের বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিন। আস্তে আস্তে আঙ্গুলগুলো বুড়ো আঙ্গুলের দিকে নামিয়ে আনুন। পনের বার এটা করুন। এতে আপনার জড়তা দূর হবে। কুকুর অথবা বিড়াল পোষা : বেশির ভাগ মানুষ স্বার্থপর হয়ে থাকে। আবার অনেকের মধ্যে পশুবৃত্তি আছে। প্রাণীদের আচার-আচরণ সংক্রামক। কুকুর প্রভুভক্ত। এদের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, শিশুসুলভ আচরণ, খেলাপ্রিয়তা ও অল্পে তুষ্ট থাকার প্রবণতা আপনার মধ্যেও সংক্রামক রোগের মতো প্রবাহিত হয়ে থাকে। তাই স্বার্থপর মানুষকে সঙ্গ না দিয়ে প্রাণীদের সঙ্গ দেওয়া অনেক ভালো। সাগরের জলেতে সাঁতার : আমাদের সম্পূর্ণ দেহের ওপর একটি বলয় আছে যাকে 'সূক্ষ্ম দেহ' বলে। এ সূক্ষ্ম দেহ অলৌকিক আভা দিয়ে তৈরি, যা আমাদের দৈহিক ও আত্দিক সুস্থতা প্রকাশ করে থাকে। আমাদের দেহকে এ অলৌকিক আভা প্রকাশের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আর তাই প্রতিদিন ভোরে সাগরের জলেতে স্নান করতে হবে। কারণ লবণাক্ত জলকে প্রাকৃতিক পরিষ্কারক বলা হয়। দেহের অতিরিক্ত বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে ও দেহে মিনারেলের সমতা আনতে লবণের গুরুত্ব অপরিসীম। দেহ পরিষ্কার না থাকলে রোগ দেহে বাসা বাঁধবে এবং জীবনটাকে বোঝা ও বিরক্তিকর মনে হবে। রংতুলি ব্যবহার : শিশু মানেই নিষ্পাপ ও পবিত্র কিছু। শিশুদের মতো রংপেনসিল নিয়ে আঁকতে শুরু করুন। চোখ বন্ধ রেখে কিছুক্ষণ ধ্যান করে মন শান্ত করুন। এরপর আপনার মস্তিষ্ক সচল করার জন্য কাগজের ওপর একটি বৃত্ত আঁকুন এবং একে আট ভাগে ভাগ করুন। এ আট ভাগে আপনার ইচ্ছামতো রং দিয়ে বৃত্তটি পূরণ করুন। ছবি আঁকার পদ্ধতি সম্পর্কে আপনি জানুন বা না জানুন এসব নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না। গাছ লাগানো: গাছ লাগানো খুব ভালো একটা অভ্যাস। বাগান করা মনের খোরাক জোগায়। গাছ লাগানো ও পরিচর্যা আপনাকে প্রকৃতির কাছে নিয়ে যাবে, প্রকৃতিপ্রেমিক করে তুলবে, প্রকৃতির মতো উদার হতে সাহায্য করবে। বাড়িতে করা বাগান থেকে আপনি সতেজ বাতাস পাবেন। তা ছাড়া আপনি রান্নার জন্য তাজা সবজি পাবেন। এ ছাড়াও মনোবিজ্ঞানীরা সবাইকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট প্রাণ খুলে হাসার পরামর্শ দিয়েছেন। আরও কিছু উপায়ে হয়তো আপনি আনন্দে থাকতে পারেন। যেমন শত ব্যস্ততার মাঝেও অন্তত সপ্তাহের একটি দিন বা একটি ঘণ্টা প্রিয়জনের সঙ্গে কাটান। তাদের নিয়ে বেড়াতে যান কোনো পছন্দের জায়গায়।


Copyright © 2017 আগরতলা নিউজ এক্সপ্রেস. All Rights Reserved.